'লেখক আবীর' -এর ব্লগ

বর্তমান সিলেবাস একটা প্রজন্মকে ধ্বংসের নীল নকশা

বর্তমান সিলেবাস যে একটা প্রজন্মকে ধ্বংসের নীলনকশা তা
৯-১০ম শ্রেনীর জন্য লিখিত একটি মাত্র অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায়ে লিখিত “ নবজীবনের সুচনা” পর্যালোচনা করলেই সহজেই বুঝা যায়। এই অধ্যায়ের পরতে পরতে অশ্লীলতা , নোংরামী , নাস্তিকতা, নির্লজ্জতা , বেহায়াপনা , ধর্মহীনতা আর ইসলামবিদ্বেষিতা লিখায় ভরপুর।
-
সংক্ষেপে যার কিছু উল্লেখ করা হল- ১. বয়ঃসন্ধিকালঃ অধ্যায়ের শুরুতেই ৬৭,৬৮ পৃষ্ঠায় বয়ঃসন্ধিকাল নিয়ে লিখা হয়। মজার বিষয় হল ছেলে মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল প্রায় সবারই ক্লাশ ৬ থেকেই শুরু হয়ে যায় ।
-
অথচ তারা লিখেছে ক্লাশ ১০ এ। শারীরিক পরিবর্তনে লিখা হয় – “ ছেলেদের বীর্যপাত হয় , মেয়েদের মাসিক শুরু হয় “। ছেলে-মেয়েদের এ পরিবর্তন একটি প্রাকৃতিক এবং গোপনীয় বিষয় যা সে নিজেই অনুধাবন করতে পারে এবং তার পরিবারের সদস্যদের কাছে জেনে নিতে পারে। প্রকাশ্যে লিখনীর মাধ্যমে জানানোর কিছু নেই। কারন প্রকৃতি স্বাভাবিকভাবেই মানুষকে অনেক কিছু শিখিয়ে থাকে। এসকল শব্দ ব্যবহার করায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা লজ্জিত হবে এবং এসকল বিষয় সে প্রকাশ্যে আলোচনা করবে যা হবে বিব্রতকর।
-

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

গুজরাট দাঙ্গা ও মুসলিম নিধন

মুসলিম মায়ের পেট চিরে ৯ মাসের ভ্রুণকে বের করে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছিলো হিন্দুরা ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গার সময় নারোদা পাতিয়া গণহত্যায় (আহমেদাবাদ এলাকায়) সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলো বাবুভাই প্যাটেল নামক এক হিন্দু উগ্রবাদী।

এই বাবু ভাই প্যাটেল সারা বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়েছিলো ‘বাবু বজরঙ্গি’ হিসেবে। বাবু বজরঙ্গি কিভাবে গুজরাটে মুসলিম মেরেছিলো সেই কথা জানার জন্য ২০০৭ সালে তেহেলকার ম্যাগাজিনের এক সাংবাদিক হাজির হয়েছিলো বাবু বজরঙ্গির কাছে।

ঐ সময় বাবু বজরঙ্গি খুব গর্বের সাথে সাংবাদিকের কাছে সেই গণহত্যার নির্মম বর্ণনা দেয়, কিন্তু সেই বর্ণনা শরীরের মধ্যে লুকিয়ে রাখা গোপন ক্যামেরায় গোপনে ভিডিও করে ফেলে ঐ সাংবাদিক। সেখানে বাবু বজরঙ্গী নিজ মুখেই গর্বের সাথে স্বীকার করে, সে এক মুসলিম মায়ের পেট চিরে ৯ মাসের ভ্রুণকে বের করে আগুনে নিক্ষেপ করেছিলো।

আসুন বাবু বজরঙ্গীর নিজ মুখেই সেই ঘটনা শুনি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

" দুই পুজারীদের মধ্যে কতোই না মিল "

১. হিন্দুদের শুধু "মা" আছে কিন্তু "বাবা" নেই।
- যেমনঃ কালী মা, দূর্গা মা, স্বরষতী মা, মনষা মা, ভগবতী মা ইত্যাদি।

২. আবার নাম ধারী এক প্রকার মুসলিমদের শুধু "বাবা" আছে, কিন্তু "মা" নেই...
- যেমনঃ খাজা বাবা, গাজা বাবা, পীর বাবা, লেংটা বাবা, পাগলা বাবা, দড়ি, তেনা, ঢেলা চাঁন বাবা ইত্যাদি।

