ব্লগসমূহ

১৫ থেকে ২০ হাজার

এক মাসের মধ্যে সৌদি আরব বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার খুলে দিবে দুই মাসের মধ্যে দিবে ছয় মাসের মধ্যে দিবে মন্ত্রী কয়দিন পরপর এমন আশ্বাস দিয়াই যাচ্ছে।মন্ত্রীর কামই হচ্ছে আশ্বাস দেওয়া তারে মন্ত্রী বানানোই হইছে এই কারনে।মন্ত্রী ঘোষনা দিছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় সৌদিতে শ্রমিক পাঠাবে !!! ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় সৌদিতে যাওয়া যায় না মালয়েশিয়াতেও মাত্র ২৫ হাজার টাকায় যাওয়ার কথা সরকার কইছিলো শেষ পর্যন্ত সে পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।মানুষকে ধোকা দিয়া রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করা আসল উদ্দেস্য মানুষ বোইঝা গেছে।সৌদি সরকার সৌজন্যতার খাতিরে মন্ত্রীরে কিছু কইলেই সে লাফালাফি শুরু করে এমন ভাব করে যেনো আজকেই লোক নেওয়া শুরু করবো।সৌদি কবে নাগাদ লোক নেওয়া শুরু করবো সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট করে কিছু কয় নাই আর সে শুরু করছে রাজনৈতিক খেলা।

আপনার রেটিং: None

গাঁঞ্জার আসর

আবার বসছে গাঁঞ্জার আসর কে যাবি চল গাঁঞ্জা খাই।

গাঁঞ্জা খেয়ে লাকির সাথে শাহবাগের চিপাগলিতে খেলবো দুই জন কামনার খেলায়।

চল চল ৫ তারিখে চল সবাই শাহবাগে।

দিনে খাবো গাঁঞ্জা মদ হিরোইন আর ইয়াবা রাতে করবো গাছের নিচে চেতনার আয়োজন।

দেখবে অনেক সুন্দরি চলে আসেন শাহবাগ যেথায় পাবে ফ্রি পতিতা সেটা হচ্ছে শাহবাগ।

গনজাগরন গাঁঞ্জা জাগরন সেক্সজাগরন শাহবাগ।

তোমরা যারা দরিদ্র কিনতে পারছো না গাঁঞ্জা চলো আসো শাহবাগে ফ্রি পাবে গাঁঞ্জা।

চাঁদাবাজরা চলে আসো গাঁঞ্জাখুর ইমরান দিবে তোমাদের চাঁদার নতুন বাজার।

সাংবাদিকরা কেন করছে দেরি ইমরান দিছে হুংকার করেন তা সম্প্রচার এখনি।

সুশীল সমাজ ? আসছে দ্রুত পাছায় লেংটি দিয়া তাদের দেখে নাস্তিকরা দিচ্ছে বাহা বাহ।

আসছে অভিনেতা নেত্রী শিল্পীসমাজ সাহিত্যিক যারা করে কমিউনিস্ট আর ভন্ডামি।

আপনার রেটিং: None

আপনি কি কোরিয়া-তে বসবাস করেন?

আপনি কি কোরিয়াতে কাজের জন্য যেতে আগ্রহি? আপনি কি কোরিয়া-তে বসবাস করেন? আপনার পরিবারের কোন সদস্য বা বন্ধু কি  কোরিয়াতে থাকেন? আপনি কি কোরিয়াতে কখনো ছিলেন?

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য কি কোরিয়ান বিনিয়োগকারী প্রয়োজন? কোরিয়াতে ভ্রমনের জন্য যেতে আগ্রহি? আপনি কি কোরিয়াতে পড়াশুনা করার জন্য যেতে চান?

