'মোহভঙ্গ' -এর ব্লগ

শিশু নির্যাতন করা কি পিতামাতার অধিকার?

অনেক স্বেচ্ছাচারী পিতামাতা আছেন যারা দাবি করেন, যেহেতু তারা জন্ম দিয়েছেন, সেহেতু তারা সন্তানের উপর যাচ্ছে তাই করার অধিকার রাখেন। তাদের মতে, কেউ যদি নিজের সন্তানকে 'শাসন' (মূলত নির্যাতন) করে, তাহলে অন্য কারো সেখানে নাক গলানোর এখতিয়ার নেই। এমনকি নির্যাতিত শিশুটিরও অধিকার নেই কোনরূপ ক্রন্দন বা 'উহ' শব্দটি করার। তাদের দাবি, পিতামাতার খামখেয়ালীপনা বা স্বেচ্ছাচারিতা মেনে নিতে না পারলে বাচ্চাকে আল্লাহ গুনাহ দিবে।
আপনার রেটিং: None

"পুণ্য অর্জন অপেক্ষা পাপ বর্জন করা মহত্তর"

শিরোনামের উদ্ধৃতিটি একজন মহান সাহাবীর। হয়তো অধিকাংশ পাঠকই বলতে পারবেন। যারা জানেন না, তাদের জন্য বলে দিচ্ছি, উক্তিটি হযরত আলী (রা:)-এর। নবী করীম (সা:)-এর এক হাদীসেও বলা হয়েছে, "কোন বান্দা যদি আল্লাহর সাথে শিরক না করে আসতে পারে, তাহলে সে আল্লাহর হক আদায় করতে পেরেছে বলে ধরা হবে; আর কোন বান্দা যদি কোন মানুষের ক্ষতি না করে আসতে পারে, তাহলে সে বান্দার হক আদায় করে এসেছে বলে গণ্য হবে।" অতএব বোঝা গেল, পাপ ও অন্যায় কাজ থেকে বেঁচে থাকাটাই হল সবচে বেশি জরুরী ও প্রথম কর্তব্য।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

Formatting Problem in Blog Post - Please Help (Solved)

এই ব্লগে যখন আমি লেখার কোন অংশ বোল্ড বা জাস্টিফাই করতে চাই, সম্পাদনা মুডে তা ঠিকই show করে, কিন্তু ব্লগে show করে না। এছাড়া আমার কোন লেখার অতি সামান্য অংশই মূল পেজে প্রদর্শিত হয়। কিন্তু আপনাদের অনেকের অনেক লেখার বেশ কয়েক লাইন মূল পেজে দেখা যায়। মূল ব্লগে অক্ষরের ফরমেটিং সহ show করা এবং মূল পেজে তুলনামূলক বেশি অংশ প্রদর্শন করার উপায় কেউ জানেন কি?

আপনার রেটিং: None

নাস্তিকতা প্রচারের ত্রিমুখী হাতিয়ার

ইবলীস দুনিয়াতে আসার সময় আল্লাহ তাআলাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল, "আমি তোমার বান্দাদের সামনে, পিছনে, ডানে, বামে, উপর, নিচ সব দিক থেকে হানা দেব। আমার এ চতুর্মুখী তৎপরতার সামনে তোমার খুব কম বান্দাই টিকতে পারবে।" শয়তান তার ওয়াদা রেখেছে। আল্লাহর বান্দাদের আল্লাহর দ্বীন থেকে সরিয়ে দেবার জন্য, বিপথগামী করবার জন্য বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রকম কৌশল প্রয়োগ করে আসছে শয়তান ও তার দোসররা। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের এই ছোট্ট বাংলাদেশের বর্তমান নবীন প্রজন্মকে বিপথগামী করবার জন্য নাস্তিকেরা প্রধানত: তিনটি কৌশল প্রয়োগ করছে:- মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান ও যৌবনের উন্মাদনা। প্রথমটির উদ্দেশ্য ইসলামকে বর্বরতার ধর্ম হিসেবে প্রমাণ করা, দ্বিতীয়টির উদ্দেশ্য ইসলামকে মিথ্যা বা অবাস্তব প্রমাণ করা, আর তৃতীয়টির উদ্দেশ্য ইসলামকে আপদ হিসেবে দাঁড় করানো।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

