'আড্ডাবাজ' -এর ব্লগ

আড্ডাঃ হিজরী প্রথম মাস- মহররম: কেন গুরুত্বপূর্ণ, কি কি ঘটেছিল ইত্যাদি

স্বাগতম আড্ডাবাজের আড্ডায়। এ সপ্তাহের আড্ডার বিষয় শিরোনামে ইতোমধ্যে শোভা পাচ্ছে।

হিজরী মহররম মাসে পৃথিবীর ইতিহাসে কি কি ঘটে ছিল?

এসব বিষয়গুলো কেন গুরুত্ব পেল?

আপনার কাছে থাকা তথ্য, বিশেষজ্ঞদের মতামত, আপনার মতামত ইত্যাদি শেয়ার করুন। 

বি.দ্র.: মন্তব্যের দায়িত্ব মন্তব্যকারীর, আড্ডাবাজ দায়ী নয়। Smiling তবে অশালীন শব্দাবলী, ব্যক্তি-ধর্ম-জাতি বা রাষ্ট্রীয় আক্রমণ এবং অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য না করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

আড্ডা: হজ্জ ১৪৩৬-২০১৫ -এ মীনায় সহস্র-ছোঁয়া শহিদী মিছিল (ঘটনা, তথ্যা, কারণ, প্রতিকার, প্রতিদান ইত্যাদি)

আসসালামু আলাইকুম।

অনেকদিন পর আড্ডা পোস্ট দিলাম।

সম্প্রতি মীনায় যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল, তাতে গোটা মুসলিম বিশ্ব তো প্রকম্পিত হলোই; অমুসলিম বিশ্বেও তীব্র আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

এ বিষয়ে আপনার মূল্যায়ণ, তথ্য, উপাত্ত, শহীদদের প্রতিদান, সান্ত্বনা, কারণ, আগামীর জন্য প্রতিকার ইত্যাদি বিষয়ে আড্ডায় যোগ দিন।

বি.দ্র.: মন্তব্যের দায়িত্ব মন্তব্যকারীর, আড্ডাবাজ দায়ী নয়। Smiling তবে অশালীন শব্দাবলী, ব্যক্তি-ধর্ম-জাতি বা রাষ্ট্রীয় আক্রমণ এবং অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য না করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

৫ মে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

আড্ডা পোস্টের বিষয়ঃ ৫ মে হেফাজতের ঢাকা অবরোধ

বিসর্গে সবমসময় একটু গুরুগম্ভীর লেখালেখি দেখে আসছি। সস্তা বা হালকা লেখালেখি তেমন আসে না। হয়তবা বিসর্গের ভাবধারা এভাবে গড়ে উঠেছে তাই কেউ হালকা পোস্ট করার কথাও ভাবছে না। যাক সেসব কথা। আমি মাঝে মাঝে আড্ডা জমাতে চাই বিসর্গে। কিন্তু তেমন সাড়া পাইনি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

আড্ডা: মাওলানা আবুল কালাম আযাদের ফাঁসীর রায়


অনেকদিন পর আড্ডা পোষ্টে ফিরলাম। বিসর্গের ইউজাররা সবসময় দেখেছি একটু নেতানো। লিখে তো কমেন্ট দেয় না, কমেন্টায় তো লিখে না। বলেছিলাম অফলাইনে চলুক আড্ডা। যার যখন সময় হয় আড্ডা পোষ্টে লিখুক। তাও লেখে না।

আড্ডায় আসি। আড্ডার বিষয় সবসময় কৌতুকপ্রবন হবে এটা আমি মনে করি না। সমকালীন সবচেয়ে গরম বিষয় হচ্ছে যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রসঙ্গ। ইতোমধ্যে একজনের ফাঁসীর আদেশ শুনিয়েছে ট্রাইবুনাল। আজ আরেকজনের যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশ দিয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে প্রাণখুলে আড্ডা হতে পারে। হাঁ সবার জন্য আড্ডাটা আনন্দের হবে না আবার তেমনি বেদনারও হবে না।

তবে এ পোস্টে শুধুমাত্র "মাওলানা আবুল কালাম আযাদের ফাঁসীর রায়" বিষয়ে আড্ডা জমালে ভালো হবে। কারণ পরবর্তী পোস্ট আব্দুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন নিয়ে আসবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

যদি ভারত ৭১-এ বাংলাদেশের ব্যাপারে নাক না গলাতো তাহলে কি সত্যিই জামায়াত পাকিস্তানের যুলুমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতো?