তবে জেনে রাখুন, আপনাকেই খুজছি আমরা! আপনার কোরিয়া সংশ্লিষ্ট সকল আগ্রহের উত্তর দেবার জন্য আমরা একটি অনলাইন ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছিঃ www.koreabashi.com     

এই ম্যাগাজিনের সকল তথ্য শুধুমাত্র কোরিয়া সম্পর্কিত, বা কোরিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কিত, বাংলাদেশ সম্পর্কিত।

প্রিয় ব্লগার, আমরা আপনাদের সহযোগিতা প্রত্যাশী। যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য আপনার কাছে থাকে তবে আমাদের লিখে জানাতে পারেন, তবে অনুগ্রহ করে বাংলায়, এবং তা এই ঠিকানায়ঃ koreabashi@gmail.com  এছাড়া গুগল প্লাস এর ম্যাসেজ অপশন তো রয়েছেই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

আমার সকল ভালবাসা শুধুই তোমার জন্য

আজ সময়টা থমকে যাবে ক্ষণিকের জন্য
স্তব্ধ হবে সব কোলাহল
আজ আকাশটা হয়ে যাবে মেঘলা
রৌদ্রের তেজ হবে বৃষ্টির জল
আজ তোমার আচঁল তলে লুটাবে গোলাপ
লুটাবে সকল ফুল
আজ তোমার হাসির সুর কাঁপন
ধরাবে মনে
কাঁপন ধরাবে তোমার চুল
আজ মোহিত হয়ে যাব আবারো
তোমার প্রেমে পরবো আরো একবার
আজ তাকিয়ে থাকবো অপলক
যখন আসবে তুমি প্রিয়তমা আমার
আজ সারাদিন তোমায় পূজা করবো
আজকের দিনটা যে শুধুই তোমার
আজকে নিজেকে তোমাতে সমর্পন
করবো
আমার সকল ভালবাসা যে তোমার।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

রক্তপান (২) (পরবর্তী অংশ)

এটাকে যদি পর্যটনের জন্য উন্মুক্ত করে দেয় তাহলে বিশ্ব থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার লোক এই চরে বেড়াতে আসবে।

অবন্তি— যখন এরকম ভাবছিল তখন হাঁটার শব্দ শুনতে পেল। রাতের অন্ধকারে এরকম হাঁটার শব্দ শুনতে পেয়ে সত্যিই ভয় পেয়ে গেল। খুব সতর্কতার সাথে হাঁটার শব্দের উৎসস্থল খোঁজতে লাগল।

অল্প কিছুক্ষণ বাদেই একটি সুদর্শন যুবককে দেখতে পেল। এটাই হয়ত ট্টমি হবে। সে মানুষের রক্ত খাবে কেন। এত সুন্দর ছেলেকে দেখেই অবন্তীর ইচ্ছা হল ছেলেটির সাথে পরিচয় হতে। ডাক দিতে যাবে এমন সময় মনে হল সে না রহস্য সমাধান করতে এসেছে।

সুতরাং ট্টমির দিকে নজর রাখতে লাগল। ট্টমি ঘুরছে, বসছে, চিন্তা করছে।

অবন্তি—ও ট্টমিকে অনুসরণ করছে। এভাবে সাত আট ঘন্টা কেঁটে গেল। অবন্তি— ট্টমিকে দেখে অন্য কিছু মনে হয় নি। তাকে স্বাভাবিক সুস্থ মানুষই মনে হচ্ছে। রাতের বেলায় হয়ত ট্টমি ঘুমায় না। এটা হতেই পারে। অনেক মানুষই আছে যারা রাতে ঘুমায় না। পাখির মত জেগে থাকে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

তোকেই চাই হে কৃষ্ণকলি

আমার বাড়ির সামনে দিয়ে যখোন হেঁটে যাস্ তুই
কাঁধে ঝুলিয়ে চকচকে ব্যাগ হাতে মোবাইল
মনোহর বারান্দায় বসে আমি তখোন পলকহীন
কাজল কালো নয়নে দেখি তোর পথ চলা
ঘাড় ছুঁই ছুঁই লম্বা চুল তার ছন্দিত নাচন।

