'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

"আন্তরিক প্রার্থনা"

হে আল্লাহ্ তোমার প্রিয় হাবীব রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) এর আদর্শ অনুসরনে যারাই অগ্রগামি আমাকেও সে দলে শামিল করো। খুব প্রচারিত ভ্রান্তদল থেকে দুরে রাখো। আমিন।

আপনার রেটিং: None

"জ্ঞানী ব্যাক্তিত্ব"

পৃথিবীর মধ্যে তারাই সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ যারা নিজের মগজকে এলম্ অর্জনের কাজে লাগায়। আর এলম্ অর্জন হয়ে গেলে তা মানুষকে হেদায়াতের পথে আনতে কাজে লাগায়। জ্ঞানীরা তাদের সময়কে এত মূল্যায়ন করে যে প্রতিটা মূহুর্তই স্বর্নতুল্য তাদের কাছে। এভাবেই তারা স্বর্নতুল্য সময় মূল্যবান জান্নাতের কাজে ব্যয় করে। তাদের সময়, তাদের সম্পদ, তাদের জানকে তারা জান্নাতের বিনিময়ে বিক্রি করে আর জান্নাত খরিদ করে। এই দলের লোকগুলো মরে গিয়েও অমর হয়ে থাকে পৃথিবীর বুকে। তারা আল্লাহ্ থেকে পূরন করিয়ে নেয় দুনিয়ার যাবতীয় চাহিদা। আর আদায় করে নেয় মানুষের অন্তরের দোয়া ও ভালোবাসা। যদিও তাদের দুনিয়ার জীবনটা থাকে অভাব অনটনে আর আখেরাতের জীবন থাকে পরিপূর্ণতায়। সুবহানাল্লাহ্ 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

দুরে গেলে।

জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িতো ভালোবাসা আর অভিমান। কাছে থাকলে কতশত খুনসুটি আর দুরে গেলে ভালোবাসার টানে মনটা কেঁদে ওঠে। আসলেই কাছের মানুষেরা দুরে গেলেই বুঝা যায় সে কতটা প্রিয়। সে কতটা ভালো। সে কতশত গুণে গুনাণ্বিত। প্রিয়জন দুরে গেলেই মন বুঝে কতটা ভালোবাসে তাকে। সে কতটা আপন ছিলো?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)

দুশ্চিন্তা-মুসিবত ও পেরেশানী দূর করার উপায়

দুশ্চিন্তা-মুসিবত ও পেরেশানী দূর করার উপায় পার্থিব জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ও স্বাভাবিক ব্যাপার হচ্ছে দুঃখ, দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানী। কারণ, দুনিয়া কষ্ট, মুসিবত ও সঙ্কটপূর্ণ স্থান। দুনিয়া এবং জান্নাতের মধ্যে পার্থক্য এখানেই। জান্নাতে নেই কোন দুঃখ, দুশ্চিন্তা ও বিষণ্নতা। আল্লাহ তা'আলা বলেন,

لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُمْ مِنْهَا بِمُخْرَجِينَ

‘সেখানে তাদেরকক্লান্তি স্পর্শ করবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃতও হবে না।’ (  সূরা হিজর : ৪৮)

 জান্নাতবাসীদের অন্তর কখনো কলুষিত হবে না এবং কষ্টদায়ক কোন শব্দ তাদের কানে পৌঁছবে না।
আল্লাহ তা'আলা বলেন,

لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا ﴿25﴾ إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا ﴿26﴾

‘তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন বেহুদা কথা, এবং না পাপের কথা; শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম।’ ( সূরা ওয়াকেয়া : ২৫-২৬)

আপনার রেটিং: None

"দিনলিপি"

