'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

"কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সূর্য গ্রহন ও চন্দ্র গ্রহন"

কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সূর্য গ্রহন ও চন্দ্র গ্রহনের কোন প্রভাব গর্ভবতী মা, বা তার গর্ভস্থ ভ্রুনের উপর পড়ে না। গর্ভবতী মা কোন কিছু কাটলে, ছিঁড়লে বাচ্চা ঠোঁট কাটা জন্মাবে, কোন কিছু ভাঙলে, বাঁকা করলে সন্তান বিকলাঙ্গ হয়ে জন্ম নেবে – এধরনের যত কথা প্রচলিত আছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা, যার সাথে কুরআন ও সুন্নাহর কোন সম্পর্ক নেই।

চন্দ্র, সূর্য বা অন্য কোন সৃষ্ট বস্তু অদৃশ্য ভাবে কারও উপকার বা ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে এধরনের বিশ্বাস রাখা তাওহীদের পরিপন্থী।

যে আল্লাহ তা’য়ালা ও শেষ দিবসে বিশ্বাস রাখে তার মনে রাখা উচিত যে, আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শনের মধ্যে চন্দ্র, সূর্যের গ্রহণও একেকটি নিদর্শন। কেউ যদি চন্দ্র বা সূর্য গ্রহন দেখে, তার উচিত হবে রাসুল (সাঃ) এর সুন্নাহ অনুযায়ী কাজ করা ও বেশী বেশী করে সে সময় আল্লাহকে স্মরণ করা।

রাসুল (সাঃ) বলেছেন •►

“চন্দ্র এবং সূর্য এ দুটি আল্লাহর নিদর্শনের অন্যতম। কারও জন্ম বা মৃত্যুর কারণে এদের গ্রহন হয় না। তাই তোমরা যখন প্রথম গ্রহণ দেখতে পাও, তখন আল্লাহকে স্মরণ কর।”

আপনার রেটিং: None

"আসমানি সাহায্যের প্রতিক্ষায় (বাস্তবতার আলোকে)"

পৃথিবীতে কোন মানুষই পরিপূর্ণ সুখী নয়! সবার মাঝেই আছে কোন না কোন অপূর্ণতা! হোক তা ছোট থেকে ছোট বা বড় থেকেও বড়!পৃথিবীতে নারী জাতিকে মা বানিয়ে আর পুরুষকে বাবার আসনে বসিয়ে চলছে আল্লাহর দেয়া নিয়মে! এরই মাঝে কত ঘটনা, দূর্ঘটনা, কত অমানুষিকতা, কত অশালীনতা হচ্ছে তার কোনই ইয়াত্তা নেই! অনেক মায়ের শুধু ছেলে সন্তান আছে মেয়ে নেই সে কারনে তিনি ভোগেন মেয়ে না থাকার কষ্টে! অথচ একটু বিবেগ খাঁটিয়ে চললে কিন্তু তিনিও ছেলের বউদেরকে মেয়ে হিসেবে মেনে নিতে পারেন! কিন্তু তা করতে হৃদয়ের যে উদারতা প্রয়োজন তা তার নেই! আর এজন্যই মেয়ের অভাব সে কোনদিনই পূরন করতে পারেনা!

আপনার রেটিং: None

"প্রচলিত পাঁচ কালিমা ও দুই ঈমান"

আমাদের দেশে ইসলামী ঈমান-আকীদার বিবরণের ক্ষেত্রে ‘পাঁচটি কালিমা’র কথা প্রচলিত আছে। এছাড়া ঈমানে মুজমাল ও ঈমানে মুফাস্সাল নামে দু’টি ঈমানের কথা আছে। কায়েদা, আমপারা, দীনিয়াত ও বিভিন্ন প্রচলিত বই পুস্তকে এ কালিমাগুলো রয়েছে। এগুলোকে অত্যন্ত জরুরী মনে করা হয় এবং বিশেষভাবে মুখস্থ করা হয়। এ বাক্যগুলোর অর্থ সুন্দর। তবে সবগুলো বাক্য এভাবে হাদীস শরীফে বর্ণিত হয় নি। এগুলোকে কুরআনের কথা বা হাদীসের কথা মনে করলে ভুল হবে।

(১) কালিমায়ে শাহাদত

কুরআন ও হাদীসে ইসলামী ঈমান বা বিশ্বাসের মূল হিসাবে দু’টি সাক্ষ্য প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যা আমাদের দেশে ‘কালিমা শাহাদত’ হিসাবে পরিচিত। এ কালিমায় আল্লাহর তাওহীদ এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) এর রিসালাতের সাক্ষ্য প্রদান করা হয়। প্রকৃতপক্ষে একমাত্র কালিমা শাহাদতই হাদীস শরীফে ঈমানের মূল বাক্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সালাতের (নামাযের) ‘তাশাহ্হুদের’ মধ্যে বাক্যদ্বয়  এভাবে একত্রে বলা হয়েছে:

أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

আপনার রেটিং: None

"আগামিতে হজ্জ ও ওমরাহ পালনকারিদের জন্যে"

সতর্কতার জন্যে এই লেখনী। আপনি নিজে আপনার পিতা মাতা, প্রতিবেশি আত্মীয়-স্বজন বন্ধ-বান্ধব কেউ না কেউ হজ্জে যাচ্ছে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। হয়তো অনেকেই বুকিং দিয়েছেন বা দিবেন। মানুষ হজ্জ ও ওমরাহ পালন করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে। আর এই ইবাদতটা মৌলিক ইবাদত গুলোর মধ্যে সবচেয়ে কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তাই পরামর্শ স্বরুপ আপনারা ভালো করে যাচাই বাছাই করে হজ্জ ও ওমরাহ এর বুকিং দেবেন। যেন হজ্জ ও ওমরাহ পালনকারিগণ এখানে এসে কষ্টের মধ্যে না পড়েন। এবার ২০১৫- ২০১৬ সালের হজ্জ ও ওমরাহ পালনকারিদের কষ্ট স্ব-চোক্ষে অবলোকন করলাম। হাজীগণের মধ্যে বিশেষ করে বাঙালি হাজীদের কষ্টে যেন গাছের পাতা ঝরেছে। কষ্টের কয়েকটা উল্লেখ করা যেতে পারে।
১/ নোংরা পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা।
২/ এমন খাবার দেয় যা বাঙালিরা খেতে পারেনা। স্বভাবতই বাঙালিরা ঝাল-মশলা দিয়ে রান্না করা খাবার খেয়ে অভ্যস্ত কিন্তু এখানের মুয়াল্লিমরা মাছ গোশত দিলেও সেটা সাধারন লবন দিয়ে সেদ্ধ করার কারনে হাজীগণ থেকে পারেনা। অথচ তারা দেশেই হাজীদের থেকে খাবার টাকা নিয়ে নেন।

আপনার রেটিং: None

"আল্লাহু ছবীরুন"

ছোট্ট বেলায় যখন জেনেছি আল্লাহ ধৈর্যশীল। তখন অবুঝ মনের অবুঝ ভাবনায় ভাবতাম আল্লাহর আবার ধৈর্যের কি দরকার? মায়ের মুখে শুনেছি "আল্লাহ্ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান" আল্লাহ্ তো এমনিতেই সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান যা ইচ্ছা করেন এমনিই হয়ে যায় তো ধৈর্য দিয়ে আল্লাহর দিয়ে কি প্রয়োজন? সময়ের ব্যবধানে অনেক পরেও হলেও বুঝেছি আলহামদুলিল্লাহ্। মহান রাহমানুর রাহীম আল্লাহ্ সুবহানু ওয়া তা'য়ালা যদি বান্দার ছোট বা বড় ভুলে ধৈর্যধারণ না করতেন তবে আমাদের মত অক্ষম ও অবুঝ বান্দাদের নগদেই শাস্তি হয়ে যেত। মহান আল্লাহ ছবীরুন বলেই মানুষ ভুল করেও ক্ষমা বা তওবাহ্ করার অবকাস পায় আলহামদুলিল্লাহ্। মহান আল্লাহর সকল সীফাতি নামসমূহই তার সকল সীফাতের সাথে পরিপূর্ণ। আর প্রত্যেক সীফাতি নামই আমাদের মানবের জন্যে কল্যাণে উপর কল্যাণ বয়ে আনে এবং তা বিদ্যমান সবসময় আলহামদুলিল্লাহ্। নয়তো পৃথিবী সহ সবকিছু উলোট-পালট হওয়া তো চোখের পলক পড়ার পূর্বেই স্বাভাবিক। "হে আল্লাহ্ তুমি তোমার সকল নামের সকল গুণে গুনান্বিত। আর আমরা তোমার সেই গুণে প্রতি নিয়ত হই উপকৃত"

আপনার রেটিং: None

ডেইলি ওয়ার্ক

আমাদের যুবক-যুবতীদের সামনে ইসলামের সৌন্দর্য বেশী বেশী প্রচার করতে হবে। যাতে তারা ইসলামের গুরুত্বকে তাদের সুন্দর ও কোমল মন নিয়ে গ্রহন করতে আগ্রহী হয়। এইজন্য তাফসীরুল কুরআন সীরাতে রাসূল (সঃ) ও আসহাবে রাসূলের জীবনকথা দৈনন্দিন পরিবারের সবার মাঝে আলোচনা করা উচিৎ। আল্লাহ্ তৌফিক দিন আমাদেরকে।

আপনার রেটিং: None

বড় ভুল

আকাশেতে চাঁদ তারা বাগানে ফোটে ফুল
যৌবনকালে ইবাদত না করা মস্ত বড় ভুল।

আপনার রেটিং: None

লোকের কথায় কি ছাঁই স্বর্ন হবে?