আমার আকাশ ছিলো শান্ত তোকে দেখার আগে
রং বেরংয়ের ঘুড়িগুলো করেনি খেলা
বৃষ্টিভেজা ঝিরঝির বাতাস মগ্ন চৈতন্যে
তোলেনি সুরের আলোড়ন অসময়ে
গুনগুন করে গান গাওয়ার জাগেনি নেশা।

পড়াশোনা জীবন যাপন ছিলো রুটিন মাফিক
সময় কেটে যেতো সুনসান তোকে দেখার আগে
চশমাপরা প্রিয় কৃষ্ণকলি তোর মুচকি হাসি
হদয়ে ছড়িয়ে মায়াজাল লন্ডভন্ড করেছে
আমার কুসুমিত বাগান ঘুম নেই চোখে
মনের আয়নায় তোর ছায়া ঘুরপাক খায়
তড়িঘড়ি বেড়ে ওঠা এক স্বপ্ন বাসর।  

হরিণ চোখে কাজল টেনে বসে আছি সারাবেলা
দুহাত বাড়িয়ে কৃষ্ণকলি খোপায় পড়েছি ফুল পায়ে নুপুর
খোলা আছে হৃদয় দুয়ার সময় বয়ে যায়।

বাতাসে তুলে প্রেমের ঝড় আয় সখা আয়
আমার অকর্ষিত ভূবন তোরই প্রতিক্ষায়। 
(মফিজুল ইসলাম খান)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

রক্তপান (১)

ট্টমি নামের এক ব্যক্তি পদ্মা নদীর চরে বসত গড়েছে। উনার সম্পর্কে বিভিন্ন প্রথা প্রচলিত আছে। উনি নাকি মানুষের রক্তপান করেন। উনার খাদ্য বলতে একমাত্র মানুষের রক্ত। মানুষের রক্ত ব্যতীত অন্য কিছু পান করেন না। পদ্মা নদীর চরের আশেপাশের মানুষরা তাই সবসময় সতর্ক থাকেন।

ট্টমি যে চরে থাকে সেই চরে কেউ যাওয়ার চেষ্টা করে না। কেউ যদি যায় তাহলে তাকেও বারংবার নিষেধ করে। পদ্মার চরের বসবাসরত শিক্ষিত মানুষরা বিষয়টা বিশ্বাস করে না। লোকের মুখে অনেক কথাই শুনা যায় যা মিথ্যায় ভরপুর থাকে।

সুতরাং শিক্ষিত মানুষরা বিষয়টা বিশ্বাস করে না আবার রহস্য সমাধানেও কেউ এগিয়ে আসে না। যারা বিষয়টা বিশ্বাস করে না তাদের ঐ চরে একরাত্র গিয়ে থাকতে বললে, কেউ থাকতে চায় না।

অবন্তী নামের একটি মেয়ে পদার্থ বিজ্ঞানে হাবার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরেট করে যখন দেশে এসে এই ঘটনা শুনল, তখন ওর কৌতূহল হল। পৃথিবী এমন অনেক কিছুই ঘটতে পারে যার ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারে না। ব্যাখ্যা না দেওয়া পর্যন্ত রহস্যর গবেষণা চালিয়ে যেতে হয়। তাহলে অনেক কিছু বেড়িয়ে আসে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

একজন মাকে শান্তনা!!

পৃথিবীতে
স্বজন হারানোর শোক বড়ই বেদনাদায়ক এর চেয়ে বড় কষ্টের কিছু আছে কিনা আমার
জানা নেই আর স্বজন হারানোর কষ্টে শান্তনা দেয়ার ভাষা খুজে পাওয়াও কঠিন।
কিন্তু আমাদের উচিৎ কোন বিরোধী দল ভেবে নয়, একজন সন্তান হারা মাকে শান্তনা
দেয়ার। আমাদের সবাইকে একদিন চলে যেতে হবে না ফেরার দেশে কেউই এখানের
চিরস্থায়ী বাসিন্দা নয় আগে পরে সবারই যেতে হবে। আজকে এই মায়ের সন্তান
আল্লাহ চিরাচরিত নিয়সে চলে গেছে না ফেরার দেশে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না
ইলাইহি রাজীউন)। আমরা একজন সন্তানহারা মাকে শান্তনা দেই, মহান আল্লাহ উনাকে
ধৈর্য ধরার তৌফিক দিন। আর উনার ছেলেকে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত করেন।

