'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

জীবনের ধাপ!

হাঁটি হাঁটি পা পা করে জীবনের ছয়টি বছর পূর্ণ হলো! (মানে বিবাহিত
জীবনের) আলহামদুলিল্লাহ! কত সুখ আর কত বেদনা নিয়ে এই সফর! কত যে হাসি
মাখানো আর কান্নায় জড়ানো এই জীবনের প্রতিটি ধাপগুলো উপলদ্ধি করতে পারে
তারাই যারা বাইছেন এই জীবন তরী! ভালোবাসা ও বেদনার এই প্লাটফর্মে কি পেয়েছি
কি হারিয়েছি হিসাব মিলাতে পারবোনা! আমার মতো হয়তো কেউই পারবেনা! জীবনের এই
বাঁকে সবচেয়ে দামী যে জিনিসটা পেয়ে ধন্য হয়েছি তা হলো সুন্দর একটি মন!
বিবাহিত জীবনে সুন্দর একটি মানুষের চেয়ে সুন্দর একটি মনেরই বেশী প্রয়োজন!
আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ সুন্দর একটি মনে পাশাপাশি আমাকে একটি সুন্দর
মানুষেরও জীবন সাথী করেছেন! জীবনের এই চলার পথে দুটি মেহমান আল্লাহ আমার
দায়িত্বে দিয়েছেন আবার একজনকে নিজের কাছে নিয়ে নিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ!
একজন মেহমান আমার কোলে এখন আছে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা তিনি যেন তাকে
তার প্রিয় বান্দিদের দলে শামিল করে নেন! দীর্ঘ এই চলার পথে আল্লাহ ও তার
প্রিয় হাবীব (সঃ) এর পর আমার স্বামীই একমাত্র বিশ্বস্থ বন্ধু, যার হাত ধরে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

হে ভাই ও বোন আপনাকেই বলছি (খ শেষ পর্ব)!

ইসলাম অর্থ শান্তি। তাই যে বা যারা যতবেশী ইসলামের নিয়ম-নীতির মাঝে
থাকতে পারবেন, নিজ সংসার ও সমাজে বাস্তব করতে পারবেন তিনি বা তারা তত বেশী
সুখ ও শান্তির অধিকারী হবেন।সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে

যদি স্বামী-স্ত্রী দু'জনারই পরকালের ভয় থাকে আপন মনে।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেনঃ- স্ত্রী লোকের জান্নাত এবং জাহান্নাম বলতে তার স্বামী।’

(আহমদ নাসাঈ) ।

ঠিক
তাই! স্বামী-স্ত্রীর মিল মহব্বত থাকলে সে গৃহে জান্নাতের সুশীতল বাতাস
বইতে থাকে। আর অমিল থাকলে তা জাহান্নামের যন্ত্রনার চেয়েও অধিকতর
যন্ত্রনাদায়ক মনে হয়।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেনঃ-“আল্লাহ
তা’আলার নিকট সেই স্বামী-স্ত্রীই মর্যাদার দিক থেকে নিকৃষ্টতর যারা একে
অন্যের নিকট গমন করে, অথচ পরে পরস্পরের গোপন রহস্য অন্যের নিকট প্রকাশ করে।

(মুসলিম, আবু দাউদ)

রাসূলে
আকরাম (সাঃ) এরশাদ করেন, যে স্ত্রীলোক স্বামীর বিনা অনুমতিতে ঘরের বাইরে
পা বাড়ায়, সে যতক্ষন ঘরে প্রত্যাবর্তন না করে, ততক্ষন পর্যন্ত সমস্ত

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

আত্মার খোরাক (৬)

