'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

একজন মাকে শান্তনা!!

পৃথিবীতে
স্বজন হারানোর শোক বড়ই বেদনাদায়ক এর চেয়ে বড় কষ্টের কিছু আছে কিনা আমার
জানা নেই আর স্বজন হারানোর কষ্টে শান্তনা দেয়ার ভাষা খুজে পাওয়াও কঠিন।
কিন্তু আমাদের উচিৎ কোন বিরোধী দল ভেবে নয়, একজন সন্তান হারা মাকে শান্তনা
দেয়ার। আমাদের সবাইকে একদিন চলে যেতে হবে না ফেরার দেশে কেউই এখানের
চিরস্থায়ী বাসিন্দা নয় আগে পরে সবারই যেতে হবে। আজকে এই মায়ের সন্তান
আল্লাহ চিরাচরিত নিয়সে চলে গেছে না ফেরার দেশে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না
ইলাইহি রাজীউন)। আমরা একজন সন্তানহারা মাকে শান্তনা দেই, মহান আল্লাহ উনাকে
ধৈর্য ধরার তৌফিক দিন। আর উনার ছেলেকে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত করেন।

আমিন।

বিষয়: সাহিত্য

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

ভালো বন্ধু হয়ে (২)

প্রথম পর্বের পর

পরশদের বাসার উপর দিয়েই যাচ্ছিলো রোকেয়া!
অন্য একজনের বাসায় আড্ডা দেয়ার জন্য! তখনই জানতে পারে এবাসায় চুরি হয়েছে!
আশে পাশের মহিলারা বলাবলি করছে মেয়েটা এমনি বাসায় থাকেনা ছুটিতে বাসায় আসছে
কালকে আর রাতেই তার কাপড়ের ব্যাগ চুরি গেছে! শুনে রোকেয়া মনে মনে ভাবলো
মেয়েটার নাম অনেক শুনেছি কিন্তু কখনো দেখিনি আজকে দেখা করে যাই! পরশদের ঘরে
গেল রোকেয়া! পরশ খুব লজ্জা পাচ্ছিল বড়দের কাপড় পরে আছে বলে! রোকেয়া ঘরে
ঢুকেই বলছে পরশ নাম শুনতে শুনতে চুল পেঁকে যাচ্ছে কিন্তু এখনো দেখলাম না!
চাচি ও চাচি তোমার পরশ কই? আইতে কওনা সামনে! পরশ এসেই সালাম দেয় আস-সালামু
আলাইকুম! রোকেয়া বলে আমাকে সালাম দেয়ার দরকার নেই আমি এখনো বুড়ি হইনি! পরশ
বলে সালাম তো ছোট বড় সবাই সবাইকে দিতে পারে ছোট আর বুড়ো নেই! বসেন; পরশ
চুপি চুপি ওর মাকে বলে মা! উনাকে কি বলে ডাকবো? মা বলে দেয় ওর স্বামী তো
আমাকে চাচি ডাকে তুই ওকে ভাবি বলে ডাক! পরশ ভাবি বলেই ডাকে কথা বলে নানা
রকম বিষয়ে! রোকেয়ার পরশের কথাগুলো খুব ভাললাগে! পরশ তুমি এসো আমাদের বাসায়

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

ভালো বন্ধু হয়ে (১ম) !!

রোকেয়ার বিবাহ হয়েছে প্রায় আট নয় বছর হবে এই জীবনে সে পেয়েছে সাজানো
সংসার, আসবাব-পত্র, সন্তান, অলংকারাদি, ও দামি দামি পোষাক এত সবকিছুর পরেও
সে কেন যেন নিজেকে সুখী ভাবতে পারছেনা কারন স্বামীর সাথে ছোটখাট নানা
কারনে রাগারাগি হয় একসময় তা ঝগড়ার রুপ নেয়, আরো বেড়ে তা মারামারি পর্যন্ত
গড়ায় এরপর এমন হয় যে কয়েকদিন কেটে যায় কেউ কারো সাথে কথা বলেনা তবে যার যে
দায়িত্ব সে তা পালন করে যায় ঠিকই কিন্তু মুখে হাসি থাকেনা! আর এমন ছোট ও
অনর্থক বিষয় নিয়ে উভয়ের মাঝে এসব হয় যা কেউ শুনলে হেসেই উড়িয়ে দেয়! আর তখনও
রোকেয়ার মনে হয়না তারা উভয়ে কি লজ্জাজনক কাজ করেছে! তখনও ভাবেনা তারা ইস;
কি করলাম মানুষ শুনলে হাসবে! কেউ কেউ সমালোচনাও করবে! এভাবে তার স্বামীও
ভাবেনা ঝগড়ার বিষয় কতটা মামুলি। না ভেবেই দু'জনে দু'জনকে নিয়ে এভাবেই চলতে
থাকে বছরের পর বছর ধরে। প্রকৃত ভাবে মানুষ নিজে যে ভুল গুলো করে তা কখনোই
নিজের চোখে ধরা পড়েনা ধরা পরে অপরের চোখে! আর এভাবেই তারা সংসার নামক
ভেলাটা চালিয়ে আসছিল দীর্ঘ আট নয় বছর ধরে সন্তানদের মুখপানে চেয়ে! কারন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

