সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

বুঝলো না কেউ

মনের দুঃখ আমি কারে বলি
কারে দেই তার ভাগ বুঝলো না কেউ
জ্বলে পুড়ে ছারখার তৃষিত হৃদয়
জল দিলেও নেভে না এই অনলের ঢেউ।

বুকের রক্ত মাখা প্রেম ভালোবাসা
বিলিয়ে দিয়েছি সব পৃথিবীর বুকে
সুখের খবর তবু ভাসে না বাতাসে
বার বার ফিরে আসে পরাজিত বীর
খালি হাত খালি পেট লক্ষ্যভ্রষ্ট তীর।  

বিলিয়ে দিয়েছি এই মন প্রাণ মেধা
দেহতো শেষ আগেই বুঝলো না কেউ
অতল সাগরে ভাসি ছিন্নমূল শ্যাওলা
বিধির নিঠুর বলি জাতহীন ফেউ।

বনের কাছে গেলাম চাইলো না মুখ তুলে
নদীর কাছে গেলাম শুনলো না কথা
পাহাড় গেলো ঘুমিয়ে শীতল হাওয়া
হারিয়ে গেলো ঈশানে। নিশিদিন পথ ভুলে
নিঠুর নিয়তি একা লুকালো কোথায়
আমাকে চড়িয়ে তার বিষে ভরা শুলে?

চিতার অনলে শুল চারিদিকে পান্ডব
খেলছে আমাকে নিয়ে রাক্ষুসে তান্ডব
পুড়ে পুড়ে একাকার ছাইয়ের পাহাড়। 
(মফিজুল ইসলাম খান)

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

“বিদায় হজ্জ্বের মর্মকথা”

উপস্থিত সাহাবীরা শোন তোমরা আজ
পৌঁছে দিও এই বাণী আগত ভাইদের মাঝ

আল্লাহর কোরআন আর আমার সুন্নাহ শক্ত করে ধরো আজ
স্মরণ রেখো হারাবেনা পথের দিশা জগতের মাঝ

জগতের মাঝে আছে কত শত আঁকা-বাঁকা পথ
বিপদে স্মরণ করো তোমরা আমার দেখানো পথ

অন্যায় আর জুলুমাতের অন্ধকার কাটিয়ে আজ
ইসলামের আলো রেখে গেলাম তোমাদের মাঝ

স্মরণ রেখো তোমরা শত বিপদের মাঝে
কঠোর হয়োনা তোমরা গরীব-দুঃখীদের সাথে

দাস-দাসীদের হক আদায় করো যথা সময়ে
মনে রেখো তোমরা দাঁড়াতে হবে প্রভুর সাক্ষাতে

সকল মুসলিম তোমরা একে অপরের ভাই ভাই
বিপদে এগিয়ে এসো দিও একটু ঠাই

আল্লাহর দেয়া পথের উপর অটল থেকো আজীবন অবিরাম
ভুলেও ধোঁকায় পড়িবেনা ধরো ইসলামের শান

ওহে সাহাবীরা শোন তোমরা আজ
ঈমান আমলে কাটাবে জীবন
এটাই তোমাদের কাজ

আমিই শেষ নবী বলে যাই আজ
কেয়ামত পর্যন্ত আর আসবেনা কোন নবী
স্মরণ রেখো এই জগতের মাঝ।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

“আসুন লাভজনক ব্যবসা করি”

“দয়াময় আল্লাহ, যিনি কোরআন সৃষ্টি করেছেন, যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে কথা বলা শিক্ষা দিয়েছেন”।
 
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষকে তাঁর বিশেষ রহমতে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং সম্মানিত করেছেন জ্ঞান ও বুদ্ধির দ্বারা। আর নেয়ামত স্বরূপ কথা বলার শক্তি দান করেছেন। যার মাধ্যম হলো ‘জিহ্বা’। এই নিয়ামতটি ভাল ও মন্দ দুটো কাজেই ব্যবহার করা যায়। যে ব্যক্তি নিজের জিহ্বাকে ভালো কাজে ব্যবহার করবে সে দুনিয়াতেই সৌভাগ্য লাভ করবে। আর আখেরাতে সর্বোচ্চ আবাস জান্নাত লাভ করবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

রহস্যময় নারীর হৃদয় ( ছোট গল্প শেষ-পূর্ব)

