'নূরুল্লাহ তারীফ' -এর ব্লগ

সমাজ ও রাষ্ট্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে মুসলিম উম্মাহর করণীয়: সৌদি গ্রান্ড মুফতি

মুসলিম উম্মাহ্,
জেনে রাখুন, ইসলামের ভিত্তিগুলো এবং ঈমানের রুকনগুলো মুসলমানদের অন্তরে মজবুত করা গেলে তারা দুনিয়া ও আখেরাতে নিরাপত্তা লাভ করবে। “যারা ঈমান এনেছে, কিন্তু তাদের ঈমানের সাথে যুলুম (শির্ক) মিশ্রিত হয়নি তাদের জন্যই নিরাপত্তা। আর তারাই হল সুপথপ্রাপ্ত।”[সূরা আনআম ৬:৮২] প্রকৃতপক্ষে নিরাপত্তা ও সুস্থ জীবন কোন অবস্থায় লাভ করা যাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না ব্যক্তি আল্লাহ্‌কে রব্ব (প্রতিপালক) হিসেবে স্বীকৃতি না দিবে, ইসলামকে ধর্ম হিসেবে গ্রহণ না করবে এবং মুহাম্মদ (সাঃ)কে নবী ও রাসূল হিসেবে না মানবে। “যে নর বা নারী ঈমান থাকা অবস্থায় কোন সৎকর্ম করে আমি তাকে উত্তম জীবন দান করব।”[সূরা নাহল ১৬:৯৭] “আর যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে মুহাম্মদের প্রতি অবতীর্ণ সত্যে বিশ্বাস করে, আল্লাহ্ তাদের মন্দ কর্মসমূহ মার্জনা করেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করে দেন।”[সূরা মুহাম্মদ ৪৭:২]

মুসলিম উম্মাহ্,

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

কার ইবাদত করব, কেন করব

এ মহাবিশ্বে মানুষের অস্তিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু প্রাণীজগতের মধ্যে কেবল মানুষেরই বিবেক রয়েছে, ভাল-মন্দ বিবেচনা করার ক্ষমতা রয়েছে। তাই জীবন সংসারের পরতে পরতে মানুষকে তার সুকীর্তির জন্য পুরস্কৃত করা হয়, আবার দুষ্কৃতির জন্য তিরস্কার করা হয়। মানুষ তার বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে তার চেয়ে অধিক শক্তিধর, অতি হিংস্র, অত্যন্ত বিষধর, বিশালদেহী প্রাণীকে পর্যন্ত বশ করতে সক্ষম হয়। অনেক সময় দেখা যায় বিশালাকায় হাতীটির মাহুত ছোট্ট একটি মনুষ্য বাচ্চা অথবা শক্তিশালী অশ্বের সওয়ারী একজন নাবালক শিশু। জলে-স্থলে এমন কোন প্রাণী নেই মানুষ যাকে বশ করতে পারেনি। বড় তিমি মাছটিকেও মানুষের কাছে হার মানতে হয়েছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী জাহাজবহরে হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী নিন্দা এবং রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা ইসরাইল

২০০৬ সালের ২৬ জানুয়ারী জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে ‌‌'হামাস' ইসমাইল হানিয়ার নেতৃত্বে ফিলিস্তিনে সরকার গঠন করে। যায়নবাদী ইসরাইল হামাস সরকারকে কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি। তাই ইসরাইল ফিলিস্তিনের নতুন সরকারকে নানা বেকায়দায় ফেলার জন্য রাজনৈতিক ও সামরিক চক্রান্তে মেতে উঠে। উপর্যুপরি সামরিক হামলার মাধ্যমে এই সরকারকে উৎখাত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায় ইসরাইল। কিন্তু হামাস সরকারের মনোবল ভাঙ্গতে না পেরে  ২০০৭ সালের জুন মাসে ইসরাইল ফিলিস্তিনের উপর অবরোধ জারী করে। অবরোধের ফলে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, নির্মাণ সামগ্রী ইত্যাদির সংকট দেখা দেয়। অবরোধের পর থেকে ফিলিস্তিনী জনগণ খোলা আকাশের নীচে অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করে যাচ্ছে। অবরোধ আরোপের পর থেকে ইসরাইলের ইশারায় মিশর তার 'রাফা' নামক ফিলিস্তিনি বর্ডার ক্রসিং বন্ধ করে দেয়। যার ফলে ফিলিস্তিনের সাথে বর্হিবিশ্বের যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৮ সালের ২৩ জানুয়ারী ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি 'রাফা' বর্ডার ক্রশিং এর উপর হামলা মিশরে আশ্রয় নিতে সক্ষম হয়।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

শিশুর নাম নির্বাচন : ইসলামী দৃষ্টিকোণ

শিশুর জন্মের পর তার জন্য একটি সুন্দর ইসলামী নাম রাখা প্রত্যেক মুসলিম পিতা-মাতার কর্তব্য। মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলমানদের ন্যায় বাংলাদেশের মুসলমানদের মাঝেও ইসলামী সংস্কৃতি ও মুসলিম ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে শিশুর নাম নির্বাচন করার আগ্রহ দেখা যায়। এজন্য তাঁরা নবজাতকের নাম নির্বাচনে পরিচিত আলেম-ওলামাদের শরণাপন্ন হন। তবে সত্যি কথা বলতে কী এ বিষয়ে আমাদের পড়াশুনা অতি অপ্রতুল। তাই ইসলামী নাম রাখার আগ্রহ থাকার পরও অজ্ঞতাবশত আমরা এমনসব নাম নির্বাচন করে ফেলি যেগুলো আদৌ ইসলামী নামের আওতাভুক্ত

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.3 (6টি রেটিং)

বিসর্গের প্রতি খোলা চিঠি

প্রিয় ব্লগ, প্রিয় বিসর্গ! তোমার কী সুন্দর একটা নাম- বিসর্গ। আচ্ছা তোমার নাম বিসর্গ হলো কেন? তুমি বুঝি বিসর্গের মতো অমলিন দু চোখ মেলে আগামীর পথ চেয়ে অগ্রসর হচ্ছো। নতুনের পথে তোমাকে স্বাগতম। বিসর্গ মানে বিসর্জন, ত্যাগ। তবে তুমি কী বিসর্জন দিবে? আদর্শ নাতো! তবে কিন্তু আড়ি দিবো। তোমার নামের আরেকটি অর্থ হচ্ছে- সৃষ্টি, উদ্ভব। আচ্ছা তুমি কী সৃষ্টি করবে?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content