ব্লগসমূহ

সতী নারীরা এমনই হয়



সতীসাধ্বী নারীর সম্ভ্রম খোয়ানো যায় না। নষ্ট করা যায় না তার ইজ্জত সম্মান। সতীত্ব ও সম্ভ্রম রক্ষার প্রশ্নে প্রয়োজনে সে অকাতরে জীবনটা পর্যন্ত বিলিয়ে দেয়। বিল্যে দেয় সব কিছু। এ চির সত্যটিই প্রমাণ করার জন্য ইমাম খাত্তাবী ( রহঃ ) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'আদালাতুস সামা'য় একটি চমৎকার ঘটনা উল্লেখ করেছেন।
তিনি লিখেছেন আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে বাগদাদ শহরে এক কসাই ছিল। ফজরের অনেক আগেই সে দোকানে চলে যেত। সেখানে ছাগল জবাই করত এবং রাত থাকতেই বাড়ি ফিরে আসত। অতঃপর কিছু বেলা উঠলে সবকিছু ঠিকঠাক করে গোশত বিক্রির জন্য দোকান খুলে বসত।
আপনার রেটিং: None

মু’মিন

হেলা খেলায় যাচ্ছে চলে
এই দুনিয়ার জীবন।
কখন যেন ছিনতাইকারির বেশে
হানা দেবে মরন।

জানি না’কো কেমন জানি
মৃত্যু হবে আমার।
হাদীসে পড়ে ছিলাম
শেষ ভাল যার সব ভাল তার।

এমন করেই মৃত্যু মোর
ঈমানের সাথে হয়।
ভাবতে পারি আমি
আমার আখেরাত হবে কল্যানময়।

এর বিপরীত হয় যদি
আল্লাহ না করুন।
আমার আখেরাত হবে তখন
কতই না নিদারুন।

আমার আখের পরিণতি দেখে
হাসবে জান্নাতবাসীগণ।
তাই আমলের সাথে চলবো আমি
করছি আজি পণ।

আল্লাহ করুন মু’মিনাহ হয়ে
মরন যেন হয়।
প্রার্থনা করি সদাই
আখেরাত যেন হয় শান্তিময়।

দুনিয়াতে আমি গরীব হয়েই
যায় চলে যাক দিন।
আখেরাতে যেন পরিচিত হই
আমি একজন মু’মিন।

দুনিয়া দিও সাদাসিদা
আখেরে দিও নাজাত
এপ্রার্থনাই সকাল সাঝে
এই তো মনের একান্ত আর্তনাদ।
 
১৫ই মার্চ ২০১৪

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (৫ম পর্ব)

এভাবেই কানিজ আর আযাদের কেটে যায় কয়েক বছর! বাড়িতে অন্য সব কাজের জন্য
আলাদা আলাদা মানুষ রাখা আছে! আর আযাদের জন্য আছে কানিজ! কানিজ তবুও আযাদের
কাজ গুলো নিজ হাতে করে দেয়! আযাদকে সময়মত খাওয়ানো, গোসল করানো, আযাদকে গল্প
শুনানো, বিকেলে ছাদে দিয়ে আকাশ দেখা, পত্রিকা পড়ে শুনানো একথায় নিত্য
দিনের সকল কাজের আঞ্জাম দিয়ে যায় কানিজ! এমন কি কানিজ নিজেকে আযাদের
পছন্দমত পোষাকে সাজিয়ে রাখে! কানিজ বেচারী আযাদের জন্য মনের সকল ইচ্ছাকে
কোরবানিই দিয়ে গেলো! আযাদ মাঝে মাঝে কানিজকে নিয়ে ভাবে কানিজের কি এভাবেই
যাবে জীবনটা? কানিজের জীবনটা তো আরো সুন্দর হতে পারতো! কেন মিছিমিছি কানিজ
এখানে থেকে নিজের জীবন যৌবন শেষ করে দিচ্ছে আযাদের সেবায়! আযাদ তো কোনদিনই
তাকে কিছুই দিতে পারবেনা! এসব ভেবে ভেবে আযাদ মাঝে মাঝে মন খারাপ করে!
আযাদের এক বন্ধু মাঝে মাঝে এসে আযাদকে দেখে যায়! তার নামও আযাদ! সে এসে
কিছু সময় গল্প করে কাটায়! আযাদ মাঝে মাঝে বন্ধুর থেকে নানা রকম পরামর্শ
নেয়! একদিন কথা প্রসঙ্গে আযাদকে বলে আযাদ তুমি কখনো তোমার বউয়ের প্রতি কোন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

নামাযে পায়ের সাথে পা মিলিয়ে দাঁড়ানো নাকি বেদাত?