রহস্যময় নারীর হৃদয়
শেষ-পূর্ব
জিকোঃ ভাবী তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে।
টুমপাঃ ধন্যবাদ।
জিকোঃ আমার জীবনে প্রথম যদি কোন সুন্দর নারী দেখি সেইটা তুমি।
টুমপাঃ হয়েছে! হয়েছে! ভালো হয়েছে! খুব বেশি হয়ে যাচ্ছে।
জিকোঃ সত্যি তুমি একবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চেহারাটা একবার দেখ। তখন বুঝবা তুমি আসলে কত সুন্দর। তুমি যেমনি রূপবতী তেমনি গুণবতীও বটে। একজন নারী হিসেবে তোমার কাছে সব গুনগুন পরিপূর্ণ।
টুমপাঃ আচ্ছা! আচ্ছা!! ঠিক আছে। চা দিবো।
জিকোঃ তোমার হাতের চা খেতে পারা আমার মত কপাল পোরা সৌভাগ্য।
টুমপাঃ এতো প্যাঁচিয়ে না বললে হয়।
জিকোঃ আচ্ছা ভাবী তোমার যেই শিক্ষকতার যোগ্যতা আছে তুমিতো একটা চাকরি করতে পারো।
টুমপাঃ আমার তো ছোট বেলা থেকে খুব ইচ্ছা ছিল লেখাপড়া শেষ করে একটা চাকরি করবো কিন্তু আপনার বন্ধুতো আমাকে চাকরি করতে না করে দিলো।
জিকোঃ না-না-না আবেদ শিক্ষিত ছেলে হয়েও তোমার স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ করতে পারে না । আর তোমার যেই প্রতিভা তুমি সেখানে ও ভালো করবা। আচ্ছা আবেদ আসলে আমি তাকে বুঝিয়ে বলবো।
টুমপাঃ আপনি একটু ওকে বুঝিয়ে বলিলেন আমার খুব ইচ্ছা ছোট বেলা থেকে পড়ালেখা করে চাকরি করার।

আপনার রেটিং: None

আত্মার খোরাক (১১)

গরীব মিসকিনের হক্ব সম্পর্কিত হাদীসঃ- 

"হযরত আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সঃ) বলেছেনঃ অবশ্যই আল্লাহ তা'য়ালা কিয়মাতের দিনে ( আদম সন্তানকে লক্ষ্য করে) বলবেন, 

হে আদম সন্তান! আমি তোমার কাছে খাদ্য চেয়েছিলাম, কিন্তু তুমি আমাকে খাদ্য দাওনি। আদম সন্তান বলবে, হে পরওয়ারদিগার! আমি কি করে তোমাকে খাওয়াতে পারি, অথচ তুমি সমগ্র বিশ্বের প্রতিপালক? আল্লাহ বলবেন, তোমার কি মনে নেই তোমার কাছে আমার অমুক বান্দাহ খাদ্য প্রার্থনা করেছিলো, কিন্তু তুমি তাকে খাদ্য দাওনি। তুমি কি জানতে না যে, সেদিন যদি তুমি তাকে খাদ্য দিতে তাহলে অবশ্যই তা তুমি আমার কাছে পেয়ে যেতে। 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

সময়ের আর্তনাদ !!!

সময়ের পথ ধরে চলেছি আজ

ফিরিব ছিনিয়ে ঐ মুকুটের তাঁজ

ওরে তোরা এগিয়ে চল আজ

চারিদিকে হাহাকার দেখি শুধু আর্তনাদ

ভেঙ্গে দিয়ে কালো হাত তোরা এগিয়ে চল আজ

কাঁপছে থরথর হুংকার শুনে

বজ্রের ধ্বনিতে ঝংকার তুলে

তোরা এগিয়ে চল যে আজ

ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও সব কর চুরমার

বাতিলের হুংকার নিভিয়ে দাও বার বার

ভয় নেই ভয় নেই তোরা এগিয়ে চলরে আজ

অন্যায় আর অত্যাচারের কালো ছায়া

ভেঙ্গে দিয়ে গড়ো তোমরা শান্তির কায়া

ওরে তোরা বীর বেশে এগিয়ে চল আজ

অসহায়ের আত্মচিৎকার শোনরে তোরা শোন

তাদের কান্নার জবাব দিবে এই কর পণ

উদ্যম চিত্তে তোরা এগিয়ে চল আজ

জেগে উঠো ওহে বীর জেগে উঠো আজ

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

কয়েকশ বছরের ঐতিহ্য

মক্কায় হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসছিল মূর্তি পূজা।
ইসলাম গ্রহনের পর মুসলিমরা হাজার বছরের সেই ঐতিহ্যকে নিমিষেই ধসিয়ে দিয়েছে আল্লাহর আদেশের কাছে।
বাদশা আকবর থেকে মাত্র কয়েকশ বছরের ইতিহাস হলো নববর্ষ পালন।
আমরা মুসলিম হলেও আল্লাহর আদেশের বিপরীত কয়েকশ বছরের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য রীতিমত জিহাদ করছি।
নববর্ষ পালন করার পর আসলেই কি আমরা নিজেকে মুসলিম দাবী করতে পারবো ?
যে নববর্ষের সূচনা হয় মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে...

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

হে নববর্ষ কেমন তুমি?

