ব্লগসমূহ

মাইজভান্ডারির ভন্ডামি

ধর্ম ব্যবসায়ী মাইজভান্ডারী পীরের যোগ্য মুরিদের কান্ড দেখেন!!! মাইজভান্ডারীর মুরিদেরা রাজধানীতে অপহরন করছে নূরে বাবা ওরফে চেংড়া মামা ওরফে পাগলা মামা নামের পীররে।বছর দশেক আগে নূরে বাবা বাজারে অলিগলিতে ন্যাংটি পড়ে খালি গায়ে বসে থাকতো আর পানির মত একটার পর একটা বিড়ি টানতো।পরে নূরে বাবা আখড়া বসানোর পর শত শত মানুষের ভিড় দেখে মাইজভান্ডারী গ্রুপের লোভ হলো ধর্ম ব্যবসা করার।মাইজভান্ডারি পীরের অনুসারিরা দখলে নেয় নুরে বাবার আখড়া।তারা সন্ধ্যায় জমিয়ে তোলে মাজভান্ডারী গানের আসর গভীর রাতে চলে গাঁজার আসর মাদক ব্যবসাসহ নারী নিয়ে বেলাল্লাপনা।আখড়ায় মাসে গড়ে প্রায় দুই লাখ টাকা আয় হয়।পুরো টাকা পকেটস্থ করে মাইজভান্ডি গ্রুপ।এখান থেকে টাকার একটি অংশ যায় মাইজভান্ডারি পীরের কাছে ও তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর কাছে।

আপনার রেটিং: None

আগে বিস্তারিত জানি, তারপর মন্তব্য

আসুন! আগে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি, তারপর মন্তব্য করি।(@[508041952627593:0])

জিহাদ ইসলামে ফরজ,
জিহাদ কে যারা অস্বীকার করবে নিশ্চয়ই তারা কাফের।
কিন্তু জিহাদের নামে পাকিস্তান তালেবান যেভাবে শতাধিক শিশু হত্যা করেছে এটা নিশ্চয়ই ইসলাম পছন্দ করে না।যেহেতু জিহাদের ক্ষেত্রে শিশুদের আক্রমণের বাহিরে রাখার বিধান রয়েছে, রয়েছে আরো বিধিবিধান।।
ইসলাম যেমন এটি পছন্দ করে না ঠিক আফগান তালেবানরাও এই হত্যাযজ্ঞকে মেনে নেন নাই।
এমন হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান সহ সারা বিশ্বের ওলামায়ে দেওবন্দ, মোবাল্লেগীন এবং ইসলামী মুজাহীদরা।।
জংগী দমনের নামে বিগত বারো বছর যাবৎ তালেবান ও তাদের শিশুদের উপর যেভাবে আক্রমণ করে পশ্চিমা বিশ্ব ও তাদের দালালরা অসংখ্য মুছলমান কে হত্যা করে বড় অন্যায় করেছে ,ঠিক এত্তগুলা অবুঝ শিশুকে হত্যা করে পাকিস্তান তালিবানরা শিশুদের অন্তরে জিহাদের ভুল ধারণা সৃষ্টি করে বড় অন্যায় করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন অনেক আলেম সমাজ।।
অনেকেই পাক-তালিবানের এমন অপকর্মের দায়ভাগ আফগান তালিবান কিংবা বিশ্ব মুজাহীদদের উপরে ন্যাস্ত করতে চাইবেন, যা হবে চরম ভুল।।

আপনার রেটিং: None

"আত্মার খোরাক হাদীস"

আজকে হাদীস পাঠ করতে গিয়ে কয়েকটি হাদীস পেয়েছি আমার খুবই ভালো
লেগেছে। পড়ে দেখেন আপনাদেরও ভালো লাগবে হয়তো। আর হাদীস নিজের জীবনে
বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে হয়তো কেউ কেউ উৎসাহ পাবেন আশা করি। এজন্য আমার হাদীস
পাঠ থেকে দুটি এখানে সবার সাথে শেয়ার করছি।

