'ফজলে এলাহি মুজাহিদ' -এর ব্লগ

"নির্মাণ" ম্যাগাজিনের পক্ষ হতে ঈদের শুছেচ্ছা-"ঈদ মোবারাক" ও ঈদকার্ড

আসসালামু আলাইকুম।

"নির্মাণ" -একটি ইসলামী গবেষণা ম্যাগাজিন।
"মননে. চিন্তায়.. গবেষণায়..." -এ শ্লোগান নিয়ে এগিয়ে চলছে সম্মুখ পানে।

নির্মাণে লেখা পাঠিয়ে, নির্মাণ নিয়মিত পড়ে এবং বন্ধুদের পড়িয়ে
সময়ের এই বিনির্মাণে আপনিও হোন একজন 'নির্মাতা'!

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা-
"ঈদ মোবারাক"

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (2টি রেটিং)

ইসলাম প্রতিষ্ঠা, প্রচলিত গণতন্ত্র এবং আমার কিছু মন্তব্য

রমাদ্বান মাসে অফিস সেরে ঘরে ফিরতে ফিরতে প্রায় সকাল ন'টা ছুঁই ছুঁই করে। প্রিয়জনের সাথে ফোনালাপ ফেরার পথেই সেরে নেই। আনুসাঙ্গিক কাজকর্মও ন'টার আগেই খতম করে ফেলি। কারণ, ন'টায় শুরু হবে এ যাবৎকালে আমাকে সবচেয়ে বেশী মুগ্ধকরা টিভি সিরিয়াল "يوسف الصديق" (ইউসুফ আস-সিদ্দীক)। মিশরীয় দু'টো চ্যানেলে সউদী সময় ৯টা থেকে ১০টা এবং ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দেখায়।
 গতকালের পর্বে দেখেছিলাম-
তৎকালীন মিশরীয় শাসক আল্লাহর নবী ইউসুফ আলাইহিস্ সালামের প্রতি ঈমানদার ছিলেন। তিনি রাজকীয় ফরমান জারি করলেন যে, আজ থেকে মিশরের রাজকীয় ধর্ম আল্লাহর নবী ইউসুফ আলাইহিস্ সালামের ধর্ম! আজ থেকে ইবাদাতগৃহ সমূহে ইউসুফের রব-এর ইবাদাত করা হবে। কেউ কোন বিশৃংখলা সৃষ্টি করলে তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

সিয়াম কি এবং কেন?

'সওম'-এর শাব্দিক অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তে পানাহার ও সহবাস থেকে বিরত থাকার নাম 'সওম'। সওম-এর বহুবচন হচ্ছে সিয়াম, যাকে আমরা রোযা বলে থাকি। আর রোযা শব্দটি এসেছে ফার্সী থেকে, যেমন এসেছে নামাজ যার আরবী বা কুরআনে বর্ণিত শব্দ হচ্ছে সালাত। যে কেউ সোবহে সাদিকের উদয় হওয়ার পূর্ব থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে পানাহার এবং সহবাস ত্যাগ করবে তার জন্য সেদিনটি সওম পালন হিসেবে ধরা হবে কি হবে না, তা নির্ভর করছে নিয়তের উপর। যদি ব্যক্তি সওমের নিয়ত করে এসব ত্যাগ করে থাকে, তাহলে দিনটি তার জন্য সওম পালন হিসেবে নির্ধারিত হবে আর নিয়ত না করে এমনি এমনি এসব ত্যাগ করলে তাতে সওমের সওয়াব পাওয়া যাবে না। কারণ, ইসলামে নিয়তের উপরই সমস্ত ভাল কাজের প্রতিদান নির্ভরশীল। যেমনটি প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ((সব কাজই নিয়ত (সংকল্প) অনুযায়ী হয়।.....)) [সহীহ আল-বুখারীঃ ১]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.3 (3টি রেটিং)

পৃথিবীতে "নির্মাণ" জন্ম নিয়েছে (সংশোধিত ভার্সন)


নির্মাণ ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইটের ঠিকানা।


জানুয়ারী সংখ্যার জন্য ক্লিক করুন।


পিডিএফ ভার্সন ডাউনলোডের জন্য ক্লিক করুন।

পৃথিবীটা গতিময়, এমনকি গতিময় এই বিশ্বভুবনের প্রতিটি বস্তুনিচয়, থেমে নেই আমরাও, থেমে নেই আমাদের জীবন ধারা। এখানে চলতেই হবে, কোন বিকল্প নেই। কেউ যদি বলে আমি স্থির, অচল, তবে তা হবে অজ্ঞতা প্রসূত। কেননা, তার নিঃশ্বাস সচল, রক্তের সঞ্চালন সচল, আহার-বিহারের প্রয়োজন ও প্রক্রিয়া সচল, তার জীবন ধারা সচল। বিকল্প নেই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

