'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

" এ'তেকাফ ও কিছু কথা"

মু'মিন মু'মিনাত আজ সবাই আনন্দিত! গতরাত থেকেই শুরু হয়েছে ক্বিয়ামুল-লাইল। মসজিদে নববীতে এ'শা তারাওবী ও ক্বিয়ামুল-লাইল পড়া কতযে আনন্দের তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা। গতপরশু থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এসে মসজিদে নববীর ভেতরাংশ (যেখানে বরাদ্ধ করা এ'তেকাফের জন্য) সেখানে উপস্থিত হয়। রাজ-কোষ থেকেই এ'তেকাফকারিদের জন্য সাহরী ও ইফতারির ব্যবস্থা করা হয়। সময় স্বল্পতার কারনে বিষদাকারে লিখতে পারছিনা। তবে মদিনায় রমাদ্বান পালন করে খুবই আনন্দানুভব করছি। এত গরম তার মাঝেও যেন নবী (সঃ) সমজিদে গেলে প্রাণ জুড়িয়ে শীতল হয়ে যায়।

আপনার রেটিং: None

"প্রবাসী প্রবাসীর স্ত্রী ও প্রাবাসী বাবা"

লেখাটি লিখতে গিয়ে কিছু ঘটনা মনে পড়ে গেলো। ঘটনা ১মঃ শাহ আলম শহরে ষ্টীলের ব্যবসা করে। প্রতি পনেরোদিন পর বা কখনো মাসে একবার গ্রামে এসে দুইরাত থেকে আবার চলে যান। ছেলে শহর থেকে আসলেই মা এসে বউকে বলেনঃ যাও বউমা আমার ছেলে এসেছে তার পাশে পাশে থাকো দেখ কখন কি লাগে। বউ হাবীবা বলে, আম্মা হাতের কাজটা সেরে যাই শাশুড়ী বলে নাঃ আমার ছেলে যতক্ষন সময় বাড়িতে আছে ততক্ষন তুমি তার পাশে থাকো এদিকটা আমি আর আমার মেয়েরা দেখবো। বউ যেতে না চাইলেও শাশুড়ী ধমকের সুরে বলে যাও তুমি এখন আমার ছেলের সেবা করো।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"রমাদ্বানের আরেক অর্থ পরিত্যাগ করা"

রমাদ্বান মাসে শুধুমাত্র সারাদিন না খেয়ে থাকলেই রোজা হবে এমন চিন্তা করা বোকার সর্গে বাস করার মতোই বোকামি। খাবার না খেয়ে থাকলেই রোজা হয়না। রোজাকে পরিপূর্ণতা দিতে হলে অবশ্যই অবশ্যই কিছু অশ্লীল বিষয়ও পরিত্যাগ করতে হবে। আত্মার পরিশুদ্ধির জন্য রমাদ্বান মাসটি অনন্য। রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর এই হাদীসটি যথেষ্ট উত্তম ভাবে রমাদ্বান পালনের ক্ষেত্রে। রমাদ্বানের সিয়ামকে পেয়েও যে ব্যক্তি গুনাহ থেকে মুক্ত হতে পারলনা তার ধ্বংস হোক। পুরো হাদীসটি হল: “হাদীস শরীফে (সহীহ বুখারী, সহীহ তিরমিযী, ইমাম হাম্বল, ইবনে কাসীর, প্রভৃতি) বর্ণিত রয়েছে, বিশেষ করে সাহাবী ক্কা'আব বিন আজুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, একবার জুমার খুৎবা দেওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিম্বরের প্রথম সিঁড়িতে পা রাখেন, তখন বলেন আমিন, দ্বিতীয় সিঁড়িতে যখন পা রাখেন, তখন বলেন আমিন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"তাকওয়া-ই আল্লাহর নিকটতম করে"