হযরত আবু হুরায়রা
(রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ দান-খয়রাতে সম্পদ কমেনা এবং
ক্ষমা দ্বারা মহান আল্লাহ বান্দাহর ইজ্জত-সম্মানই বাড়িয়ে দেন। আর যে
আল্লাহর উদ্দেশে বিনয়ী হয়,আল্লাহ তাকে উন্নত করেন।

(মুসলিম)

হাদীসের ব্যাখ্যাঃ- বর্ণিত হাদীসে আল্লাহর নবী(সঃ) বিশেষ ধরনের তিনটি গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। দান, ক্ষমা ও বিনয়। কোন বস্তুবাদি

স্বল্প
বুদ্ধির লোক হয়তো মনে করতে পারে যে, দান দ্বারা সম্পদ কমে যায়, ক্ষমা
দ্বারা সম্মানের লাঘব হয় এবং বিনয় দ্বারা মর্যাদার হানি ঘটে। নবী করিম (সঃ)
বলেছেন এরুপ নয় বরং এর বিপরীত। দান সম্পদ বৃদ্ধি করে, ক্ষমা সম্মান দান
করে, আর বিনয় মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

হযরত আবু হুরায়রা

আপনার রেটিং: None

"বিজয়ের মাসে সেঞ্চুরী পোস্ট ও কিছু কথা"

ব্লগার ভাই বোন আপনাদের সকলকে "আস-সালামু আলাইকুম"

এই ব্লগে আমি আছি
এক বছর এগারো মাস পনেরোদিন। আজকের এই লেখা সহ আমার লেখা একশতম লেখা হবে।
(মানে সেঞ্চুরী পোস্ট) যাদের ত্যাগের কারনে স্বাধীনতার বার্তা এসেছিল তাদের
সকলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা তিনি যেন তাদেরকে সম্মানের
উচ্চসনে আসীন করেন। আর বাঙালি সকল ভাই বোনসহ সবাইকে বিজয়ের আনন্দেই রাখুন
সবসময়। এই বিজয় বাংলার জমিনে আসুক বারংবার। আজ বিজয় দিবস পালিত হয়েছে
বাংলাদেশে লেখাটা আগে পোস্ট করার ইচ্ছা থাকলেও পারিনি আমার পরিবারের সবাই
আমাকে নিয়ে হাসপাতালে সারাদিন আর আমার ডান হাতে চলছিলো সেলাইন। তাই পারিনি
লেখাটা দিনে পোস্ট করতে। এখন যদিও ষোলোই ডিসেম্বর শেষ হয়ে সতেরো চলছে
তারপরও লেখেটা পোস্ট করেই ঘুমাবো ভাবছি।

হাঁটি হাঁটি পা পা করে
চলতে শেখা। অ, আ, দা, না বলে বলতে শেখা। হাঁটি হাঁটি পা পা করে চলতে শিখেছি
মায়ের কাছে। আবোল তাবোল বলে বলে বলতে শিখেছি মায়ের কাছে। মায়ের কাছে শেখা
শিক্ষা নিয়ে টুডে ব্লগের চলার সাথে সাথে চলছি আমি ও আমরা সকল ব্লগার ভাই ও

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

লিখার প্রতি লিখকের মমতা ওআত্মিক সম্পর্ক।

লিখার প্রতি লিখকের মমতা ও
আত্মিক সম্পর্ক।
কারো অন্তরে যদি এটা সৃষ্টি না হয়
তাহলে সে 'জীবিকার
প্রয়োজনে'
লিখতে পারে এবং লিখকও
হতে পারে, কিন্তু সাহিত্যিক
হতে পারে না, আর সাহিত্বের
সাধক তো হতেই পারে না।
তুমি যদি সাহিত্বের সাধক
হতে চাও, আগে লেখার
প্রতি মমতা অর্জন করো। লিখার
প্রতি যদি তোমার মমতা থাকে,
তাহলে মৃত্যুর পরও তোমার
লিখা অনন্ত জীবনের সুবাস ধারণ
করবে। লিখার জন্য তুমি কতটা ত্যাগ
স্বীকার করেছো, সেটাই
নির্ধারণ করবে, লিখার
প্রতি তোমার কী পরিমাণ
মমতা রয়েছে।
মুখে তোমাকে বলতে হবে না লিখার
প্রতি তোমার মমতার কথা। ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

