'মোহভঙ্গ' -এর ব্লগ

লগ-ইন ও পোস্ট সম্পাদনা নিয়ে অদ্ভূত সমস্যা!

ব্লগে লগ-ইন করা নিয়ে এক ভৌতিক সমস্যা দেখা গিয়েছে বিসর্গ ব্লগে। লগ-ইন করে কোন পোস্ট সম্পাদনা করবার পর দেখা যায় আপনাআপনি লগ-আউট হয়ে গেছে। ব্রাউজারে পোস্টের পুরাতন ভার্সন দেখাচ্ছে। অন্য ব্রাউজার দিয়ে চেক করে দেখি, সংশোধিত ও সংযোজিত নতুন ভার্সনটা ঠিকই যুক্ত হয়েছে।
ব্লগের মূল পেজে লগ-ইন অবস্থায় দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু কোন পোস্টে ঢুকলে লগ-ইন অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। আবার আমার ইউজার নেম ডবল দেখাচ্ছে। এমনকি লগ-ইন অবস্থায় থাকলেও লগ-আউট অবস্থায় দেখাচ্ছে, আবার লগ-আউট করবার পরও লগ-ইন অবস্থায় দেখাচ্ছে। সব মিলিয়ে বেশ হিজিবিজি অবস্থা।
মোটকথা, বিসর্গ ব্লগের হোমপেজ, ব্যবহারকারীর ব্লগ তালিকা এবং সম্পাদিত ব্লগ পোস্ট থেকে শুরু করে সবই শুধু old version দেখাচ্ছে। এ বিষয়ে মাননীয় মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

নিয়তের বিভিন্নতা

একই কাজ বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন নিয়তে করে থাকে। নিয়তের এই বিভিন্নতার কারণে কাজের ফলও বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। একই কাজের দ্বারা কেউ সওয়াব লাভ করছে, কেউ গুনাহ কামাচ্ছে, আবার কারো পাপ-পুণ্য কোনটাই হচ্ছে না। এর কয়েকটি উদাহরণ নিম্নে দেয়া হলো:-
(ক) কোরবানী দেয়ার কাজটি কেউ করে নিছক গোশত খাওয়ার জন্য, কেউ করে বড়লোকি দেখানো ও নাম কামানোর জন্য, কেউ করে নিছক উৎসব ও হুড়ঝুড় করার জন্য, আর কেউ করে তাকওয়া অর্জনের জন্য। যারা এ কাজটি আল্লাহর হুকুম পালনার্থে তাকওয়া অর্জনের নিমিত্তে করে, যাদের উদ্দেশ্য থাকে এর মাধ্যমে নিজের ইচ্ছার উপরে আল্লাহর ইচ্ছাকে অগ্রাধিকার প্রদানের ইব্রাহীমী চেতনাকে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করা, তারা এ কাজের দ্বারা সওয়াব ও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করবে। আর বাদবাকি উদ্দেশ্যগুলো সওয়াবের পরিবর্তে গোনাহই এনে দেবে।
আপনার রেটিং: None

স্বেচ্ছাচারী হবার আলামত

সমাজে ও পরিবারে কিছু কিছু মানুষ থাকে স্বেচ্ছাচারী, যারা অন্যের উপর অযৌক্তিক ও যাচ্ছেতাই আচরণ করে শুধু নিজের সুবিধা বা নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ও কর্তৃত্ব বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকে। অন্যকে দাবিয়ে রেখে শুধু নিজের স্বার্থ বা নিজের ইচ্ছা-বাসনা চরিতার্থ করে। এ ধরনের স্বেচ্ছাচারী মানুষের কিছু আলামত থাকে, যা নিম্নরূপ:-
আপনার রেটিং: None

আলহামদুলিল্লাহ! বিসর্গ আবার ফিরে এসেছে।

২৬ তারিখ দিনগত রাতে বিসর্গ ব্লগে একটি পোস্টে এডিট অপশনে ক্লিক করা মাত্রই ব্লগটি 'নাই' হয়ে যায়। রীতিমত একটা পার্কড ডোমেইন, যাকে বলে ডোমেইন ফর সেল, এমন পর্যায়ে চলে যায়। কোনমতে বিভিন্ন পার্টনার সাইট, ক্যাচে ও আর্কাইভের সাহায্য নিয়ে নিজের প্রবন্ধগুলো ব্যাকআপ করতে সমর্থ হই। তারপর এমতাবস্থায় সেই সদ্যমৃত বিজ্ঞাপন-ভর্তি পার্কড ডোমেইনের ওয়েবপেজটিতে বসে বিজ্ঞাপন দেখে দেখে পছন্দের জামাকাপড় চয়েস করা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। কিন্তু দু'দিনের মধ্যে আবার মৃত ব্লগটির পুনর্জন্ম হবে, তা ভাবতেই পারিনি। আরো অবাক হচ্ছি, ব্লগটির মৃত অবস্থায় ২৬ ও ২৭ তারিখেও কোন কোন ব্লগারের দ্বারা ব্লগ পোস্ট হয়েছে।
আপনার রেটিং: None