তাই অনেক দিন যাবত ভাবছি যে, "বাবা" হারা হিন্দুদের একটা বাবা আর কথিত মুসলিমদের একটা "মা" উপহার দিতে। হিন্দুদের "মা" ও নামধারী মুসলিমদের "বাবাদের" মধ্যে বিবাহ করিয়ে দিলে পূজা বেশ জমবে।

কারন দুই দলের আকিদা এক।
- যেমনঃ এই দুই দলই এই গুলোকে নাজাতের জন্য শাফায়াতকারী মনে করে। তাই ওরা এগুলোর কাছে সেজদা করে, মানত করে। কী বলেন?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.8 (4টি রেটিং)

দেশ কী তবে ধর্ষকের তীর্থভুমি ?

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের আলমারি থেকে বিবস্ত্র ছাত্রী উদ্ধার, স্কুলে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে দপ্তরীর কাছে শিশু ধর্ষিতা, সহপাঠীর সামনেই চাচা কর্তৃক ভাতীজি ধর্ষিতা..আরও বহু বহু-যারা ভাবছেন এগুলো ধর্ষকদের অভয়াশ্রম ও ধর্ষণের তীর্থভূমি ভারতের ঘটনার কথা বলছি তারা সম্পূর্ণ ভুল ভাবছেন ।

উপরোক্ত ঘটনাগুলো আজকের (১২/৮/১৫) বাংলাদেশের ঘটনা । আমাদের সোনার দেশটি দিনে দিনে নারীদের নিরাপত্তার বিপরীতে আতঙ্কের নগরীতে পরিণত হচ্ছে । যে পুরুষরা নারীদের নিরাপত্তার চাদর হবে তারাই আজ নারীদের কাছে মূর্তমান আতঙ্ক । কে কার কাছে নিরাপদ ? বাবার কাছে মেয়ে নয় কিংবা ভাইয়ের কাছে বোন ।

ণ্যূনতম বিবেক বোধটুকু খুইয়ে আজ আমরা পশুদের সারিতে দাঁড়িয়েছি । বন্য পশুর যেমন কোন বাছ-বিচার নাই তেমনি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষও আজ অধঃপতের চরম সীমায় পৌঁছেছে । হয়ত অধঃপতনের তীব্রতা আরও ভয়াবহ হবে কিন্তু ততোটা অনুমান করার সাহস আপতত জোগাতে পারছি না । দিনে দিনে পশুর চেয়েও জঘন্য জীবে মানুষ পরিণত হচ্ছে কেননা পশুরা আর যাই করুক অন্তত জোড়পূর্বক বলৎকার করে না ।

আপনার রেটিং: None

মাননীয় মনত্রী সাহেব একটু বিবেচনা করুন ।

বিস্তারিত পড়ুন

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=139891749682358&id=100009846006898&refid=17&__tn__=%2As

আপনার রেটিং: None

হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে -----

মনে করুন, আপনি লম্বা হয়ে শুয়ে আছে। অনেক চেষ্টা করেও আপনার হাত পা নাড়াতে পারছেন না। দুই পাশে আপনার ছোট ছোট বাচ্চারা কান্না কাটি করছে। চোখ দুটি একটু উপরে করে দেখলেন শুধু বাচ্চারা নয়, আপনার সকল আত্বীয়রাও আছে এখানে। আপনার পুরানো সব বন্ধু বান্ধবরাও এসে হাজির। যাদের সাথে দেখাতো দুরের কথা, কয়েক বছোর আপনার যোগাযোগ নাই। চারদিকে সবাই কান্না করছে। এতো কান্না নয়, যেনো বুক ফাটা আওয়াজ।

আপনি অবাক হয়ে তদের চেহারার দিকে দেখে আছেন, যেনো আপনার করনীয় কিছুই নাই। আপনি গলা ফাটিয়ে জোরে জোরে চিৎকার করে বলতে লাগলেন তোমারা কান্না বন্ধ করো বন্ধ করো কান্না। আমার কিছুই হয়নি । আমি ভালো আছি..।

