'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

"সাক্ষাত"

একজন মু'মিনের সবচেয়ে আনন্দের বিষয় আল্লাহ্ তা'আলার সাক্ষাত:

একজন সত্যিকার মু'মিনের সবচেয়ে বড় চাওয়া পাওয়া হচ্ছে আল্লাহ্‌র সাক্ষাত ও পরকালে আল্লাহর দিদার লাভ।
রাসুল (সঃ) বলেছেন
من أحب لقاء الله أحب الله لقائه      ومن كره لقاء الله كره الله لقائه         ( مسلم)
 যে আল্লাহর সাক্ষাত ভালোবাসে আল্লাহ্ তার সাক্ষাত কে ভালো বাসেন। আর যে আল্লাহর সাক্ষাত কে অপছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাত কে অপছন্দ করেন। ( মুসলিম)

এজন্য একজন মু'মিন  সারাক্ষন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিয়মিত ফরজ ও নফল নামাজ, তিলাওয়াত, যিকির, দোয়া, ইসলামী  দাওয়াত, ইত্যাদি ইবাদত  নিয়ে ব্যস্ত থাকে সাথে সাথে সকল কবিরা গুনাহ ও শিরক বিদআত থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে।

সে প্রতি মুহুর্তে মৃত্যুর জন্যে আল্লাহ্ তা'আলার সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত থাকে।

আপনার রেটিং: None

♣বিষয়: আরাফার দিন রোযা রাখা। #কেন, #কিভাবে, #কোনদিন এই রোযা রাখবেন?

জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ হল আরাফার দিন, (চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল)। এই দিনে হাজীগণ আরাফার ময়দানে উপস্থিত হন বলে এই নামকরণ হয়েছে। এই দিনের রোযা রাখার ফজিলত প্রসঙ্গে মহানবী (সা:) জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বলেছিলেন-

♦‘‘আরাফার দিনের রোযা বিগত এক বছরের এবং আগামী এক বছরের কৃত পাপরাশিকে মোচন করে দেয়।’’ [মুসলিম, তিরমিজী]

♦সাহল বিন সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা:) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি আরাফার দিন রোযা রাখে তার উপর্যুপরি দুই বৎসরের পাপরাশি মাফ হয়ে যায়।’’ [সহিহ তারগীব]

 ♦রাসূল (সা:) আরো বলেছেন- "আরাফার দিনের রোযার সাওয়াব এক হাজার দিন রোযা রাখার সমান।" [তারগীব]

**কোনদিন আরাফার রোযা রাখবেন?

♣উপরের আলোচনা থেকে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন, এই দিনের রোযার কত ফজিলত। তাই আপনি হয়তো মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন এইদিন রোযা রাখবেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোনদিন "ইয়াওমুল আরাফা"?

আপনার রেটিং: None

"হে বোনেরা গার্ল ফ্রেন্ড নয় নেককার স্ত্রী হোন তবে জান্নাত সহজ হবে"

মুসলিম সকল বোনই আমার প্রিয়তমা বোন। আর বোন হয়ে বোনের চির কল্যাণ চাওয়াই বোনের চাওয়া। আমার প্রিয়তম বোনেরা আপনারা অনেকেই অনেক অনেক নেকের কাজ করেন। পরোপকারে আপনাদের হৃদয় পূর্ণ। মানুষকে নিজে না খেয়ে খাবার দেন। আপনারা অনেক অনেক নেকের কাজে নিয়োজিত। নেক কাজে আপনাদের প্রতিযোগীতা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমার প্রিয়তমা বোনেরা আপনারা অনেকেই মানুষের কাছে অনেক অনেক প্রিয় আপনাদের সুন্দর ব্যবহারের কারনে। কিন্তু আমার অনেক বোন এমনও আছেন যারা পরো-লোকের কাছে প্রিয় কিন্তু স্বামীর কাছে প্রিয় হতে পারেন না। স্বামী দায়িত্বের খাতিরে আপনার ভরন-পোষন করছেন ঠিকই কিন্তু মনের মাঝে হাজারো দুঃখ নিয়ে। এটা কিন্তু সত্যিই দুঃখের বিষয়। যার কাছে আপনার গ্রহণ যোগ্যতা বিশাল। কিন্তু আপনি তাকে মূল্যায়নই করেন না। তো আপনি যদি তাকে মূল্যায়ন না করেন তবে নিজে কিভাবে মূল্যায়ন পাবেন? আগে তো মল্যায়ন করতে হবে তখন সময়ের ব্যবধানে আপনিও মূল্যবান হীরার চেয়েও মূল্যবান হয়ে উঠবেন তার কাছে।

আপনার রেটিং: None

"যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনে করণীয় আমল"

