'লাল বৃত্ত' -এর ব্লগ

দৃষ্টিহীন মেহমান

মোবাইল ভাইব্রেশন করতে করতে গড়িয়ে পড়ে যাচ্ছে তার পরও কম্পিউটার
স্ক্রিন থেকে চোখ সড়ছেনা। সাড়াদিন কি যে এতো পড়ে। রুমমেট মাঝে মাঝে পেছনে
এসে বসে দেখার চেষ্টা করে। সবাই পিসি নিয়ে কত রঙ বেরঙ্গের জিনিশ দেখে। আর
এই আঁতেল সারাটাক্ষন কঠিন কঠিন কি সব হাবিজাবি পড়ে। ওর কি মাজা ব্যথা হয়না?
আজিব। নাজিব বলে কিরে... তোর ফোন বাঁজছে। কোনো খবর আছে? এতোক্ষনে সমুদ্রের
খেয়াল হয় যে আসলেই ফোন এসেছে।


মেঘের অস্থির কন্ঠ। কি? তোমার আসতে কতক্ষন লাগবে? আমি রোদে এতোক্ষন দাড়িয়ে
থাকতে পারবোনা।
ওকে বস আমি আর দশ মিনিটের মধ্যে আসছি। টাকা লুকানোর যায়গা থেকে একশত টাকার
দুটি নোট বের করে চামরা ঊঠে যাওয়া বিবর্ণ ওয়ালেটে শুইয়ে দেয় সমূদ্র। বেড়িয়ে
আসে সূর্যের রাগ মাথায় করে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

ভাবনার পোস্টমর্টেম

অনেক ভাবনা করে দেখলাম ভেবে কোনো লাভ নাই। তাই ভাবনা ছাড়াই যা মাথায় আসে তা লিখতে বসে গেলাম। কথা হচ্ছিলো মানব সভ্যতার অবনতির বিষয়ে। যুগে যুগে বহু মানুষ এই পতন ঠেকাতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিষয়গুলো এমন ভাবে পরিবর্তনশীল যে গুটিকতক মানুষ ছাড়া বাকি সবাই ই পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। আর সঠিক ভাবে সংজ্ঞায়িত হচ্ছেনা আমাদের চিরন্তন নৈতিক বিষয়গুলো। বদলে যাচ্ছে সময়ের ধারাবাহিকতায় সকল কর্মকান্ডের পূর্ব সংজ্ঞা। তাহলে স্রোতের বিপরীতে হেঁটে কি লাভ? কই? কেউ কি পেরেছে পতন রোধ করতে? হয়তো নির্ধারিত কিছু মানুষ সেই সব রিফর্মারদের অনুসরন করেছে। কিন্তু একসময় তারাও পরিবর্তিত হয়ে গেছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.3 (3টি রেটিং)

সন্তানকে কি সত্যিই মা হত্যা করেছিলো? নাকি বাবা!! নাকি আমরা সবাই?

অনেক বক বক হয়েছে এই নিয়ে। ব্লগিয় এই সব প্যাচালে আরো কিছুটা অতিরিক্ত
চক্ষুপিড়ন বাড়াতে আমার কি বোর্ডের কি গুলো চেপে যাচ্ছি। বেচারী নারী
ভ্যাজালে পরে গেছে। নাহ্‌ আমি সহানুভুতির দৃষ্টিতে ঐ মায়ের দিকে
তাকাআচ্ছিনা।বরং সহানুভুতি দেখাচ্ছি যে সমাজ এমন একটি পরিস্থিতির জন্ম দিলো
সেই সমাজের ঘুনে ধরা বিবর্ণ খুটি গুলোকে।

১।
এখন আমাকে কয়েকটি জবাব দিন।
মাতৃত্ত্ব আর ভালোবাসা দুটি সম্পুর্ন আলাদা জিনিশ। এরা একে অপরের সম্পুরক
কখনোই নয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

হাত পুড়ে যাবে...

রক্ত মাখা বিরক্ত গুলো একাই ধিরে বহুদূর ফিরে
নির্জীব হয়ে জীবন হাতড়ে বেড়ায়।
অথচ কাছেই জীবন কাঁদে জীবনের সর্বনাশে
শুধু ব্যথা জমে থাকে ঘাসে...
তোমাদের আশেপাশে।

অন্ধকার গভীর থেকে গভীরতায় পৌছুতে চায়
আর কুকুরেরা অবিরাম ডেকেই যায়...
ওরা নাকি অশরীরী আত্মাকে দেখতে পায়।
শরীরী যেসব অশরীরী আছে
তারা কোথায়??
তাদের খোঁজ নেই...

লুকানো বিপন্ন মানবতার খোঁজে এক পাল নেকড়ে
আকাশের মেঘ খুঁড়ে সুর্যে খাবলা মেরে
কি আনতে চায় ওরা??
হাত পুড়ে যাবে...
খবরদার।

আগ্নেয় লাভায় বসবাস... আলো নিতে চাও?
ভালোবাসা নাও...
কিন্তু নিভিয়ে দিতে চাইলে পুড়ে যাবে হাত...
আরো একবার বলছি... খবরদার।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

অতীত

অনেক পেছনে তাকালে দেখি ছায়া... মাঠ, কোলাহল।
পাতা ভরা... জীবনের মহা খেলাঘর।

সময় অনেক দ্রুত পালায় আমায় পেছনে রেখে—
একাই আমি স্মৃতিদের পাল্লায় পরে হাড়াই সর্বস্ব,
এর পরও হাড়িয়ে যেতেই ভালোবাসি...
এই মাঠ কত বরষা কাঁদা জলে মেখে ফুটবলের সাথে জড়াজড়ি
সাঁতার না জানায় কত হাবুডুবু কত জলকেলি
এই সবই পানি মাখা দিন রাত্রী।
সব থেমে যেতো আজানের সূর লহড়ীতে

ঘাস পোকারা হাঁফ ছেড়ে বাঁচতো মৃত্যুর ভয় থেকে,
বিদ্যুত চলে গেলে মোমের আগুনে আলোকের সন্ধান;
কত কথা এখনো জমে আছে ইটের ভাঁজে ভাঁজে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content