'মোহভঙ্গ' -এর ব্লগ

হজ্জে দুর্ঘটনার জন্য কি ধর্মের বিধান দায়ী?

একশ্রেণির মানুষ সমাজের যেকোন ফেতনা ও অপকর্মের জন্যই ধর্মকে দোষ দেয়। এমনকি কোন ধর্মীয় কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটলেও সেজন্য ধর্মকে দায়ী করে বসে। তারা এমন ভাব দেখায়, দেখ এটা কতবড় মানবতাবিরোধী ধর্ম, এত মানুষকে এক জায়গায় জড়ো করে পায়ের তলে পিষে মরতে প্ররোচিত করে!
আপনার রেটিং: None

সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা ও উম্মতের বিভক্তি

নবীর (সা:) সাহাবীগণের মর্যাদা নিয়ে নবীর উম্মতেরা দু' দলে ভাগ হয়ে গেছে। একটি দল খোলাফায়ে রাশেদীনের মধ্যে প্রথম তিনজনকে অভিশপ্ত মনে করে প্রত্যাখ্যান করে ও শেষের জনকে খোদার আসনে বসিয়ে পূজা করে; আরেকটি দল নবীর সাক্ষাত লাভকারী ও মুসলিম পরিচয় দানকারী সকলকেই সাহাবী হিসেবে গণ্য করে এবং যাদের দ্বারা ইসলামের উপকারের চাইতে দৃশ্যত: ক্ষতিই বেশি হয়েছে এমন বিতর্কিত ব্যক্তি মুয়াবিয়া ও আমর ইবনে আস প্রমুখকেও সমালোচনার ঊর্ধ্বে মনে করে, আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ এমনকি ইয়াজিদকেও ধার্মিক ও পরহেজগার সোনার ছেলে হিসেবে গণ্য করে। কোরআন-হাদীসের আলোকে এ বিষয়টার মীমাংসা করা কিংবা মীমাংসা করতে না পারলেও পারতপক্ষে মীমাংসার পথে কিছু চিন্তার খোরাক বের করা এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

জালেম হতে চাই

মজলুম হতে চাই না আমি
জালেম হতে চাই-
জালেম ছাড়া এই জগতে
নাই যে কারো ঠাঁই;
এই দুনিয়ায় মজলুমের
কোন বন্ধু নাই।

জালেমের ঐ লাথি-গুতা
সবই যেন আশীর্বাদ;
মজলুমের তা চোখ তুলে
চেয়ে দেখাও অপরাধ।

হোক না যত গালিগালাজ,
চিল্লাচিল্লি তিরস্কার-
উৎপীড়কের সবকিছুই
করতে হবে নমস্কার।

ব্যথিতের ঐ ক্রন্দন
আর একটু আর্তচিৎকার;
এই ধরাতে কুড়ায় কেবল
লাঞ্ছনা আর ধিক্কার।

জালেমের ঐ আস্ফালন
আর ছলচাতুরী হুঙ্কার-
আদায় করে সব মানুষের
সালাম আদাব নমস্কার।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

শক্তি দিয়ে কি যুক্তিকে দমন করা যায়?

ইসলামবিরোধী ব্লগাররা সবাই যে জেনেশুনে অসৎ উদ্দেশ্যে ইসলাম ও মুসলমানদের সাথে শত্রুতা করছে, তা কিন্তু নয়। মতলববাজ হওয়া বা অসৎ উদ্দেশ্য থাকার জন্য দুটি আলামতের মধ্যে কমপক্ষে যেকোন একটি থাকতে হয়। এর একটি হল মুনাফেকী বা দ্বিমুখী নীতি তথা একেক জায়গায় একেক রকম ভূমিকা বা আচরণ থাকা। অপরটি হল কথা ও কাজে অশ্লীলতা ও নোংরামি থাকা এবং বেয়াদবির চরম সীমা অতিক্রম করা। কিন্তু ব্লগারদের মধ্যে মুনাফেকীর দোষটা খুব কমই দেখা যায়। আর বেয়াদবি জিনিসটা কারো কারো মধ্যে দেখা গেলেও সবাই তো এমন নয়। অশালীনতা আর যুক্তিবাদিতা দুটোকে এক পাল্লায় মেপে সবাইকে একরকম শত্রুজ্ঞান করাটা সমীচীন বলে মনে হচ্ছে না।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

শিশু নির্যাতন করা কি পিতামাতার অধিকার?