জীবনের এক একটি পর্যায়গুলো যেন তাসবীহ দানার মতো সারি সারি মুক্তায় গাঁথা। একটি সমস্যার পর আরেকটি সমস্যা অটোমেটিকলি আসতেই থাকে। না চাইলেও তার আগমন নিঃশব্দেই হয়ে যায়। মু'মিন-মু'মিনাহ্ গণ সেই সমস্যাকে ধৈর্য আর শুকরিয়ার সাথে মোকাবেলা করে। আর বাকিরা তা নিয়ে হা-হুতাশ করে। হে আল্লাহ্ জীবনের এই পর্যায়গুলোতে তোমার প্রিয়বান্দা-বান্দিদের কাতারে রেখো। আমাদেরকে কখনোই অধৈর্যের বা হা-হুতাশিদের মতো করোনা। আমাদেরকে সব সময় শাকেরাহ্ সাবেরাহ্ দের সাথে শামিল রেখ। আমিন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"সঙ্গোপনে তোমার তরে"

সঙ্গোপনে তোমার তরে কেবলই প্রার্থনা
সকল চাওয়া তোমার কাছে নিরবে নিভৃতে। যা মোদের প্রয়োজন, যাতে মোদের কল্যাণ উভয়-জাহানে। তুমি তাই করো দান হে দয়াবান। আমরা চাই বা না চাই। মনের সঙ্গোপনের সকল চাহিদা পূর্ণ করো হে রাহমান। আমি তো চাইতে পারিনা চাহিদা মতে। তুমি দিয়ে দাও যা প্রয়োজন আছে। তোমার ক্ষমা, তোমার দয়া, তোমার অনুগ্রহ, তোমার একান্ত সন্তুষ্টিই আমাদের সম্বল। তাই সবসময়ের প্রার্থনা তুমি তোমার মতো করে পরিচালিত করো আমাদ্বয়কে..........আমিন ইয়া রব্ব।

আপনার রেটিং: None

সহীহ বুখারী শরীফের ১০ টি বৈজ্ঞানিক হাদিসঃ

১) নবীজি (সঃ) বলেন,"জ্বর আসে জাহান্নামের তাপ থেকে!সুতরাং,জ্বর কে পানি দ্বারা প্রশমিত কর! (সহীহ বুখারী,, খন্ড: ৭:অধ্যায় ৭১:হাদিস ৬২১)

২) নবীজি (সঃ) বলেন,"যদি কারো পানিতে মাছি পড়ে যায়,তবে মাছিটিকে পানিতে চুবিয়ে তারপর পান কর!কারণ,মাছির এক ডানায় আছে রোগ,অন্য ডানায় আছে প্রতিকার! "(সহী বুখারী, 4:54:537)

৩) নবীজি (সঃ) বলেন,কালোজিরা আস-সামস ব্যতিত সর্বরোগের ঔষধ! আয়েশা জিজ্ঞেস করেন,আস-সামস কি?নবীজি উত্তরে বলেন,মৃত্যু!(বুখারী ৭:৭১:৫৯১)

৪) নবীজি (সঃ) বলেন,"যারা রোপ্যপাত্রে পানি পান করে,তারা জাহান্নামের আগুন দ্বারা তাদের পেটপুর্ণ করে! (বুখারী 7:69:538)

৫) নবীজি (সঃ) বলেন,"জাহান্নামের আগুণ আল্লাহর কাছে অভিযোগ করল,"হে আমার প্রতিপালক,আমার বিভিন্ন অংশ পরস্পরকে খেয়ে ফেলছে!সুতরাং,তিনি জাহান্নামকে দুইবার শ্বাস নেয়ার অনুমতি দিলেন,একটিটি শীতকালে (প্রশ্বাস),অন্যটি গ্রীষ্মকালে (নিঃশ্বাস)!এবং এটাই (গ্রীষ্মকলে) প্রখর গরম ও (শীতিকালে) তীব্র শীতের কারণ!
(বুখারী 4:54:482)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"স্বামীর ভালবাসা অর্জনের উপায়" (প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না)

