সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

আসহাবু কাহাফের ঘটনা

এ ঘটনাটি এতই প্রসিদ্ধ এবং এর স্বপক্ষে ভুতাত্বিক ও ঐতিহাসিক যুক্তিপ্রমাণ
এতটাই শক্তিশালী ও অখন্ডনীয় যে, কোন স্বাভাবিক, সুস্থ মস্তিস্ক ও নীতিবান লোকের
পক্ষে তা অস্বীকার করা সম্ভব নয়।   

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

ডিপ্রেশন? কি , কেন?

which does not kill us makes us stronger.”

আপনার রেটিং: None

কবরের চার প্রশ্ন

সবাই মিলে গোরস্থানে

দিবে আমায় কবর

দাফন শেষে চলে যাবে

নিবেনা কেউ খবর।

মুনকিরনাকির প্রশ্ন করবে

রব্ব কে ছিলো তোমার? 

বলতে যেন পারি তখন  

আল্লাহ যে রব্ব আমার।

ফেরেস্তারা প্রশ্ন করবে

বলো তোমার দ্বীন

বলবো আমি ফেরেস্তাদের

ইসলাম আমার দ্বীন।

ফেরেস্তারা বলবে আরো

তোমার নবী কে

বলবো আমি মুহাম্মাদুর রাসুসুল্লাহ

নবী আমার যে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

How much land does a man require?

How much land does a man require?   লিও টলষ্টয়ের আরও একটি সেরা গল্প। 

একজন লোভী কৃষককে নিয়ে টলষ্টয়ের এ কাহিনী। কৃষকের নাম পাহম। স্ত্রী ও সন্তানদেরকে নিয়ে রাশিয়ার একটি গ্রামে বাস করতো সে। হঠাৎ একদিন সে শুনলো: দূরে এক জায়গায় এ গ্রামের চেয়েও ভালো এবং উবর জমি পাওয়া যায়। দামও তেমন বেশী না। পাহমকে আর পায় কে! জমি জিরাত সব বিক্রি করে দিয়ে পরিবার পরিজনসহ সেই জায়গায় চলে গেল পাহম।

পাহমের আনন্দ আর ধরেনা। নতুন এ জায়গায় যা-ই বুনে অল্প ক’দিনেই তা লক লক করে বেড়ে উঠে। আহ! আরও আগে যদি সে এ বসতির খবর জানতো!

দিন যায়, বছর আসে। পাহমরা এখানে এসেছে দু’বছর হয়েছে। তার অর্থ-সম্পদ আগের চেয়ে এখন প্রায় চারগুণ। কিন্তু এতো পেয়েও কেমন যেন অতৃপ্ত পাহমের অন্তর। তার আরও অর্থ-সম্পদ চাই। এরচেয়েও কম দামে কোথাও জমি পাওয়া যায় কিনা খোজ লাগাল সে। 

দু’দিন পর এক লোক খবর নিয়ে এল: জমি আছে, তবে এখান থেকে কিছু দূরে। দামও কম। বারো মাসই ফল ফসলাদিতে টই টম্বুর হয়ে থাকে। 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

The three questions

লিও টলষ্টয় (জন্ম ১৮২৮ খৃ)। বিশ্ব সাহিত্যের সবচেয়ে খ্যাতিমান লেখক। ঈসায়ী ধর্মের বিকৃতি যখন চরম পযায়ে ঠিক সেই সময়টিতে তিনি রাশিয়ার তুলা প্রদেশে পলিয়ানা নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। আসমানী কিতাবের মনগড়া অসংগত ব্যাখ্যা, পাদ্রীদের অধার্মিক আচরণ ইত্যাদির কঠোর সমালোচক ছিলেন তিনি। একারনে যাজকগন ঘোষণা করে যে “টলষ্টয়কে খৃষ্টধর্ম থেকে বহিস্কার করা হলো। তিনি আর খৃষ্টান বলে গণ্য হবেননা”। এর জওয়াবে তিনি বলেন: “যারা গড ও যীশুকে নিয়ে ব্যবসা করে তিনি তাদের চেয়ে ঢের বেশী ধার্মিক খৃষ্টান”। (উইকিপিডিয়া) 