অনেক স্বেচ্ছাচারী পিতামাতা আছেন যারা দাবি করেন, যেহেতু তারা জন্ম দিয়েছেন, সেহেতু তারা সন্তানের উপর যাচ্ছে তাই করার অধিকার রাখেন। তাদের মতে, কেউ যদি নিজের সন্তানকে 'শাসন' (মূলত নির্যাতন) করে, তাহলে অন্য কারো সেখানে নাক গলানোর এখতিয়ার নেই। এমনকি নির্যাতিত শিশুটিরও অধিকার নেই কোনরূপ ক্রন্দন বা 'উহ' শব্দটি করার। তাদের দাবি, পিতামাতার খামখেয়ালীপনা বা স্বেচ্ছাচারিতা মেনে নিতে না পারলে বাচ্চাকে আল্লাহ গুনাহ দিবে।
আপনার রেটিং: None

"পুণ্য অর্জন অপেক্ষা পাপ বর্জন করা মহত্তর"

শিরোনামের উদ্ধৃতিটি একজন মহান সাহাবীর। হয়তো অধিকাংশ পাঠকই বলতে পারবেন। যারা জানেন না, তাদের জন্য বলে দিচ্ছি, উক্তিটি হযরত আলী (রা:)-এর। নবী করীম (সা:)-এর এক হাদীসেও বলা হয়েছে, "কোন বান্দা যদি আল্লাহর সাথে শিরক না করে আসতে পারে, তাহলে সে আল্লাহর হক আদায় করতে পেরেছে বলে ধরা হবে; আর কোন বান্দা যদি কোন মানুষের ক্ষতি না করে আসতে পারে, তাহলে সে বান্দার হক আদায় করে এসেছে বলে গণ্য হবে।" অতএব বোঝা গেল, পাপ ও অন্যায় কাজ থেকে বেঁচে থাকাটাই হল সবচে বেশি জরুরী ও প্রথম কর্তব্য।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

Formatting Problem in Blog Post - Please Help (Solved)

এই ব্লগে যখন আমি লেখার কোন অংশ বোল্ড বা জাস্টিফাই করতে চাই, সম্পাদনা মুডে তা ঠিকই show করে, কিন্তু ব্লগে show করে না। এছাড়া আমার কোন লেখার অতি সামান্য অংশই মূল পেজে প্রদর্শিত হয়। কিন্তু আপনাদের অনেকের অনেক লেখার বেশ কয়েক লাইন মূল পেজে দেখা যায়। মূল ব্লগে অক্ষরের ফরমেটিং সহ show করা এবং মূল পেজে তুলনামূলক বেশি অংশ প্রদর্শন করার উপায় কেউ জানেন কি?

আপনার রেটিং: None

নাস্তিকতা প্রচারের ত্রিমুখী হাতিয়ার

ইবলীস দুনিয়াতে আসার সময় আল্লাহ তাআলাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল, "আমি তোমার বান্দাদের সামনে, পিছনে, ডানে, বামে, উপর, নিচ সব দিক থেকে হানা দেব। আমার এ চতুর্মুখী তৎপরতার সামনে তোমার খুব কম বান্দাই টিকতে পারবে।" শয়তান তার ওয়াদা রেখেছে। আল্লাহর বান্দাদের আল্লাহর দ্বীন থেকে সরিয়ে দেবার জন্য, বিপথগামী করবার জন্য বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রকম কৌশল প্রয়োগ করে আসছে শয়তান ও তার দোসররা। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের এই ছোট্ট বাংলাদেশের বর্তমান নবীন প্রজন্মকে বিপথগামী করবার জন্য নাস্তিকেরা প্রধানত: তিনটি কৌশল প্রয়োগ করছে:- মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান ও যৌবনের উন্মাদনা। প্রথমটির উদ্দেশ্য ইসলামকে বর্বরতার ধর্ম হিসেবে প্রমাণ করা, দ্বিতীয়টির উদ্দেশ্য ইসলামকে মিথ্যা বা অবাস্তব প্রমাণ করা, আর তৃতীয়টির উদ্দেশ্য ইসলামকে আপদ হিসেবে দাঁড় করানো।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

