'মেহরাব' -এর ব্লগ

অচেনা

গ্রামের বড় গাছের নিচে দাঁড়িয়ে হাসফাস করছেন বৃদ্ধ মানুষটি। গাছের নিচেই টিউবওয়েল থেকে পানি পান করে হাটা দিলেন আবার।

কিছুদূর গিয়েই দেখা হল একজনের সাথে। নাম তার তারাপদ খা।তারা'র কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,"বাবা, করিম মুন্সি র বাড়ি কই কইতে পারেন।" বৃদ্ধের সোম্য চেহারায় তাকিয়ে উত্তর দিলেন এই নামে কাওরেই চিনে না সে। হতাশ হয়ে বৃদ্ধ আরো এগিয়ে গেলেন। দেখা হল জামাল বাহাদুরের সাথে। জামাল বাহাদুরের ও একই কথা সে জানে না।

গ্রামের সব কিছুই কেমন যেন অচেনা। রাস্তা ঘাট,মানুষ, বাড়ি সব।আগে ত এতকিছু ছিল না। দূরে আবার একটা দালান। স্কুল ঘর অইটা। এত পরিবর্তন কিভাবে হল তা বৃদ্ধের মাথায় ঢুকছে না। মাথা নাড়তে নাড়তে এগিয়ে গেলেন করিম মুন্সির খোজে।

আপনার রেটিং: None

যুদ্ধ

প্রতিবছর গড়ে ৮ লক্ষ লোক সুইসাইড করে। এটি গোটা পৃথিবীতে যেসব কারণে মানুষের মৃত্যু হয় তার মধ্যে উপরের দিক থেকে ১৭তম কারণ।
এইডসে প্রতিবছর যত লোক মারা যায় তার চাইতে ৩ গুণ বেশী মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগে সুইসাইড করে।
প্রতি চল্লিশ সেকেন্ডে কেউ না কেউ দুনিয়ার কোন এক প্রান্তে সুইসাইড এটেম্পট করে জীবন থেকে পালাতে। ইউরোপে এক সময় সুইসাইড কে ফৌজদারী অপরাধ হিসেবে দেখা হতো। যদিও এখন তা আর হয়না।
নিম্বোক্ত কারণে সুইসাইড মানুষ বেশী করে। এ কারণগুলোকে আপনি সুইসাইড এটেম্পট করতে যাওয়া মানুষের সিম্পটম হিসেবেও দেখতে পারেন।
১. তারা ডিপ্রেসড: মোস্ট কমন রিজন অফ সুইসাইড। ডিপ্রেসড যে কোন কারণে হতে পারে।
১. স্টাডি ব্যার্থতা
২ . বেকারত্ব
৩. আর্থিক সমস্যা
৪. পারিবারিক কলহ
৫. একাকি কৈশোরকাল
৬. বন্ধুবিহীন জীবন।
৭. ভালোবাসায় প্রতারিত।

আপনার রেটিং: None

অসামাজিক

ভোর পাচটা...

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

নীরবতা'র গল্প

ক্লাসে যখন আসত তখন একটি মুখ এক নজর দেখার জন্য চারদিকে তাকাত।প্রিয় মুখ টি দেখা মাত্রই ছেলেটি'র মুখ আনন্দে ভরে উঠত।
মেয়েটি জানে কি না যে একটি ছেলে তার দিকে চেয়ে থাকে। শুধু তাকেই দেখার জন্য??
হয়ত না...কিংবা হ্যা!!!

মেয়েটি কে এভাবেই খুব ভালবাসে। বন্ধু বান্ধবী রা ঠাট্টা মশকরা করে এই নিয়ে।তাতে ছেলেটি'র কিছু যায় আসে না।
কারন সে মেয়েটিকে খুব ভালবাসে। মিস করে।

মেয়েটি হয়ত ছেলেটি কে মিস করে না।
কেননা সে অন্য এক জনের!!!

