ব্লগসমূহ

একটি শিক্ষনীয় ভাবনা

এক মহিলার প্রসব বেদনা উঠলো।
অনেক সময় পার হয়ে গেলেও বাচ্চা বের হবার
কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল না। এজন্য মহিলার স্বামী
বাসায় একজন ডাক্তার ডেকে আনলেন।
ডাক্তার হাতে একটা কাঠের বাস্ক নিয়ে মহিলার রুমে
ঢুকলেন। তারপর মহিলার স্বামীকে ঘরের বাইরে
অপেক্ষা করতে বললেন।
১০ মিনিট পর ডাক্তার রুম থেকে বের হয়ে মহিলার
স্বামীকে বললেন "আপনার বউকে বাঁচাতে এখনি
একটা হাতুড়ি নিয়ে আসেন।" লোকটি দৌড়ে হাতুড়ি
এনে ডাক্তারের হাতে দিয়ে বাইরে অপেক্ষা
করতে লাগলো।
আরো দশ মিনিট পর ডাক্তার লোকটিকে বললেন
"অবস্থা ভালো না। এখনই বাটালি না আনলে আপবার
বউ বাঁচবে না।" হাতুড়ি-বাটালি দিয়ে ডাক্তার কি করবে তা
সে ভেবে পেলো না। তবুও ডাক্তারের
কথামতো সে বাটালি এনে দিলো।
আরো ১০ মিনিট পর ডাক্তার বললেন "ভাই এখনি করাত
না আনলে আপনার বউ মারা যাবে।"
লোকটি আর ঠিক থাকতে পারল না। সে রেগে
গিয়ে ডাক্তারকে বলল "ডাক্তার সাব, বাচ্চা বের
করতে হাতুড়ি-করাত লাগে নাকি? আপনি কি বউকে
করাত দিয়ে কেটে বাচ্চা বের করবেন?"
তখন ডাক্তার বললেন "আরে ভাই আমি যে কাঠের
বাক্স এনেছি, সেখানেই বাচ্চা বের করার সব

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

ব্লগার হিসাবে জন্ম

অনেকদিন থেকেই আমার মাথায় আর মনে গভীর ভাবে কিছু কথা জমা আছে । দুনিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, রাজনীতি, দুর্নীতি, আইনকানুন, সন্ত্রাস, ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ে আমার মনোভাব, বিদ্বেষ,আনন্দ কিভাবে মানুষের কাছে প্রকাশ করা যায় সেটা নিয়ে ভাবছিলাম। অবশেষে ব্লগের চিন্তাটা মাথায় আসলো ।

বুঝলাম আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের মনোভাব প্রকাশের জন্য ব্লগই সবচেয়ে সুন্দর উপায়।
তাই ঠিক করলাম ব্লগার হবো। অবশ্য ব্লগার হওয়া মুখের কথা নয়। তবু ব্লগার হিসাবেই লেখালেখি করবো বলে মনস্থির করলাম।

বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্লগ সাইট ঘাঁটাঘাঁটি করার পরে বিসর্গকেই ভাল লাগলো। ঝটপট নতুন সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করলাম । আমার আবেদন মঞ্জুরও করা হল।
শুরু হল আমার ব্লগার জীবনের।

 চেষ্টা করবো সবসময় ভাল কিছু লেখার।
আমাকে নতুন সদস্য হওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য বিসর্গকে আন্তরিক ধন্যবাদ।Laughing

