সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

উযাইর ( আলাইহিস সালাম )-এর বিস্ময়কর ঘটনা

আল্লাহ তা’আলা যুগে যুগে বহু নবী-রাসূল পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। তাঁদের মনে আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে যদি কোন কিছু জানতে ইচ্ছে হত, আল্লাহ তা’আলা সাথে সাথে কোন উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিতেন। ঠিক তেমনি হযরত উযাইর ( আলাইহি সালাম )-কে তাঁর মনের জবাব আল্লাহ তা’আলা চাক্ষুশ প্রমাণে বুঝিয়ে দেন।
ঘটনাটি হল, বখতে নসর নামক জনৈক রাজা যখন বায়তুল মুকাদ্দাস ধ্বংস করে বনী ইসরাঈলের অনেক লোককে বন্দী করেছিল, তখন বন্দীদের মধ্যে হযরত উযাইর ( আলাহিস সালাম )-ও ছিলেন। তিনি নবী বলে রাজা তাঁকে ছেড়ে দিল।
হযরত উযাইর ( আলাইহিস সালাম )-এর সাথে কিন্তু টাকা, খেজুর, পানি ও একটি গাধা ছিল। সেখান থেকে ফেরার পথে হযরত উযাইর ( আলাইহিস সালাম ) এমন একটি গ্রাম দেখতে পেলেন, যার ইমারত ও অট্টালিকাগুলো ধসে মাটির সাথে মিশে গিয়েছিল এবং সেখানে জন-মানবের কোন চিহ্নও ছিল না। এ অবস্থা দেখে উযাইর ( আলাইহিস সালাম ) মনে মনে ভাবতে লাগলেন, এখানকার অধিবাসীরা তো মারা গেছে। তারা এমনভাবে বিলীন হয়ে গিয়েছে যে, যেন তারা কেউ এখানে ছিল না। আল্লাহ তা’আলা এদের আবার কিভাবে পুনর্জীবিত করবেন।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

হিন্দুরা কেন করছে!!

একজন হিন্দু কি কারনে হাসিনার ব্যঙ্গ গান তৈরী করে বাজারে ছাড়বে? হিন্দুরা আওয়ামী লীগ সমর্থক।তারপরও কি কারনে এই রহস্যজনক কাজ করল! তাকে কি আমি মুক্তমতের দাবিদার কিছু মানুষের সাহসী প্রতিবাদ হিসেবে দেখবো যারা সরকারের নির্যাতনের শিকার হয় সব সময়।একটা বা কয়েকটা ব্যঙ্গ গানের শাস্তি সাত বছরের জেল! মূল্যবান সাতটি বছর গান তৈরীর জন্য জেলে কাটাতে হবে।আমি এই আইনকে অসভ্য মানুষের দ্বারা তৈরী বর্বর আইন বলতে চাই।একজন হিন্দু গোত্রীয় সমর্থনের নিয়ম ভেঙ্গে হাসিনা মজিব নিয়া ব্যঙ্গ করছে তার মানে মানুষ প্রতিবাদ করতে চায়।এতদিন যাদের ভোটের গিনিপিপ মনে করত শাসক গোষ্ঠি তারাও আর গিনিপিপ হয়ে থাকতে চাচ্ছে না।একটি ছোট অংশ গিনিপিপ থেকে বের হতে চাচ্ছে এই ছোট অংশই একদিন বিরাট অংশকে নিয়ে বের হয়ে আসবে।শাসক লুট করে ডাকাতি করে সন্ত্রাস করে এর দায়ভার তাদের উপরে পরে যারা শাসক কে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল হিন্দুরাও দায় এড়াতে পারে না কারন তারাও বিরাট সংখ্যায় তাদের ভোট দিয়েছিল।

