সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

লিঙ্গ রক্ষা

ধর্ষণ করতে গিয়ে লিঙ্গ হারালেন যুবলীগ নেতা (আমার দেশ) একের পর এক লিঙ্গ হারাচ্ছে ছাত্রলীগ যুবলীগ।এ ভাবে লিঙ্গ হারাতে থাকলে ভবিষ্যতে লিঙ্গহীন হবে ছাত্রলীগ যুবলীগ তখন তাদের নাম হবে লিঙ্গহীন ছাত্রলীগ ও লিঙ্গহীন যুবলীগ।সোনার ছেলেদের লিঙ্গ রক্ষায় জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।লিঙ্গ সন্তান উত্‍পাদন অস্ত্র।অস্ত্র যদি প্রয়োজনের তুলনায় কম থাকে তবে যুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত।যদি তাদের লিঙ্গ রক্ষা করা না হয় তবে নতুন নতুন ছাত্রলীগ যুবলীগ তৈরী হবে না তার কারনে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ অস্ত্রের অভাবে ধ্বংস হবে।মেয়েরা ছাত্রলীগ যুবলীগ থেকে নিজেদের সম্মান বাচাতে লিঙ্গ কর্তন শুরু করেছে।এ ছাড়া অন্য কোন পথ নাই তাদের।আওয়ামী লীগের ভবিষ্যত সুরক্ষার জন্য জাতীর জনকের কন্যা শেখ হাসিনার কাছে দূত পদক্ষেপ আশা করছি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

কবি শফিকুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ “তবুও বৃষ্টি আসুক”

tobu o ashuk-x300

পর্যালোচনায়- ডঃ আশরাফ সিদ্দিকী
সাবেক মহাপরিচালক,
বাংলা একাডেমী।

‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কবি শফিকুল ইসলামের  শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি
প্রকাশ করেছে আগামী প্রকাশনী। তার কবিতা  আমি ইতিপূর্বে  পড়েছি । ভাষা
বর্ণনা প্রাঞ্জল এবং তীব্র  নির্বাচনী। “তবুও  বৃষ্টি  আসুক” গ্রন্থে  মোট
৪১ টি কবিতা  রচিত হয়েছে। প্রথম  থেকে শেষ  পর্যন্ত এ গ্রন্থ  পাঠ  করে 
পূর্বেই  বলেছি, মন অনাবিল তৃপ্তিতে ভরে যায়।

আপনার রেটিং: None

"শুধু তোমারই ক্ষমতা"

সুবিশাল আকাশের বড়ত্ব
আল্লাহ তোমারই মহত্ব!
সুগভীর সাগরের গভীরতা
এ যেন তোমারই উদারতা!

নীলাকাশে তারাগুলোর ঝুলে থাকা
শুধু তোমারই ক্ষমতা!
সু-শীতল বাতাস বয়ে যাওয়া
শুধুই তোমার দয়া!

চাঁদের আলো বিলানো
তোমার বিশেষ দান!
পাহাড়ে ঝর্না ঝরে যাওয়া
শুধুই তোমার অবদান!

পৃথিবীর দিকে দিকে
শুধুই তোমারই মমতা!
সবকিছুতে হে আল্লাহ তোমারই দয়া
একমাত্র তোমারই ক্ষমতা!

২৮শে মে ২০০৭

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"বিদায় পুরোনো বর্ষ স্বাগতম নববর্ষ"

বারমাসের পূর্ণ একটি বছর
নিয়ে গেলো বিদায়!
পুলকিত মানব মন
নববর্ষের আগমন বার্তায়!

বাঁচতে কভু চাইনা আমি
একলা সুখি হয়ে!
বাঁচতে চাই আমরা সকল মানুষের ব্যথায়
সমব্যথী হয়ে!

হাসতে কভু চাইনা আমি
অপরজনকে কাঁদিয়ে!
হাসতে চাই আমি
সকল মানুষকে হাসিয়ে!

গড়তে কভু চাইনা আমি
একলা সুখের নীড়!
সুখের রঙে রাঙিয়ে সবাইকে
গড়বো সুখের কুটির!

