'ফজলে এলাহি মুজাহিদ' -এর ব্লগ

কিভাবে আগুন থেকে নিজেকে ও নিজ পরিবারকে রক্ষার চেষ্টা করবেন

স্বজন-পরিজন আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের ধারাবাহিকতা নির্ভর করছে পরিবার-পরিজনের সম্পর্কের মাঝে। একটা সময় ছিল যখন কেউ কল্পনাতেও আমাদেরকে আনতে পারেনি। তারপর পিতামাতার মাধ্যমে এই পৃথিবীতে আমরা এখন। ঠিত তেমনিভাবে আমাদের মাধ্যমে আমাদের সন্তানগণ। এছাড়াও রক্তের সম্পর্কের বাইরে কিছু প্রিয়জন এসে নিজেদের সম্পর্ককে জুড়ে নেয় আমাদের সাথে। সব মিলিয়ে একটা ভালবাসার সুপরিকল্পিত বন্ধনের মাঝে আমাদের বেঁচে থাকা এবং ধারাবিহকতা চলে আসছে এই পৃথিবীতে।
পার্থিব নানা প্রয়োজনে যেমন পরিবার ও পারিবারিক সম্পর্ক রক্ষার জন্য আমরা ক্ষুদ্র থেকে জীবন পর্যন্ত বাজি রাখতে দ্বিধা করি না। ঠিক তেমনি আমাদের আখেরাতের জন্যেও তদ্রূপ প্রচেষ্টা থাকা উচিত। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.3 (6টি রেটিং)

পাওয়া-নাপাওয়ার দিনগুলো যখন বেহিসাবী হয়ে যায়

মানুষ হিসেবে আসলে কখনোই আমরা তুষ্ট হতে পারি না। তুষ্টির কোন শেষ নেই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অনেক স্বপ্ন দেখে যাই। অনেক স্বপ্ন পূর্ণ হয়; অনেক স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়। স্বপ্ন দেখার প্রাক্কালে তার বিনিময়ও ভেবে রাখি। এই যেমন, যদি আমার জীবনে এমন ঘটে তাহলে আমি এমন এমন কাজ করবো। কিন্তু স্বপ্ন পূরণের পর তা কঠিন হয়ে পড়ে। মূলতঃ কঠিন নয়; শুধু নিজের অন্তহীন পাওয়ার চাহিদা আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। ভুলিয়ে দেয়, অলস করে দেয় চেতনাগুলোকে; যার দ্বারা সে তার ওয়াদা পূর্ণ করতে পারতো। এভাবেই আমরা স্রষ্টার সাথে কৃত বহু ওয়াদা ভঙ্গ করে বসি। অবশ্য এসব ওয়াদার বহুলাংশই ঘটে শুধুমাত্র ব্যক্তি এবং তার প্রতিপালকের সাথে; একান্ত সঙ্গোপনে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (4টি রেটিং)

ধর্ম যার যার রাজনীতি আল্লাহর!

মানুষের ইতিহাসে 'রাজনীতি' অনেক পুরোনো শব্দ হলেও মানুষের স্রষ্টা কখনোই এ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেননি। বরং প্রতি যুগেই প্রতিটি জনপদে তিনি তাঁর প্রেরিত মানুষদের মাধ্যমে মানুষকে তাদের জীবনের যাবতীয় বিধি-নিষেধের সাথে সাথে রাজনীতির দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সর্বশেষ প্রেরিত পুরুষ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে মানুষের প্রতি প্রেরিত বিধানকে আল্লাহ্ পরিপূর্ণতা দান করলেন। এ সর্বশেষ বিধানে রাজনীতি আরো ব্যাপকতা লাভ করেছে এবং পরিপূর্ণতা সাধিত হয়েছে। যার বাস্তব নমুনা স্বয়ং আল্লাহর নবী তাঁর জীবদ্দশায় নিজে বাস্তবায়ন করে দেখিয়ে গেছেন। তারপর তাঁর নিজ হাতে গড়ে তোলা অনুসারীগণ পর্যায়ক্রমে পৃথিবীবাসীর কাছে তাকে আরো বিস্তৃত করেছেন।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