কথায় বলে আপন থেকে পর ভালো! আর পর থেকে জঙ্গল ভালো! জঙ্গল থেকে কি ভালো জানা নেই! তবে এখন জঙ্গলে নয় পৃথিবীর সবচেয়ে দামী দুই জায়গার একটিতে আছি! আলহামদুলিল্লাহ্ মদিনাতে আছি। আর প্রিয়তম স্বামীর সাথে আছি। অনেকেই জানতে চায় তোমার স্বামী এত বছর বিদেশ করে কি করেছে? কত টাকা জমা করেছে? তোমাকে কত ভরি গয়না দিয়েছে। আমি বলি আলহামদুলিল্লাহ্ দুনিয়াতে তেমন কিছুই করতে পারেনি। মোহরানা ছাড়া তেমন গয়না ও আমার নেই। আর আমি মনে করি আমার স্বামীই আমার পৃথিবীর সবচেয়ে দামী অলংকার আমার গয়না। আর কোন গয়না আমার চাইনা। আর এতে আমি আফছূছ করিনা। কারন এই নিয়ে আফছূছ করে আমাদের দুজনের পার্থিব সাময়িক সুখকে আমি নষ্ট করতে চাইনা। কারন আমি বিশ্বাস করি মহান আল্লাহ যাকে যা দেবার তা কেউ নিতে পারবেনা আর যাকে না দিবে সে তা পাবেনা। যা আমার নেই তা নিয়ে আফছূছ করেও কোন লাভ নেই। যা আমার তাই নিয়ে আল্লাহর শুকরিয়া করি ও তৃপ্ত থাকি আলহামদুলিল্লাহ্! আর আল্লাহর কাছে প্রার্থনা যা পাইনি তা যেন আখেরাতে আমাদের দেন তার ক্ষমা ও সন্তুষ্টির মাধ্যমে।  লোকের কথায় কি ছাঁই স্বর্নে রুপান্তরিত হবে?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

হাদিয়া (উপহার)

ফুল অনেক পছন্দের। একসময় ঘরে সবসময় ফুল রাখতাম তা শুকিয়ে গেলে জায়গা করে নিতো বই বা ডায়েরীর ভাঁজে। উপহার আদান-প্রদান মানুষের মাঝে ভালোবাসা বৃদ্ধি করে। আর কাউকে কিছু দিতে পারাতে অনেক অনেক আনন্দ লুক্কায়িত থাকে। কিন্তু অর্থস্বল্পতার কারনে সবাইকে দেয়া হয়ে ওঠেনা। তারপরও সবার জন্যে সবসময় অন্তরের অন্তস্থল থেকে কল্যাণের দোয়া করি। পৃথিবীতে প্রিয়জনের উপহার তো সবচেয়ে মূল্যবান। হোক তা ছোট্ট চুল বাঁধার ব্যন্ড। কাছের মানুষদের থেকে এক সময় তাও পাইনি। এখন অপরের থেকে কত উপহার পাই মনে হয় যেন তারা কত উদার মনের অনাত্মীয় হয়েও একে অপরের প্রতি কত সহানুভুতিশীল অথচ যারা সবচেয়ে কাছের তারা কখনো একটি চকলেট দিয়েও মনের মাঝে স্থান করতে নিতে পারেনি শুধুমাত্র মনের সংকীর্ণতার কারনে। কেউ আবার মনে করবেন না উপহার পাওয়ার জন্যে এমন ভাবনা। আসলে তা নয়। মহান আল্লাহ মানুষের অন্তরের প্রসস্থতা দান করুন। দান করুন আকাশের মতো উদারতা যেন প্রিয়জন বা স্বজনেরা সামান্য সামান্য উপহার দিয়ে হলেও মানুষকে খুশি করে আনন্দ দেয় যা অনেক দামী জিনিস দিয়েও করা যায়না।

আপনার রেটিং: None

পীর অলি আউলিয়া বিষয়ে

সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম নিবেদন করছি আমাদের সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সকল সাহাবীগণের প্রতি।

আপনার রেটিং: None
Syndicate content