'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

"একটি ফজর ও রহষ্যময় পিঁপড়া"

মানুষ
ভুল ও গুনাহের ঊর্ধে নয়। মানুষের যে কোন কাজে, কথায় যে কোন ধরণের ভূল হতে
পারে। আবার অনুরুপ ভাবে গুনাহ ও হতে পারে। হতে পারে সৎ পথ থেকে বিচ্যুত।
তারপরও মানুষ তোঃ আল্লাহর অপার অনুগ্রহ আর হেদায়াতের নুর তাকে বারংবার
নুরান্বিন করে। এভাবে নুরান্বিত করেই চলে অহরহ। তবে কেউ কেউ সহসাই ভুলের
সংশোধন করতে পারে। আর কেউ কেউ মরনের পূর্ব পর্যন্ত ভুলের কোন সংশোধনই করতে
পারেনা। আর গুনাহ থেকেও নিজেকে মুক্ত করতে পারেনা।

সেই প্রজ্ঞাময়
মহা প্রতিপালক আমাদেরকে সমস্ত ভুল ও সমস্ত গুনাহ থেকে সবসময় মুক্ত রাখুন।
আর তার হেদায়াতের আলোয় আমাদের হৃদয়কে আলোকিত করুন সবসময়। রাতে বেশী দেরী
করে বিছানায় যাওয়া ও এক ধরণের ভূল কাজ। অনেকেই এই কাজটি বিনাবাক্যে করে
ফেলে। আর মনে করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে ক্ষমা করে দেবেন তিনি। আসলেই
মহান আল্লাহর একটি গুণবাচক নাম হলো গফ্ফার তিনি ছোট বড় সকল গুনাহেরই
ক্ষমাকারী।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

মনে পড়ে আজি!

আজকের উত্তপ্ত মরু-মদিনার ছবি।
মদিনাতে
আছি প্রায় দুই বছর চলছে! এর মধ্যে মাত্র তিনবার কারেন্ট গেছিলো! কিন্তু
প্রথমবার যখন কারেন্ট গেছে তখন এক মিনিটের মাথায়ই চলে আসছে। এরপরের বার যখন
গেছে তখন প্রায় দুই মিনিট পর আসছে। আর তারপর যখন গেছে তখন পাঁচ মিনিট পরে
আসছে। এই খানে কখনোই লোড শেডিং লং টাইম থাকেনা। তাই কেউ পানি ভরে রাখেনা।

বেশীরভাগ
লোকের ঘরে চার্জ লাইট নেই। কারন একটাই, চার্জ লাইট দিয়ে কি হবে? বিগত
দিনের সকল সময়ের ঘটনাকে ছাড়িয়ে আজকে সকাল সাড়ে ন'টা থেকে প্রায় একটা পনেরো
মিনিট পর্যন্ত কারেন্ট ছিলোনা। এরপর প্রায় বিশ মিনিট থেকে আবারও চলে গেছে
বিদ্যুত। মদিনা শহরে কারেন্ট নেই তাই মনে পড়ে গেলো স্বদেশের কথা। সেখানো তো
ঘন্টার পর ঘন্টা কারেন্ট থাকেনা। আর ঐঅবস্থায় সবারই প্রায় গা সয়া হয়ে
গেছে।

আর তারা সব সময় প্রস্তুত ও থাকেন। কারেন্ট না থাকলে
প্রার্থমিক ভাবে কি করতে হবে সেজন্য। তারা পানি ভরে রাখেন প্রয়োজন মাফিক।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

প্রবাস ও আত্মার প্রশান্তি!

কা'বা ঘরের ছবি।

মসজিদে নব্বীর ভেতরের অংশ। উপরে সবুজ গম্বুজ দিয়ে শনাক্ত করা রাসূল (সঃ) এর রওজা। আর পাশেই রিয়াদুল জান্নাহ।

এই
সেই রিয়াদুল জান্নাহ এর জলপাই রঙ ও সাদা রঙে মিশ্রিত কার্পেট! যেখানে দুই
রাকাত নামাজ পড়ার জন্য সকল মুসল্লি আকাংখিত। এখানে দুই রাকাত নামাজ পড়ে যে
দোয়া করা হয় তা কবুল করে নেন আল্লাহ তা'য়ালা।

কি বর্ণে বর্ণনা করবো
মনের ভাষা। ভাষা যেন খুজেই পাইনা। বরকতময়তা। আলহামদুলিল্লাহি। একমাত্র মহান
আল্লাহর প্রতি সিজদাহ এ অবনত হয়ে আর তার দানের প্রশংসা করে সাথে শুকরিয়া
আদায় করলেও এর শুকরিয়া আদায় হবেনা। আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহ আমাদেরকে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

"মদিনার চত্বরে" ছবি ব্লগ (৯পর্ব)