জিল-হজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনের গুরুত্ব ও করণীয়: প্রথমত: গুরুত্ব ও ফজিলত:

১. আল্লাহ তা'য়ালা এ দশ দিনের রাতসমূহেরو কুরবানির দিনের ও আরাফাতের দিনের কসম করেছেন। ( সূরা আল-ফাজর) এর দ্বারা এ দিনগুলোর গুরুত্ব প্রমাণিত হয়।

২. রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেন: :
ما من أيام العمل الصالح فيها أحب إلى الله من هذه الأيام قيل: ولا الجهاد في سبيل الله ؟ ولا الجهاد في سبيل الله ، إلا خرج رجل بنفسه وماله فلم يرجع. (ابو داود، رقم- ٢٤٣٨)
 এ দশ দিনের নেক আমলসমূহ আল্লাহর নিকট অতি প্রিয় (অন্য বর্ণনায় এসেছে: গুরুত্বপূর্ণ) (বুখারী)
দ্বিতীয়ত: এ দশ দিনের যে সকল নেক আমল করা সম্ভব: (তা ১০ প্রকার)

১. জিল-হজ্ব মাসের চাঁদ উঠা থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত সাধারণভাবে বেশি বেশি তকবীর পড়া। আর বিশেষভাবে আরাফাতের দিনের ফজর সালাত হতে ১৩ তারিখের আসর সালাত পর্যন্ত প্রত্যেক সালাতের পর তাকবীর পড়া।
তাকবীর হচ্ছে:
আল্লাাহু আকবার, আল্লাাহু আকবার,আল্লাাহু আকবার, লাা ইলাাহা ইল্লাাহ, ওয়াল্লাাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাাহিল হামদ্।

আপনার রেটিং: None

শির্কের পরিণতি:

শির্ক হল সবচেয়ে বড় অপরাধ, ঈমান বিনষ্ট কারী, জান্নাত হারামকারী ও জাহান্নাম অপরিহার্যকারী। একজন ঈমানদারের জন্য এর চেয়ে আর কোন বড় পরিণতি হতে পারে না। বিষয়টিকে আরো পরিস্কার করার জন্য কুরআন ও হাদীসের আলোকে সংপ্তিভাবে নিম্নে আলোকপাত করা হলঃ

১। কোন ব্যক্তি শির্কে আকবারে লিপ্ত হলে চূড়ান্ত ভাবে পথ ভ্রষ্ট এবং ঈমান ও ইসলাম হতে বের হয়ে যায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
وَمَن يُشْرِكْ بِاللّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلاَلاً بَعِيدًا
“আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশী স্থাপন করে সে চূড়ান্তভাবে পথভ্রষ্ট গুমরাহ হয়ে যায়। সূরা নিসাঃ ১১৬।

২। শির্কে আকবারের অপরাধ তাওবা ছাড়া কখনও ক্ষমা হয়না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
إِنَّ اللّهَ لاَ يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে অংশী স্থাপনের অপরাধ ক্ষমা করেন না, অবশ্য শির্কের অপরাধ ছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। সূরা নিসা: ৪৮।

৩। শির্কে আকবারে লিপ্ত হলে যাবতীয় সৎকর্ম বাতিল হয়ে যায়: আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

আপনার রেটিং: None

শির্ক

আমরা আমাদের অজান্তে অনেক গুনাহ করে ফেলি। আমরা জানি না বা বুঝতেও পারিনা শির্ক কত বড় গুনাহ যার কারনে আমাদের উপর জাহান্নাম অবধারিত হয়ে যেতে পারে। আল্লাহর কাছে পানাহ চাই। আমরা না জেনে না বুঝে অগ্যতাবশত অনেক রকমের গুনাহ করতে পারি। তাই জেনে নেই কি কি কথা বা কাজে আমাদের শির্ক হওয়ার সম্ভবনা আছে। মহান আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলকে শির্ক ও কুফুরী মুক্ত হায়াতে তয়্যীবাহ্ দান করুন ও ঈমানের সাথে বাঁচিয়ে রাখুন ও ঈমানের সাথে মৃত্যু নসীব করুন।  
বহুল প্রচলিত কয়েকটি শির্ক, আর শির্ক করে তওবাহ না করে
 মারা গেলে নিশ্চিত জাহান্নামঃ-

* শরীরে যেকোন প্রকার তাবিজ ঝুলানো শির্ক [ আহমদ: ১৭৪৫৮, সহিহ হাদিস:৪৯২]

* আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো নামে কসম করা শির্ক [আবু দাউদ:৩২৩৬(ইফা)]

* কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষন বা কুলক্ষণ মনে করা শির্ক [বুখারি :৫৩৪৬, আবু দাউদ:৩৯১০]

