'আফসার নিজাম' -এর ব্লগ

বই ভরা কতো ছড়া / খন্দকার আলমগীর হোসেন

১। বইয়ের নাম:-বই ভরা কতো ছড়া
২। লেখকের নামঃ- খন্দকার আলমগীর হোসেন
৩। প্রকাশকের নাম :- আফসার নিজাম (আত্মপ্রকাশন)
৪। মূল্য:- ২৫০ টাকা
৫। প্রাপ্তিস্থান: :-বই মেলার ৪৬২নং স্টলে

(আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন।০১৮১৯৫১৫১৪১)

ছড়াকার খন্দকার আলমগীর হোসেন
ছড়াকার
খন্দকার আলমগীর হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ থেকে মাস্টার্স
করেন ১৯৭৯ সালে। অতঃপর ২০ বছর কাটিয়েছেন সৌদী আরবে। কার্যোপলক্ষে ছুটে
বেড়িয়েছেন ২০ টিরও বেশী দেশ। বর্তমানে কানাডায় প্রবাসী। তিনি লেখা শুরু
করেন স্বাধীনতার পরবর্তি বছরগুলোতে। মাঝখানে বিদেশে অবস্থানের কারণে
অনেকগুলো বছর লেখালেখি থেকে স্বেচ্ছানির্বাসনে কাটান। ছড়াকার খন্দকার
আলমগীর হোসেন লেখালেখির বিভিন্ন শাখা প্রশাখায় বিচরণ করলেও ছড়াকার হিসেবে
পরিচয় দিতে বেশী ভালোবাসেন।

বই ভরা কতো ছড়া
বই ভরা কতো ছড়া বইয়ের
প্রতিটি ছড়ায় আছে শিশুমনের স্বপ্ন ও কল্পনার সোনালি ডানা। এই ডানায় ভর করে
শিশুরা হয়ে উঠবে স্বপ্নরাজ্যের রাজা এবং বাস্তব রাজ্যের বুদ্ধিদীপ্ত

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2.5 (2টি রেটিং)

বাঙলা লিটলম্যাগ (ওয়েবম্যাগ)-এর দ্বিতীয় সংখ্যা (মে ২০১১) প্রকাশিত

বাঙলা লিটলম্যাগ (ওয়েবম্যাগ)-এর দ্বিতীয় সংখ্যা (মে ২০১১) প্রকাশিত

এই সংখ্যায় লিখেছেন

প্রবন্ধ

আল মাহমুদ
ডা: জামেদ আলী: সাহিত্য ও সান্নিধ্যে

ভ্রমণ

মুহম্মদ মতিউর রহমান
ইউরোপ-আমেরিকার পথে-জনপদে

ইতিহাস সংস্কৃতি

ড. মোহাম্মদ মুহিবউল্যাহ ছিদ্দিকী
ইখতিয়ার উদ্-দ্বীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খীলজীর সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড: একটি ইতিহাসভিত্তিক বিশ্লেষণ

সাক্ষাৎকার

ছড়াকার ফারুক হোসেনের সাক্ষাৎকার: শিশুসাহিত্য মার্জিত ও পরিচ্ছন্ন সাহিত্য ।।
সাক্ষাৎকার গ্রহণ : আফসার নিজাম

গল্প

অপরিহার্য রক্ত
মাহমুদ বিন হাফিজ

গান

দুটি গান
মালিক আবদুল লতিফ

কবিতা ও ছড়া

সাইফুল আরেফীন
ভাদ্রের শোকগাঁথা

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

আলো

আলো

তুমি ভাবো হয়নি সকাল

‘সকাল কেনো হবে?’

আমি ভাবি ‘রাতের ভেতর রাত্রী কেনো রবে।’

রাতের ভেতর আঁধারগুলো

গুটগুটে রঙ কালো

আমি ভাবি ‘আসবে কবে বিহান বেলার আলো।’