হে নববর্ষ তোমার প্রতি রইলো

আমার একটি উপদেশ!

ধরাইও না আর তুমি মানুষেতে

মন্দ লোকের বেশ!

ঈমান হারা করোনা'কো

আদম সন্তানেরে!

নিওনা'কো তাদেরকে আর

জাহান্নামের দ্বারে!

হে মুসলমান তোমাদের তরে

একটি উপদেশ!

ধরোনা'কো কভু তোমরা

শয়তানেরই বেশ!

আল্লাহ তা'য়ালাকে ভয় করিয়া

সামনে বাড়াও পা!

বেধর্মীদের কলংক দিয়া

বাড়াইওনা ঘাঁ!

আল্লাহকে ভয় করিয়া

চললে সৎ পথে!

নাজাত পাবে দোহাজানে

যাবে জান্নাতে!

আর কি চাই এরচেয়ে দামী

ভাবো আরেকবার!

সময় থাকতে ও ভাই বোনেরা

হও যে হুশিয়ার!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

বোশেখ তোমার কাছে নতজানু

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে এগারো ঘাটে পেরিয়ে
আবার এসেছি আমার কুঁড়ে ঘরে
তোমাকে সালাম হে বোশেখ তোমাকে সালাম
ধ্বংসের অগ্নিকুন্ডে তুমিই মহারা ।

তোমার শরীর জুড়ে ইবলিসের আস্তানা
হাতি মারো না ঘোড়া মারো না রাজা উজির
রাজকুমারের রংমহলে বাড়াও না হাত
উড়িয়ে দাও কেবোল আমার কুঁড়ে ঘর  
মনা পাগলার নাও । মনা পাগলা
কেঁদে কেঁদে বারবার শ্বাস নেয় হাসপাতালে ।

কেটে গেলে কিছু দিন তের ঘাট পেরিয়ে মনা পাগলা
ফিরে আসে পুনরায় খেয়াঘাটে আবার জেগে ওঠো তুমি
আকাশ ফাটা বিলাপে কেঁপে ওঠে শস্যের ভূবন তরুলতা নিরন্ন মাঝি ।

আদি থেকে এইতো তোমার খেলা
খেলছো অবিরাম তুমি এক দক্ষ খেলোয়ার ।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে এগারো ঘাটে পেরিয়ে
তোমার চরণে নতজানু আজ মহারাজ
একটা চাল দাও দুরন্ত দুর্বার
হাতি মারো ঘোড়া মারো রাজা উজির মন্ত্রী মারো
উল্টে দাও তখতে তাউস নষ্ট রাজনীতির মরণ খেলা।

একটা ঝড় তোল, শুরু করো একটা যুদ্ধ আপোসহীন

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

ভাল বন্ধু হয়ে!! (ধারাবাহিক গল্প ১২তম পর্ব)

রোকেয়া ভাবি ভেবেছে পরশ হয়তো আগের মত করে ওর কাজ না থাকলে আসবে; কিন্তু না! পরশ এখন বাসায় থাকলেও আর রোকেয়া ভাবির ঘরে আসেনা। পরশের অনুপস্থিতি রোকেয়াকে খুবই কষ্ট দেয়। রোকেয়া ভাবি আজকে নিজেই পরশদের ঘরে আসে পরশ পরশ তুই কইরে? চাচী ও চাচী আমাগো পরশ কই? পরশের মা জবাব দেয় ও তো ভেতরের ঘরেই আছে কি যেন পড়া-শুনা করছে যাও বউ তুমি ভেতরে যাও কথা বলো পরশের সাথে। রোকেয়া ভাবি পরশের রুমে যায় গিয়ে দেখে পরশ একটি বই পড়ছে। রোকেয়া ভাবি জানতে চায় পরশ তোর কি হয়েছে রে? তুই তো আমারে একেবারে ভুলে গেছিস! কতদিন দেখিনা তোরে তাই আজকে চলে আসলাম! পরশ কোন জবাব দেয়ার আগেই ভাবি আবারো জানতে চায় পরশ তুই এখন কি করিস রে? রোকেয়া ভাবিকে দেখে পরশের চোখের কোনে পানি জমে ওঠে সে নিজেকে সামলে নিয়ে বলে ভাবি একটি বই পড়ছি, পড়বেন আপনি? আমি কি তোর মত এত শিক্ষিত যে, বই পড়তে পারবো? সেই কবে যে বই থেকে চোখ উঠিয়েছি আর কলম রেখে দিয়েছি ভুলেই গেছি প্রায় পনেরো ষোলো বছরে আগের কথা। এখন কিভাবে পড়বো বল? পরশ বলে ভাবি আপনি যা জানেন তা ও তো অনেকে জানেনা আপনি চেষ্টা করেন আল্লাহ সেই চেষ্টাতে সফলতা দিবেন ইনশা-আল্লাহ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content