বিভ্রান্ত দল চেনার উপায়

ভূমিকা: বর্তমানে মুসলমানদের মাঝে আছে যেমন কয়েক ডজন ধর্মীয় ফেরকা-মাযহাব, তেমনি আছে নানা নামের নানান সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন, পীরের দরবার ও খানকা, সিলসিলা, আরো আছে নানান কিসিমের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সামরিক ও জঙ্গি সংগঠন। এদের মধ্যে কারা সত্যিকার ইসলামের অনুসরণ করছে, আর কারা দিকহারা হয়ে ইসলামের নামে অন্য কিছুর অনুসরণ করছে, তা বোঝার জন্য কিছু লক্ষণ বা আলামত জেনে রাখা ভাল। তবে প্রথমেই বলে নিচ্ছি, বিভ্রান্ত পথহারা দল চেনার উদ্দেশ্য তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা নয়, এমনটি করলে বরং ফেতনার আগুনেই ঘি ঢালা হবে এবং ইসলামের শত্রুদেরই নয়ন জুড়াবে। বিভ্রান্তদের চেনার উপায় জানার একমাত্র উদ্দেশ্য হল নিজেরা ঐ সমস্ত দলের সংসর্গ থেকে নিরাপদ থাকা- কোন দলের তরফ থেকে দাওয়াত পেলে যাতে এক নজর যাচাই করে নেয়া যায় সেটাই আমার এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য। কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দলের নাম ধরে গীবত না করে শুধু বিভ্রান্ত দল চেনার কতিপয় আলামত চিনিয়ে দেবার চেষ্টা করা হবে এ নিবন্ধে।
বিভ্রান্ত দলসমূহের অভিন্ন (common) ও উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:-
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

ভোট কাকে দেব?

নীতিগতভাবে আমি দুটো জিনিসকে সবচেয়ে অপছন্দ করি- চাটুকারিতা আর অন্ধ আনুগত্য। কোন রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতা-কর্মীর পক্ষে এ দুটো স্বভাব থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব নয়। নেতা বা নেত্রী যেটাকে ন্যায় বলবেন সেটাই ন্যায় এবং যেটাকে অন্যায় বলবেন সেটাকেই অন্যায় হিসেবে গণ্য করেন তারা। তাই এর বিপরীতে তৃতীয় কোন প্রার্থীকে যদি পাওয়া যায় যিনি স্বাধীন চিন্তার অধিকারী এবং নিরপেক্ষভাবে খোলা মন নিয়ে সকলের ভাল-মন্দ ন্যায়-অন্যায় আলোচনা করেন, সকলের দোষ-ত্রুটির সমালোচনা করেন; ন্যায়কে ন্যায় এবং অন্যায়কে অন্যায় বলার মুরোদ রাখেন; তাহলে তাঁকে ভোট দেয়াটাই সমীচীন মনে করছি। আমরা চাই এমন একজন নগরপিতা, যার দু'চোখ আর দু'কানই খোলা থাকবে। যিনি পুড়ে মরেছেন তার স্বজনও তাঁর কাছে গিয়ে দু:খের কথা জানাতে পারবেন, আবার যিনি গুম হয়েছেন তার পরিজনও তাঁর কাছে গিয়ে কষ্টের কথা বলতে পারবেন। তাঁর কাছে কোন প্রতিকার না হোক, সান্ত্বনা তো মিলবে। আর যাই হোক, অন্তত এমন কোন ভাব তো দেখতে হবে না যে- "তুমি আমার নেত্রীর হাতে মরেছ, অতএব তোমার জীবনের কোন মূল্যই আমার কাছে নেই।" হতভাগা জনগণের জন্য এটাই বা কম কিসে!

আপনার রেটিং: None

রাজনীতিবিদরা আল্লাহর এক বিচিত্র সৃষ্টি!