এই ছবিটা মসজিদে নব্বীর অভ্যন্তরীন অংশ! রিয়াদ্বুল জান্নাহ এর পাশে।

রিয়াদ্বুল জান্নাহ থেকে বের হয়ে আসার সময় উপরে রাসূল (সঃ) এর রওজার সবুজ গম্বুজের ছবি।

রিয়াদ্বুল জান্নাহ বরাবর উপরের ছবি। এখানে গিয়েই মানুষ দুই রাকাত নামাজ পড়ে।

মসজিদে নব্বীর মহিলাদের বাউন্ডারি মধ্যে পানির পান-পাত্র। সাথে ওয়ান টাইম গ্লাসের ব্যবস্থা। তবে এটা জমজম না।

মসজিদে
নব্বীর ভেতরের পিলার। এর চতুর্পাশে আল-কোরআন রাখা থাকে! যাতে করে সহজেই

আপনার রেটিং: None

বিনোদন শুধু গুনাহ নয় (ছবি ব্লগ)

ইয়ানবো
শহরের সাগরের বেলাভূমিতে দাড়িয়ে আমি আমরা! প্রভাতে উদিত খুব কাংখিত
সূর্যেরদ্বয়ের অস্তমিত হবার মনোরম দৃশ্য যেন হৃদয়কে মুগ্ধ করে দেয়! হৃদয়কে
আন্দোলিত করে তুলো সাগরের ঢেউয়ের স্রোত গুলো! সুবহানাল্লাহ-আলহামদুলিল্লাহ!
মহান আল্লাহর কি অপরুপ সৃষ্টি! যা না দেখলে বিশ্বাস হবেনা! আমরা এখন
দাড়িয়ে আছি সৌদি আরবের লৌহিত সাগরের তীরে! বর্তমানের অনুভূতি বাস্তবে ভাষায়
প্রকাশ করতে পারবো কিনা জানিনা!

সাগর পরিচিতিঃ লোহিত সাগর
(ইংরেজিতে: Red Sea) ভারত মহাসাগরের একটি অংশ এটি! যা আফ্রিকা ও এশিয়া
মহাদেশকে পৃথক করেছে। সাগরটি দক্ষিণে বাব এল মান্দেব প্রণালী ও এডেন
উপ-সাগরের মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে যুক্ত। সাগরটির উত্তরাংশে সিনাই
উপদ্বীপ, আকাবা উপ-সাগর এবং সুয়েজ উপ-সাগর অবস্থিত।

সাগরের আয়তনঃ
লোহিত সাগরের পৃষ্ঠদেশের ক্ষেত্রফল প্রায় ১,৭৪,০০০ বর্গকিলোমিটার। সাগরটি

আপনার রেটিং: None

রাতে চুরি করে দিনে হারাম খায়!

"এক লোক রাতে চুরি করে দিনে হারাম খায়
সেই লোক হাসতে হাসতে জান্নাতে যায়"!
কথাটা পড়ে অবাক হচ্ছেন সবাই? না অবাক হওয়ার কিছুই নেই! আমিও কথাটা শুনে প্রথমে অবাকই হয়েছিলাম! কিন্তু পরে বুঝলাম অবাক হওয়ার কিছুই নেই! বাস্তব কথা এটা! সাথেই থাকুন সামনে ব্যাখ্যা আসছে! তখন বুঝতে পারবেন আমি আসলে মিথ্যা কথা বলছি না!
এক লোক রাতে চুরি করে দিনে হারাম খায়
সেই লোক হাসতে হাসতে জান্নাতে যায়! এই কথার ব্যাখ্যাঃ
মনের মাঝে প্রশ্ন আসলো রাতের বেলা চুরি করে আর দিনের বেলাতে হারাম খায় সে কিভাবে জান্নাতে যায়? রাতে চুরির অর্থ হলো রাতের বেলা সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন সে একাকি উঠে আল্লাহর সামনে হাজির হয়! নিজের গুনাহের জন্য অনুতপ্ত হয়! আল্লাহর কাছে রোনাজারি করে ক্ষমা প্রার্থনা করে! আর দিনের বেলা যে কেউই তাকে মন্দ-ছন্দ যাই বলুক সে প্রতিবাদ করার শক্তি থাকা সত্যেও কোনই প্রতি উত্তর করেনা হজম করে নেয়! মানে তাদের কথার পরিবর্তে সে প্রতিবাদ করেনা! আর তার গুনাহ ও হয়না! সে সেই কথাকে সেই গুনাহকে হজম করে নেয়! (গুনাহ হারাম) তাই এই কথাকে এভাবে বলা হয়েছে যে, হারাম খায়!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (4টি রেটিং)

"জুলুমের পরিণতি"