আল্লাহর ব্যাপারে কি কি আচরণ করলে মানুষ কাফের হয়ে যায়?

আল্লাহর সম্পর্কে মানুষের কি কি ধারণা-বিশ্বাস, কথাবার্তা ও কার্যকলাপ মানুষকে কাফের বানিয়ে দেয়, তা আমরা এখন আলোচনা করব। আল্লাহকে নিয়ে যেসব আচরণ কুফরীর পর্যায়ে পড়ে, সেগুলোকে আমরা দুইটি ভাগে ভাগ করে দেখাতে পারি। এর মধ্যে কিছু আছে সবার জানা বিষয়, আর কিছু আছে সর্বসাধারণের কাছে উপেক্ষিত ও অনালোচিত বিষয়।

(ক) সবার জানা বিষয়: আল্লাহর প্রতি যেসব অন্যায় ও অযৌক্তিক আচরণ প্রকাশ্য কুফরীর অন্তর্ভুক্ত ও সর্বসাধারণ এ ব্যাপারে অবগত, সেগুলো হচ্ছে:-
১। আল্লাহর অস্তিত্বকে অস্বীকার করা
২। আল্লাহর হুকুম ও প্রভুত্বকে অস্বীকার করা
৩। আল্লাহর সম্পর্কে কুধারণা ও শেকায়েত করা এবং তাঁর সিফাত ও গুণাবলীকে অস্বীকার করা
৪। আল্লাহ তাআলার বিরুদ্ধাচরণ করা এবং আল্লাহর প্রতি শত্রুতা ও বিদ্বেষ পোষণ করা
৫। নিজেকে বা অন্য কাউকে/অন্য কিছুকে (কোন সৃষ্টি, ব্যক্তি বা বস্তুকে) আল্লাহ, খোদা, প্রভু বা সৃষ্টিকর্তা হিসেবে দাবি করা বা মান্য করা

আপনার রেটিং: None

আমাদের সমাজের ভিতর ঘাপটি মেরে থাকা কটকটিদেরকে চিনে রাখুন - ২

রাক্ষসী কটকটিরা দুই কিসিমের হয়ে থাকে। এক ধরনের কটকটি আছে যারা হল খোদ আল্লাহর শত্রু এবং গোটা মানব জাতির শত্রু। এদেরকে সাক্ষাত ইবলিস শয়তানের মধ্যেই গণ্য করা চলে। আরেক ধরনের রাক্ষসী আছে, যাদের আল্লাহর সাথে বা পৃথিবীর সকল মানুষের সাথে শত্রুতা না থাকলেও কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের প্রতি কোন যৌক্তিক কারণ ছাড়াই অন্যায়ভাবে শত্রুতা করার প্রবণতা থাকে। প্রথম ক্যাটাগরির কটকটিদের সম্পর্কে আমরা অত্র শিরোনামের পূর্বের প্রবন্ধে আলোচনা করেছি। আর এই পর্বে আমরা নজর দেব দ্বিতীয় ক্যাটাগরির কটকটিদের দিকে।
আপনার রেটিং: None