আমরা সাধারনত ভালো কাজগুলো করি আল্লাহকে খুশি করতে ও আমাদের চিরমুক্তির লক্ষে। কিন্তু আমাদের সব কাজে কি আমরা তা বাস্তবায়ন করতে পারি? পারিনা। কারন একটি বিষয়ে আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করি তাকওয়া অবলম্বন করি আবার আরেক কাজে তা পারিনা। এটা হরহামেশা হয়েই থাকে। তাই আমাদের নিজেকে আগে তাকওয়াবান হতে হবে তারপর আল্লাহর কাছে কল্যাণের আশা করতে হবে। আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা কাজে আল্লাহর ভয় থাকতে হবে শুধুমাত্র ভয় থাকলেই চলবেনা আল্লাহর ভয়ে নিজেকে সবরকম গুনাহ থেকে বিরত রাখতে হবে। নিজেকে আগে গুনাহ থেকে পবিত্র রাখতে পারলেই আল্লাহর কাছে ক্ষমার পাবারও আশা করতে পারবো। তাই তাকওয়া বিষয়ে আমাদেরকে জানতে হবে। নিজে মানতে হবে ও অন্যকে জানাতে হবে ও মানারো জন্য উৎসাহ দিতে হবে। আমরা জেনে নেই তাকওয়ার বিষয়গুলো। মহান আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলকে তাকওয়ার পথে পরিচালিত করুন ও প্রতিষ্ঠিত রাখুন।

১. কোরআনের হেদায়াত পেতে হলে তাকওয়া প্রয়োজন। (সুরা বাকারা-২)
*ذَلِكَ الْكِتَابُ لاَ رَيْبَ فِيهِ هُدًى لِّلْمُتَّقِينَ
এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"গরীব দুঃখী ধনী সকল আয়রে ছুটে রমাদ্বানের সব ফজিলত নেরে লুটে"

আল্লাহ তা'য়ালা বলেন: “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের জন্য রোযা ফরয করা হয়েছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি ফরয করা হয়েছিল, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।”(সূরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩)।
মূলত সিয়াম আল্লাহর পক্ষ হতে অনেক বড় একটি নিয়ামত। এটি যে কত বড় নিয়ামত ও ফজিলতপূর্ণ তা হাদীসে কুদসীতে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ( أنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «قَاَلَ اللَّهُ: كُلُّ عَمَلِ ابْنِ آدَمَ لَهُ إِلَّا الصِّيَامَ فَإِنَّهُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ». (خ, م) صحيح
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তা'আলা বলেন, সিয়াম ব্যতীত বনি-আদমের প্রত্যেক আমলই তার জন্য, আর শুধামাত্র সিয়ামই আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেব”।
[বুখারি ও মুসলিম] ।
আরেকটি হাদীসে কুদসীতেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ “আল্লাহ্ তা'য়ালা ইরশাদ করেন : সে (সায়িম) আমার জন্য তার খাওয়া-দাওয়া, পানীয় পান, কামাচার প্রভৃতি পরিত্যাগ করে, সিয়াম আমারই জন্য এবং আমি নিজেই তার প্রতিদান দেবো। (বুখারী শরীফ) “

আপনার রেটিং: None

"এমাস হোক সারা বছরের পুঁজি"

মানুষের জীবনের প্রত্যেক কাজেরই উদ্দেশ্য আছে। উদ্দেশ্য বিহীন কাজ কোন বোকাও করেনা। আর আমরা তো সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ। তাই আমাদেরকেও উদ্দেশ্য সামনে রেখে কাজ করতে হবে। আমরা যদি কোন কাজের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তার বাস্তবায়ন করার জন্য প্রচেষ্টা চালাই তবে অবশ্যই তা সফল হবে। আর নয়তো তা কখনোই সফলতার মুখ দেখবেনা। তাই আমাদেরকে আগে জানতে হবে সিয়াম সাধনার মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে।  সিয়াম সাধনার মূল উদ্দেশ্য যেহেতু তাক্বওয়া অর্জন করা। মহান আল্লাহ সূরা বাকারাহ এর ১৮৩ নং আয়াতে বলেন, "হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হলো, যেমনি তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর ও ফরজ করা হয়েছিল, সম্ভবত তোমরা তাকওয়াবান তথা পরহেজগার হবে।" এই আয়াত অনুসারে সিয়ামের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তাকওয়া অর্জন বা পরহেজগারিতা অর্জন করা।