আপনার রেটিং: None

ভূমিদস্যু

কিছু ভূমিখেকো লোক আছে যারা দশ বিঘা জমি কিনে ২০ বিঘা দখল করে।কেউ তাদের প্রতিবাদ করলেই তাদের পেছনে লাগে।কারণ এদের মিডিয়া আছে পত্রিকা আছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা [ভূমিদস্যু বসুন্ধরা গ্রুপরে টিভির লাইসেন্স ও পত্রিকা দিছেন বসুন্ধরার মালিকরে খুনের মামলা থেকে রেহায় দিছেন আরেক বড় ভূমিদস্যু নুরুল ইসলাম বাবুলরে যমুনা টিভির সম্প্রচারের অনুমোদন দিছেন তারে ধর্ষনের মামলা থেকে রেহায় দিছেন।দেশের বড় বড় ভূমিদস্যু প্রায় সবাই আপনার দলরে টাকা দেয় তাদের দলের এমপি মন্ত্রী বানাইছেন।মরিচে কামড় দিছেন এখন মরিচের জাল তো সহ্য করতেই হবে।]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

দাঁড়ি পুরুষের সুন্দর্য বাড়ায়

দাঁড়ি রাখা টা কে কেউ
বিরোক্তিকর মনে করে।
আর এই জন্যই প্রতিনিয়ত কেউ
পুরো দাঁড়ি চেটে ফেলে আবার
কেউ
বা খোচা খোচা করে রাখে।
আবার এই দাঁড়ি উঠার জন্যই
অনেকে রাত-দিন নামাজের
বিছানায় বসে প্রভুর দরবারে অশ্রু
ঝরায়।
তেমনি আমার এক উস্তাদ মাও:
এনায়েত উল্লাহ সাহেব ফেনী।
উপযুক্ত সময়েও মুখে দাঁড়ি নেই।
উঠার সম্ভাননাও দেখছে না।
আল্লাহর এই প্রিয়
বান্দা প্রতিনিয়ত তাহাজ্জুতের
নামাজ পড়ে আল্লাহর
দরবারে অঝোর ধারায় চোখের
পানি ঝরাতেন।।
অবশেষে হযরতের চোখের
পানি আল্লাহ
তা'আলা বৃথা যেতে দেন নি।
মহামুল্যবান সেই দাড়ি ছন্দের মত
গজিয়ে উঠে হযরতের
নূরাণী চেহারাউ। অল্প হলেও
হযরতের মুখের দাঁড়ি তার মন ও
মুখমন্ডল কে উজ্জল করেছে।।
এভাবে অনেক আল্লাহর
বান্দা আছে,
যারা দাঁড়ি কে পুরুষের যীনত
মনে করে।
আর কিছু শয়তান এমন সুন্দর্য
টা কে বিরোক্তিকর ও
বিশ্রী মনে করে।।
কথায় আছে, শুকরের
কাছে পায়খানায় বেশি প্রিয়,
ভালো বস্তু নয়।

আপনার রেটিং: None

প্রবাসীর বউ (তিন পর্ব গল্পের শেষ পর্ব)

নতুন জীবনে লোপা সুখেই আছে! গত কষ্টের জীবনের তুলনায় এ যেন জান্নাতের সুখ! তার নতুন স্বামী কখনোই কথার ছলে বা দুষ্টোমির ছলে লোপাকে আগের কোন কথা তুলে কষ্ট দেয়না! বরং লোপার মন খারাপ দেখলে নানা রকম ভাবে শান্তনার কথা বলে! আরো বলে তাকদ্বীরে এভাবে ছিল তাই এমনটি হয়েছে তুমি মন খারাপ করনা বরং আমাকে তুমি তোমার জীবন সাথির পাশাপাশি বন্ধু মনে করো তাহলে আর কোন সমস্যাই থাকবেনা! আর লোপার মেয়ে জুঁইকে আপন পিতার স্নেহে লালন করেন! আর জুঁই ও যেন এই প্রথম তার বাবাকেই খুজে পেয়েছেন! কয়েকদিন থাকার পর জুঁই ওর নানীর কাছে যেতে বায়না ধরেছে কারন শহরে ঘর বন্দি হয়ে থাকতে জুঁইয়ের ভালো লাগেনা! লোপা অনেক বুঝিয়েছে ছয় সাত বছরের ছোট মেয়েটাকে কিন্তু সে এখানে থাকবেনা নানু আপার কাছে থাকবে বলে কান্না শুরু করেছিল এক পর্যায়ে জুঁইকে লোপার বড় ভাই এসে নিয়ে যায় গ্রামেই স্কুলে ভর্তি করে দেয়! মামাই জুঁইকে দেখাশুনা করে! লোপার নতুন সংসারে আবারো নতুন মেহমান এলো এভাবে চলতে থাকল লোপার জীবন গাড়ি! চলতে চলতে লোপা আরো দুই কন্যা ও তিন পূত্রের জননী হলেন! লোপার আগের কথা ভাববার সময় এখন আর নেই! তবুও অতীত যে জীবনেরই একটি অংশ!