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে।
বোনদের জন্যে
নারী সুলভ আচরণ করুন (যেমনঃ কোমল হওয়া), স্বামীরা তাদের স্ত্রীর জায়গায় কোন পুরুষ চায় না! সুন্দর/আকর্ষণীও পোশাক পরুন। আপনি যদি গৃহিণী হন, সারাদিন ধরে রাতের পোশাক (ঢিলাঢালা আরামদায়ক পোশাক) পরে থাকবেন না। ঘাম/মশলা জাতীয় গন্ধ থেকে পরিচ্ছন্ন ও সুরভিত থাকুন। আপানর স্বামী বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সাথে সাথে আপানার যাবতীয় সমস্যার কথা বলা শুরু করবেন না। তাকে কিছুটা মানসিক বিরতি দিন। বার বার জিজ্ঞেস করবে না, ‘কি ভাবছ? ’অনবরত দোষারোপ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন, যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহ্ আপনাকে আসলেই সত্যিকার অর্থে অভিযোগ করার মত কিছু দেন। অন্যের কাছে নিজেদের স্বামী-স্ত্রীর সমস্যার কথা বর্ণনা করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন; এমনকি সাহায্য বা পরামর্শ চাওয়ার অজুহাতেও না!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

গত সপ্তাহে অনূদিত মসজিদে নববীর খুতবা।

গত সপ্তাহে অনূদিত মসজিদে নববীর খুতবা।

#খতিব: শায়খ আব্দুর বারী আস-সুবাইতি।

#বিষয়: সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণে ইসলামের উৎসাহ।

জন্মের পর থেকে মানুষের জীবনে বিভিন্ন পরিবর্তন আসে। কখনো সে শিশু আবার কখনো সে কিশোর, এরপর সময়ের ব্যবধানে যৌবন পাড়ি দিয়ে সে পৌছে যায় বার্ধক্যে। সময়ের এই পরিবর্তন-পরিবর্ধনে মানুষ স্বপ্ন দেখে সুন্দর পৃথিবীর এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ার, এবং এ জন্য সে বিভিন্ন প্লান-প্রোগ্রাম করে, যাতে সে তার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে। ক্ষণস্থায়ী এই পৃথিবীতে মহান আল্লাহর বিধানগুলো পালনের পাশাপাশি আপনি আনন্দময় জীবন যাপন করবেন বা আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যত বিনির্মাণে সুন্দর সুন্দর ছক আঁকবেন এতে ইসলাম বাঁধা দেয় না, বরং ভবিষ্যত জীবন গঠনে এ ধরণের ‘তাখতীতকে’ ইসলাম সাধুবাদ জানায়। তবে এই জায়গায় সাধারণত মানুষ ভুল করে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"তাকদ্বীরের স্তর বা পর্যায় সমুহ চারটি"

"তাকদ্বীরের স্তর বা পর্যায় সমুহ চারটি"

তাকদ্বীরের স্তর বা পর্যায় সমুহ চারটি; যার উপর কুরআন ও সুন্নায় অসংখ্য দলীল প্রমাণাদি এসেছে আর আলেমগণও তার স্বীকৃতি দিয়েছেন।
প্রথম স্তরঃ অস্তিত্ব সম্পন্ন, অস্তিত্বহীন, সম্ভব এবং অসম্ভব সবকিছু সম্পর্কেআল্লাহর জ্ঞান থাকা এবং এ সবকিছু তাঁর জ্ঞানের আওতাভুক্ত থাকা। সুতরাং তিনি যা ছিলো এবং যা হবে, আর যা হয়নি, যদি হতো তাহলে কি রকম হতো তাও জানেন। এর প্রমাণ আল্লাহর বাণীঃ "যাতে তোমরা বুঝতে পারো যে, আল্লাহ্ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান এবং জ্ঞানে আল্লাহ্ সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন" [সূরাহ আত-ত্বালাকঃ ১২] সহীহ বুখারী ও মুসলিমে ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর হাদীসে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (সঃ) কে মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ তারা কি কাজ করতো (জীবিত থাকলে) তা আল্লাহই ভালো জানেন'" [বুখারী:১৩৮৪, মুসলিম: ২৬৫৯]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content