ভালবাসার যথাযথ মর্যাদা পায় নি ছেলেটা।
কাঁদিয়েছে অনেকে তাকে।
মিথ্যা আঃশ্বাস দিয়েছে। ভালবাসে নি।

হয়ত কেউ ছেলেটি'র প্রতি অনুরক্ত নয়।কেউ তার মনের জানালায় উকি দিয়ে দেখেনি।কেউ চায় নি অকে বুঝতে বা বোঝার চেস্টা ও করে নি।

বসন্ত আসে আর যায় কিন্তু ছেলেটি'র না বলা অব্যক্ত ভালবাসা মনের গহীনেই লুক্কায়িত থাকে।

মেয়েটিকে এখনো ভালবাসে।মেয়টি জানতেও পারল না..
কত আবেগ,কত প্রেম আর কত ভালবাসা নিয়ে তার জন্য দাড়িয়ে ছিল কেউ। যা পূরো দুনিয়া তেও সে এত টা ভালবাসা খুজে পাবে না।

ভাল থাক সেই গল্প আর সেই ভালবাসা। আর মর্যাদা পাক অব্যক্তসেই ভাল বাসা।।।।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

University admission 2016-17

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
...................... ........ ....... ....... ........
বাংলাদেশের ১৩তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। গাজিপুরের সালনায় অবস্থিত মনোরম পরিবেশ আর দেশের একমাত্র সম্পূর্ণ সেশনজট আর রাজনীতিমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮৭ একরের এই প্রতিস্ঠানে চারটি অনুষদ এ মোট ৩১০জন শিক্ষার্থী অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য সিলেক্টেড হন।
পরিক্ষা :এমসিকিউ
মার্ক্স :১০০
সময় :১ ঘন্টা
আসন : কৃষি অনুষদ ১১০
কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদ ৮০
ফিশারিজ অনুষদ ৬০
ভেটেরিনারি মেডিসিন ও পশুপালন বিদ্যা অনুষদ ৬০
(বিঃদ্রঃ আসন এবার বেড়ে ৫০০ হতে পারে।গতবারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী)
.
জিপিএ :নূন্যতম আবেদন এর জনু এসএসসি ও এইচএসসি
মিলিয়ে ৯ পয়েন্ট লাগে।
মানবন্ঠন : ফিজিক্স ১৫, ম্যাথ ১৫, কেমেস্ট্রি ২৫,বায়োলজি ২৫,ইংলিশ ১০,GK ১০
এ বছর পরিক্ষা : ৮ নভেম্বর
.......

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

SAVE SUNDARBANS..

যখন স্কুলে পড়তাম তখন পরিবেশ পরিচিতি বিজ্ঞান নামে একটা বিষয় পড়ানো হত।অইটার বেশিরভাগ জুড়েই ছিল পরিবেশ দূষণ আর কিভাবে তা রোধ করা যায়।ছোটবেলায় শেখানো হয়েছে পরিবেশ বাচান, গাছ আমাদের পরম বন্ধু ইত্যাদি ইত্যাদি।।
............
কিন্তু বাংলাদেশ এর সরকার সুন্দরবনে(রামপাল এ।যা সুন্দরবনের মাত্র ৪ কিমি র ও কম দূরুত্বে) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান করছে।কয়লা পুড়িয়ে,বেশি বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড,সাল্ফার ডাই অক্সাইড সহ ক্ষতিকর গ্যাস তৈরি করবে আর তার মারাত্তক প্রভাব পড়বে সুন্দরবনের পরিবেশ আর জীব বৈচিত্র্য এর উপর। ফলাফল হবে এপারের সব প্রাণি ওপাড়ে চলে যাবে।গাছ পালা মরে যাবে।যাক তাতে কি!!???তাতে ওই এলাকার অনেক মানুষের জীবিকানির্বাহের আর কোন উপায় থাকবে না।অনেকে মারা যাবে।দেশে এমনিতেই বেকার সমস্যা। যেখানে দেশের এক বড় অংশ সুন্দরবন এর উপর নির্ভরশীল সেখানে এই ভাবে তাদের পেটে লাথি মারা কতটা যুক্তি সংগত?????
..........