আপনার রেটিং: None

"রমাদ্বান উপলক্ষ্যে ব্লগ আয়োজনের প্রস্তুতি ও বিষয়ে একটি পরিকল্পনা"

ইবাদত, পাপ মোচন ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের বসন্ত মাস হিসেবে পরিচিত পবিত্র রমাদ্বানুল মোবারক সমাগত। এই মহিমান্বিত মাস থেকে সর্বোচ্চ ফায়দা নিতে হলে আমাদেরকে একটি কার্যকর পরিকল্পনা নিতে হবে। সেটা ব্যক্তিভেদে বিভিন্ন রকমের হতে পারে। আবার নিম্নোক্ত ধরনেরও হতে পারে।
যেমনঃ
১/ অর্থসহ সম্পূর্ণ কোরআন অধ্যয়ন।
২/ পবিত্র কোরআনের শেষ দিক থেকে অর্থসহ কিছু সূরা বা আয়াত মুখস্থ বা ঠোটস্থ করা ৩/  অতি প্রয়োজনীয় কিছু হাদীস মুখস্থ করা।
৪/ সম্পূর্ণ রমজানে টানা তাহাজ্জুদ পড়ার পরিকল্পনা করা।
৫/ প্রতিদিন কিছু অতিরিক্ত নফল নামায আদায় করা।
৬/ প্রতিদিন কিছু পরিমাণ অর্থ গরীব/ দুঃখী মানুষকে দান করা।
৭/  তাকবীরে উলার সাথে মসজিদে ৫ ওয়াক্ত নামায পড়া।
৮/ গীবত, অহংকার, পরনিন্দা, চোগলখুরী ও মিথ্যা কথা থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা।
৯/ অপ্রয়োজনীয় কথা সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা।
১‌০/ পরিবারের সদস্যদের তাকওয়া বৃদ্ধিতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও সহযোগিতা করা।
১১/ সময় অপচয় থেকে দূরে থাকা।
১২/ তারাবী’র নামাজ নিয়মিত পড়া।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

সালাত_পরিত্যাগকারি_কাফের (বিস্তারিত দলিল সহকারে) পোস্ট টি মনোযোগ সহকারে পুরোটাই পড়ে,শেয়ার করুন।

সালাত_পরিত্যাগকারি_কাফের (বিস্তারিত দলিল সহকারে) পোস্ট টি মনোযোগ সহকারে পুরোটাই পড়ে,শেয়ার করুন।

প্রশ্ন
১: আমার বড় ভাই তিনি সালাত পড়েন না, এ কারণে আমি কি তার সঙ্গে সম্পর্ক
রাখব, না সম্পর্ক ছিন্ন করবো? প্রকাশ থাকে যে, তিনি আমার সৎ ভাই (বিমাতার
ছেলে)।

উত্তর ১: যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে সালাত পরিত্যাগ করে, যদি
সে সালাত ওয়াজিব হওয়ার (অপরিহার্যতার) বিষয়টি স্বীকার করে, তবে ওলামাদের
-দু'টি মতের সবচেয়ে সহীহ- মত অনুযায়ী সে বড় কুফরী করবে। আর যদি সালাত
ওয়াজিব হওয়ার বিষয়টি অস্বীকারকারী- বা অবিশ্বাসী হয়, তা হলে

ওলামাদের সর্বসম্মত মতে সে কাফের হয়ে যাবে। এ সম্পর্কে নাবী কারীম

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এরশাদ হলো :