একটি খবর দেখে কিছুটা দ্বিধায় পড়ে গেলাম। খবরটি নিচে শেয়ার করেছি তবু দ্বিধার কথাটা তুলে ধরছি-

কাশ্মীর ভিত্তিক হিররিয়াত চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী শাহ গিলানী বলেছেন যে,

‘‘ভারতীয় আধিপত্যের ছায়াতলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখবে এমন উপলব্ধি থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেয়নি। যদি সে সময় ভারত হস্তক্ষেপ না করতো তাহলে সম্ভবত স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিতে জামায়াতের জন্য কোনো সমস্যা থাকত না।’’

কিন্তু আমরা জানি যে, জামায়াত চেয়েছিল অখণ্ড পাকিস্তান। তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের মানুষদের উপর যুলুম করেছিল -একথা জামায়াতও স্বীকার করে। এখন প্রশ্ন দেখা দিল- যদি ভারত তখন বাংলাদেশের ব্যাপারে নাক না গলাতো তাহলে কি সত্যিই জামায়াত পাকিস্তানের যুলুমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতো?

নিচে খবরটি হুবহু তুলে দিলাম-

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

আড্ডা-৪: সাইবার যুদ্ধ! হ্যাকিংয়ের কারণ, কিভাবে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।

বিসর্গের আড্ডাগুলো তেমন জমছে না। তবু দিলাম আড্ডা পোষ্ট। কিছুদিন আগে বেশ রৈ রৈ উঠেছিল যে, "সাইবার যুদ্ধু" "সাইবার যুদ্ধ"! কিন্তু হঠাৎ করে দেখি সব ঠান্ডা। গোপনে গোপনে কি ডান্ডা মারা হয়েছিল নাকি? অথবা চলছে তোড়জোড়?

যাই হোক, যাই ঘটুক, হ্যাকিং ব্যাপারটা নিয়ে আমার অনেক কৌতুহল। কিভাবে করে? কেনই বা করে? এসব প্রশ্ন অনেকদিনের জমা। কিন্তু ব্যাপারটা এখন যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় নড়েচড়ে বসতে হচ্ছে। আজকের এ আড্ডা পোষ্টে জানতে চাই-
? সাইবার যুদ্ধের অস্ত্র কি শুধু হ্যাকিং?
? হ্যাকিং কিভাবে করে?
? হ্যাকিং করার কি কি কারণ থাকে সাধারণত?
? হ্যাকিংয়ের দ্বারা আসলে কতটুকু ক্ষতি করা যায়?
? হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বিশ্বে আর কোথায় কি ঘটেছে অতীতে?
? হ্যাকিং সিস্টেমটা বর্তমান অগ্রগতির কোন পর্যায়ে আছে?
? হ্যাকিংয়ের ভবিষ্যত কি?
? হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার যুদ্ধের দ্বারা কি কোন অন্যায়ের সফল প্রতিবাদ সম্ভব?
এবং ইত্যাদি ইত্যাদি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

হেল্প: ভিডিও পোষ্ট করে কিভাবে? বিশেষ করে ইউটিউব থেকে? সাথে একটা উপহার: শীতল আগুন

ব্যাপার কি? এই বনে দেখছি এখন আমিই রাজা।

রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
টাইগাররা এখন ব্লাক হ্যাট পতাকায়
ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে।
তাদের সাফল্যে বুকটা
ফুলে ফুলে উঠেছে আমার।
দুই চক্ষে বিন্দু বিন্দু জল
জমা হয়েছিল বার বার।
সে জলের ছটায় চলচিত্রের মত
ভেসে ভেসে আসছিল বার বার
ফেলানীর ঝুলন্ত লাশ।
উলঙ্গ বাংলাদেশীর আর্তনাদ।
কফিনে ঢাকা এপার বাংলার
মৃত মানুষদের পাথুরে চোখ,
চোখে আঁকা নানা স্বপ্ন।
অশ্রু নেই সে‍খানে।
শুকিয়ে গেছে অনেক আগে।
আছে শুধু শীতল আগুন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