সকল বাঙালীর কাছে এক মিনিট সময় চাচ্ছি, বাংলাদেশের নাম উজ্জল করার জন্য

আশা করি সবাই ভালো আছেন। সকল বন্ধুদের সাহায্য চাচ্ছি, আমি ও আমার টিম (Atique IT) koding.com আয়োজিত (KODING GLOBAL HACKATHON) একটি কোডিং এর প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম আর খুশির খবর হলো আমরা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে টিকে গেছি। এখন সর্বশেষ পর্ব - ভোট। ভোটে যদি আমরা প্রথম হতে পারি তবে এই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতাটি আমরা জিতে যাব - যা শুধু আমার নয়, পুরো বাংলাদেশের গর্ব। তাই বাঙালী হিসেবে প্রতিটি বাঙালীর কাছে আমার আকুল আবেদন, আমাদের দুটি মিনিট সময় দিন আর আপনাদের মূল্যবান ভোটটি দিন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)

বাংলাদেশে কমিউনিস্টদের হত্যা

চীন রাশিয়া কম্বোডিয়া সহ পৃথিবীর অনেক দেশে কমিউনিষ্টরা কোটি কোটি মানুষ হত্যা করেছে।স্বাধীন বাংলাদেশে কমিউনিস্ট দল গুলো যেমন গণ-মুক্তিফৌজ (শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলন) জাসদ গণবাহিনী (সিরাজ) পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল/জনযুদ্ধ) পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল লাল পতাকা) বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি ও সর্বহারা নামের এসব কমিউনিস্ট পার্টি হাজার হাজার বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে।শ্রেনী শত্রুর নামে মানুষ হত্যা করা তাদের কাছে মাছি মারার মত মামলি ব্যাপার।এতো মানুষ তারা হত্যা করছে যে বেশির ভাগ মিডিয়া এসব হত্যাকান্ড প্রচার না করে এড়িয়ে গেছে মিডিয়া ইসলামি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যেভাবে সুচ্চার হতে দেখা যায় কিন্তু কমিউনিস্ট জঙ্গি খুনিদের ব্যাপারে তেমন সুচ্চার হতে দেখা যায় না এই কারনে অসংখ্য মানুষ হত্যার কথা খুব কম মানুষ জানে।কমিউনিস্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো খুন অপহরণ চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি এসব বেআইনি কর্মকাণ্ড করে অর্থ আয় করে।তারা জঙ্গি কর্মকাণ্ডে শাটারগান পাইপগান এলজিসহ পিস্তল রিভলবার একে ৪৭ বন্দুক রামদা ছোরা ব্যবহার করে।সাধারন মানুষকে দলে নেওয়ার কৌশল হিসেবে সদস্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বে

আপনার রেটিং: None

আওয়ামী যুদ্ধাপরাধী

আওয়ামী লীগের টিকেটে যুদ্ধাপরাধী হান্নান এখন এমপি।যুদ্ধাপরাধী হান্নানের এখন থাকার কথা ছিলো জেলে কিন্তু সে এখন আছে সংসদে !!! আজব আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি কাজী খালিদ বাবু ময়মনসিংহের জাতীয় পার্টির এমপি এম এ হান্নানকে একজন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী বলেন।তিনি বলেন আমার দুই ভাই ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।কিন্তু আমার দুই ভাই কেন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে এজন্য আমার পিতাকে হান্নান সব সময়ে চাপ দিতো।হান্নানের নির্দেশে ওই সময় আমাকেও গ্রেফতার করা হয়েছিলো।একজন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী হিসেবে হান্নান বহু মানুষকে হত্যা করেছে।এ যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান বলেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে রাজাকার হান্নান বাহিনী ভয়াবহ নৃশংসতা চালিয়েছিল।আমি সব সময় হান্নানের বিচার চেয়েছি।