আলোরকণা নূরের বাতি

সকল প্রাণে জ্বলে

প্রাণের যতো আঁধার কালো যাচ্ছে কুপির তলে।

কুপির তলে অন্ধকারে

কেউ থাকে না ভালো

লক্ষ প্রাণের হৃদয় হতে আলোর বাতি জ্বালো।

http://afsarnizam.wordpress.com/

http://afsarnizam.blogspot.com/

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

গ্রহণকাল

গ্রহণকাল

এ এক গ্রহণকাল-

মানুষ আর বিশ্বাস স্থানপন করছে না

নিজের প্রতি

নিজেকে আর আপন মনে করছে না

ক্রমাগত ভেঙে যাচ্ছে নিজের ভেতর

ক্রমাগত বিদ্রোহ করছে নিজের প্রতি

ক্রমাগত যুদ্ধ করছে নিজের সাথে।

হায় সময়-

আমাকে তুমি আর আমার আয়নায়

দেখছো না আমায়।

নিজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে- কবে

কবে বিজয়ী হবো

কবে বিশ্বাসের সাথে উচ্চাণর করবো

এই যে আমি

আমি একজন মানুষ

আমার একটা ইতিহাস আছে।

http://afsarnizam.wordpress.com/

http://afsarnizam.blogspot.com/

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

আষাঢ়ের পদাবলী

আষাঢ়ের পদাবলী

এবঙ নদী ... জোয়ার ভুলে গেলে

কাকড়ার পায়ে আটকে থাকে

পৃথিবীর ইউরেনিয়াম সুখ

সুখের সমুদ্রে বৃষ্টির ভ্র“ণ

প্রথম জন্ম ...

উড়ে যায় মেঘ

দ্বিতীয় জন্মের আগেই

পাল্টে নেয় নিজের অবয়ব

এবঙ কারুকাজ খচিত নামের অলংকার।

অলংকারে সাজুগুজু বিমুগ্ধ বউ

প্রাঙ্গণে গীতরত মজমায়, ঢেলে দেয় ...

ঝরে পড়ে রহমত; ঝরে পড়ে বৃষ্টি

তখন সোনালী হুদহুদ জামদানী রঙ মেখে

মোনাজাতে উড়ায় ডানার পালক।

অতএব আমাদের দহলিজে

বৃষ্টি

বৃষ্টি

বৃষ্টি

জমির জায়নামাজে এখন

আমাদের ফসল বুনার সময়।

http://afsarnizam.wordpress.com/

http://afsarnizam.blogspot.com/

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

তিনপুরুষ এবঙ পুত্রপ্রজন্ম

তিনপুরুষ এবঙ পুত্রপ্রজন্ম

প্রথম পুরুষ

আমার এ উপদেশ পুত্র এবঙ পুত্রের পুত্র
এবঙ অনাগত পুত্রপ্রজন্মের জন্য।

উপদেশগুলো তাদের কল্যাণে
কারণ আমার চোখের চলচ্চিত্র
তাদের থেকে অধিক ধারণ করেছে
এই পৃথিবীর উত্থান-পতন
হিটলারের বিশ্ব-শাসনের খায়েশ
মিত্রবাহিনীর সভ্যতা ধ্বংসি এটম আঘাত
হিরোসিমা নাগাসিকার বিভৎস চিত্র
আর দেখেছি লাল পতাকার ফোবিয়া।

দ্বিতীয় পরুষ

আমার উপদেশ
আমার পুত্রের জন্য অভিজ্ঞতার জাদুঘর
কারণ আমি অর্জন করেছি
পুরুষ পরমপরায় আদম থেকে নিরাকার পর্যন্ত
যেহেতু আমার অভিজ্ঞতায় আছে
বাঁশের কেল্লার দ্রোহ
স্বাধীনতার জন্য
ফাঁসির রশি আর জীবনদানের প্রেরণা
এবঙ নবান্নের উৎসবের মতো
নতুন দেশ পাবার আনন্দ
এরপরও আছে ভাষা নিয়ে আন্দোলন
আর ভেঙ্গে যাওয়া দেশ।

তৃতীয় পুরুষ

পূর্বপুরুষের অভিজ্ঞতার চোখ ছুঁয়ে দেখেছি
ইতিহাসের পাণ্ডুলিপি

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

সিল্কি আঁধার

সিল্কি আঁধার

এক.
চুলের সিল্কি আঁধারে ডুবে গেলে সূর্য
ফিরে আসে কোমল ঘুম

আর যখন চৈতন্য ফেরে-
ফিরে আসে ঘাসের জীবন।

ফিরে আসে ঘুম ফেলে রাতের নাগর
আরামের ঘুম তারে দেয় না আরাম
কেটে যায় রাত্রি তাই
প্রার্থনায়-

সুখ যদি দিতে পারে সিল্কি আঁধার।

দুই.
সে রাতে আর কেউ আসেনি
বিরিকুলি গাছের নিচে
সিল্কি আঁধার নাকি চুষে নেয়
দাড়াশ জীবন।