আপনার আওয়াজ তাদের কান্নার সুরে জেনো বিলিন হয়ে যাচ্ছে। কেউ আপনার আওয়াজ শুনতে পারচ্ছেনা। এক সময় বুঝতে পারলেন আপনার শরীর থেকে আপনি আলাদা হয়ে গেলেন। মেঝেতে পরে আছে আপনার শরীরটা। কষ্টকরে টাকা জমিয়ে যে বিছানা বানিয়েছেন সুখের জন্য, সেই বিছানায় এই শরীরটার জায়গা হয়নি। ঘরথেকে বেরিয়ে গেলেন। সেকি!!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

শিবির কেনো করো

ভাতিজা তুমি যে শিবির কর, শিবিরকি তোমাকে ভাত দিবে? নাকি টাকা পয়সা দিবে?কেন শিবির করে নিজের জীবনকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছ?

তোমার বাবা কষ্টকরে টাকা পয়সা দেয় পড়ালেখা করার জন্য। ভালভাবে লেখা পড়া করবে, তা না করে তুমি শিবির -টিবিরকরে সময় নষ্ট করেছ।

চাচা আমি কি নামাজ পড়া বাদদিয়েছি?
না!
আমি কি আপনাদের সাথে কোন সময় খারাপ ব্যবহার করেছি?
না!
আমি কি কোন সময়কোন মেয়ের হাতধরে টানাটানি করেছি?
না!
আমাকে কি কোন সময় কলঙ্গ জনক কাজে দেখেছেন?
না!
নেশা করতে দেখেছেন? না!

তাহলে আমার জীবন ধ্বংস হচ্ছে কোথায়? আমিতো প্রায় ৬ বছর ধরে শিবির করি।

আপনার ছেলেতো শিবিরকরে না। তাহলে তার রেজাল্ট কেন আমার চেয়ে ভাল হল না।
জানি জবাব দিতে পারবেন না।

শুনেন চাচা, শিবির ভাত, টাকা পয়সা দিবে না জেনেই আমি শিবির করি।

কারন শিবির আমাকে এমন কিছু জিনিস দিয়েছে যা অন্য কেউ দিতে পারে নাই।

শিবির আমাকে উত্তম চরিত্র দিয়েছে। দিয়েছে সঠিক পথের সন্ধান। আবার আপনার ছেলের চেয়ে ভাল রেজাল্ট।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

এখনো সময় আছে ভালো হওয়ার

তোমার অনেক জ্ঞান থাকা সত্তেও তুমি সত্যকে দেখতে পাওনা। তুমি এই ক্ষুদ্র থেকেও অতি ক্ষুদ্র পৃথিবী আর পৃথিবী থেকেও অতি ক্ষুদ্র শেখ হাসিনার মতো অতি ক্ষনস্থায়ী একটা জীবনকে ভালবাসতে গিয়ে কেন অন্যায়কে সমর্থন করতে গিয়ে মহা পাপী হবে ?যে তোমাদের সমর্থন পেয়ে খুবই অন্যায় ভাবে আরাম আয়েশে ধর্নাড্য ধর্নাড্য জীবন কাটায়।

অথচ সেখান থেকে তুমি কিছুই পাওনা।তোমার যদি সত্যের আত্মা হয় তাহলে এই আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে অনেক বিশাল রহস্স্য দেখতে পাবে। সেই রহস্যের কাছে শেখ হাসিনা একটা ব্যাকটেরিয়া ও হতে পরবেনা।

আর সেই আকাশে যেতে হলে সত্যকে চিনতে হবে ,ভালোকে স্বীকার করতে হবে। ঘৃনা ,অহংকার ,হিংসা ,ত্যাগ করতে হবে। এক আল্লাহর পার্থনা হালাল হারাম এবং,নবীজির দেখানো পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান অনুসরণ করতে হবে। সৎ ভাবে উপার্জন সৎ ন্যায়পরায়ন কাজ , মানুষের প্রতি ভালবাসা , অন্যায় থেকে সম্পূর্ণ রূপে দুরে থাকা , মানুষকে সৎ উপদেশ দেওয়া , মানুষকে সত্যের পথে আহবান করা ,মূল কথা পবিত্র কোরান আর সহি হাদিসকে অনুসরণ করতে হবে। কেন তোমরা শেখ মুজিব আর শেখ হাসিনাকে অন্ধের মতো ভালবাসতে গিয়ে চরম অন্যায়কে সমর্থন করছ ?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