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। 

সকল প্রশংসা আল্লাহর। অসংখ্য দরুদ ও সালাম নাযিল হোক প্রিয় নবীজীর উপর। 

আপনার রেটিং: None

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (৪র্থ পর্ব)

আযাদ বোন ও বোন জামাইদের সাথে কানিজের ব্যপারে কথা বলে! কানিজের
মতামত জানায়! তারা ও প্রথমে রাজি হতে চায়না কারন এটা বাস্তব জীবন নিয়ে কথা!
কোন হেলাখেলা হতে পারেনা জীবনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে! কানিজও সবার সামনে
তার অটল অবিচল কথা প্রকাশ করেন এবং সে যে এই কথাতে অনড় সেটাও সবাইকে বুঝিয়ে
দেন! কানিজের কথায় অটলতা দেখে আর আযাদের প্রতি ভালোবাসা দেখে তারাও এক
পর্যায়ে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার ব্যপারে রাজি হন! তবে আযাদ আরেকটু সুস্থ হলেই
এই বিয়ে হবে বলে কানিজের বাবার সাথে এভাবেই কথা হয়! কানিজ তার বাবা মাকে
বলে আপনারা আযাদ সু্স্থ থাকলে যেভাবে বিয়ের আয়োজন করতেন সেভাবেই অনুষ্ঠানটা
পরিচালনা করবেন! আমার তাকদ্বীরের উপর আমাকে ছেড়ে দিন! আল্লাহ হয়তো আমার
উপর সহায় হবেন! আপনারা শুধু আমার জন্য এই বলে দোয়া করুন আমি যেন কোন
অবস্থাতেই আযাদের কাছ থেকে সরে না পড়ি! যতদিন সে বেঁচে থাকবে ততদিন তার
সেবায় নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারি! কানিজের মা মেয়েকে অনেক বুঝাতে চাইলেও
কানিজ তা মানেনি! কানিজের মা মনে মনে খুবই রাগ! এটা কোন ছেলে খেলা নয়! জীবন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

বন্ধুত্ব

বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে ভালবাসি।
আর এই ভালবাসাটাই আমাকে কষ্ট দেয়।।
প্রতিনিয়ত বন্ধুদের হারিয়ে যাওয়া এবং বন্ধুদের দুঃখ দুর্দশারর সংবাদ এবং চোখের পানি যেন আমাকে প্রতিনিয়ত মর্মাহত করে।।
আর এজন্যই মাঝেমধ্যে ভেংগে পড়ি আমি নিজেও।
আর অপেক্ষায় থাকি হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের ফিরে পেতে।
(হানিফ)

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (৩য় পর্ব)

কানিজ অনেক সময় চুপ করে
থেকে এবার বলা শুরু করে! আপনি কি বলছেন? কানিজের বিয়ের সবকিছু তো হয়েই
গেছে! তারিখ হয়েছে, বিয়ের কার্ড বিলি হয়েছে, লোক জানাজানি হয়েছে, কেনাকাটা
হয়েছে, এখন শুধু কবুল বলা বাকি আর আগামি কালকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কানিজের
সত্যিকারের কবুল বলে বিয়ে হবে! আযাদ এবার কানিজের মুখ পানে তাকায়! দেখে
কানিজ হয়তো খুব কান্নাকাটি করেছে! দু'চোখ তার ফুঁলে ফুঁলে লাল বর্ণ হয়ে
আছে! আযাদ জানতে চায় তুমি কি বলছো কানিজ? কানিজ চুপ করে থেকে বলে কালকেই
কানিজের বিয়ে হবে এবং আপনার সাথেই! আমি বিয়ে ভেঙে দিতে আসিনি সবাই রাজি না
থাকলেও আমি রাজি এবং বিয়ের অুনষ্ঠানও কালকেই হবে! আমি এসেছি কালকেই যেন
বিয়ে হয় সে কথাটা আপনাকে বলতে! আপনি বিয়ে ভেঙে দেবেন না! কারন কানিজের মনের
সাথে আপনার বিয়ে হয়ে গেছে আরো অনেক আগেই! বাকি আছে শুধু আনুষ্ঠানিকতা! আর
কালকে তা হয়ে গেলে কেউ আর আপনার থেকে আমাকে দুরে নিতে পারবেনা! আযাদ অবাক
চোখে তাকিয়ে আছে কানিজের দিকে এসব কি বলছে কানিজ? ওর মাথা কি ঠিক আছে? আমি
অপেক্ষাতে আছি সে এসে বিয়ে ভেঙে দেবে বলে! আর সে বলছে কালকের তারিখেই বিয়ে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (পর্ব ২য়)