বার মাসের পূর্ণ বছরে
নিরাপদ আর খুশিতে থাকতে চাই
নববর্ষের ফজর পড়ে প্রার্থনা মোর স্রষ্টার তরে
অচিরেই যেন এদেশের পূর্ণ শান্তি ফিরে পাই
 
১৪ই এপ্রিল ২০১৪

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

কাজী সিরাজের নতুন রুপ

ভন্ড কাজী সিরাজের নতুন রুপ দেখছি আর ভাবছি বিগত চার দলীয় জোট সরকারের সময় তার অবস্থান।সে সময় ভন্ড কাজী সিরাজ টিভি চ্যানেল গুলোতে বিএনপি জামায়াতসহ ইসলাম পন্থিদের প্রতি পক্ষপাত করেছে।সরকারের দেওয়া প্রেসক্রিপসন অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লিখেছে।স্কুল কলেজের পাঠ্য বইয়ে জিয়াউর রহমান কে স্বাধীনতার ঘোষক লিখেছে।সরকারের দেওয়া আর্থিক সুযোগ সীবিধা নিয়েছে।দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে।আওয়ামী লীগ-বামদের টকশোতে ব্যাপক সমালোচনা করেছে।আর আজ র্দুনীতিবাজ কাজী সিরাজ নিজের স্বার্থের জন্য তার রাজনৈতিক অবস্থান ১৮০ ডিগ্রি গুড়িয়ে নিয়েছেন।আজ ভন্ড কাজী সিরাজ জিয়াউর রহমান কে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে স্বীকার করে না।সে ইসলাম পন্থিদের জঙ্গি উগ্রবাদি মৌলবাদি হিসেবে টকশোতে গালি গালাজ করে।একনায়কতন্ত্রে বিশ্বাসি কমিউনিষ্টদের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে নিজেকে কমিউনিষ্ট ঘোষনা করেছে।গনজাগরন মঞ্চের সমর্থনে শাহবাগীদের নানা সহযোগিতা দিয়েছেন।

আপনার রেটিং: None

মদিনার চত্বরে (৩)

প্রেমময় মদিনা"

সংসার
সন্তান পালন এরপর ইচ্ছে করে তো বেশীটা সময় মসজিদে নব্বীতে বসে কাটাই!
কিন্তু প্রতিদিন হয়ে ওঠেনা হারামে যাওয়াটা! এরপরও চেষ্টা করি সপ্তাহের চার,
পাঁচ, ছয়দিন নামাজ পড়তে! সবকিছু মিলিয়ে মসজিদে নব্বীতে নামাজ পড়তে যাই
কয়েকদিন পর পর! আসরের আগে যাই আসর, মাগরীব, কখনো এ'শা পড়ে আসি কখনো মাগরীব
পড়েই বাসায় আসি কারন মাগরীবের আগেই আমার সাথির অফিস ছুটি হয়, ও যদি বেশি
ক্লান্ত থাকে তবে তাড়াতাড়ি বাসায় চলে যাই আর নয়তো অনুরোধ করি অথবা সে জানতে
চায় কখন যাবো বাসায়? আমি জেনে নেই সে ক্লান্ত কিনা। ক্লান্ত না হলে আমার
এ'শা পড়ে যেতেই ভাল লাগে! বেশীর ভাগ সময় এশার নামাজ পড়েই যাই বাসায়!

মসজিদে
নব্বীর ভেতরে আসলে যে বিষয়টি হৃদয়ের রক্ত ক্ষরন ঘটায় তা প্রকাশ না করে
পারছিনা! প্রতিদিনই কেউ না কেউ গত হয়ে যাচ্ছেন। দিনগুলো যেমনি করে সপ্তাহ,
মাস, বছর, যুগের রুপ নেয় এরপর রুপ নেয় শতাব্দীতে আমাদের পাশের মানুষগুলোও

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

আহলে হাদীসদের মিথ্যাচারের নমুনা দেখুন-১ম পর্ব

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।

সকল প্রশংসা আল্লাহর। অসংখ্য দরুদ ও সালাম নাযিল হোক প্রিয় নবীজীর উপর।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

মদিনার চত্বরে (২)

প্রেমময় স্বপ্নময় মদিনা!

মসজিদে
নব্বীর চত্বরে সবচেয়ে অবাক লাগে যে বিষয়টি তা আপনাদের সাথে শেয়ার না করে
পারছিনা! এখানে কেউ কারো পরিচিত নয় কেউ কারো ভাষাও বুঝে না কয়েকজনে বাদে
বাকি সবাই ইশারাতে কথা বলে! অবাক লাগে হল এখানে সবাই সবাইকে হাদিয়া (গিফট)
দেয় কেউ কারো পরিচিত হোক বা না হোক, হোক না সামান্য চকলেট, রুটি, খেজুর,
চিপস, কারো কাছে কিছু না থাকলে এক গ্লাস জমজমের পানি দিয়ে হলেও হাদিয়ার
লেনদেন করবে! বেশীর ভাগ শিশুদেরকে এসব হাদিয়া দেয়া হয়! শিশুদেরকে এত আদর
মমতা করে, এত কোমল ব্যবহার করে যে স্বচোখে না দেখলে বিশ্বাস হবেনা!