আওয়ামীলীগের আমলে ইসলামকে নিয়ে কঠুক্তির কিছু নমুনাঃ

1. তথাকথিত আল্লাহর শাসন দিয়ে কিছু হবেনা--সৈয়দ আশরাফ!
2. আগামীতে ক্ষমতায় আসলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামও তুলে দেব-- সুরঞ্জিত (( কালো বিড়াল))
3.কোরআনের তাফসিরের প্রকাশনা বন্ধ করতে হবে --ইফা ডিজি!
4.আগামীতে ক্ষমতায় এলে ধর্মের ছায়াটুকুও মুছে ফেলা হবে-- সাজেদা চৌধুরী!
5.ধর্ম হল নেশার মত--আব্দুল লতিফ (পাট মন্ত্রী)
6.রাসুল (সাঃ)কে কটুক্তি করা স্বাভাবিক বিষয়,এটা নিয়ে হৈচৈ করা ঠিক নয়-- তথ্যমন্ত্রীইনু!
7.রাসুল (সাঃ) হিন্দুদের পূজার জন্য মসজিদের অর্ধেক জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন--ধর্ম প্রতিমন্ত্রী!
8.রাসুল সাঃ ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন-- আওয়ামী এমপি বাদল!
9.মা দূর্গা গজে চড়ে এসেছিলেন বলে এবার ফলন ভালো হয়েছে-- শেখ হাসিনা!
10.গ্রামগন্জে ইসলামিক জলসা বন্ধকরতে হবে-- পঙ্কজ দেবনাথ!
12.মেয়েদেরকে বোরকার হাতথেকে রক্ষা করতে হলে,তাদের নাচগান শিক্ষা দিতে হবে-- হাসান মাহমুদ (বনমন্ত্রী)
13.বোরকার ব্যবহার ৫০০%বেড়েগেছে,বন ্ধ করতে হবে-- সজিব ওয়াজেদ জয়!
14.সেনাবাহিনীতেকওমী মাদ্রাসারছেলে বেড়ে গেছে,কমানোর আন্দোলন শুরু করে দিয়েছি- সজিব ওয়াজেদ জয়!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

হায়রে আওয়ামীলিগ

আওয়ামী লীগের লোকেরা বলে, যত দিন হাসিনার হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ।

আমি মনে করি শেখ পরিবার অনেক আগেই পথ হারিয়েছে। ইহুদি খ্রিস্টান বিয়ে করে ভুল পথে অনেক দুরে চলে গেছে। সেখান থেকে ফিরে আসা অসম্ভাব। এরা কখনো ফিরে আসার চেস্টাও করেনা। উল্টো লেজকাটা শিয়ালের মত জাতিকেই তাদের বিপদগামি পথে নিয়ে যেতে চায়।
.
তাই পাগল ছাগল সব মন্ত্রী বানাছে। এরা বলে হাছিনা নাকি দেশের উন্ন্যয়ন করছে, আমি তাদেরকে কাছে জানতে চাই, উন্ন্যয়ন কোথায়?
.
হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগে যেখানে আমাদের কারেন্ট বিল ছিল ৪৫০ বা ৫০০ টাকা। এখন দিতে হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৪০০টাকা। গ্যাস বিল আগে ছিল ৪০০থেকে ৪৫০টাকা। গ্যাস থাকতো ২৪ঘন্টাই । এখন বিল দিতে হয় ৫০০টাকা। গ্যাস থাকে আদাবেলা।
.
আর আগে জমি রেস্ট্রি করতে যেখানে লাগতো দশ হাজার টাকা। আর একই জমি এখন এক লাখ বিশ হাজার টাকা প্রয্যন্ত লাগে।
.
আর প্রবাসিদের পাঠানো টাকা এই গুলা বাদ দিয়ে দেখেন হাসিনা কতটুকু উন্ন্যয়ন করেছে, উল্টা হাসিনা দেশের প্রতিটা সেক্টরকেই ধ্বংস করার চেস্টাই করতেছে, কৃষকের খাত, গার্মেন্টস খাত, শিক্ষা খাত প্রায় দংশের পথে।
.

আপনার রেটিং: None
Syndicate content