নির্মাণ- ফেব্রুয়ারী ২০১১: মননে, চিন্তায়,, গবেষণায়,,,

জগৎ সংসারে কল্যাণ-অকল্যাণ দু'টোই বিদ্যমান। দৃষ্টিভঙ্গি, বিবেচনাবোধ, আন্তরিক আগ্রহ ইত্যাদির প্রভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে মানুষ। যার নিকট যে পথ ভাল লাগে সে সেপথের অনুসরণ ও প্রচারণায় মুখর থাকে। এটাই স্বাভাবিক। অস্বাভাবিক তো তা, যা মানুষকে প্রতারণা করে, কলুষিত করে এ বিশ্বকে, পঙ্কিল করে তোলে মানব সমাজকে এবং ধ্বংস ডেকে আনে নিয়মের নিঃশেষ প্রক্রিয়ার পূর্বেই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"নির্মাণ" ম্যাগাজিন-জানুয়ারী ২০১১ -মননে. চিন্তায়.. গবেষণায়...

পৃথিবীটা গতিময়, এমনকি গতিময় এই বিশ্বভুবনের প্রতিটি বস্তুনিচয়, থেমে নেই আমরাও, থেমে নেই আমাদের জীবন ধারা। এখানে চলতেই হবে, কোন বিকল্প নেই। কেউ যদি বলে আমি স্থির, অচল, তবে তা হবে অজ্ঞতা প্রসূত। কেননা, তার নিঃশ্বাস সচল, রক্তের সঞ্চালন সচল, আহার-বিহারের প্রয়োজন ও প্রক্রিয়া সচল, তার জীবন ধারা সচল। বিকল্প নেই।
যদি চলতেই হবে, তবে অলস মননে, অলস চিন্তনে, গবেষণাবিহীন মস্তিষ্ক মাথায় করে এ অচল দেহটি নিয়ে চলবো কেন? কুড়িয়ে নেব দু'হাতে আপনাপন দু'পাশ থেকে। যত পারি, সাধ্যানুযায়ী, পার্থিব ও পালৌকিক পুঁজি করে।
সত্য যে, দু'পাশ জুড়ে যাকিছু রয়েছে, তার সবটুকুতেই কল্যাণ নিহিত নেই। আছে কল্যাণ-অকল্যাণ উভয়ের সমাহার। মিশ্রিত এসব উপায়-উপকরণ হতে বেছে বেছে নিতে হবে আপন কল্যাণ, আপন সঞ্চয়। এভাবেই আসতে পারে জীবনের গতি, সফল যাপন, সুষম দিনকাল, উত্তম উত্তরাধিকার এবং অনন্ত সফলতা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)

আখেরাতের যৌক্তিকতা

এই পৃথিবী চলমান, কোন কিছুই থেমে নেই, চলতে চলতেই এখানে সেখানে পেয়ে যাই কিছু আনন্দ, পাই অনেক অনেক বেদনা, যুলুম-নির্যাতন। আনন্দিতের মন ভরে না, আনন্দ চাই আরো আরো, অন্ততঃ যতটুকু ভাল করেছি তার বিনিময় তো পাওয়া উচিত ছিল। ওদিকে নির্যাতিত প্রাণ কেঁদে কেঁদে নিঃশেষ অশ্রু বিন্দু, তবু কোথাও তার কথা শোনার কেউ নেই যেন, কি আইন, কি থানা, কি গ্রাম-গোত্র প্রধান, অবশেষে অবচেতন মনের আকুল আকুতি দু'হাতে শক্তি সঞ্চয় করে তুলতে থাকে আকাশের পানে, সেই আকাশে, যেখানে বিরাজ করছেন এই বিশ্ব-ভূবনের মহান স্রষ্টা। চিন্তারা এখানে এসেই থম্কে দাঁড়ায়, তাহলে কি তিনি দেখেন না, কেন তিনি এর প্রতিকার করছেন না?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

"বাঙ্গালী" -এখন একটি আলোচিত গালি!

