'হাদীসের বাণী' -এর ব্লগ

আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস: (০২)

২। এটাও উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন,

একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বসেছিলাম, এমন সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত হয়, যার কাপড় ছিল ধবধবে সাদা, চুল ছিল ভীষণ কালো; তার মাঝে ভ্রমণের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনতে পারে নি। সে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে গিয়ে বসে, নিজের হাঁটু তার হাঁটুর সঙ্গে মিলিয়ে নিজের হাত তার উরুতে রেখে বললেন: “হে মুহাম্মাদ, আমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলুন”।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “ইসলাম হচ্ছে এই- তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ্ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল, সালাত প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত আদায় কর, রমাদানে সওম সাধনা কর এবং যদি সামর্থ থাকে তবে (আল্লাহর) ঘরের হজ্জ কর।”

তিনি (লোকটি) বললেন: “আপনি ঠিক বলেছেন”। আমরা বিস্মিত হলাম, সে নিজে তার নিকট জিজ্ঞাসা করেছে আবার নিজেই তার জবাবকে ঠিক বলে ঘোষণা করছে। এরপর বলল: “আচ্ছা, আমাকে ঈমান সম্পর্কে বলুন”।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস: (০১)

১। আমীরুল মুমিনীন আবূ হাফস্ উমার ইবনু আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন—

আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি— “সমস্ত কাজের ফলাফল নির্ভর করে নিয়্যতের উপর, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়্যত করেছে, তাই পাবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের জন্য হিজরত করেছে, তার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হয়েছে, আর যার হিজরত দুনিয়া (পার্থিব বস্তু) আহরণ করার জন্য অথবা মহিলাকে বিয়ে করার জন্য তার হিজরত সে জন্য বিবেচিত হবে যে জন্য সে হিজরত করেছে।”

[সহীহ্ আল-বুখারী: ১, সহীহ্ মুসলিম: ১৯০৭। মুহাদ্দিসগণের দুই ইমাম আবূ আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল ইবনু ইব্রাহীম ইবনু মুগীরা ইবনু বারদেযবাহ্ আল-বুখারী এবং আবূল হাসান মুসলিম ইবনু হাজ্জাজ ইবনু মুসলিম আল-কুশায়রী আন্-নিশাপুরী আপন আপন সহীহ্ গ্রন্থে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। যা সবচেয়ে সহীহ্ গ্রন্থদ্বয় বলে বিবেচিত হয়।]

হাদীসের মান: সহীহ্

কৃতজ্ঞতা: www.hadithbd.com

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

|^| যে ব্যক্তি জেনে-শুনে অন্যকে পিতা হিসেবে দাবী করলো; তার জন্য জান্নাত হারাম!


পরিচ্ছন্ন পাঠের জন্য নিচের ছবিতে ক্লিক করুন >>>

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

|^| এটি এমন এক পর্বত(ওহুদ) যা আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালোবাসি

এ হাদীসে একটি বিশেষ দো'আ রয়েছে। দো'আটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জীবনে।

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ،
وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ،
وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

অর্থ: "হে আল্লাহ্! আমি দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানী থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণভার ও লোকজনের প্রাধান্য থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি"।

-এ দো'আটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশী বেশী পড়তেন। আমাদেরও উচিত পড়া। উত্তম দো'আ কখনো বিফলে যায় না। আজ হোক, কাল হোক, আখেরাতে হলেও প্রতিদান পাবেনই ইনশাআল্লাহ্।

>>> হাদীসখানা ভালোভাবে পড়ার জন্য নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

|^| আমি মদীনাকে হারাম ঘোষণা করেছি

আল-লূ'লূ' ওয়াল মারজা-ন

>>> ভালোভাবে দেখার জন্য নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

(দুনিয়ায়) যে ব্যক্তি যাকে ভালবাসে, কেয়ামতের দিন সে তারই সাথে থাকবে

19- وعن زِرِّ بن حُبَيْش رضي الله عنه، قَالَ : أَتَيْتُ صَفْوَانَ بْنَ عَسَّالٍ رضي الله عنه أسْألُهُ عَن الْمَسْحِ عَلَى الخُفَّيْنِ ، فَقالَ : ما جاءَ بكَ يَا زِرُّ ؟ فقُلْتُ : ابتِغَاء العِلْمِ ، فقالَ : إنَّ المَلائكَةَ تَضَعُ أجْنِحَتَهَا لطَالبِ العِلْمِ رِضىً بِمَا يطْلُبُ . فقلتُ : إنَّهُ قَدْ حَكَّ في صَدْري المَسْحُ عَلَى الخُفَّينِ بَعْدَ الغَائِطِ والبَولِ ، وكُنْتَ امْرَءاً مِنْ أَصْحَابِ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فَجئتُ أَسْأَلُكَ هَلْ سَمِعْتَهُ يَذكُرُ في ذلِكَ شَيئاً ؟ قَالَ : نَعَمْ ، كَانَ يَأْمُرُنا إِذَا كُنَّا سَفراً - أَوْ مُسَافِرينَ - أنْ لا نَنْزعَ خِفَافَنَا ثَلاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيالِيهنَّ إلاَّ مِنْ جَنَابَةٍ ، لكنْ مِنْ غَائطٍ وَبَولٍ ونَوْمٍ . فقُلْتُ : هَلْ سَمِعْتَهُ يَذْكرُ في الهَوَى شَيئاً ؟ قَالَ : نَعَمْ ، كُنّا مَعَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم في سَفَرٍ ، فبَيْنَا نَحْنُ عِندَهُ إِذْ نَادَاه أَعرابيٌّ بصَوْتٍ لَهُ جَهْوَرِيٍّ : يَا مُحَمَّدُ ، فأجابهُ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم نَحْواً مِنْ صَوْتِه : (( هَاؤُمْ )) فقُلْتُ لَهُ :