আত্মার খোরাক (৩)

হযরত আবু সাইদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,একদা নবী করীম
(সঃ) এর খেদমতে একজন মৃত ব্যক্তিকে হাজির করা হল। উদ্দেশ্য হলো নবী করীম
(সঃ) তার জানাজা আদায় করবেন। রাসূল (সঃ) জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমাদের এ সঙ্গীর
কাছে কারো কোন কর্য আছে কি? লোকেরা বললো, হাঁ। রাসূল (সঃ) বললেন কর্য
পরিশোধ করার মত কোন সম্পদ কি সে রেখে গেছে? লোকেরা বললো, "না" রাসূল (সঃ)
বললেনঃ তাহলে তোমাদের সঙ্গীর জানাজা আদায় করো। (আমি পড়বো না)। হযরত আলী
ইবনে আবু তালিব বললেন, হে আল্লাহর নবী (সঃ) আমি এর দেনা পরিশোধের দায়িত্ব
গ্রহণ করলাম। অতঃপর রাসূল (সঃ) অগ্রসর হয়ে তার নামাযে জানাজা আদায় করলেন।"

(শরহে সুন্নাহ)

হযরত
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ
আল্লাহ একমাত্র দেনা ব্যতীত শহীদের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দিবেন।

(মুসলিম)

ব্যাখ্যাঃ-
উপরোক্ত দুটি হাদীসে-ই কর্য আদায়ের ব্যপারে অত্যধিক গুরুত্বারোপ করা
হয়েছে। সুরাং যারা দেনা পরিশোধের ক্ষমতা রাখে তাদের উচিৎ ওয়াদা মোতাবেক

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

আল্লাহর ভয় ও স্বামী!

আরিফা জাহান মাদ্রাসার ছাত্রী। সে মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদীস পাস করে! বর্তমানে একজন প্রবাসীর স্ত্রী। যদিও আরিফা জাহানের প্রবাসী স্বামী পছন্দ ছিলোনা কিন্তু তাকদ্বীর বলে কথা তাই অপছন্দ হলেও এখন সে প্রবাসীর স্ত্রী। বিয়ের প্রায় তিনমাসের সময়ই স্বামী পাড়ি জমায় প্রবাসে আর আরিফা জাহানকে দিয়ে যায় স্বামীর ত্রিশ বছরের স্বপ্ন পূরন করতে একজন নবাগতের সুসংবাদ! তাই নিয়ে চলছে আরিফা জাহান। বছর ঘুরে আসতেই আরিফা জাহানের কোলে আসে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান। যাকে বুকে নিয়ে স্বামীর জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণতে থাকে আরিফা জাহান। আরিফার মেয়ের নাম আফিফা জাহান। আফিফাকে নিয়েই সময় কাটতে থাকে আরিফার। আফিফার বয়ষ যখন একবছর তখন স্বামী দেশে আসে কন্যাকে দেখতে। মাত্র কয়েক মাসেই পারিবারিক কলহ ও বউ শাশুড়ী দন্দ ও নানা রকম ঝামেলা নিয়েই কেটে যায় রাব্বীর। মাকে বুঝাতে পারেনা কারন মায়ের অনেক রাগ। আর স্ত্রী সে তো এই সংসারে জন্য নতুন। তাকে সবকিছু মানাতে আরো কিছু সময়ের প্রয়োজন, কিছু সুযোগ দেয়ার প্রয়োজন কিন্তু মা তাকে সেটা দিবে না। এটা কি হয়?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (3টি রেটিং)

আত্মার খোরাক (২)

আসুন জেনে নেই আত্মার খোরাক কিসে? এবং সে অনুযায়ী আমল করতে চেষ্টা করি ও সবাইকে জানাই আল্লাহ ও তার রাসূল (সঃ) কোন কাজে বেশী খুশি হোন।

হযরত
আবু বোরদাতা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর নবী (সঃ) ইরশাদ
করেছেনঃ কিয়ামতের দিন পাঁচটি বিষয়ের হিসাব দান ব্যতীত কাউকে পা নাড়াতে দেয়া
হবেনা। মানুষকে তার হায়াত (জীবন) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে কিভাবে তা
ব্যয় করেছে? আর ইলমকে কি কাজে লাগিয়েছে? এবং তার সম্পদ কিভাবে উপার্জন
করেছে ও কোন পথে ব্যয় করেছে। আর তার শরীর-স্বাস্থ্যকে সে কি কাজে লাগিয়েছে?