আর ফেলে যায় কয়েকটি শুভ্রপালক
এবঙ ত্রিরঙ অশ্রু ফোঁটা।

তিন.
ফেরারী জীবন আর যায় না চৈত্র দুপুরে
অদৃশ্য হয়ে গেলে আলোক পথিক

খুঁজে ফেরে তাকে
আতাইকুলের বুকে পশমওলা দীর্ঘপুরুষ
সিল্কী আঁধারে যদি পেয়ে যায় তারে।

চার.
কেউ কেউ দেখেছিলো
বলেছিলো
সূর্য ডুবে গেলে
বেড়াতে এসেছিলো পূর্ণীমা আলো
সে নাকি সিল্কী আঁধারে
ডুব দিয়ে তুলে আনে আলোর ফসিল।

পাঁচ.

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

চুমু

চুমু

শহরের সব রমণীরা
আমার চুমুর জন্য অপেক্ষা করে
আমি ছাড়া আর কেবা আছে
একটি ভালোবাসার চুমু দেবার?

কারণ তারা জানে
মেঘ আমার চুমু খেলে জমিনে বৃষ্টি হয়
বীজ আমার চুমু খেলে
উঠোন ভরে যায় ফসলে
আর রমণীরা চুমু খেলে
কোল জুড়ে নেমে আসে পবিত্র শিশু
শিশুরা আমার সন্তান, আমি তাদের পিতা

পিতা আমি- শহরের রাজা ভ্রমর
শহরের রমণীরা চুমুর গোলাপ
শহরের শিশুরা চুমুর ফসল।

http://afsarnizam.wordpress.com/
http://afsarnizam.blogspot.com/

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (2টি রেটিং)

রেহনুবা শারাব

রেহনুবা শারাব

এক

দীর্ঘ সময় যে ফুলের ঘ্রাণ

উত্তরাধিকারী হয়ে বিলায় জীবন

তেমনি তোমার আশায়

উৎপ্রেক্ষার চিত্রকল্প আঁকি

বন-দোয়েলের অভিজ্ঞতায়।

দুই

জোসনার স্রোতে সাঁতার কেটে

ইছামতি বৃষ্টি আনতে গেলে

ফিরে এসে দেখি

অপেক্ষায় চোখ তোমার

হয়েছে পাথর।

তিন

মধ্যরাতের ঘুম ভেঙে গেলে দেখি

রক্তজোসনার আলো-ছায়ায়

শিশুবৃক্ষের আনন্দলোক

তখন ঘুমঘোর ঐশ্বর্য পান করে

স্বাগত চন্দ্র রাঙাই।

চার

রূপমুগ্ধ দৃষ্টির প্রবাহে জেগে উঠলে প্রকৃতি

আমি আমুগ্ধ পান করি রেহনুবা শারাব।

http://afsarnizam.wordpress.com/

আপনার রেটিং: None

ছায়া ও অশ্বথ বিষয়ক খণ্ডকবিতা

ছায়া ও অশ্বথ বিষয়ক খণ্ডকবিতা

এক/ক.

সূর্য ডুবে গেলে

কবরের ঘুমে যায় অশ্বথ ছায়া

একচিলতে রোদের আশায়

পরবাসী স্বামীর মতো

অপেক্ষার প্রহর কাটায় প্রাচীন অশ্বথ।

এক/খ.

সব রাত্রী ঘরে ফেরে

তিনমাথা মানুষের মতো

একচিলতে রোদে

ছায়া হয়ে শুয়ে থাকে প্রাচীন অশ্বথ।

দুই/ক.

চৈত্র দুপুরে আমার ছায়াটি অদৃশ্য হয়ে গেলে

দীর্ঘ পদযাত্রায় ক্লান্ত পথিকের মতো

ছায়া খুঁজতে অশ্বথের নীচে দাঁড়ালে

কোথা থেকে লোকটি এসে জিজ্ঞেস করে-

কী খুঁজছেন হুজুর?

ছায়া। আপনি?

আমিও।

দুই/খ.

অশ্বথের নীচে দাঁড়িয়ে লোকটিকে বলতে শুনেছি

সব পথিকের ছায়া কেড়েছে প্রাচীন অশ্বথ

আমি তার মূল খুঁড়ে ছায়া নিয়ে যাবো

এই দেখুন খন্তা, কুড়াল...

বলেই লোকটি খুঁড়তে থাকে অশ্বথের শেকড়

আজও সে খুঁড়ে যাচ্ছে

আপনার রেটিং: None
Syndicate content