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

আল্লাহ্ মৃত্যুর নিদর্শন প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত বান্দার তওবা কবুল করে থাকেন

18- وعن أبي عبد الرحمان عبد الله بنِ عمَرَ بنِ الخطابِ رضيَ اللهُ عنهما ، عن النَّبي صلى الله عليه وسلم، قَالَ : (( إِنَ الله  يَقْبَلُ تَوبَةَ العَبْدِ مَا لَمْ يُغَرْغِرْ )) رواه الترمذي، وَقالَ : (( حديث حسن )) .

[أخرجه : ابن ماجه ( 4253 ) ، والترمذي ( 3537 )]

১৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহিমান্বিত আল্লাহ্ মৃত্যুর নিদর্শন প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত বান্দার তওবা কবুল করে থাকেন। ইমাম তিরমিযি হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং একে হাসান হাদীস আখ্যা দিয়েছেন।

[ইবনে মাজাহ্: (৪২৫৩), তিরমিযী: (৩৫৩৭)]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

আল্লাহ্ তার তওবা কবুল করবেন

17- وعن أبي هُريرةَ رضي الله عنه قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : (( مَنْ تَابَ قَبْلَ أنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِها تَابَ اللهُ عَلَيهِ )) رواه مسلم .

[أخرجه : مسلم 8/73 ( 2703 )]

১৭. হযরত আবু হুরায়রা (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলে আকরাম সাল্লালাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদ্বয়ের পূর্বে তওবা করবে, আল্লাহ্ তার তওবা কবুল করবেন।

[মুসলিম: ৮/৭৩(২৭০৩)]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)

যাতে করে রাতের গোনাহগার লোকেরা তওবা করে নিতে পারে

16- وعن أبي موسَى عبدِ اللهِ بنِ قَيسٍ الأشْعريِّ  ، عن النَّبيّ صلى الله عليه وسلم ،قَالَ : (( إنَّ الله تَعَالَى يَبْسُطُ يَدَهُ بالليلِ لِيَتُوبَ مُسِيءُ النَّهَارِ ، ويَبْسُطُ يَدَهُ بالنَّهَارِ لِيَتُوبَ مُسِيءُ اللَّيلِ ، حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِها )).

[أخرجه : مسلم 8/99 – 100 ( 2759 )]

১৬. হযরত আবু মুসা আশ'আরী (রা) রাসূলে আকরাম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত (অর্থাৎ, কিয়ামত না আসা পর্যন্ত) মহান আল্লাহ্ প্রতি রাতে তার ক্ষমার হাত প্রসারিত করতে থাকেন, যাতে করে দিনে গোনাহগার লোকেরা তওবা করে নিতে পারে। আর তিনি দিনের বেলা তার ক্ষমার হাত প্রসারিত করে থাকেন, যাতে করে রাতের গোনাহগার লোকেরা তওবা করে নিতে পারে।

[মুসলিম: ৮/৯৯-১০০(২৭৫৯)]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)

আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবায় মরুভূমিতে রসদসহ উট হারানো ব্যক্তির চেয়েও বেশি খুশি হন

15- وعن أبي حمزةَ أنسِ بنِ مالكٍ الأنصاريِّ- خادِمِ رسولِ الله صلى الله عليه وسلم - رضي الله عنه ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم : (( للهُ أفْرَحُ بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ مِنْ أَحَدِكُمْ سَقَطَ عَلَى بَعِيرهِ وقد أضلَّهُ في أرضٍ فَلاةٍ )) مُتَّفَقٌ عليه .

وفي رواية لمُسْلمٍ : (( للهُ أَشَدُّ فَرَحاً بِتَوبَةِ عَبْدِهِ حِينَ يتوبُ إِلَيْهِ مِنْ أَحَدِكُمْ كَانَ عَلَى رَاحِلَتهِ بأرضٍ فَلاةٍ ، فَانْفَلَتَتْ مِنْهُ وَعَلَيْهَا طَعَامُهُ وَشَرَابهُ فأَيِسَ مِنْهَا ، فَأَتى شَجَرَةً فاضطَجَعَ في ظِلِّهَا وقد أيِسَ مِنْ رَاحلَتهِ ، فَبَينَما هُوَ كَذَلِكَ إِذْ هُوَ بِها قائِمَةً عِندَهُ ، فَأَخَذَ بِخِطامِهَا ، ثُمَّ قَالَ مِنْ شِدَّةِ الفَرَحِ : اللَّهُمَّ أنْتَ عَبدِي وأنا رَبُّكَ ! أَخْطَأَ مِنْ شِدَّةِ الفَرَحِ )) .

[أخرجه : البخاري 8/84 ( 6309 ) ، ومسلم 8/93 ( 2747 ) ( 7 ) و( 8 )]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)
Syndicate content