তিরমিযী

ব্যাখ্যাঃ- ইসলাম তার অনুসারীদেরকে অর্থোপার্জনের
যাবতীয় অন্যায় ও গর্হিত পন্থা পরিত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। যেমন
চুরি-ডাকাতি, ধোঁকা-প্রতারণা, সুদ-ঘুস ও জোর-জবরদস্তীর মাধ্যমে উপার্জন।
অনুরুপ ব্যয় নির্বাহের ব্যপারেও মানুষকে খোলা হাতে ছেড়ে দেয়া হয়নি। বরং
সেখানেও হালাল-হারামের নিয়নন্ত্রন আরোপ করা হয়েছে। নর্ণিত হাদীসটিতে
আল্লাহর নবী (সঃ) মুসলমানদেরকে তার রুযী-রোজগার ও ব্যয় নির্বাহের ব্যপারে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.3 (3টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১৫তম ও শেষ পর্ব)

কানিজ আযাদের ঘরে এখনো আছে আযাদের স্মৃতি বুকে ধরে। কিন্তু মনিরও
থেমে নেই সেও তার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রতিনিয়ত কানিজকে হাত করতে। কানিজের মা
নিজের বাড়ি ও কানিজের সাথে উভয় স্থানেই থাকে। কারন কানিজ এখান থেকে যেতে
চাইছেনা। সবাই বুঝাতে থাকে কানিজের এভাবে একাকি থাকা ঠিক নয়। কানিজের উচিৎ
এবার নতুন করে সংসারি হওয়া। কানিজও বিষয়টা নিয়ে খুবই ভাবে কিন্তু
সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে কি করবে সে? অন্য কাউকে বিয়ে করা মানে তাকে মনিরের
হাতে সপে দেয়া। শুধু শুধু কেন আরেকজনকে মৃত্যু মুখে হাজির করবে? আর মনিরকে
গ্রহণ করলে মনির হয়তো খুশি হবে কিন্তু কানিজের নিজকে নিজে আরেকবার কোরবানি
দিতে হবে কারন এতে কানিজের মূল্যায়ন কেমন থাকবে? আযাদ তাকে বাহ্যিকভাবে
পূর্ণতা দিতে না পারলেও তাকে যে শান্তনার বাণী শোনাতো তাতে করে কানিজ
অনেকটা আত্মতৃপ্তি লাভ করতো। কিন্তু মনির তো একেবারে বিপরীত। কোন রস কস নেই
তার মাঝে। তার হৃদয়টা যেন শুধু পাথর দিয়েই বানানো সেখানে শুধু কঠোরতা আর
লোভেই পূর্ণ। মনির সবসময় খেয়াল রাখে কানিজের বাসায় কে কখন আসে, কে যায়?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

নববর্ষ নাকি নব-ধ্বংস?

পঞ্জিকার পাতার হিসাব শেষ হয়ে এলো! এলো নতুন বছর! নতুন বছরের আগমনি
ধ্বনি বেজে উঠেছে পৃথিবীর আকাশে-বাতাসে! কে কতটা মূল্যায়ন করেছে গত বছরকে
তার হিসাব করার সময় কারোর নেই! তবে এই রাতকে কে কিভাবে উপভোগ করবেন তার
চেষ্টায়ও কেউ পিছিয়ে নেই! একেকজন একেক রঙ-রুপে সাজিয়ে রেখেছে এই থার্টি
ফার্স্ট নাইটকে! তাকে ঘিরে নানা রকম জল্পনা-কল্পনা কতেক নির্বুদ্ধি আর
বিবচণাহীন যুবক-যুবতীর!