অনুভবে ঈদ, কুরবানী, স্মৃতি ও সমকাল

মানুষের জীবন ত্যাগ ও প্রাপ্তির এক চলমান ইতিহাসের সংগ্রহ। একক ভাবে প্রতিটি জীবন এবং সম্মিলিত ভাবে মানব জীবন আবহমান কাল থেকে এই ইতিহাসই সৃষ্টি করে আসছে। হাঁ, তার কিছু কিছু মানুষ নিজেদের সংরক্ষণে রেখেছে আর বাকী বিশাল অংশ মানুষ হারিয়ে ফেলেছে। মানুষ হারালে কি হবে, মানুষের স্রষ্টা নিশ্চিতভাবে তা সংরক্ষণ করে রেখেছেন। প্রতিজন মানুষ নিজের জীবনকালে এই ইতিহাস লিখে রাখুক বা না রাখুক, মনে থাকে অনেকদিন; আমৃত্যু। এখানে থাকে পাওয়ার স্মৃতি, না পাওয়ার দুঃখ। থাকে পাওয়ার দুঃখ আবার ত্যাগের মহত্ব। এ পৃথিবীর মানব সদস্যদের একজন হিসেবে আমার জীবনেও রয়েছে প্রতিটি মুহূর্তের স্মৃতি; ইতিহাস। কত কি ভুলে গেছি, তার কিছু কিছু স্মৃতি এখনো যত্ন করে সংরক্ষণ করে রেখেছে মগজের মেমোরী। বছর হেঁটে হেঁটে ঈদুল আদ্বহা এই তো এখন আমাদের দুয়ার থেকে সামান্য দূরে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এসে কড়া নাড়বে মানব মনের তোরণে। তাই কত কথা মনে পড়ে যায় ধীরে ধীরে। সেসব কিছু স্মৃতি-স্মরণ থেকে খুঁজে এনে ওয়েব পাতায় তুলে দেবার প্রয়াস পেলাম এ লেখায়।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)

শিক্ষার ধারা নির্বাচন ও জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তা অর্জন

পৃথিবী আমাদের জন্য এমন এক আবসস্থল; যেখানে শিক্ষা ব্যতীত এক পদও অগ্রসর হওয়া সম্ভব নয়। দোলনা থেকে নিয়ে কবর পর্যন্ত প্রতিনিয়ত আমাদেরকে শিখতে হয়, ইচ্ছায় এবং অনিচ্ছায়। সে দৃষ্টিকোণ থেকে যদি কোন গবেষক বলে বসেন যে, শিক্ষাই জীবন, তাহলে তিনি মোটেও ভুল বলবেন না। এ বিশ্বভুবন দু’টো মৌলিক দিক নিয়ে গঠিত, তাহলো- পক্ষ এবং বিপক্ষ। এক পক্ষে যদি ধরি আলো তাহলে অপর পক্ষে অন্ধকার, তেমনি ভালো-মন্দ, সুখ-দুঃখ, লাভ-ক্ষতি ইত্যাদি। ঠিক তেমনি শিক্ষার ক্ষেত্রেও রয়েছে সুশিক্ষা-কুশিক্ষা, ভালো শিক্ষা-মন্দ শিক্ষা, দুনিয়ামুখী শিক্ষা-আখেরাতমুখী শিক্ষা ইত্যাদি। কিন্তু যেভাবেই হোক, শিক্ষা ছাড়া জীবন পরিচালনা করা অসম্ভব এবং ধর্মীয় দৃষ্টভঙ্গিতে শিক্ষা ছাড়া দুনিয়ার পরবর্তী জীবনও বিপর্যস্ত।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)

বুকটা কেবলি খালি খালি লাগছে আজ...