আমিন।

বিষয়: সাহিত্য

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

আহলে হাদীস সম্প্রদায় ইংরেজদের আশীর্বাদ্পুষ্ট।

গায়রে মুকাল্লিদ আহলে হাদীস সালাফি ইংরেজ সরকারের অনুগত ছিলো। মাওলানা হুসাইন বাটালবী সাদা চামড়াওয়ালা প্রভুদের খুশী করার জন্য জিহাদ বাতিল ও রহিত হওয়ার ব্যাপারে "াল-ইকতেছাদ ফি মাসাইলিল জিহাদ" নামক গ্রন্থ রচনা করে এই গ্রন্থটি বৃটিশ সরকারের সাহায্যে বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ করে। পান্জাবের ইংরেজ গভর্ণর এটাকে প্রকাশ করে এই গ্রন্থ রচনার বিনিময়ে আহলে হাদীস সম্প্রদায়ের নাম সরকারি অফিস-আদালতের রেজিস্ট্রার সমূহের মধ্যে লিপিবদ্ধ করে রাখে। এই গ্রন্থের আলোচ্য বিষয় ছিলো বৃটিশ এর বিরুদ্ধে যারা জিহাদ করছে, তাদের এই কাজ একেবারে অনৈসলামি; বৃটিশ সরকারের রাজত্বে অত্যন্ত শান্তি ও নিরাপত্তা ছিলো। এই সরকার আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত স্বরূপ।ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদ করা সম্পুর্ণরূপে হারাম। আল-ইকতেছাদ প্র্র্ষ্টা-৩

আপনার রেটিং: None

একটি গল্প ও জামায়াত শিবির

এক কৃষকের বাড়িতে বাৎসরিক চুক্তিতে কিছু কামলা থাকতো। কামলাদের মাঝে একজনের ১ চোখ কানা ছিলো।

ক্ষেতে ধান রোপনের পর কৃষক জিজ্ঞাসা করলো ধানের এই॥ গোছা মোটা কেন? সবাই বলিলো এটা কানা রোপন করেছে। কৃষক জিজ্ঞাসা করিলো ঐ গোছা চিকন কেন? সবাই বললো ঐটা কানা ব্যাটার কাজ।

কৃষক আবার জিজ্ঞাসা করলো, এই আইল বাঁকা কেন? সবাই বললো এটা কানা ছারা আর কারো কম্ম
নহে। সব শুনে কৃষক কিছুই বললো না।

কিছুদিন পর ক্ষেতে আগাছা জন্মানোর পর যখন পরিষ্কার করা হলো তখন কৃষক
বললো, এদিকে আগাছা রয়ে গেলো কেন? সবাই বললো, আরে ঐ দিকে তো কানা ব্যাটায় কাজ করছে।

কৃষক চলে গেলো। ধান কেটে আটি বাধার পর কৃষক জিজ্ঞাসা করলো, এতো বড় নারা রেখে ধান কাটছে কে? সবাই বললো কানা। এদিকে দেখি নারা নেই। মাটির সাথে মিশিয়ে ধান কাটছে কে? সবাই বললো কানা। এই আটি এতো মোটা কেন? কানা বাধছে তাই মোটা। ঐ আটি এতো পাতলা কেন? কানা বাধছে? এই আটির বাধন এতো হালকা কেন?

নাহ, কানাকে নিয়ে আর
পারা গেলো না। ধান মারাই এর পর কৃষক জিজ্ঞাসা করলো এ আটিতে ধান রয়ে গেছে। এটা কে মারাই করেছে? সবার জবাব কানা।

আপনার রেটিং: None
Syndicate content