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

খুব সুন্দর শিক্ষনীয় ঘটনা

হযরত উমার (রাঃ) এর শাসন আমল, একদিন
দু’জন লোক এক বালককে টেনে ধরে নিয়ে
আসল তাঁর দরবারে। উমর (রাঃ) তাদের
কাছে জানতে চাইলেন যে, ‘ব্যাপার কি,
কেন তোমরা একে এভাবে টেনে এনেছ ?’
তারা বলল, ‘এই বালক আমাদের পিতাকে
হত্যা করেছে।’
উমর (রাঃ) বালকটিকে বললেন, ‘তুমি কি
সত্যিই তাদের পিতাকে হত্যা করেছ?’
বালকটি বলল, ‘হ্যা, আমি হত্যা করেছি
তবে তা ছিল দূর্ঘটনাবশত, আমার উট
তাদের বাগানে ঢুকে পড়েছিল তা দেখে
তাদের পিতা একটি পাথর ছুড়ে মারল, যা
উটের চোখে লাগে। আমি দেখতে পাই
যে উটটি খুবই কষ্ট পাচ্ছিল। যা দেখে
আমি রাগান্বিত হই এবং একটি পাথর
নিয়ে তার দিকে মারি, পাথরটি তার
মাথায় লাগে এবং সে মারা যায়।’
উমর (রাঃ) দু’ভাইকে বলেলন, ‘তোমরা কি
এ বালককে ক্ষমা করবে?’ তারা বলল, ‘না,
আমরা তার মৃত্যূদণ্ড চাই।’ উমর (রাঃ)
বালকটির কাছে জানতে চাইলেন,
‘তোমার কি কোন শেষ ইচ্ছা আছে?’
বালকটি বলল, ‘আমার আব্বা মারা যাওয়ার
সময় আমার ছোট ভাইয়ের জন্য কিছু সম্পদ
রেখে যান, যা আমি এক যায়গায় লুকিয়ে
রেখেছি। আমি তিন দিন সময় চাই, যাতে
আমি সেই জিনিস গুলো আমার ভাইকে
দিয়ে আসতে পারি। আমার কথা বিশ্বাস
করুন।’

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

সত্যের পক্ষে খুব কম সংখ্যক বা কেউ ই না থাকে তবেও সত্য সত্যই হবে - from "the biggest secret"

একটি অসাধারণ বই (The Biggest Secret-by David Icke) জেনে নিন এই পৃথিবীর হাজার বছরের অজানা ইতিহাস
http://www.bishorgo.com/user/9097/post/2732

মানুষ যা শুনতে পছন্দ করে তাই শুনতে চায় | যা শুনতে পছন্দ করে না তা শুনতে চায় না | কিন্তু অবাক বিশ্শয় হচ্ছে
মহাবিশ্বের পরিবর্তন বা পদার্থ বিজ্ঞানের নিয়ম কোনো মানুষের পচ্ছন্দ বা অপছন্দ মেনে চলে না | মহাবিশ্বের পরিবর্তন এক
মাত্র মহাবিশ্বের নিয়মেই চলে | তাহলে নতুন কিছু বিশ্শয় মানুষের কাছে তুলে ধরার উপায় কি ? কেননা মানুষ যদি সেটা
পছন্দ করে তবে গ্রহণ করবে আর যদি পছন্দ না করে তাহলে গ্রহণ করবে না | তাহলে বুঝা যায় সত্য কে কিছু মানুষ গ্রহণ
করতে পারে আবার কিছু মানুষ ফিরিয়ে দিতে পারে |

বইটি সম্পর্কে এখানে প্রকাশিত -
একটি অসাধারণ বই (The Biggest Secret-by David Icke) জেনে নিন এই পৃথিবীর হাজার বছরের অজানা ইতিহাস
http://www.bishorgo.com/user/9097/post/2732

মানুষ জ্ঞানের চর্চা করছে অনেক বছর আগে থেকে | নিজেকে রেডি করেছে জ্ঞান ও সত্য কে গ্রহণ করার জন্য |

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

আমাদের পথ সংস্কৃতি

আমাদের পথ সংস্কৃতি

*রাস্তায় জ্যাম বাধলে

*কেউ ওভারটেক করতে গিয়ে গাড়িতে সংঘর্ষ বাধালে

*কাউকে স্থান না দিয়ে নিজে আগে যেতে চাইলে

*বাসে ভাড়া নিয়ে কন্ডাক্টরের সঙ্গে কঁ্যাচাল হলে

এবং রিকশাওয়ালাদের নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে গেলে কানে ভেসে আসে অশ্রাব্য সব গালিগালাজ।