আরেকটি
বিষয়ও আমাকে পুলকিত করে আমাদের যে যেখানে এসে বসেছে কেউ সেখানে এসে গেলে
তাকে জায়গা করে দেয়! এত এত মানুষ এই চত্বরে বসে থাকে কেউ কারো সাথে
অপরিচিতের মত ব্যবহার করেনা! এমন কি নিজের জায়নামাজ বিছিয়ে দেয় নামাজ পড়ার
সময়! এতে করে এক অন্যের প্রতি খুব কোমলপ্রান হয়! ভালবাসা বাড়ে একে অপরের

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

নূরুল কবির চায়

কমিউনিস্ট নাস্তিক নূরুল কবির টকশোতে বলেছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ইমরান এইচ সরকারের কাছে টাকা আসতেই পারে।সে বলতে চাচ্ছে গনজাগরন মঞ্চ করার কারনে ইমরানের সব অপকর্ম জায়েজ।নিউ এজের সম্পাদক আরো বলেন ছাত্রলীগের উচিত মঞ্চের সঙ্গে একত্রিত হয়ে আন্দোলনটি পুর্নরায় জাগ্রত করা।তার মানে ছাত্রলীগের সব অপকর্ম তাতে জায়েজ হবে।নূরুল কবির চাই আবার নাস্তিকরা নবী কে গালিগালাজ করুক কুত্‍সা রটাক ধর্ম অবমাননা করুক তাতে নূরুল কবিরেরা মনে করতেছে এতে নাস্তিক্যবাদের প্রসার ঘটবে।নূরুল কবির চায় গনজাগরন মঞ্চে আবার যৌনলিলার আসর বসাতে তাতে তার চাহিদাও মিটাতে পারবে।নূরুল কবির চায় আবার গান্জা ইয়াবা ফেনসিডিল মদের আসর বসুক।সে চায় চাঁদাবাজের আসর বসুক বিদেশে অর্থ পাচার করার আসর বসুক লাকি তার দেহ প্রদর্শনের আসর বসাক।সে চায় আবার দেশে হেফাজতের উথান ঘটুক সহিংসতা হোক সরকার আলেম ওলামা হত্যা করুক।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

মনে পড়ে সেইদিনগুলো!!

কবি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা শিশুর পণ কবিতারটির কথা কি মনে আছে? কেউ কেউ হয়তো ভুলে যেতে পারে আবার কারো কারো হয়তো মনে আছে বর্তমানের অবস্থা দেখে কবি মদনমোহন তর্কালঙ্কার আমার পণ কবিতাটিকে আমার খুব মনে পড়ছে, মনে হচ্ছে আমাদের প্রিয় কবি কত সুন্দর ভাবে আদব রেখে গেছেন শিশুদের জন্য, শিশুরা যেন ছোট বেলা থেকেই সত্য কথা বলতে শিখে, গুরুজনকে মান্য করতে শিখে, মানুষকে ভালবাসতে শিখে, নিজের জীবন গড়তে শিখে, লোভ লালসা থেকে বিমুখ হতে শিখে, ঝগড়া নয় ভাতৃত্ববোধ শিখে এবং সেই গুণগুলো নিয়ে জীবন পরিচালনা করে! কিন্তু বর্তমানে দেখছি কি এসব? কেন শিক্ষিত ভাই বোনেরা প্রিয় সেই কবির লেখাকে ভুলে গেছে? তাদের কি একটি বারও মনে পড়েনা সেই কবিতার কথা? মনে পড়ে না কবি কত সুন্দর ও সহজ ভাষায় আমাদের কে আদব শিখিয়েছেন তার কথা? কেন মানুষ নিজেই নিজেকে উচ্চ সম্মানের আসন থেকে নিম্মস্তরে নামিয়ে আনছে? মানুষের সঠিক বোধ শক্তি আজ কোথায় গেল? কেন এমন হচ্ছে আমার অলিতে গলিতে? মনটা হতাশায় ভরে ওঠে তারপরও মনের মাঝে অনেক প্রত্যশা নিয়ে ভাবতে থাকি কবে আবার আমাদের আকাশে সেই সূর্য উঠবে? সে সূর্যের আলো নিয়ে সবাই নিজেকে আলোকিত মানুষ রুপে গড়বে?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content