ﺭَﺃْﺱُ ﺍﻟْﺄَﻣْﺮِ ﺍﻟْﺈِﺳْﻼَﻡُ؛ ﻭَﻋَﻤُﻮْﺩُﻩُ ﺍﻟﺼَّﻼَﺓُ؛ ﻭَﺫُﺭْﻭَﺓُ ﺳَﻨَﺎﻣِﻪِ

ﺍﻟْﺠِﻬَﺎﺩُ ِﻓﻲْ ﺳَﺒِﻴْﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ

"কর্মের মূল হচ্ছে ইসলাম, তার স্তম্ভ হচ্ছে সালাত এবং তার সর্বোচ্চ চূড়া

হচ্ছে

আপনার রেটিং: None

রমাদ্বান উপলক্ষ্যে ব্লগ আয়োজনের প্রস্তুতি ও বিষয়ে""পবিত্র মাহে রমাদ্বানে রোজা রাখার আদব, সুন্নত, ফজিলত, করণীয় ও বর্জনীয়"

রমাদ্বান উপলক্ষ্যে ব্লগ আয়োজনের প্রস্তুতি ও বিষয়ে""পবিত্র মাহে রমাদ্বানে রোজা রাখার আদব, সুন্নত, ফজিলত, করণীয় ও বর্জনীয়"
بِّسْمِ اللَّـهِ الرَّ‌حْمَـٰنِ الرَّ‌حِيمِ প্রথমেই তেলোয়াত ও সরল অর্থঃ
إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ‌ ﴿١﴾ وَمَا أَدْرَ‌اكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ‌ ﴿٢﴾ لَيْلَةُ الْقَدْرِ‌ خَيْرٌ‌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ‌ ﴿٣﴾ تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّ‌وحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَ‌بِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ‌ ﴿٤﴾ سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ‌ ﴿٥﴾ সরল অর্থঃ রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। ১- নিশ্চয়ই আমরা কোরআন নাযিল করেছি লাইলাতুল কদরে। ২- আর আপনাকে কিসে জানাবে "লাইতুল কদর কী? ৩- "লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। ৪- সে রাতে ফিরিশতাগণ ও রুহ নাযিল হয় তাদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে। ৫- শান্তিময় সে রাত ফজরের আবির্ভাব পর্যন্ত। :কোরআনুল কারীম (বাংলা অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর থেকে)

আপনার রেটিং: None

আমাদের দেশে প্রচলিত পীর মুরিদি বৈধ কিনা?

আমাদের দেশে প্রচলিত পীর মুরিদি বৈধ কিনা?
উত্তর: পীর  মুরিদি দুটাই ফার্সী শব্দ যা অনারবদের আবিস্কৃত । আরবীতে পীর মুরিদি কোন শব্দ নেই। আরবীতে ছাত্র শিক্ষক الطالب ومعلم এ দুটো বিষয় আছে। আর এ দুটো বিষয় ইলম অর্জনের জন্য যথেষ্ট । রাসুল সা শিক্ষক আর সাহাবাগন ছাত্র ছিলেন। তেমনি আজ পর্যন্ত ইলমে ওহী শিখার জন্য সমগ্র বিশ্বে মাদ্রাসায় ছাত্র শিক্ষক প্রথা চালু আছে।
রাসূল (সাঃ) এর ওফাতের শত  শত বছর পর ভারত উপমহাদেশে কিছু সুফিবাদি লোকেরা তাদের ইচ্ছা মত পির মুরিদি চালু করেন।তারা এমন অনেক কিছু বিষয় ইসলামে যোগ করলেন যা মূলত ইসলামে নেই । তারা ইলমে তাছাউউফ, ইলমে মারিফত,ফানা ফিললা, কাশফ, ভিন্ন ভিন্ন তরিকা আবিষ্কার অথচ ইসলাম এক ও অভিন্ন, ভিন্ন ভিন্ন যিকির, বাইআত  ইত্যাদি নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করলেন যা সমপূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া আবিস্কৃত।
তাছাড়া তাদের কিছু বিদাতি কাজ নিম্নরুপ:
১- অনেক পীর তাবিজ বিক্রি করে টাকা ইনকাম করেন। অথচ রাসূল (সাঃ) বলেছেন: তাবিজ বিক্রি  করা বা ব্যবহার করা শিরক। তিরমিযি)

আপনার রেটিং: None
Syndicate content