পৃথিবীর দিনগুলোর অনেকটা পেরিয়ে গেছি, জানিনা আরো কতদিন রয়েছে সম্মুখে। বিগত জীবনে অনেক আনন্দ আর অনেক ধরনের দুঃখের সাথে পরিচয় ঘটেছে। আমি আনন্দ এবং বেদনাকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করে থাকি। তবে পুরোপুরি যে পেরে উঠি তা স্বীকার করবো না, কারণ মানবীয় সবগুলো দুর্বলতাই আমিও ধারন করি আর দশজন সাধারণ মানুষের মতই। আনন্দ-বেদনার দৃষ্টিভঙ্গিটা হলো খুব স্বাভাবিক। অর্থাৎ, আনন্দ আছে বলেই বেদনায় কষ্ট হয়, আবার কষ্ট আছে বলেই আনন্দ এতটা মধুর লাগে। যদি শুধু একটা থাকতো, তাহলে এসব স্বাদ উপলব্ধি করা আমাদের পক্ষে কষ্মিনকালেও সম্ভব হতো না। মহান স্রষ্টা আল্লাহ্ তা'আলা এভাবেই আলো-আঁধার, ভালো-মন্দ, নিদ্রা-জাগরণ ইত্যাদি বিষয়কে আমাদের জন্য সামঞ্জস্য বিধান করেছেন। মানুষের মধ্যে যে যত উচ্চ পর্যায়ের চিন্তাশীল জ্ঞানী, সে তত বেশী বুঝতে পারে তিনি কত মহান-উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন; কতটা শক্তিশালী।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.8 (4টি রেটিং)

আমার লেখা প্রথম ব্লগ (২০০৬)

আজকাল আর ছেলে বেলার মত ঘটা করে টিভি দেখা হয়ে উঠে না। কখনো-সখনো দেখা হয়ে যায় আর কি। এমনিকরেই টিভির পর্দায় দৃষ্টি দিলাম 'এন.টিভি'র 'রাইট ক্লিক' প্রোগ্রামে এবং ঠিকানাটি পেলাম। যাত্রার প্রায় অনেকদিন পরে এভাবেই সন্ধান পেলাম ব্লগের। ইন্টারনেটে বাংলা লেখার খুব ইচ্ছে করতো, কিন্তু আমাদের 'অভাব' যে এখনো প্রবল, প্রকট, সুদূর পুরণেয়।
অবশেষে ঠিকানাটি লিখেই ফেল্লাম নোটবুকে, আমি আমার মায়ের ভাষাকে ইন্টারনেটে পেলাম। প্রচণ্ড খুশিতে মনটা নেচে উঠলো, এখানে সেখানে বন্ধুদের জানাতে লাগলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ এবং আন্তরিক অভিনন্দন ব্লগ পরিবারকে।
তারপর, খুব যত্ন করে ব্লগের প্রতিটি নড়াচড়া দেখতে লাগলাম। পাতা এবং নিয়ম নিয়ে কিছু অসন্তোষ এবং প্রতিকারের পরামর্শথাকলেও এ ভেবে সান্তবনা যে- সবে তো শুরু।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)

প্রশান্ত সুন্দরকে যেভাবে ধারন করেছিল জগৎসেরা মানুষেরা

মেনে চলা মানুষের স্বভাবের মধ্যে অন্যতম। কিছু না কিছু মেনে চলবেই, যদি সে সুস্থ-সম্পন্ন মানুষ হয়। চাই সত্য কি মিথ্যা; কোন না কোন নিয়ম-পদ্ধতির অনুসরণের নেশা তার রক্তের সাথে মেশানো আছে। ব্যবধান থাকে যার যার পছন্দের মাঝে। কিন্তু মেনে চলার নীতিতে সবাই সমান।