* আল্লাহর গুণবাচক নামে অন্য কাউকে ডাকা শির্ক (যেমন: কুদ্দুস, রাহমান, রহীম, জাব্বার, সালাম, মুমিন ইত্যাদি) [সুরা ইসরা:১১০, হাশর]

আপনার রেটিং: None

"আসুন একটু পিছনে ফিরে তাকাই"

হজ্জ কর্মসমূহের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

 তাওয়াফ: পবিত্র কুরআনে এসেছে: এবং আমি ইব্রাহীম ও ইসমাইলকে (আঃ) দায়িত্ব দিলাম যে তোমরা আমার ঘর পবিত্র করো তাওয়াফকারী ও ইতিকাফকারীদের জন্য।
এ আয়াত থেকে বুঝা যায় তাওয়াফ কা'বা নির্মাণের পর থেকেই শুরু হয়েছে।

  وَعَهِدْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ أَنْ طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ (সূরা আল বাকারা : ১২৫)

 রামল:  রামল শুরু হয় সপ্তম হিজরীতে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ষষ্ঠ ‘হিজরীতে হুদায়বিয়া থেকে ফিরে যান উমরাহ আদায় না করেই। হুদায়বিয়ার চুক্তি অনুযায়ী পরবর্তী বছর তিনি ফিরে আসেন উমরা পালনের উদ্দেশ্যে। সময়টি ছিল  যিলকদ মাস। সাহাবাদের কেউ কেউ জ্বরাক্রান্ত হয়েছিলেন এ বছর। তাই মক্কার মুশরিকরা মুসলমানদেরকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে পরস্পরে বলাবলি করতে লাগল, ‘এমন এক সম্প্রদায় তোমাদের কাছে আসছে ইয়াছরিবের (মদিনার) জ্বর যাদেরকে দূর্বল করে দিয়েছে।

আপনার রেটিং: None

"হে ভাই ও বোন দেখুন জান্নাতী স্বামী স্ত্রীর প্রতিচ্ছবি"

সুমাইয়া ফজরের নামাজের জন্য তার বরকে ডাকতে ডাকতে গলা শুঁকিয়ে আসছে। তবুও সা'দের উঠার নাম নেই। সে বলে আরেকটু পর আরেকটু পর। সাদিয়ার মাথায় এক বুদ্ধি আসলো সে ফটাফট জগ থেকে  হাতে পানি নিয়ে সা'দের দু'চোখের ফেলে বলতে লাগলো ঘুম কিছুটা সময়ের জন্য তুমি ঘুরে এসো আর আমার স্বামীকে সুযোগ দাও আল্লাহ্ তা'য়ালা হুকুম পালন করতে। এই বলেই সুমাইয়া হাসতে থাকে আর হাতটা ঝারতে থাকে। সুমাইয়া বলতে থাকে ওগো প্রাণের স্বামী আমি তোমাকে ছেড়ে একাকি জান্নাতে যেতে চাইনা তাই তুমি ওঠো আর ফজরের সালাত আদায় করে এসো। আমি দুনিয়াতে ও তোমার পাশে থাকতে চাই আর জান্নাতেও। ওঠো আমার দোজাহানের সাথি। সা'দ প্রথমে কিছুটা রাগার চেষ্টা করলেও সা'দ দেখে আসছে সেই বিয়ের প্রথম দিন থেকেই সুমাইয়ার এই আচরণ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

আয়, বোনাস ও আমাদের ধান্ধা ...

আয়, বোনাস ও আমাদের ধান্ধা ... আপনি একটি অফিসে চাকরী করেন। আপনার মাসিক বেতন ৩০,০০০/০০ (ত্রিশ হাজা টাকা)। তাহলে, আপনার দৈনিক বেতন দাঁড়ায় ১,০০০/০০ টাকা, যা আপনি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘন্টা কাজ করে আয় করেন। সেই হারে আপনার প্রতি ঘণ্টায় রুজী ১২৫/০০ টাকা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ঈমানের সাথে!

আমি ছিলাম দুনিয়া প্রেমী
ভ্রান্ত পথের পথিক!
আল্লাহ আমায় অনুগ্রহ করে
দেখিয়েছে পথ সঠিক!

পাপে জড়িতো আমি পেলাম
জান্নাতের বাগানে ঠাঁই!
আজীবন এভাবেই রেখো
আর এবাগানেই মৃত্যু চাই!

নরকের কীট ছিলাম, তুলে এনে
দিয়েছো কোরআন হাতে!
হে আল্লাহ; দয়া করে মৃত্যু দিও
ঈমান আমলের সাথে!

ভুল করি গুনাহ করি
ক্ষমা করে দিও!
আখেরাতে ক্ষমা করে
জান্নাতের ফায়সালা করিও!

২১ শে এপ্রিল ২০০৬

আপনার রেটিং: None
Syndicate content