আড্ডা-৩: বিসর্গ ব্লগ ব্যবহারের পদ্ধতি

সবাইকে সালাম।
অনেকদিন পর আবার বিসর্গে আড্ডা পোষ্ট দিচ্ছি। যদিও আগে তেমন জমেনি দেখি এখন জমে কি না। কিছুদিন আগে বেশ কিছু ব্লগারের সমাগম দেখলাম। তারপর আবারো দুই দিন থেকে কম কম দেখতাছি। যাইহোক আড্ডাবাজ কি আর আড্ডা না দিয়ে থাকতে পারে? এখানে না হলে অন্য কোথাও।

এ পোষ্টের আড্ডার বিষয় ঠিক করলাম: "বিসর্গ ব্লগ ব্যবহারের পদ্ধতি"।

অর্থাৎ বিসর্গে এসে ব্লগাররা অনেকেই নানা সমস্যায় পড়েন। মডুরা পরিবর্তনের কথা বলে বলে মুলা ঝুলিয়ে রেখেছে। মুলা রান্না হতে হতে মনে হচ্‍ছে অনেক দেরী। তাই আপাততঃ নিজেরা যে যা জানি এই আড্ডা পোষ্টে সওয়াল জবাব করে জেনে নেই। সাথে সাথে চলুক হাই হ্যাল্লো...

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

এই দেলোয়ার সিকদার আগে শুনি নাই তবে এখন শুনি সাঈদী -মধুসূধন ঘরামী

২৩ নম্বর সাক্ষী মধুসূধন ঘরামী গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যে জবানবন্দী দেন তা নিম্নরূপ :

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

আমি কেন জামায়াতে ইসলামী করি? -আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী

অতীতের যে কোনো যুগের তুলনায় বর্তমান যুগে কুফ্রী মতবাদের আধিক্য অত্যন্ত প্রবল। ভোগবাদী ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি, নাস্তিক্যবাদী সমাজতান্ত্রিক জীবন দর্শন, ধর্মহীন গনতন্ত্র, সামন্তবাদ, নিরশ্বরবাদ, বৈরাগ্যবাদ, ত্রিত্ববাদ সর্বোপরি ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ; এসব মতবাদসমূহ মৌলিক দিক থেকে কোরআন ও সুন্নাহর সাথে চরম সাংঘর্ষিক। সারা দুনিয়ার সমস্ত মুহাক্কিক আলেমে দ্বীন এসব মতবাদকে কুফুরী মতবাদ হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। ইসলামী বিরোধী এসব মতবাদসমূহ পুরোপুরি অথবা আংশিক অনুসরণ করতে গেলে মুসলমানদের ঈমান সংশয়পূর্ণ হয়ে পড়বে। অথচ অধিকাংশ মুসলিম দেশসমূহে উল্লেখিত মতবাদসমূহ মুসলিম নামধারী নেতা-নেত্রীরা মুসলিম জনগণের ওপরে চাপিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে আন্দোলন করছে, কোথাও বা রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে উক্ত মতবাদসমূহ চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব মতবাদসমূহের সামাজিক ও রাজনৈতিক নিয়ম-পদ্ধতি অনুসরণ করতে গেলে কোরআন ও সুন্নাহর অকাট্য দলীল-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রামাণ্য ইসলামের অধিকাংশ বিধি-বিধানকে প্রত্যাখ্যান করতে হয়; যা কোনো মুসলমানের পক্ষে কোনোক্রমেই সম্ভব নয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (5টি রেটিং)
Syndicate content