কথায় বলে- ব্যক্তির চেয়ে পরিবার বড়, পরিবারের চেয়ে সমাজ আর সমাজের চেয়ে দেশ। আনন্দ-বেদনা, সম্মান-অসম্মান ইত্যাদিতে একক কোন ব্যক্তি যদি সম্পৃক্ত হয়, তবে তা একটি মনেই সীমাবদ্ধ থাকে, পরিবারের সম্পৃক্ততায় পরিবার, তেমনি সমাজের সম্পৃক্ততায় সমাজ। কিন্তু যদি এই সম্পৃক্ততা হয় গোটা একটি দেশের মানুষের সাথে, তখন এর জন্য ভুক্তভোগী হয় একটি দেশ। একটা সময় ছিল যখন মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশীদের শ্রমবাজার ছিল তুঙ্গে। বাংলাদেশীদের সুনাম ছিল সবার মুখে মুখে। কেননা, অল্প টাকার বিনিময়ে এত অধিক শ্রম এ অঞ্চলে কর্মরত পৃথিবীর আর কোন দেশের শ্রমিকরা দিত না। বাঙ্গালী(বাংলাদেশী) বলতেই আরবদের নিকট ছিল ভাল মানুষ। হাঁ একথা ঠিক যে, রাস্তা কুড়ানো, ময়লা তুলে নেয়া, টয়লেট পরিষ্কার করা সহ যাবতীয় কাজগুলো বাংলাদেশীরাই আঞ্জাম দিত। আর তাই উপরে উপরে যত ভালই বলত, মনে মনে অনেকটা 'নিচুজাত' টাইপের ভাবনা যে কেউ কেউ ভাবেনি তা নয়। কেননা, সব মানুষ তো আর 'মানুষ' শব্দটার যথার্র্থ মানে সম্পর্কে অবগত নয়। নিশ্চয়ই যারা জানত যে মানুষ মানুষই, তার মধ্যে কোন জাতভেদ নেই, শ্রমরূপের ব্যবধানে মানুষে মানুষে কোন পার্থক্য হয় না, তারা অন্যদের কথিত এসব তুচ্ছ-

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

তলা‘আল বাদরু ‘আলাইনা: জ্ঞানের ধারক ও বিদায়ের স্মারক

৬//২ জুলাই ২০০৬                             শিক্ষাজীবনটা আজ বিকেলে খুব বেশী কড়া নাড়ছে স্মৃতির দুয়ারে। আসরের সালাতান্তে একটা ট্যাক্সি নিয়ে, কথা রাখতে এবং দু’চোখ জুড়াতে ও এ মন ভরাতে চলে গেলাম পূর্বকথামত মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রধান ফটকের সামনেই নামিয়ে দিল ট্যাক্সি, তারপর ধীরে ধীরে এগুলাম জ্ঞানের রাজ্যের এ অনন্য অভ্যন্তরে। সেদিনের দেয়া কাগজে লেখা ভবন, তলা ও কামরা খুঁজে পেতে বেগ পেতে হলো না তেমন। দেখলাম কত সাধারণ সহাবস্থান বিভিন্ন দেশের, বিভিন্ন সংস্কৃতির, বিভিন্ন মাতৃভাষার ছাত্রদের মাঝে। একই কামরাকে চাদর টাঙিয়ে কয়েকজন মিলে ভাগ করে প্রত্যেকেই বানিয়ে নিল নিজস্ব পরিমণ্ডল। এভাবেই চলছে তাদের শান্ত-নিরব জ্ঞানচর্চা। যেহেতু এখানে নেই আমাদের দেশের মত ঘৃণ্য রাজনীতির কালো থাবা, নেই হল দখলের উন্মাদনা, নেই এমনকি রাজতন্ত্রেরও তেমন কোন প্রভাব, সেহেতু এখানে বাকী আছে শুধুই শিক্ষা-জ্ঞান-আলো।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ইসলামী সংস্কৃতির দলিল-প্রমাণ: ৬-১০

৬. মুসলিম অন্যায়ভাবে অন্যের জমি জবরদখল করে না।
দলিল: আয়েশা
(রা) বর্ণনা করেন, রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ "যে
ব্যক্তি এক বিঘৎ পরিমাণ জমিতে জুলুম করল (অর্থাৎ, জোরপূর্বক দখল করল,
কিয়ামতের দিন আল্লাহ) তার গলায় সাত তবক জমিন পরিয়ে দেবেন।"
(বুখারী: ৩/১৭০(২৪৫৩) ও মুসলিম: ৫/৫৯(১৬১২), রিয়াদুস্ সালেহীন: ১ম
খণ্ড-২০৬]

৭. মুসলিম সরকারী সম্পদ অবৈধভাবে অপচয় করে না।
দলিল:
হামযার স্ত্রী হযরত হাওলা বিনতে ‘আমের আল আনসারী বলেন, আমি রাসূলে আকরাম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ "এমন অনেক লোক আছে যারা
আল্লাহর মাল (অর্থাৎ, সরকারী ধন-সম্পদ) অবৈধভাবে ব্যায় করে, অপচয় করে।
কিয়ামতের দিন তাদের শাস্তির জন্য জাহান্নামের আগুন নির্ধারিত রয়েছে।"
[বুখারী: ৪/১০৪ (৩১১৮), রিয়াদুস্ সালেহীন: ১ম খণ্ড-২২১]

৮.
মুসলিম মানুষের প্রতি দয়া পোষণ করে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content