 

     প্রতিকার: "ধরতে হবে ধৈর্য" রাস্তায় জ্যাম বাধলে,

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ধর্ষন

যাবত্‍ জীবন মানে কিন্তু সারা জীবন নয়। ফৌজদারি দন্ডবিধিতে যদি কাউকে যাবত্‍ জীবন কারাদন্ড দেয়া হয় তার মানে এই নয় যে তাকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কারাগারে থাকতে হবে। বরং একটি নির্দিষ্ট সময় পর সে মুক্তি পেয়ে যাবে।
পূর্বে ধর্ষনের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল মৃত্যুদন্ড যাকে কমিয়ে আনা হয়েছে যাবত্‍ জীবন কারাদন্ডে। মিরপুরে পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রী হত্যার দায়ে শিক্ষককে যাবত্‍ জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। এটা তার জন্য উপযুক্ত নয় তারপরও আশার বিষয় শাস্তি তো হয়েছে।
কিন্তু আমরা বার বার অপরাধীকে সুযোগ করে দিচ্ছি অপরাধ করার জন্য। অপরাধ কে অপরাধ না বলে বলছি দুষ্টামি। আবার অপরাধ প্রমান হলেও গড়িমসি করছি শাস্তি দিতে। ভিকেরুনন নেসা স্কুলের শিক্ষক পরিমলকে যদি আমরা দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দিতে পারতাম তবে মিরপুরের এই শিক্ষক সাহস করত না।
আইনি জটিলতায় বারবার নিস্তার পেয়ে যায় অপরাধীরা আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উদাসীনতায় বার বার বেড়ে যাচ্ছে যৌন নিপিড়নের মতো অপরাধ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

বাংলাদেশ এর আইনের লোক

হায়রে ট্রাফিক পুলিশ । আমার জীবনে কত ট্রাফিক পুলিশ দেখলাম কিন্তু ওর মত ঘুষ খোর ট্রাফিক পুলিশ দেখিনি ।

আজ সিলেটের জিন্দাবাজার পয়েন্টে সিএনজি করে বাড়িতে যাচ্ছি হটাত্‍ করে একটি ট্রাফিক পুলিশ আমাদেরকে আটকে রেখে দেয় ।

তারপর ১০,০০০ টাকা দাবি করে এই ট্রাফিক পুলিশ রুবেল । তারপর ৫০০০ টাকা দাবি করে এভাবে শেষ পর্যন্ত ৫০০ টাকা নিয়ে আমাদেরকে ছেড়ে দেয় ।

এটাই কি আমাদের বাংলাদেশ । এইসব লোক কি আইনের লোক । না আমি বলবো এটা সোনার বাংলাদেশ নয় । এটা ঘুষ খোরের দেশ বাংলাদেশ । এটা আইনের দেশ নয় । এটা বেআইনের দেশ । এরা আইনের লোক নয় এরা বেআইনের লোক ।

এরা জনগন কে পিটিয়ে ওদের পকেট ভরছে ।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে বলছি আপনি আপনার এই সকল বেয়াদব/ঘুষখোর পুলিশদেরকে অবিলম্বে চাকরী থেকে বরখাস্ত করুন ।

কেননা সকল অটোরিক্সা চালক তাদের পেটের দায়ে রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হয়েছে । যাতে তাদের পরিবারের মুখে সামান্যতম অন্নের যোগান দেওয়ার জন্য ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