জীবন ও জগত সম্পর্কে নাবী রাসুলগন যে শিক্ষা পেশ করেছেন, লেখকের অনেক গল্পে, আংশিক হলেও তা মুর্ত হয়ে উঠেছে। বোধকরি একারনেই প্রতিটি পাঠকের হৃদয়ে তিনি আকর্ষিত হয়েছেন।

আমার আলোচিত The three questions পাঠকনন্দিত গল্পগুলোর একটি। নতুন প্রজন্মের জন্যে এর মুল কাহিনীটি সংক্ষেপে নীচে তুলে ধরলাম।  

একদিন এক রাজা তার রাজ্যময় ঘোষণা করে দিল যে, “তার ৩টি প্রশ্নের জওয়াব যে ব্যক্তি দিতে পারবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। প্রশ্ন ৩টি হলো:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

নাজ্জাশীর দরবারের ঘটনা

হাবাশা অধিপতি নাজ্জাশীর দরবার। নাজ্জাশীর দু’পাশে বিশেষ পোষাকে বসে আছেন পাদ্রীগন। সামনে তাদের বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ। সম্মুখে, মাক্কা থেকে আগত আমর ইবনুল আস এবং আবদুল্লাহ ইবনু আবী রাবী’আ। 

নওমুসলিমগন হাবাশায় পৌছে নিরাপদে ও সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করছেন এ খবর মাক্কার কুফরী শক্তির অন্তরর্জ্বালা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। নতুন দ্বীনের এ অনুসারীরা শুধু তাদের পিতৃধর্মকে অসম্মান করেনি, অন্য দেশে আশ্রিত হয়ে তারা খ্যাতিমান কুরাইশী গোত্রের মান ইযযতও সব ডুবিয়ে দিয়েছে। এরই একটি বিহিত করতে এ দু’ব্যক্তির আগমন। 

আমর ইবনুল আস প্রথমে কথা বলা শুরু করলো: “হে মহামান্য বাদশাহ, আমাদের কিছু দুষ্ট প্রকৃতির ছেলে আপনার সাম্রাজ্যে প্রবেশ করেছে। তারা এমন একটি ধর্ম আবিস্কার করেছে যা আমরাও জানিনে, আপনিও জানেননা। তারা আমাদের দ্বীন পরিত্যাগ করেছে। আপনাদের দ্বীনও গ্রহণ করেনি। তাদের পিতা, পিতৃব্য এবং গোত্রের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য আমাদেরকে আপনার নিকট পাঠিয়েছেন। তাদের সৃষ্ট অশান্তি ও বিপযয় সম্পর্কে তাদের গোত্রীয় নেতারাই অধিক জ্ঞাত”। 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

এ ঘটনাও নবুয়াতের সত্যতার প্রমাণ

মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি প্রথম অহী নাযিলের পুবাপর ঘটনাই নবুয়াতের সত্যতার আরেক প্রমাণ। 

বিভিন্ন সহীহ সনদে (উরওয়া ইবন যুবাইর, আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে) বর্ণিত: 

“অহী নাযিলের পর রাসুল সা. ভীত কম্পিত অবস্থায় ঘরে ফিরে খাদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) কে বললেন: আমাকে কম্বল জড়িয়ে দাও, আমাকে কম্বল জড়িয়ে দাও। তাকে কম্বল জড়িয়ে দেয়া হলো। ভীত কম্পিত অবস্থা দুর হলে তিনি খাদিজা রা. কে বললেন: হে খাদিজা, এ আমার কি হয়ে গেল? অত:পর হেরা গুহার ঘটনা আদ্যোপান্ত বর্ননা করলেন এবং বললেন: আমার নিজের জীবনের ভয় লেগে গিয়েছে। শুনে খাদিজা রা. বললেন: কক্ষনোই না। আল্লাহর শপথ, তিনি আপনাকে কখনোই লাঞ্চিত করবেননা। আপনিতো আত্বীয় স্বজনের সাথে ভালো ব্যবহার করেন, সত্য কথা বলেন। মানুষের আমানতসমুহের হেফাজত করেন। অসহায় মানুষকে সাহায্য করেন। আপনাকে আল্লাহ কখনোই বিপদগ্রস্থ করবেননা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

