ব্লগসমূহ

দাঁড়ি দুপি কিংবা নামাজির গল্প / মানুষ নাস্তিক কেন হয় ?

মানুষ যখন দেখে ধর্মকে সমাজের লোকরা স্বার্থে ব্যবহার কছে তখন তারা ধর্মকে ঘৃণা করে ধর্ম থেকে দুরে চলে যায় । এটা তাদের জ্ঞানের অভাবও বটে । তারা দেখে ধর্ম দ্বিধা দন্দ্ব মারামারিতে ভরা ।  তারা ধর্ম সম্পর্কে বেশী কিছু  না জেনেই ধর্ম থেকে দুরে চলে যায় । কারন তারা দেখে যে যারা ধর্মীয় জ্ঞানের অধিকারি তারা  অনেকেই ভালো নয় বা বদ্ধ প্রকৃতির লোক । তারা ধার্মিক থেকে দুরে থাকতে চায় ।

আগেই বলে রাখি ধর্ম পবিত্র । তা যখন নিস্বার্থভাবে পালন হয় তা সম্মানিত ।তা যখন লেবাসের ভেতর সীমাবদ্ধ না হয় তখন তা হয় আরো সম্মানিত । নবী ও সাহাবীরা ছিল মানুষের কল্যানকামী । তারা অল্প শিক্ষিত হলেও তারা ছিল দূরদর্শি ও সুন্দর মননের অধিকারি ।

আপনার রেটিং: None

তিন ভাষায় কুরআন হেফজ করলেন মিশরের প্রতিভাবান যুবক

%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%95

বার্তা সংস্থা ইকনা: মিশরের ২৩ বছরের যুবক
‘আহমেদ মুসলিম আহমেদ ওবায়েদ’ স্বয়ং আরবি ভাষায় কুরআন হেফজ ছাড়াও ফরাসি
এবং ইংরেজি ভাষায় অনুবাদকৃত কুরআন শরিফও হেফজ করতে সক্ষম হয়েছেন।

আপনার রেটিং: None

মৃত্যুর দূত মালাকুল মাউত আঃ একটি ঘটনা

মৃত্যু যেকোন সময় চলে আসবে,

* একটি যাত্রীভরা বাস চলতেছিল।
হঠাৎ ড্রাইভার বাসটিকে থামালেন।
সমস্যা কি জানতে চাইল যাত্রীরা। সে উত্তর দিল, "এই যে
বৃদ্ধ লোকটি বাসে উঠার জন্য হাত
নাড়াচ্ছেন, তার জন্য আমি বাস থামাচ্ছি।"
যাত্রীরা বিষ্মিত হয়ে বলল, "আমরা তো কাউকে দেখছি না।"
.
সে বলল, "ঐ যে ওখানে তার দিকে
তাকান।" আবারও
যাত্রীরা বলল, "কাউকে দেখা যাচ্ছে না।"
এবার ড্রাইবার বলল, "এখন দেখুন লোকটি
বাসে উঠছে!!" যাত্রীরা বিষ্ময়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ়
হয়ে চিৎকার করে বলছে, "আল্লাহর
কসম! আমরা কাউকে দেখছি না।" তারপর এক
মুহুর্তের মধ্যেই ড্রাইভার তার আসনেই মারা
গেল।
.
হতে পারে এই বৃদ্ধ লোকটিই ছিলেন
মালাকাল মউত [আযরাঈল (আ)] !
ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন মিসরের
প্রখ্যাত আলেম লেখক আলী তানতাভী
[তথ্যসুত্র : লা তাহযান, লেখক : ড. আয়িদ আল ক্বারণী
৫২৬ পৃষ্ঠা]

আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার!
হে আল্লাহ ! আমাদের সবাইকে তুমি
ঈমানের হালতে মৃত্যু দিও গো মওলা,
(আমীন)
.

আপনার রেটিং: None

ঈদের কেনাকাটা

দোস্ত চল ঈদের কেনাকাটা করতে যাই, এত তাড়াতাড়ি কেন.?
আরে মেয়েরা যেভাবে ছেলেদের প্যান্টশার্ট কিনছে পরে গেলে থ্রিপিছ ছাড়া কিছু পাওয়া যাবে না

আপনার রেটিং: None

চির সত্য

জীবনের দুইটা দিন চির সত্য।
প্রথমদিনে জীবন শুরু হয় নিজের কান্না দিয়ে আর দ্বিতীয়দিনে জীবন শেষ হয় অন্যের কান্না দিয়ে।
আর মাঝখানে থাকে পাওয়া না পাওয়ার হাসি কষ্ট।

আপনার রেটিং: None

তুরস্কের ধর্মীয় বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রাচীন মক্কার চিত্র + ছবি

%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0---%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf

তুর্কি ধর্মীয় বিষয়ক
ওয়েবসাইট পবিত্র মক্কা নগরী এবং আল্লাহ’র ঘরের প্রায় ১০০ বছরের প্রাচীন
ছবি প্রকাশ করেছে।

আপনার রেটিং: None

জনপ্রিয় সব কিছুই জামায়াত শিবিরেরঃ

১.দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় ব্যক্তি-আল্লামা সাঈদী।

২, জনপ্রিয় আইনজীবি-আব্দুর রাজ্জাক।

৩.জনপ্রিয় বক্তা- শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

৪.জনপ্রিয় লেখক- অধ্যাপক গোলাম আযম।

৫.জনপ্রিয় কবি বর্তমানে-আল মাহমুদ।

৬. জনপ্রিয় শিল্পী- মানিক ও নওসাদ মাহফুজ ভাই।

৭.জনপ্রিয় ব্যাংক- ইসলামী ব্যাংক।

৮.জনপ্রিয় ইসলামী শিল্পী গোষ্ঠী-সাইমুম শিল্পী গোষ্ঠী।

৯.জনপ্রিয় হাসপাতাল- ইবনে সিনা।

১০. জনপ্রিয় মাদ্রাসা- তামিরু ল মিল্লাত।

আর এই গুলো জামায়াত শিবিরে ছোঁয়া পেয়েই শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয়তার আসন দখল করেছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

ফের ক্রিকেটে ফিরছেন আশরাফুল!

সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের
নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৫ বছর হলেও শর্ত
সাপেক্ষে তা দুই বছর কমিয়ে ৩ বছর রাখা
হয়। সেক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ
শেষ হচ্ছে আগামী বছরের আগস্ট মাসে।
এরপর আবার মাঠে দেখা যাবে জনপ্রিয়
ব্যাটসম্যান আশরাফুলকে। তবে এর আগেই
তার ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার ইঙ্গিত
পাওয়া গেছে। বিসিবির একটি সূত্র
জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ দিকে
ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ পেতে
পারেন মোহাম্মদ আশরাফুল।
ভারতকে সিরিজে হারিয়ে পুরো
বাংলাদেশ যখন উচ্ছ্বাসে ভাসছে তখন
এটি আরো একটি সুসংবাদ হয়ে এসেছে
ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্যে। চলতি বছরই
ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরতে পারেন
বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রথম সুপার স্টার
মোহাম্মদ আশরাফুল।
আইসিসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী নিষিদ্ধ
ক্রিকেটাররা শর্ত সাপেক্ষে ঘরোয়া
ক্রিকেট খেলতে পারবেন। এজন্য
স্বীকারোক্তির পাশাপাশি নিষিদ্ধ
খেলোয়াড়ের বোর্ড থেকেও আইসিসি
বরাবর আনুমতি চাইতে হবে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)
আশরাফুলের জন্য অনুমতি চাইবে বলে
জানা গেছে। চলতি বছরের শুরুতে
আইসিসির নতুন নিয়মের সুবিধা আদায় করে
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন পাকিস্তানের

আপনার রেটিং: None

POEM OF KHALID

মানুষের অনুভূতি

আমার ভালোবাসা ভয়াভহ
ভূমিকম্পের চাইতেও
ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ ক্ষতি মানুষের মৃত্যু
দালান কোটার ক্ষতি,
একদিন মিশে দেখ
যদি একদিন সময় দাও
না মরবে ,না বাঁচবে ।
আমার সাথে মিশলে মানব জাতির
রক্তের প্রবাহ বুঝবে।
আমার ভেতরে মানবজাতি আছে
পুরো মানবসত্ত্বা নিয়ে আমি ঘুরি
যদি আমার সাথে একদিন মেশো
আমি মানবজাতির পুরো মানবসত্ত্বাকে
এককাপে সরবত গুলিয়ে খাওয়াব
যা দামি রেস্টুরেন্টের লাখ টাকার শরবতের
চাইতেও দামি ।

 

অযোগ্য লোক

মানুষের হাট আছে
মানুষ বিক্রি হয় সেখানে।
আত্মার কান্না হয়
অন্ধকার পল্লীতে।
যে মানুষ সারাদিন না খেয়ে থাকে
সে মানুষের চামড়া ফেটে যাবে।
পঁচা নর্দমায় লাশ পড়ে আছে
সে লাশ নাকি স্বর্গে গেলেও যেতে পারে।
আত্মারা ধন্য হবে
আত্মারা পৃথিবীতে কেদেছিল বলে।
নোংরা বিছানার কোতরানো
সৃষ্টিকর্তা জানে।

আপনার রেটিং: None

হযরত ওমর রাঃ এর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ন ঘটনা

হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একদিন
একাকী বসে আছেন, তিনি হাসছিলেন,
আবার কাঁদছিলেন॥
লোকেরা তার এ অবস্থা দেখে তাকে
জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কেন এমনটি
করছিলেন ?
“তিনি বলেন, আমি হাসছিলাম আমার
জাহেলী জীবনের একটি ঘটনা মনে করে।
ঘটনাটি হলো, এক দিন আমরা সফরে
বেরিয়েছিলাম। কিছুটা দূর অঞ্চলে। রাত
হয়ে গেলে আমার মন চাইলো একটু ইবাদাত
করতে। তখন আমাদের সকলেরই বহনযোগ্য
ছোট্ট একটি মুর্তি থাকতো, যেটিকে
আমরা সফরে যাওয়ার সময় সাথে নিয়ে
যেতাম ইবাদাত করার জন্য।
আমার হঠাৎ খেয়াল হলো যে আমি আমার
মুর্তিটিকে সাথে আনিনি। ভাবতে
লাগলাম কিভাবে একটু ইবাদাত করা যায়।
আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এলো। আমি
আমার কাছে থাকা খেজুরগুলোকে মণ্ড
করে তা দিয়ে একটি মুর্তি বানালাম এবং
তার পুজা করলাম!
এরপর রাতে আমার ক্ষুধা পেলো। কিন্তু
খাবার কিছু নেই। যে খেজুর সাথে ছিলো
তা দিয়ে তো মুর্তি বানিয়েছি। কিছুক্ষন
সহ্য করলাম। এরপর যখন ক্ষুধাটা একটু
বেড়ে গেলো, খেজুরের মণ্ড দিয়ে
বানানো মুর্তিটিকে ভেঙ্গে খেয়ে
ফেললাম!
এই ঘটনা মনে করে আমি হাসছিলাম। আমরা
এতোটা বুদ্ধি বিবেচনাহীন কিভাবে হতে
পারলাম ? কিভাবে এমন বেকুবের মতো কাজ

আপনার রেটিং: None
Syndicate content