আপনার রেটিং: None

মেনন ইনু হজে যাচ্ছে!!!

মেনন ইনু হজে যাচ্ছে!!! কমিউনিস্টরা মসজিদ গীর্জা সহ অন্যসব ধর্মীয় উপাসনালয়ে তালা দেয় ধর্ম পালন নিষিদ্ধ করে।নাস্তিক্যবাদের প্রচারে সারা বিশ্বব্যাপি প্রচারনা চালায়।ধর্ম যাদের কাছে আফিম।ধর্ম যাদের কাছে সেকেলে পুরানো গাঁজাখুরী গল্প।যারা মসজিদ ভাঙ্গে গির্জা ভাঙ্গে ধর্মিয় বই পুড়ায়।নাস্তিকতা যাদের রাজনীতির আদর্শ যারা বিশ্বাস করে ধর্ম পৃথিবীর অশান্তির মূলে।যারা মসজিদের মাইকে আজান দিতে দেয় না ধর্মিয় গ্রন্থ বহন নিষিদ্ধ করে করলে জেলে ভরে।যাদের রাজনীতির প্রথম পাঠই ইচ্ছে ধর্ম ছাড়তে হবে ধর্ম নেশা এই নেশা যতদিন ছাড়তে না পারবে ততদিন প্রগতিশীল হতে পারবে না আর প্রগতিশীল হতে না পারলে প্রগতিশীল রাজনীতিবিদও হতে পারবে না।এই দুই নাস্তিকের হজে যাওয়া ভোটারদের ভেলকিবাজি দেখানো।কমিউনিস্টরা এত আদর্শবান দাবি করে সারাজিবনের নাস্তিক্যবাদী আদর্শ ছেড়ে ধর্মীয় আদর্শের মুখোশ পড়া এই কি আদর্শে অটল থাকার নমুনা?

আপনার রেটিং: None

অষ্ট্রেলিয়ার ভিসা, স্বপ্ন পুরনের আরো এক ধাপ

বাঙ্গালীদের ঘর কুনো
স্বভাবের একটা পরিচয় প্রায় সবাই জানে, তাই তো ফেলুদা, কাকাবাবুদের এদেশ সেদেশে
অভিযান শুধু গল্পেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে বাঙ্গালীদের মধ্যে খুব কম মানুষই অভিযাত্রী
বা যুগশ্রষ্ঠা হিসেবে নিজেদের পরিচয়কে উদ্ভাসিত করতে পেরেছেন। তাইতো আমাদেরকে
যুগশ্রষ্ঠা কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার ‘সংকল্প’ কবিতায় লিখেছেনঃ

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

আমারও নাস্তিক হতে মন চাই,কিন্তু পারিনা!!!