কেউ সত্যকে সত্য বলে মানে এবং এ নীতিকে জীবনের জন্য পছন্দ করে। কেউ মিথ্যাকে পছন্দ করে এবং মিথ্যার চর্চা করে বানিয়ে নেয় জীবনের জন্য চলার পথ। যার কাছে মিথ্যাই বোধগম্য, মিথ্যাই যার বিবেচনায় লাভজনক, তার দৃষ্টি সীমায় সত্য ধূঁ ধূঁ কুয়াসা। দেখতে পায় না সত্যের রশ্মি। আবার যার বিবেচনায় সত্যই সঠিক এবং পরিণামে লাভজনক, তার দৃষ্টিতে মিথ্যা চির পরিত্যাজ্য। চাই তাতে পরাজয় তার পিছু লেগে থাকুক, বিপদ তার নিত্য সঙ্গী হয়ে থাকুক, ক্ষতি তার প্রতিদিনের অর্জন হয়ে থাকুক; তার বিশ্বাস একদিন তার জয় হবেই হবে। মূলতঃ জগতের ইতিহাসে এযাবৎ কাল মানব জাতি তাই অবলোকন করে এসেছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

ধর্ম ও বিজ্ঞানের দৌড়

ব্লগার মনির হাসান একটি ব্লগে "ধর্মগুলোর ভবিষ্যত কি......." বিষয়ক একটি পোষ্টে আলোচনার জন্য কিছু সম্পূরক বিষয় প্রশ্নাকারে তুলে ধরেছিলেন। পড়ার পর মন্তব্য দেয়ার বাসনায় লিখতে শুরু করি, অবশেষে দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় লেখাটি পোষ্ট আকারে প্রকাশের প্রয়াস পাই। লেখাটি অন্য ব্লগেও আছে, বিসর্গেও রাখতে চাই, আর সে চিন্তা থেকেই শেয়ার করছি আপনাদের সাথে।

প্রশ্ন ও উত্তরগুলো যথাক্রমে-

১. ধর্ম কি আদৌ টিকে থাকবে?

-সব ধর্মের কথা বলতে গেলে অনেক কথা টেনে আনতে হবে, তাই যে ধর্ম টিকে থাকার সম্ভাবনা শতভাগ বলে আমি মনে করি, সে সম্পর্কে কিছু কথা বলতে পারি। তা হলো- ইসলাম ধর্ম।

কেননা, মানুষ তার মূল খুঁজবেই। আর "তার মূল-এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা যত সূক্ষ্মই হোক না কেন, সেই সূক্ষ্ম-এর স্রষ্টা কে?"-এ জিজ্ঞাসা মানব মনে থাকবেই। এদিকে বিজ্ঞানের এ যাবৎ উন্নতি কিংবা ভবিষ্যৎ কল্পনা থেকেও "সেই মূল"-এর সন্ধান আজো পায়নি এবং পাওয়ার কোন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। সুতরাং মানব মনের চিরন্তন এ প্রশ্নই মানুষকে ধর্মে টিকিয়ে রাখবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

Light Upon Light -ইসলামিক টিভির একটি সময়োপযোগী আয়োজন

'ইসলাম' সর্বযুগের সর্বাধুনিক একটি জীবন পদ্ধতির নাম। ইসলাম সম্পর্কে নূন্যতম জ্ঞান রাখেন এমন প্রতিজন মুসলিম একথা বিশ্বাস করে। এখানে বিশ্বাস শব্দটি যথার্থ নয়; বরং প্রমাণিত সত্য বলাই যথার্থ হবে।

'বিশ্বাস' কেন বলা হলো? তা এজন্য যে, সকল মুসলমান পড়াশোনা করে ইসলামকে মেনে চলছে না; বরং বর্তমানে অধিকাংশই আলেম তথা জ্ঞানীদের মুখ থেকে শুনে শুনে ইসলাম মানতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তাই আলেম বা জ্ঞানীগণ যা বলেন তাতে তাদের বিশ্বাস করতে হয়। অথচ 'আলকুরআন আল্লাহর বাণী'-এটুকুই বিশ্বাস করতে বলা হয়েছে। বাকী সত্যতা, যথার্থতা প্রমাণ তো আল-কুরআনেই বিদ্যমান রয়েছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)
Syndicate content