মুনা আর মুনিয়া দুইজন চাচাতো বোন! একসাথে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে! পাশাপাশি বাসা হওয়ার কারনে একসাথে আসা-যাওয়া করে।
দু'জনই খুব ভালো বন্ধু! কেউ কাউকে ছাড়া খায়ওনা, কোথাও যায়ওনা! এমন কি
কেনা-কাটাটাও একই সাথে করে! তবে দুজনে মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে মুনার থেকে
মুনিয়া কিছুটা লাজুক স্বভাবের! সে সবসময় বোরকা না পরলেও বড় ওড়না দিয়ে
মাথাসহ শরীর ঢেকে চলা-ফেরা করে! এই কারনে মুনা মাঝে মাঝে মুনিয়াকে
ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে! মুনা বলে মুনিয়া তুই এখনো সেই সেকেলেই রয়ে গেলি!
আধুনিক হতে পারলিনা! অথচ শহরে জীবন-যাপন করছিস! নিজেকে খানিকটাও পরিবর্তন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১৪ম পর্ব)

কানিজ কয়েকজনকে কল করে যখনই আযাদের কাছে আসে দেখে আযাদ চুপচাপ হয়ে
গেছে এত সময় যে কষ্ট হচ্ছিলো সেটাও এখন আর হচ্ছেনা। কানিজ প্রথমে ভাবে আযাদ
হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছে কিন্তু যখনই আযাদকে ডাকতে থাকে আর আযাদ কোন জবাব ও দেয়
না আর কানিজের দিকে তাকায়ও না তখনই তার মনে ও মস্তিস্কে প্রচন্ড চাপ অনুভব
করে আযাদ কি তাহলে নিরবে চলে গেলো? এমন তো কথা ছিলো না কেন তবে এভাবে চলে
গেলে? কানিজ এসব ভাবতে গিয়ে হঠাৎই পড়ে যায়। যখন ফজর হয়ে চারিদিকে আলো ফুটে
উঠে, পাখিরা গেয়ে ওঠে ঘুম ভাঙানির গান, সূর্যটাও কথামত আকাশে এসে হাজির হয়,
কর্মব্যস্ত মানুষ গুলো কর্মের পেছনে ছুটতে থাকে তখন একজন লোকের ঘুম আসে
চিরদিনের ঘুম। আরেক জন তার মায়ায় স্বজ্ঞান হারিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে ঘরের
মেঝেতে। ভোর রাতে কল পেয়ে যখনই লোকজনের সমাগম ঘটে কানিজের বাবা ও আযাদের
বোনাইরা আসে কানিজ ও যেন আযাদের সাথী হতে চায় তাই সে ও আযাদের মত নিশ্চুপ
শুয়ে আছে। তখনও কানিজের জ্ঞান নেই। তারা কয়েকবার দরজায় কড়া নাড়ে কিন্তু
ভেতর থেকে দরজা কেউই খুলে দেয়না। তাই বাহির থেকে দরজা ভেঙে ভেতরে যায় ওরা

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ঝড়, ছবর অতঃপর জান্নাতের সুখ!

"ঝড়"

নতুন সংসার এরমাঝেও নানা রকম কথা
কাটাকাটি। সংসারে টুকিটাকি হয়ই এসব বলে অনেকে শান্তনা দিলেও যার সাথে সংসার
সে যদি মনের অব্যক্ত কথা বুঝতে না পারে তবে আর কার কাছে সে কথা বলে
শান্তনার বাণী খুজবে? অনেক পছন্দ করে এনেও পরবর্তীতে শাশুড়ীর বউকে না
ভালোলাগা নতুন সংসারে যেন এক কঠিন ঝড়ের উদয় করেছে। এভাবে চলতে চলতে কোল
জুড়ে আসলো পৃথিবীতে যেন সদ্য ফোটা একটি জান্নাতের ফুল। যার হাসি আনন্দে
নারীর পৃথিবীটা অন্য রকম সাজে সজ্জিত হয়। কিন্তু সেটাও স্থায়ী হয়না। ঝড়ের
কাজই হলো সবকিছু তছনছ করে দেয়া। কোনকিছু তছনছ না করে সে যাবেনা। এবেলাতে
যদি কঠিনভাবে ছবর করা যায় হয়তো কয়েকজনে টিকে থাকে নয়তো ভাঙার ঝড়ে ভেঙে পড়ে
চুপচাপ। স্বামী নামক লোকটি বলে কোনভাবেই যখন বণছে না তোমার আর মায়ের, তো
সন্তানটাকে রেখে চলে যাও তোমার মোহরানা দুইলাখ আমি তোমাকে চারলাখ টাকা দিবো
তুমি কোলের বেবীকে রেখে চলে যাও তাতেও যদি সংসারে একজনকে হাসাতে পারি। আর
তোমার জন্য আমি আমার জান্নাত নষ্ট করতে পারবো না। ( উভয়ের অধিকার সম্পর্কে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content