'মোহভঙ্গ' -এর ব্লগ

ব্লগে রোবট ভিজিটরের সম্ভাবনা : ১ জন সদস্যের সাথে ৪৪ জন অতিথি

সাধারণত অত্র ব্লগে অনলাইনে ভিজিটরত সদস্য ও অতিথির অনুপাত ১:১০ হয়ে থাকে। কিন্তু এই মুহূর্তে ১ জন সদস্য ও ৪৪ জন অতিথি অনলাইনে রয়েছে বলে প্রদর্শিত হচ্ছে। এমনকি কিছুদিন আগে অনলাইনে ভিজিটরের সংখ্যা ৫০০ পর্যন্ত প্রদর্শিত হয়েছিল, যা বিসর্গের জনপ্রিয়তা অনুসারে বাস্তব নয়, আর অনলাইনে সদস্যসংখ্যাও সে অনুসারে খুব একটা বেশি দেখাচ্ছিল না। মাঝে মাঝে ব্লগটি ভিজিট করতে গিয়ে, লেখা পোস্ট করতে গিয়ে, বিশেষত লেখা এডিট করতে গিয়ে যে সমস্যা দেখা যায়, তার সাথে এ হাওয়াই ভিজিটরের কোন সম্পর্ক আছে কিনা, তা জানা নেই। তবে রোবটের মাধ্যমে সৃষ্ট কৃত্রিম অতিরিক্ত ভিজিটর অনেক সময় অনেক ওয়েবসাইটকে বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে অতীতে শুনেছি।
আপনার রেটিং: None

Symptom of Spamming - Attention Required

বিসর্গ ব্লগের নতুন সদস্যের তালিকায় যে দশটি নাম এ মুহুর্তে দেখতে পাচ্ছি, তার সবগুলোই ইংরেজি অক্ষরে হিজিবিজি নাম দেয়া। তাও আবার অ্যাকাউন্টগুলো তৈরি হয়েছে একই সময়ে, আজ থেকে ঠিক ৩ সপ্তাহ ৩ দিন আগে। একই ব্যক্তির ১০টি অ্যাকাউন্ট তৈরি, তাও আবার একই সাথে একই সময়ে, এটা অনাবশ্যক বলেই মনে হয়। মডারেটর চাইলে এগুলোর মধ্যে একটি রেখে বাকিগুলো মুছে দিতে পারেন।

আপনার রেটিং: None

Attn: Moderators - Spam Filter Required to Preserve this Blog Quality

একটা বিষয়ে সম্মানিত মডারেটরগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমাদের কোন কোন ব্লগার শুধু ঘন ঘন পোস্ট দিয়ে পেজ ভর্তিই করছেন না, বরং কোন কোন সময় একই পোস্ট পরপর তিনবার পোস্ট করছেন। এমনটি তারা ইন্টারনেট কানেকশনে সমস্যার দরুন ভুলবশত করছেন, নাকি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অতিরিক্ত আগ্রহ ও উৎসহের কারণে আবেগের উচ্ছ্বাসবশত: করছেন, তা আমরা জানি না। কিন্তু মাঝেমধ্যে ব্লগের পেজের দিকে তাকিয়ে দেখুন, দু'একজন লেখকের লেখা ছাড়া মূল পেজে আর কোন কিছুই পাওয়া যায় না। এতে ব্লগের গুণগত মান (quality) ও বৈচিত্র দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বলাবাহুল্য, পাঠকের চাহিদা, প্রয়োজন ও আগ্রহের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর জনগুরুত্বসম্পন্ন অধিক সংখ্যক ব্লগারের লেখাই একটি ব্লগকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারে। অপরদিকে একঘেয়ে content দেখতে দেখতে ব্লগের প্রতি পাঠকদের আগ্রহ কমে যেতে পারে।
আপনার রেটিং: None

মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ: একই লেখা পরপর তিনবার পোস্ট করা প্রসঙ্গে

আমাদের কোন কোন ব্লগার আছেন, যারা একই বিষয় নিয়ে ঘন ঘন লেখা পোস্ট করে ব্লগের প্রথম পেজটা ভর্তি করে ফেলেন। একই বিষয় বা একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার লিখলেও সেটা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু হুবহু একই লেখা যদি পরপর তিনবার পোস্ট করা হয়, সেটা অন্যান্য ব্লগারের জন্য এক বিঘ্নকারী উপাদানই (disturbing element) বটে। আমাদের ব্লগার ভাইয়েরা কি লেখা এডিট করতে জানেন না? অবশ্য যদি কখনো ব্লগ পোস্ট করবার সময়ে ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যার কারণে সেভ বাটনে বারবার চাপ দিতে গিয়ে একই লেখা একাধিকবার পোস্ট করে বসেন, তাহলে ভুল ধরা পড়বার সাথে সাথে ব্লগারগণের নিজ দায়িত্বেই ডুপ্লিকেট পোস্টগুলো মুছে দেয়া উচিত। আর তারা তা না করলে ব্লগের মডারেটরই হস্তক্ষেপ করে অতিরিক্ত ও রিপিটেড পোস্টগুলো মুছে দিতে পারেন। এছাড়া একই লেখকের একাধিক নাম ব্যবহারকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ভালো হয়।
আপনার রেটিং: None