মানুষ যেন হঠাৎ করেই সচেতন থেকে অচেতন হয়ে যাচ্ছে। হয়ে যাচ্ছে মানুষ
থেকে অমানুষ। দিন দিন মানুষের মনুষত্য হারিয়ে যাচ্ছে যেন নদীতে ভাটা পড়ার
মত। আজকালকার মানুষেরা যেন কেউই কারোর ভালো চায়না। সবাই যেন সামনে হাসি
মুখে কথা বললেও পিছনে ক্ষতিটাই বেশী কামনা করে। সবাই চায় একজন থেকে আরেক জন
যেন অর্থে, সম্পদে, ধনে, জনে, এমন কি জ্ঞানেও বড় থাকতে। যার যতটুকুন আছে
তা নিয়ে সন্তুষ্ট না থেকে বরং অহংকার নিয়ে চলতে পছন্দ করেন এই যুগের
মানুষেরা।

মানুষ কথার মাঝে যুক্তি দেয় অহংকার পতনের মূল কিন্তু সেই
অহংকারের রঙেই কিছু মানুষ নিজেকে রাঙিয়ে রাখে যা শোভনীয় নয়। মানুষ সৃষ্টির
সেরা জীব। এরপরও সেই মানুষই আবার কখনো কখনো নিজের কর্মের কারনে হয় নিকৃষ্ট
জীব। ছোট হোক আর বড় হোক কেউ যদি কারোর উপর জুলুম করে তবে কোন না কোন সময়
মাজলুমের বদ্দোয়ার স্বীকার হবে এটাই স্বাভাবিক। একজন মাজলুম ব্যক্তি সরকারি
চাকুরীর পাশাপাশি একটি ছোটখাট ক্ষেতে কিছু সবজির চাষ করতেন। তার সংসার বড়
তাই সেই সবজি বাগান থেকে যা কিছু আসে তা থেকে নিজেরাও খেতেন আবার পাড়া
প্রতিবেশীদেরকেও দিতেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

"মদিনার চত্বরে" ছবি ব্লগ (৮ পর্ব )

মসজিদে
নব্বীর রাসূল (সঃ) রওজার সবুজ গম্বুজ! এটা অবলোকন করে লোকে বুঝতে পারে
এখানে অবস্থিত বিয়াদুল জান্নাহ! এই স্থান ভ্রমণকারিদের আকাংখিত স্থান!
মক্কা মদিনায় সফরে যারাই আসেন তাদের প্রায় সকলেরই আকাংখিত এই স্থান! এই
স্থানে না গেলে যেন সফর আত্মতৃপ্তি লাভ হয়না! আল্লাহ সবাইকে তৌফিক দিন
মক্কা-মদিনা সফর করার!

মসজিদে নব্বীতে প্রবেশের দরজা বিশেষ!

মসজিদে নব্বীতে মুসল্লির জুতা রাখার আলমারি বিশেষ।

মসজিদে নব্বীতে প্রবেশ পথে উপরে ঝুলানো ঝা'র বাতি বিশেষের ছবি!

আপনার রেটিং: None

ভাল বন্ধু হয়ে!! ( ধারাবাহিক গল্প ১৪ পর্ব)

তেরো পর্বের পর

সেদিনের পর থেকে পরশ রোকেয়া ভাবির ঘরে যাওয়া
একেবারে বন্ধ করে দিলো। সে নিজে ও কষ্ট পাচ্ছিলো ভাবির সঙ্গ ত্যাগ করাতে
কিন্তু কি করা? মনের কষ্টে পরশ আল্লাহকে বলে হে আল্লাহ তুমি মানুষের মাঝে
এমন দুষ্ট মানুষও বানিয়েছো যারা মানুষকে কাঁদায়? যারা আমাকে, ভাবিকে
কাঁদাচ্ছে তুমি তাদের হিদায়াত দাও আর আমাদেরকে ধৈর্য দাও। সময় কারোর জন্যই
থেমে থাকেনা সময়ের গুণমতে সময় অতিবাহিত হতে থাকে তার নির্ধারিত নিয়মে এই গত
হয়ে যাওয়া সময়ের যারা সৎ ব্যবহার করেছেন তারাই কামিয়াব হয়েছেন আর যারা
সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে পারেন নি তারাই বর্বাদ হয়েছেন কিন্তু কারো কারো
চোখ আল্লাহ খুলে দেন তারা বুঝতে পারে আর কারো কারো চোখ মরনেও খুলেনা তারা
অন্ধ ও অজ্ঞ হয়েই মারা যান আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন! পরশ সবার জন্য
কল্যাণের দোয়া করে সব সময়!

ভাবি পরশকে কিছুতেই ভুলতে পারে না। ভাবি
ভাবছে পরশে এত অল্প বয়ষে কতকিছু জানে, কত আমল করে অথচ পরশের তুলনায় সে
নিজে তেমন কিছুই জানেনা। তেমন আমলও নেই তার। তারপর ও পরশের সাথে দেখা হওয়ার

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

আর পারিনা আর পারিনা+বৃথা যাবেনা!

আর পারিনা আর পারিনা

কোনভাবে ধৈর্য ধরতে প্রভু!
কোটি কোটি লোকের জীবনের বিনিময়ে হলেও

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)
Syndicate content