আপনার রেটিং: None

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১২ম পর্ব)

আযাদ ইদানিং আরো মনমরা হয়ে থাকে জালাল চলে যাবার পর থেকে। আগের মত
যেন হাসতে ভুলে গেছে। ভুলে গেছে গল্প করতে। আর মাঝে মাঝে বাচ্চা শিশুদের মত
করে হাউমাউ করে কাঁদে আযাদ। কানিজ অনেক শান্তনা দিতে চেষ্টা করে। অনেক
বুঝায় আযাদকে কিন্তু আযাদ যেন আজকাল আরো ছোট খোকা হয়ে গেছে সে কোন কিছুতেই
বুঝ মানতে চায়না। কানিজ সংসারের কাজ ছাড়াও আযাদকে আরো বেশী সময় দিতে ট্রাই
করে। নানা রকম কৌতুক বলে হাসাতে ট্রাই করে আযাদকে। আযাদের মুখে হাসি ফোটাতে
কানিজ কোন কিছুই বাদ দেয়না। কিন্তু আযাদ আর আগের মত হতে পারেনা। হাসতে
পারেনা। পারেনা আগেরমত করে সুন্দর ভাবে কথা বলতে। তারপরও কানিজের কোন কমতি
নেই আযাদকে হাসাতে সে অবিরাম চেষ্টা করেই যাচ্ছে আযাদ যেন আগের মত হয় সেই
জন্য। আস্তে আস্তে আযাদ কিছুটা আগের মত হয় কিন্তু হঠাৎ হঠাৎ আযাদ যেন
অন্যমনষ্ক্য হয়ে যায় তখন আর কিছুতেই তাকে হাসানো বা গল্প শুনানো যায়না।
হঠাৎ করেই আযাদের হাস্যোজ্জল মুখে যেন মেঘ জমে যায়। সে মেঘ আকাশের মেঘের
চেয়েও কালো। সে মেঘ শুধু আযাদের মুখেই জমেনা বরং কানিজের মন থেকেও ঝরে পড়ে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১১ম পর্ব)

আযাদকে নিয়ে সবাই যখন ব্যস্ত হাসপাতালে। তখন মনিরও ব্যস্ত তার বউকে
নিয়ে। মনিরের একটি কন্যা সন্তান হয়েছে। মনির সেই ছলে আযাদকে দেখতে যাওয়া
থেকে বিরত থাকার কথা বলেছে ছোট বোনদের। সবাই এতে নিশ্চুপ কারন সে ও তো
বিপদেই ছিলো। মনিরের দুষ্টোমির গোপন চেহারাটা সবার কাছে গোপনই থাকলো আপাতত।
আযাদের মাকে আযাদের বড় বোনের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে কারন একই ঘরে দুইজন
রোগীকে দেখা শুনা করা কঠিন আর আযাদের বোনও সংসার ছেড়ে প্রতিদিন এসে মায়ের
সেবা করতে পারবেনা তাই মাকে নিয়ে গেছে নিজের কাছে। আযাদের মা ও এবাসায় যেতে
চাইছিলো না। তাই তারাও জোর করে নেয়নি। মায়ের কথামত মেয়ের বাড়িতেই নিয়ে
যাওয়া হয়েছে। আযাদের মা মেয়েকে অস্পষ্ট ভাষায় বলে মারে আমাকে ওখানে নিয়ে
গেলে মনির আমাকে মেরে আমার বাপের বাড়ির সম্পদ লিখে নিবে। তুই আমাকে তোর
কাছেই রাখ। কারন মনির কয়েকবার আমাকে দেখতে এসে বারংবার বলেছে দলিলে দস্তখাত
করে দিতে আমি রাজী হইনি। কারন এসম্পদ আমার বাপের দেয়া সম্পদ। এখানে তোদের
সব ভাইবোনের অধিকার রয়েছে। মনির বলে তুমি বাবার কাছ থেকেও সম্পদ পেয়েছ আর

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)
Syndicate content