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

তুমি

তারি অংগ পরশিতে
চাদের আলো লজ্জানত হয়ে
ফিরে যায়.....
তারারা আলো দিতে ভুলে যায় আরশিতে লজ্জারাঙা মুখ.... দেখিয়া কবি ভাবে কি
আছে উহাতে...
সব উপমা ফিকে হয়ে যায়....
কবি খুজিয়া না পায়.....
হায়!!! কিভাবে সংগায়িত করিব..... হায়!!!!!

তোমায় কিছু বলতে চেয়েছি, তুমি বলেছ
আড়ালে কভূ বলিও না
আরশির পরশিতে
গোধূলি লগ্নে
ভূলিয়া গিয়াছি আমি
দাড়াই আছি একেলা
এই মরা নদীর তীরে
সব কথা মনে ই থাক
কি দরকার
তাহা প্রকাশের।

আমার প্রথম কবিতা।জানি না ভাল হয়েছে কি না।তবে আমি তৃপ্ত যে আমার নিজের লেখা এটি।আপনাদের ভাল লাগ্লে জানাবার অনুরোধ করছি।এটি আমাকে উৎসাহ দেবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

একাত্তরের ঈদ

ঈদ মুবারাক! ঈদ মুবারাক! ঈদ মুবারাক
.
ঈদের শুভেচ্ছা রইলো। আশা করি সবাই ভালো আছেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে দেশে বিদেশে আনন্দের সাথে ঈদ পালন করছেন।
.
আপনি কি জানেন, ১৯৭১ সালের রোজার ঈদটা কেমন ছিল? এ নিয়ে দলিলপত্রের ৬ষ্ঠ খণ্ডে ৪ টা রিপোর্ট পাওয়া যায়। চলুন, চট করে সেগুলো দেখে আসিঃ
.
একাত্তরের ঈদ ছিল ২৫ নভেম্বর, শনিবার। ঈদের আগে আগে আগে বিপ্লবী বাংলাদেশ পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ীঃ
.
“...ঈদের চাঁদ রক্তের সমুদ্রে...
.
অনেক স্মৃতির স্বাক্ষর নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে হারিয়ে গেল একটা বছর। এল আবার ঈদ। এল খুশীর ঈদ। আনন্দের ঈদ। মিলনের ঈদ। একটা মাসের সংযমের অগ্নিপরীক্ষার পর আসে আমাদের জীবনে এই পবিত্র দিনটি; তাই পবিত্র দিনোটিকে আমরা স্বাগত জানাই পবিত্র মনে।
.
প্রতি বছরের মত এবারও বাংলাদেশে ঈদ এসেছে। কিন্তু আসেনি আনন্দ! ওঠেনি খুশীর ঢেউ। বাজেনি মিলনের বাঁশি। বাংলাদেশে যে বিদ্রোহের আগুন জ্বলছে শতশিখা বিস্তার করে। বাংলার তরুণ শক্তি যে আজ দুর্বার দুর্জয় স্বৈরাচার আর শোষণের বিরুদ্ধে।
.

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ঈদ

সংযম এর মাস রমজান আজ বিদায় নিল সাথে শিখিয়ে গেল অনেক কিছু।
আগামিকাল পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর।সবাই সব ভেদাভেদ আর সব শত্রুতা সবকিছু ভুলে শান্তিতে আর আনন্দের সাথে দিনটি উদযাপন করুন।
.
যারা আজ পরিবার ছাড়া বা প্রবাসি,যারা হারিয়েছেন নিজেদের আত্মীয়,বাবা-মা,গরীব দুঃস্হ
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।ঈদ বয়ে আনুক সুখ,সমৃদ্ধি।বাংলাদেশ আর সবার মংগল হোক।
.
ঈদ মোবারক

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content