রাজনীতিবিদরা আল্লাহতাআলার এক বড় বিচিত্র ও অদ্ভুত সৃষ্টি। এরা ঠাণ্ডা মাথায় হুকুম দিয়ে নৃশংসভাবে নিয়মিত মানুষ হত্যা করাতে পারে। এদের চোখের সামনে প্রতিদিন ডজন ডজন মানুষ জীবন্ত পুড়ে মরলেও এদের মাঝে কোনরূপ বিকার বা ভাবান্তর লক্ষ্য করা যায় না। তখন এনাদের হাবভাব দেখলে মনে হয়, যেন কিছুই হয়নি। যেগুলো পুড়ছে ওগুলো যেন আদৌ কোন প্রাণীই নয়, বরং ঝরে পড়া শুকনো পাতা। অথচ এরাই আবার যখন কোন দুর্ঘটনা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের প্রাণহানি ঘটে, তখন ঠিকই শোক প্রকাশে ও সহানুভূতি প্রদর্শনে কার্পণ্য করে না। প্রয়োজনে দুর্গত এলাকায় ছুটে গিয়ে দু:খী মানুষের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে মানবদরদী বনে যায়। দুর্ঘটনার পিছনে কারো দায়িত্বহীনতা বা অবহেলা ছিল কিনা সেটা নিয়েও তদন্ত শুরু করে দেয়। সুবহানাল্লাহ! সত্যিই মাবুদ, তোমার সৃষ্টি কতই বিচিত্র ও বিস্ময়কর! فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

আপনার রেটিং: None

গণতন্ত্র বনাম ইসলাম [সবার জানা একটা ঐতিহাসিক ঘটনার আলোকে]

গণতন্ত্র আর ইসলামের পার্থক্য বোঝার জন্য একটা ছোট্ট উদাহরণই যথেষ্ট। আমরা সবাই জানি, ইবলীস আদমকে সেজদা করেনি। আল্লাহর একটি হুকুমকে অস্বীকার ও দম্ভভরে প্রত্যাখ্যান করায় সে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হয়। কিন্তু কেউ ভেবে দেখেছি কি, গণতন্ত্রের দৃষ্টিতে এ ঘটনাটা কিরূপ? গণতন্ত্রের প্রচলিত ধারণা এ পর্যন্ত যতটুকু জেনেছি, তাতে কে কাকে সেজদা করল বা না করল, এটা কোন অপরাধ হবার কথা নয়। সেজদা করতে বললেই কি করতে হবে নাকি? তার সেজদা করতে মন চাইলে করবে, না চাইলে না করবে, কিংবা যাকে যখন ইচ্ছা সেজদা করবে, এ তো তার ব্যক্তি স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে সৃষ্টির পক্ষে জেনেশুনে স্রষ্টার হুকুম অমান্য করাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ। আর আল্লাহর সামনে নিজের অবাধ্যতার পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করাটা ক্ষমাহীন ধৃষ্টতা।

আপনার রেটিং: None

ইসলামের দৃষ্টিতে সহিংসতা ও নিষ্ঠুরতা

বাংলাদেশে চলমান সহিংস রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পক্ষে যে একমাত্র যুক্তিটি দেখানো হয় তাহল:- অহিংস পদ্ধতিতে উদ্দেশ্য হাসিল করতে না পারলে বা এতে বাধাপ্রাপ্ত হলে সহিংস পন্থা অবলম্বনের প্রয়োজন হয়। কথাটা সত্য। কিন্তু এর জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে:-

(১) উদ্দেশ্যটা সৎ হতে হবে
(২) (উদ্দেশ্য সাধনে) অহিংস পদক্ষেপটা আল্লাহর নির্দেশিত পন্থায় হতে হবে
(৩) (অহিংস পন্থা ব্যর্থ হলে বা অসম্ভব মনে হলে) কোন কারণে কোনপ্রকার সহিংস পদক্ষেপ নিতে হলেও সেটা আল্লাহর অনুমোদিত পদ্ধতিতেই হতে হবে

অর্থাৎ, অহিংস বা সহিংস যে পদ্ধতিই গ্রহণ করেন, শান্তি বা যুদ্ধ যাই করেন; আল্লাহর পথে থেকেই করতে হবে, আল্লাহর নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে কিছুই করা যাবে না। কোনরূপ ছলচাতুরী বা চালাকি করে নিজেদের খেয়ালখুশীটা আল্লাহর উপর চাপিয়ে দেয়া যাবে না।

এবার বাংলাদেশে যা হচ্ছে তা কতটা ইসলামসম্মত, সেটা যাচাই করার জন্য উপরোল্লিখিত পয়েন্টগুলো একটু খোলাসা করে ভাঙ্গিয়ে বলা যাক।
আপনার রেটিং: None
Syndicate content