আমাদের সমাজের ভিতর ঘাপটি মেরে থাকা কটকটিদেরকে চিনে রাখুন

রাক্ষসী রাণী কটকটি— জনপ্রিয় এক টিভি সিরিয়ালের প্রধান কুখ্যাত খল চরিত্রের নাম। বস্তুত: রাক্ষস বলে তো আর আলাদা কোন মাখলুকাত নেই; এখানে কটকটি হচ্ছে মূলত: মানুষরূপী শয়তানদেরই প্রতিভূ মাত্র। অশুভ শক্তির মূর্ত প্রতীক এই কটকটিরা সাধারণত সম্মুখ সমরে শুভ শক্তির সাথে পেরে ওঠে না। তাই এদের প্রধান হাতিয়ার হয়ে থাকে ছলনা, কূটকৌশল ও প্রাসাদ ষড়যন্ত্র। এই কটকটিদেরকে চিনে রাখার জন্য এদের কিছু প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য ও অভিন্ন কর্মকাণ্ড একনজর দেখে নেয়া যাক:-

১। স্বামীকে জোরপূর্বক বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া এবং তারপর শূন্যস্থান পূরণ ও বাক্য রচনা করা।
২। চোগলখুরী ও অন্যান্য কারসাজির মাধ্যমে পরিবারের ছোট-বড় সকলের মধ্যে বিভেদ ও মনোমালিন্য সৃষ্টি করা।
৩। ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের পরিবারের অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করা— পরিকল্পিতভাবে নিজের স্বামীকে দেউলিয়া বানানো।
৪। ইচ্ছাকৃত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে অসামাজিক কাজ প্রকাশ্যে সম্পাদন করা।
৫। নিজের ছেলের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়া— বেআইনীভাবে হোক বা আইনীভাবে হোক।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

লেখাপড়া কি জীবনের চেয়েও বড়?

সম্প্রতি এক শিক্ষিত নামধারী গণ্ডমূর্খ বেকুব মা তার সন্তানদের লেখাপড়ার পারফরমেন্স নিজের কাঙ্ক্ষিত মানের মনে না হওয়ায় হতাশ ও অতীষ্ঠ হয়ে গলাটিপে চিরতরে শেষ করে দিয়েছে দুটি ফুটফুটে বাচ্চাকেই। যা ঘটেছে, এটাকে কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে ভাবার সুযোগ নেই। বরং এটা আমাদের এক সামাজিক ব্যাধিরই বহি:প্রকাশ মাত্র। যেই এলার্জি বা চুলকানি রোগটা আর সবার ক্ষেত্রে চামড়ার নিচে থেকে গেছে এবং মাঝেমধ্যে উপর দিয়ে এক-আধটু চুলকাতে দেখা যাচ্ছে, সেই রোগটাই এই মহিলার ক্ষেত্রে চামড়ার বাইরে বিষফোড়া আকারে দৃশ্যমান হয়েছে। অর্থাৎ, সমাজের আর দশজন অভিভাবকের সাথে এই মহিলার পার্থক্য হল, তার ক্ষেত্রে ভিতরের এলার্জিটা বাইরে বেরিয়ে এসেছে, আর অন্যদেরটা এখনো চামড়ার তলে চাপা পড়ে আছে। অতএব, এই একজনের উসিলায় যেই রোগটা প্রকাশ পেয়েছে, সবার ভিতর থেকে সেই রোগটা সারানোর আশু পদক্ষেপ জরুরী।
ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

ব্লগ পোস্টে সমস্যা

দু'দিন ধরে ব্লগ পোস্ট করতে সমস্যা হচ্ছে- সার্ভার এরর ৫০০ বা এ জাতীয় অন্যান্য এরর দেখাচ্ছে। এটা কি সকলেরই হচ্ছে, নাকি শুধু ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বল থাকার কারণে হচ্ছে? বিশেষ করে পুরাতন পোস্ট এডিট করতে গেলেই এ সমস্যাটি দেখা যাচ্ছে। যেকোন পোস্টের এডিট অপশনে প্রবেশ করা যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সেভ করার সময় সমস্যা করছে।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