আযাদকে কে বা কারা হাসপাতালে নিয়ে গেছে সে জানেনা! আযাদের পকেট চেক
করে একটি টি এন্ড টি নম্বর পেয়ে ডাক্তারেরা সেটাতে কল করে জানিয়ে দেয় একজন
লোক গুরুতর আহত ঢাকা মেডিকেলে আছে আপনাদের কি হয় জানিনা আপনারা দ্রুত আসেন!
উনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে! আযাদের বাবা, মেজু ভাই ও বোন জামাইরা
দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে যায় তখনও আযাদের জ্ঞান ফেরেনি! ডাক্তার কয়েকজনে মিলে
আযাদের চিকিৎসা করে! তারা জানায় রোগী গুরুতর আহত! রোগীর পায়ের উপর দিয়ে
ট্রাকের চাকা গেছে! তার মেরুদন্ডের হাড় ও পা অচল হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা বেশী!
রক্তক্ষরনও খুব বেশীই হয়েছে! এমন কি হাটুর হাড় পুরোই চূর্ণ হয়ে গেছে! এখন
অপারেশন করে উভয় পা ফেলে দিতে হবে! আপনারা কি ভাবছেন তার ব্যপারে? আযাদের
বাবা তো কান্নায় অস্থীর! কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না! আযাদের ভাই ও বোন
জামাইরা ডাক্তারকে বলেন আপনারা যা ভালো মনে করেন করুন! যত টাকা লাগে আপনারা
আমাদের ভাইকে সুস্থ করতে চেষ্টা করুন! ডাক্তার বলেন সব সময় টাকা দিয়েও
সবকিছু করা যায়না! ডাক্তার একটি কাগজ দেয় সই করার জন্য আযাদের বাবা সেটাতে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

সবাই মানুষ ভাবতে খারাপই লাগে!

পৃথিবীতে সবাই আমরা মানুষ! এরপরও সবার মাঝে নানা রকম ভেদাভেদ! কেউ
বিলাসিতার উচ্চাসনে বসে আছে! আর কারো অবস্থান গাছতলাতে! কেউ হাজার টাকায়
মার্কেট করে! আর কেউ ঈদের দিনেও পেট ভরে খেতে পারেনা! কত বৈষম্য আমাদের
মানুষের মাঝে? কেন এমনটি হয়? কেন সবাই সবাইকে আরো একটু কাছে টেনে নেয়না?
কেন আরেকটু আপন করেনা? কেন একজন আরেকজনের চোখের অশ্রু মুছে দিতে উদ্যত
হয়না?

একটি বাস্তবতা বনাম আমরাঃ-

ঈদের দিন! সবাই নিজ নিজ
ঘরে আপ্যায়িত হয়! আর আমাদের মাঝেই কেউ কেউ এই দিনেও সরনাপন্ন হোন আরেক জনের
ঘরে! মেহমান হয়ে নয়! একজন কাজের লোক হয়ে! তাতেও তাদের আপত্তি থাকেনা! কারন
কোন না কোন ভাবে সময় তো কাটবে! আর কাজের মাঝে থাকলে মনটাতে কষ্টের
উপস্থিতিটাও কম হবে! আর এসব ভাবতে ভাবতেই মালিকের বাড়ির দিকে পা বাড়ান
আমাদেরই এক বোন পরি! কোরবানির ঈদ বলে কথা! কত কাজ! বাড়ির কর্তী কত কাজ রেডি
করে রেখেছে! বাসার কাছে গিয়ে বাহিরে থেকেই শুনতে পান আজকে যদি কাজে না আসে
ঈদের পরেও আর কাজে রাখবেনা! বাদ করে দিবে! পরি এসব শুনেও দরজায় ঠক ঠক দেয়!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (১ম পর্ব)

আযাদ চৌধুরী! বংশ চৌধুরী হওয়ায় চৌধুরী উপাধি পেয়েছেন! বেশ কয়েক বছর
বিদেশ থেকে অনেক টাকা ইনকাম করে দেশে ফিরেছেন! আর বাবার সহায় সম্পদও আছে
অনেক! তিন ভাই ও দুই বোনেরা মধ্যে আযাদ চৌধুরী সবার বড়! বোনদের বিয়ে হয়ে
গেছে অনেক আগেই! দেশে আসলে আযাদের মা বলল; বাবারে অনেক তো বিদেশ করলি এবার
বিয়ে কর! আর বিদেশ একেবারে বাদ দে! কারন আমার বা তোর বাবার কখন কি হয়! আমরা
তোর বউকে দেখে যেতে চাই! আযাদ মাথা নিচু করে বলেন আম্মাজান দেখেন আপনারা
যা ভালো বুঝেন তাই হবে! আযাদের মা বাবা মেয়ে খোজার জন্য ঘটন লাগালেন! ঘটক
কয়েকটি মেয়ের ছবি দিলো দেখতে! তাদের থেকে একজনকে আযাদের ভালো লাগে ও দেখতে
যাওয়ার ইচ্ছা পোষন করে! ঘটক সব ব্যবস্থা করে দেয়! দিনক্ষন ঠিক করে একদিন
আযাদ ও তার দুইবোন যান কনে দেখতে!

কনের নাম কানিজ ফাতেমা! সবাই আদর
করে ফাতেমা বলেই ডাকে! কনে দেখে আযাদের খুব পছন্দ হয়! সে কনে কে তিনহাজার
টাকার একটি খাম দিয়ে আসে! আর জানতে চায় তাকে কনের ভালো লেগেছে কিনা! কনে
শুধু একটু মুচকি হাসি দেয়! আর কিছুই বলেনা! বাসায় এসে মা বাবাকে তার অভিমত

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)
Syndicate content