এ পৃথিবীতে যে আসবো সেটা কখনো কল্পনা করিনি,আসতে হবে সেটাও ভাবিনি!তবে কোথথেকে যে এসেছি সেটা জানি না,শুধু শুনেছি মায়ের পেট থেকে এসেছি,তবে কীভাবে মায়ের পেটে ছিলাম,সেটা জানিনা৷শুধু অবাক হই কে পাঠিয়েছে মায়ের পেটের ভিতর!কীভাবে ছিলাম ওখানে?ঐ অল্প জায়গায়,ভেবে শুধু হাঁফিয়ে উঠি৷পেটের ভিতর কীভাবে থাকতাম সেটা জানিনা,তবে কিছু ধর্ম এবং বিজ্ঞান এ বিষয়ে কিছুটা বলেছে,সেটা কিছুটা লক্ষণীয়৷
তবে আমরা প্রকৃতই যে কোথা থেকে এসেছি বা আসছি,কে পাঠাচ্ছে বা কার হুকুমে চলে যাচ্ছি সেটাই আজ পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি৷এটাই এখন চিন্তার বিষয়৷যেদিন থেকে একটু বুঝ শক্তি পেয়েছি,সেদিন থেকে জীব বা প্রাণীর মধ্যে একটা জিনিস লক্ষ করেছি,সেটা হলো ঐ আসা যাওয়া; মানে জন্মমৃত্যু৷এক জাতি চলে যাচ্ছে বিনিময়ে আরেক জাতি বা প্রজাতি আসছে,শুধু মাঝ খানে সময়টা কিছুটা আপডাউন হচ্ছে;সময়ের এই আবর্তনে পড়ে আমরা কিছু জীবকূল বিলীন হয়ে যাচ্ছি,আবার কিছু নতুন জীবকুল উদয় হচ্ছি৷

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

প্রবাসীর বউ (তিন পর্বের গল্পের ২য় পর্ব)

লোপা নিজের মা বাবার সাথে এক রকমের কঠিন কথা বলে থেকে গেল শশুরালয়ে!
লোপার শশুর কিছুটা নমনীয় ব্যবহার করেছে লোপার সাথে আর বাকিরা সবাই ওকে এমন
কষ্ট দিচ্ছে যে, সংসার ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়! যেই মানুষটা লোপার প্রতি
মমতার ব্যবহার করেছে সেই মানুষটা হঠাৎ করেই চলে গেলো না ফেরার দেশে! লোপা
আরো একাকি হয়ে গেলো! আর এই পরিবারে কোন চাহিদার কথা প্রকাশ করা তো দুরের
কথা একটি মাত্র কন্যা সন্তান তার জন্যেও কোন আবদার করতে পারেনা! কাকে বলবে
মনের কষ্টের কথা গুলো? সব কষ্ট বুকে নিয়ে থেকে গেলেও থাকতে পারবেনা হয়তো
এখানে! কারন সবকিছুর কষ্ট করা যায় কিন্তু স্বামী নামক সেই সম্মানিত
ব্যক্তির সম্মানের দিকে যদি কেউ হাত বাড়ায় তো সেখানে কিছুতেই থাকা যায়না!
আত্ম সম্মান বাচিঁয়ে থাকা বড়ই কঠিন আর যেখানে লোপার স্বামীই ঠিকমত খোজ খবর
রাখেনা! সেখানে বাকি সবার কথা তো বাদই! লোপাকে যখন ভাতে, কাপড়ে, তেলে,
সাবানে কষ্ট দিয়েও তাড়াতে পারলো না! তখন ননদের জামাইরা সুযোগ খুজে তাকে
মানুষের চোখে অপমানিত করার চেষ্টা করে! দুই ভাসুরের মধ্যে বড়জন মোটামুটি

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

রক্ত কেন লাল হয়?

ছোট বেলায় শুনেছি টিকটিকির রক্ত নাকি সাদা,আমি কখনো পরীক্ষা করে দেখেনি।যাই
মানূষ এবং অন্য প্রানীদের রক্ত কেন লাল হয়,আসুন জানার চেস্টা করি।আমাদের
শরীরের মধ্যে প্রতিটি ধমনী,শিরা ও রক্ত জালিকার মধ্যে দিয়ে সারাক্ষন যে
রক্ত প্রবাহিত হয়, তার 45%কোষ ও বাকী 55% রক্তরস (Plasma)।

এই রক্তরস তিন রকমের হয়-লোহিত রক্ত কনিকা (Red blood corpuscle) শেত রক্ত কনিকা (Wbc corpuscle) ও অনুচক্রিকা (Platelets)।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content