*"""""""''সফলতা"""""""*

“মেয়েটি দেখতে অসুন্দর ছিলো। সে
চাইতো সুন্দরী হতে। কিন্তু পারে নি। মাত্র ৯
বছর বয়সে যৌন নির্যাতনের শিকার
হয়েছিলো সে। ১৪ বছর বয়সে একটি পুত্র
সন্তান জন্মও দেয়। যে সন্তানটি জন্মের কিছুদিন
পরেই মারা যায়। দারিদ্রতা, ব্যর্থতা ও নিন্দা
কোনটারই অভাব ছিলো না তাঁর জীবনে।
নিজের সম্পর্কে নানা মানুষের কাছ থেকে
অসুন্দর হবার কথা অজস্রবার শুনতে হয়েছে
তাকে। তাই অবশেষে একদিন সে ঠিক করলো
নিজের চেহারা দিয়ে নয় বরং কাজ দিয়ে জয় করে
নিবে পৃথিবী। তাঁর সেই চেষ্টা, স্বপ্ন আর
মনোবল তাকে এক সময় করে ফেললো
নিজের নামে চলা জগতের সব থেকে বড়
অনুষ্ঠানের কারিগর!
টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ জন
সর্বোচ্চ প্রভাবশালী মানুষের তালিকায় অপরাহ
উইনফ্রে একমাত্র ব্যক্তি, যিনি টানা আটবার নির্বাচিত
হয়েছেন । অপরাহ উইনফ্রে বিশ্বের অন্যতম
প্রভাবশালী, ধনী ও কৃষাঙ্গ উপস্থাপক। তাঁর
বিশ্বখ্যাতি স্বপরিচালিত দ্য অপরাহ উইনফ্রে শোর
জন্য। এই নারীকে স্পিরিচুয়াল আইকন মনে করা
হয়।
নিজের সাফল্য নিয়ে বলতে গেলে তিনি
বলেছিলেন,
ধীরে ধীরে ওপরে ওঠো। এটাই
সত্যিকারের লক্ষ্য। আর কতজনকে ওপরে
ওঠাতে পারছ, সেটাও দেখ। এ কাজেই আমি

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

নিস্তদ্ধ প্রান্তরে =====

আমি পৃথিবীর পথে চলেছি এক অন্তহীন পথচলা  
কোলাহল কাটিয়ে একদিন শুয়ে রবো
ঐ দূর নিস্তদ্ধ প্রান্তরে

নিস্তদ্ধ প্রান্তরে কেটে যাবে দিন রাত
ফিরিবো না আর কোন দিন এই নিরালায়
কেউ আসবে নাকো কোনদিন
আমারি খোঁজে এই স্তদ্ধ নগরীতে

আমি হারিয়ে যাবো একদিন মহাকালের পথে
চিনিবেনা কেউ আর আমাকে এই ধরনীতে

মিথ্যের মায়াজালে ছিলেম কদিন
থাকবো বলে এই মায়ার দেশে
হঠাৎ একদিন খবর এলো
পাড়ি দিতে হবে এক অজানা দেশে

বেদনাক্রান্ত হৃদয় আজ ব্যথিত এই ভেবে
ছেড়ে যেতে হবে এই মায়ার বন্ধন ছেড়ে

কত দিন-রাত পেরিয়েছে ভাবিনী কখনো
মায়ার বন্ধন ছেড়ে যেতে হবে আজি
জীবনের সমাপ্তি ঘটিয়ে যেতে হবে
আজ নহে কাল ঐ স্তদ্ধতার দেশে
মনে রাখতে হবে এটাই ঘটিবে সকলের তরে

জানি নাকো কি হবে সেখানে যাওয়ার পরে
তব আশা খুঁজে পাই শুধু প্রভুর রহমতের

ভাবনার সময় এসেছে পিয়াসী মানবকুল
পরকালের পাথেহ সংগ্রহে লেগে যাও
ভুলে গিয়ে যত সব অহি-নকুল

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

সর্বোচ্চ নেতার সাথে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিবর্গের সাক্ষাতকালে কুরআন তেলাওয়াত করলেন মিশরীয় ক্বারী + ভিডিও

আপনার রেটিং: None
Syndicate content