ব্লগে রোবট ভিজিটরের সম্ভাবনা : ১ জন সদস্যের সাথে ৪৪ জন অতিথি

সাধারণত অত্র ব্লগে অনলাইনে ভিজিটরত সদস্য ও অতিথির অনুপাত ১:১০ হয়ে থাকে। কিন্তু এই মুহূর্তে ১ জন সদস্য ও ৪৪ জন অতিথি অনলাইনে রয়েছে বলে প্রদর্শিত হচ্ছে। এমনকি কিছুদিন আগে অনলাইনে ভিজিটরের সংখ্যা ৫০০ পর্যন্ত প্রদর্শিত হয়েছিল, যা বিসর্গের জনপ্রিয়তা অনুসারে বাস্তব নয়, আর অনলাইনে সদস্যসংখ্যাও সে অনুসারে খুব একটা বেশি দেখাচ্ছিল না। মাঝে মাঝে ব্লগটি ভিজিট করতে গিয়ে, লেখা পোস্ট করতে গিয়ে, বিশেষত লেখা এডিট করতে গিয়ে যে সমস্যা দেখা যায়, তার সাথে এ হাওয়াই ভিজিটরের কোন সম্পর্ক আছে কিনা, তা জানা নেই। তবে রোবটের মাধ্যমে সৃষ্ট কৃত্রিম অতিরিক্ত ভিজিটর অনেক সময় অনেক ওয়েবসাইটকে বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে অতীতে শুনেছি।
আপনার রেটিং: None

Symptom of Spamming - Attention Required

বিসর্গ ব্লগের নতুন সদস্যের তালিকায় যে দশটি নাম এ মুহুর্তে দেখতে পাচ্ছি, তার সবগুলোই ইংরেজি অক্ষরে হিজিবিজি নাম দেয়া। তাও আবার অ্যাকাউন্টগুলো তৈরি হয়েছে একই সময়ে, আজ থেকে ঠিক ৩ সপ্তাহ ৩ দিন আগে। একই ব্যক্তির ১০টি অ্যাকাউন্ট তৈরি, তাও আবার একই সাথে একই সময়ে, এটা অনাবশ্যক বলেই মনে হয়। মডারেটর চাইলে এগুলোর মধ্যে একটি রেখে বাকিগুলো মুছে দিতে পারেন।

আপনার রেটিং: None

Attn: Moderators - Spam Filter Required to Preserve this Blog Quality

একটা বিষয়ে সম্মানিত মডারেটরগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমাদের কোন কোন ব্লগার শুধু ঘন ঘন পোস্ট দিয়ে পেজ ভর্তিই করছেন না, বরং কোন কোন সময় একই পোস্ট পরপর তিনবার পোস্ট করছেন। এমনটি তারা ইন্টারনেট কানেকশনে সমস্যার দরুন ভুলবশত করছেন, নাকি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অতিরিক্ত আগ্রহ ও উৎসহের কারণে আবেগের উচ্ছ্বাসবশত: করছেন, তা আমরা জানি না। কিন্তু মাঝেমধ্যে ব্লগের পেজের দিকে তাকিয়ে দেখুন, দু'একজন লেখকের লেখা ছাড়া মূল পেজে আর কোন কিছুই পাওয়া যায় না। এতে ব্লগের গুণগত মান (quality) ও বৈচিত্র দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বলাবাহুল্য, পাঠকের চাহিদা, প্রয়োজন ও আগ্রহের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর জনগুরুত্বসম্পন্ন অধিক সংখ্যক ব্লগারের লেখাই একটি ব্লগকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারে। অপরদিকে একঘেয়ে content দেখতে দেখতে ব্লগের প্রতি পাঠকদের আগ্রহ কমে যেতে পারে।
আপনার রেটিং: None

মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ: একই লেখা পরপর তিনবার পোস্ট করা প্রসঙ্গে

আমাদের কোন কোন ব্লগার আছেন, যারা একই বিষয় নিয়ে ঘন ঘন লেখা পোস্ট করে ব্লগের প্রথম পেজটা ভর্তি করে ফেলেন। একই বিষয় বা একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার লিখলেও সেটা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু হুবহু একই লেখা যদি পরপর তিনবার পোস্ট করা হয়, সেটা অন্যান্য ব্লগারের জন্য এক বিঘ্নকারী উপাদানই (disturbing element) বটে। আমাদের ব্লগার ভাইয়েরা কি লেখা এডিট করতে জানেন না? অবশ্য যদি কখনো ব্লগ পোস্ট করবার সময়ে ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যার কারণে সেভ বাটনে বারবার চাপ দিতে গিয়ে একই লেখা একাধিকবার পোস্ট করে বসেন, তাহলে ভুল ধরা পড়বার সাথে সাথে ব্লগারগণের নিজ দায়িত্বেই ডুপ্লিকেট পোস্টগুলো মুছে দেয়া উচিত। আর তারা তা না করলে ব্লগের মডারেটরই হস্তক্ষেপ করে অতিরিক্ত ও রিপিটেড পোস্টগুলো মুছে দিতে পারেন। এছাড়া একই লেখকের একাধিক নাম ব্যবহারকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ভালো হয়।
আপনার রেটিং: None
Syndicate content