প্রতারক চেনার উপায়

মানুষ প্রতারণা করে থাকে সাধারণত কোন স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কিংবা কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে। স্বার্থ বলতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বার্থ, মান-মর্যাদা ও প্রতিপত্তি লাভের স্বার্থ কিংবা ক্ষমতা লাভের স্বার্থ। আর কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্য বা প্রতিহিংসাটা ব্যক্তিগত স্বার্থহানির জন্যও হতে পারে; আবার ধর্মীয়, জাতিগত বা রাজনৈতিক কারণেও হতে পারে। তবে যে উদ্দেশ্যেই হোক না কেন, প্রতারকদের কিছু কমন আচরণগত আলামত ও বৈশিষ্ট্য থাকে; যা চেনা থাকলে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আর্থিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় যেকোন পর্যায়েই প্রতারণা থেকে বেঁচে থাকা যাবে। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অর্থ হারানো থেকেও বাঁচা যাবে, দ্বীন হারানো থেকেও বাঁচা যাবে, কারো প্ররোচনায় কোন নিরপরাধ আপনজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে পরে অনুতপ্ত হওয়ার আশংকা থেকেও নিরাপদ থাকা যাবে এবং সর্বোপরি নিজের ও পরিবারের শরীর ও জীবনের ক্ষতিও এড়ানো যাবে।
(১) বেশি কথা বলা
(২) নিজের সততা ও সত্যবাদিতা জাহির করা
(৩) বেশি বেশি শপথ করা
(৪) অস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থবোধক কথাবার্তা
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ: এক লেখকের একাধিক লেখা মূল পৃষ্ঠায় থাকা প্রসঙ্গে

আমাদের এ ব্লগে অনেক ব্লগার আছেন, যারা একই সাথে দুই বা ততোধিক লেখা পোস্ট করে থাকেন। আবার কেউ কেউ অনেক লম্বা কবিতা পোস্ট করে পেজের বিরাট অংশ দখল করে থাকেন। অনেকের আবার ইনপুট ফরমেট নির্বাচনে অসতর্কতার জন্য গদ্য লেখাও পদ্যের মত লম্বালম্বিভাবে প্রকাশিত হয়। এসব কারণে অন্যান্য ব্লগারের লেখাগুলো দ্রুত নিচে পড়ে যায় এবং এক পর্যায়ে ভিতরের পৃষ্ঠার দিকে অস্তমিত হয়ে যায়। বিশেষত মাঝে মাঝে দু'একজন ব্লগারের পোস্টের আধিক্য দেখে মনে হয়, ব্লগটি যেন কারো ব্যক্তিগত পেজে পরিণত হয়েছে। বিষয়টির প্রতি ব্লগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। একই লেখকের একাধিক লেখা মূল পেজে থাকা কেবল তখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদি দীর্ঘ সময়ে অন্যান্য লেখকের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পোস্ট না পড়ে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য পেজে পর্যাপ্ত স্থান পাওয়া যায়। অথবা, একাধিক লেখা পোস্ট করার সুযোগ বর্তমান রেখেও যাদের লেখা নিচে পড়ে গেল তাদের লেখা একটি নির্দিষ্ট সময়কাল অতিক্রম হবার পর মূল পেজে রিপোস্ট করবার option রাখা যেতে পারে। এছাড়া নির্দিষ্ট সময়ের বিরতির শর্তসাপেক্ষে একজনকে একাধিক পোস্ট মূল পেজে পোস্ট করার সুযোগ দেয়া যেতে পারে; যেমন-
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

সবচেয়ে বহুল প্রচলিত চারটি বেদআত

মুসলিম সমাজে বেদআত বলে প্রচলিত যেসব জিনিস আছে; যথা- মাজার পুজা, আগুন পুজা ইত্যাদি, সেগুলো আমার এ প্রবন্ধের আলোচ্য বিষয় নয়। কারণ, সেগুলো ইতিমধ্যে (already) সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগণ ও মূলধারার ওলামায়ে কেরাম দ্বারা প্রত্যাখ্যাত এবং বিদআত বলে চিহ্নিত ও সাব্যস্ত। ওসব বেদআতের অনুসারীরা মুসলিম সমাজে এখনো সংখ্যালঘু হিসেবেই পড়ে আছে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনজীবনে কোন গুরুতর (major) হুমকি সৃষ্টি করতে পারেনি। কিন্তু এখানে আমি সেই সব বিদআতের কথা উল্লেখ করতে চাই, যেগুলোকে কেউ বিদআত বলে ধরতেই পারেননি এবং যেগুলো জনগণের মাঝে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত ও সমাদৃত অবস্থায় আছে।
আমার মতে, মুসলমানদের মাঝে সবচাইতে প্রতিষ্ঠিত ও সর্বাধিক প্রচলিত বেদআতগুলো হলো:-
(১) মাযহাব
(২) গণতন্ত্র
(৩) বোরখা
(৪) লেখাপড়া

ঘাবড়ে যাবেন না বা আঁতকে উঠবেন না। বেদআতের সংজ্ঞা এবং তার আলোকে আমাদের সমাজব্যবস্থা, আচরণ ও কীর্তিকলাপ পর্যালোচনা করলেই দেখতে পারবেন, আমার এ পর্যবেক্ষণ ঠিক আছে কিনা। নিচে এর বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেখুন:-

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)
Syndicate content