নন্দিতা

নন্দিতার আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। আজ থেকে ঠিক একবছর আগে আত্নহত্যা করে সে। ইন্টারমিডিয়েটে পড়াকালীন, টুটুল নামে তারই সহপাঠী এক ছেলের সাথে প্রেম ছিলো নন্দিতার। টুটুল কোটিপতির ছেলে। টাকা পয়সার অভাব ছিলোনা। প্রতি মাসে সে হাত খরচের জন্যই পেতো পঞ্চাশ হাজার টাকা। এতো টাকা সে খরচ করবে কোথায়? সপ্তাহে একবার দিনের বেলায় কয়েক ঘন্টার জন্যে হোটেল ভাড়া করতো সে। সাথে থাকতো স্ত্রী পরিচয়ে নন্দিতা। বাসায় ফিরতে কখনো দেরী হলে নন্দিতা মাকে বলতো: বান্ধবী থেকে নোট নিতে গিয়ে দেরী হয়ে গেছে। এভাবে কেটে গেছে এক বছর। তাদের গোপন প্রেমের খবর কারোর পরিবারই জানতোনা। কিন্তু গাড়ী নিয়ে একদিন এক অনর্থ ঘটলো। টুটুলের বাবা তার বিদেশী পার্টনারদের সাথে মিটিং করতে একদিন সে হোটেলে যান। একি! টুটুলের গাড়ী হোটেলের সামনে কেনো? এটিতো তার কলেজ পার্কিংয়ে থাকার কথা। 

টুটুলের বাবা পাকা লোক। মুহুর্তেই তিনি বের করে ফেলেন আসল রহস্য। দু’পরিবারেই ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। টুটুল তার একরোখা বাবাকে খুব ভয় পেতো। সে ভাল করেই জানতো রেলওয়ের টিটি পরিবারে বিয়ে করাতে কখনোই তার বাবা রাজী হবেননা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

বিবাহ

অবাধ যৌনাচারের মুলোৎপাটনে ইসলাম একটি অনিন্যসুন্দর বিধান দিয়েছে। মুলত: এ বিধানই হচ্ছে চারিত্রিক অবক্ষয় রোধের প্রধানতম হাতিয়ার। আরবীতে এর নাম نكاح নিকাহ। এ বিধানের মাধ্যমেই একজন নারী অপর একজন পুরুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের বৈধ স্বীকৃতি লাভ করে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

চাঁদে লাগানো গাছটি কেনো মরে গেলো?

নয়াদিগন্ত অনলাইন। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০।

মহাকাশ নিয়ে মানুষ গবেষণা করে সামান্য কিছুই জানতে পেরেছে। গবেষকরা চাঁদ বা মঙ্গল গ্রহে প্রাণী বসবাসের উপযোগী পরিবেশ আছে কিনা বা পরিবেশ তৈরি করা যায় কিনা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে।

চাঁদের বুকে কোনো উদ্ভিদ নেই। এখন পর্যন্ত মানুষ চাঁদের বুকে উদ্ভিদের অস্তিত্ব খুঁজে বের করতে পারেনি।

খুঁজে পায়নি তাতে কি, তাই বলে কি চাঁদে উদ্ভিদ থাকবে না? এমন অবাস্তব ধারণার বাস্তব রূপ দিতে চীনের নভোযান ‘চ্যাং আ ফোর’ বিশেষ ক্যাপস্যুলে করে কিছু উদ্ভিদের বীজ চাঁদে নিয়ে যায়।

বিশেষ ব্যাবস্থায় সেই বীজগুলো রোপনও করা হয় সেখানে। সেগুলো ছিল তুলাগাছের বীজ। সময়ের আবর্তে সেগুলো থেকে জন্ম নেয় চারাগাছ। আর সেই সাথে সৃষ্টি হয় এক নতুন ইতিহাস। এই নীলাভ গ্রহের বাইরে অন্য এক ভূখণ্ডে এই প্রথম কোথাও রোপন করা বীজ থেকে জন্ম নিল গাছ! অবিশ্বাস্য! তাইতো এই গাছকে নিয়ে মানুষের মনে কৌতুহলের শেষ ছিল না। সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল এই দেখতে যে শেষ পর্যন্ত কি হাল হয় এই গাছের।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content