বিভ্রান্ত দল চেনার উপায়

ভূমিকা: বর্তমানে মুসলমানদের মাঝে আছে যেমন কয়েক ডজন ধর্মীয় ফেরকা-মাযহাব, তেমনি আছে নানা নামের নানান সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন, পীরের দরবার ও খানকা, সিলসিলা, আরো আছে নানান কিসিমের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সামরিক ও জঙ্গি সংগঠন। এদের মধ্যে কারা সত্যিকার ইসলামের অনুসরণ করছে, আর কারা দিকহারা হয়ে ইসলামের নামে অন্য কিছুর অনুসরণ করছে, তা বোঝার জন্য কিছু লক্ষণ বা আলামত জেনে রাখা ভাল। তবে প্রথমেই বলে নিচ্ছি, বিভ্রান্ত পথহারা দল চেনার উদ্দেশ্য তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা নয়, এমনটি করলে বরং ফেতনার আগুনেই ঘি ঢালা হবে এবং ইসলামের শত্রুদেরই নয়ন জুড়াবে। বিভ্রান্তদের চেনার উপায় জানার একমাত্র উদ্দেশ্য হল নিজেরা ঐ সমস্ত দলের সংসর্গ থেকে নিরাপদ থাকা- কোন দলের তরফ থেকে দাওয়াত পেলে যাতে এক নজর যাচাই করে নেয়া যায় সেটাই আমার এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য। কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দলের নাম ধরে গীবত না করে শুধু বিভ্রান্ত দল চেনার কতিপয় আলামত চিনিয়ে দেবার চেষ্টা করা হবে এ নিবন্ধে।
বিভ্রান্ত দলসমূহের অভিন্ন (common) ও উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:-
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

ভোট কাকে দেব?

নীতিগতভাবে আমি দুটো জিনিসকে সবচেয়ে অপছন্দ করি- চাটুকারিতা আর অন্ধ আনুগত্য। কোন রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতা-কর্মীর পক্ষে এ দুটো স্বভাব থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব নয়। নেতা বা নেত্রী যেটাকে ন্যায় বলবেন সেটাই ন্যায় এবং যেটাকে অন্যায় বলবেন সেটাকেই অন্যায় হিসেবে গণ্য করেন তারা। তাই এর বিপরীতে তৃতীয় কোন প্রার্থীকে যদি পাওয়া যায় যিনি স্বাধীন চিন্তার অধিকারী এবং নিরপেক্ষভাবে খোলা মন নিয়ে সকলের ভাল-মন্দ ন্যায়-অন্যায় আলোচনা করেন, সকলের দোষ-ত্রুটির সমালোচনা করেন; ন্যায়কে ন্যায় এবং অন্যায়কে অন্যায় বলার মুরোদ রাখেন; তাহলে তাঁকে ভোট দেয়াটাই সমীচীন মনে করছি। আমরা চাই এমন একজন নগরপিতা, যার দু'চোখ আর দু'কানই খোলা থাকবে। যিনি পুড়ে মরেছেন তার স্বজনও তাঁর কাছে গিয়ে দু:খের কথা জানাতে পারবেন, আবার যিনি গুম হয়েছেন তার পরিজনও তাঁর কাছে গিয়ে কষ্টের কথা বলতে পারবেন। তাঁর কাছে কোন প্রতিকার না হোক, সান্ত্বনা তো মিলবে। আর যাই হোক, অন্তত এমন কোন ভাব তো দেখতে হবে না যে- "তুমি আমার নেত্রীর হাতে মরেছ, অতএব তোমার জীবনের কোন মূল্যই আমার কাছে নেই।" হতভাগা জনগণের জন্য এটাই বা কম কিসে!

আপনার রেটিং: None
Syndicate content