আমরা এই হাদীস গুলো পড়ে জেনে নেই কিসে আমাদের লাভ আর কিসে আমাদের ক্ষতি! আরো জেনে নিন কন্যা সন্তান পালন করলে কি পুরষ্কার লাভ করবেন?
হাদীসঃ-
হযরত আবু হুরয়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, একদা নবী (সঃ) কে প্রশ্ন করা হলো যে, মহিলাদের মধ্যে কোন মহিলাটি সবচেয়ে উত্তম? হুযুর (সঃ) বললেনঃ ঐমহিলাটি, যার দিকে দৃষ্টি করে স্বামী  আনন্দ পায়, যাকে কোন হুকুম করলে সে তা মান্য করে এবং স্বামীর মন মত নয়- এমন কোন কাজ সে নিজের কিংবা সহায়-সম্পদের ব্যাপারে করেনা।"
(নাসাই)
হযরত ছাওবান (রাযিঃ) বলেন, আমরা নবী (সঃ) এর সাথে সফরে ছিলাম, এমতাবস্থায় নিম্নলিখিত আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ
"আর যারা স্বর্ণ-রৌপ্য জমা করে রাখে"...........(কোরআন) আমাদের কেউ কেউ বলল, এ আয়াত তো স্বর্ণ-রৌপ্য সম্পর্কে অবতীর্ণ হলো। (সুতরাং তা জমা করা যাবেনা) আমরা যদি জানতে পারতাম কোন মাল সবচেয়ে উত্তম, তাহলে তা আমরা সংগ্রহ করে রেখে দিতাম। হুজুর (সঃ) বললেনঃ সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হলো, আল্লাহর যিকিররত জিহবা, আল্লাহর নেয়ামতে কৃতজ্ঞতায় পরিপূর্ণ অন্তর এবং ঈমানদার বিবি, যে দ্বীনের কাজে স্বামীকে সাহায্য করে।"

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

হে প্রিয় ভাই ও বোন আপনাকেই বলছি (ক)!

হে ভাই ও বোন আপনাকেই বলছি (ক)!

সংসার সাজাতে-গুছাতে স্বামী ও স্ত্রীর ভূমিকা অপরিসীম- ইসলামের আলোকে বিয়ের মাধ্যমেই একজন ছেলে ও একজন মেয়ের সাংসারিক বন্ধনের সূত্রপাত ঘটে। বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলেরা মেয়েদের হরেক রকম গুনের খোঁজ করে। ভাইয়ারা ভাবে রুপে ও সকল গুণে গুনাণ্বিতা মেয়ে পেলেই বিয়ে করি। কিন্তু তা কি আর সম্ভব? তাই বিবাহের পূর্বে কণে নির্বাচনের সময় পাত্রকে ধরে নিতে হবে যে, একজন কণের সর্বগুণ এক সাথে পাওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীর এক এক মেয়ে এক এক গুনে গুনান্বিতা। পাত্রীর কোন গুণটিকে পাত্র অগ্রাধিকার দেবেন, সে দ্বায়িত্ব তার নিজের।

পাত্রী নির্বাচনের বিষয়ে কতিপয় হাদীসঃ-হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্নিত একটি হাদীসে আমরা পাই, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন“মেয়েদেরকে সাধারনত চারটি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়। তার সম্পদ দেখে, বংশ মর্যাদা দেখে, রুপ-সৌন্দর্য দেখে এবং তার দ্বীনদারী দেখে। তবে তোমরা দ্বীনদারী মেয়ে লাভ করার চেষ্টা কর, তোমাদের কল্যান হবে।”(বুখারী, মুসলিম)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ভাবেনা কেউ!

আসমানটা যে ছাউনি মোদের
জমিন বিছানার মত!
আমরা তাতে বসবাস করছি
সদাই অবিরত!

ভাবনা মোদের নেই'কো মনে
এভাবে থাকবো কতকাল?
এভাবে আর জড়াবো কত
মায়া মমতার জাল?

পৃথিবী হলো সাগর পাড়ের
বালুকা রাশির ঘর!
হঠাৎ ঝড়েই ধ্বংস হবে সব
সবি হবে পর!

বর্তমান নিয়ে ভাবে সবাই
আখের নিয়ে ভাবেনা!
পৃথিবী হলো ক্ষনিকের বাড়ি
কবর আসল ঠিকানা!

পৃথিবীতে সাদাসিদা থেকে
আখেরের সামান যোগাড় করি!
আল্লাহ ও তার রাসূল (সঃ) কে রাজী করে
জান্নাত ধার্য করি!

৫ ই মে ২০০৫

বিষয়: সাহিত্য

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

নবী (সঃ) আর্দশ!!

কোরআন হাদীস আর সাহাবাগণের মাধ্যমে

জেনেছি নবী (সঃ) এর জীবনীতিহাস!

এই দু'য়ের আমলেই মানবের মুক্তি

এছাড়া নাই কোন অবকাশ!

এই দু'ইকে আঁকরে ধরে

চলে গেছেন যারা!

দো-জাহানে নিরাপদে

আছেন শুধুই তারা!

এদু'য়ের অনুশরনে

মুক্তি সবার তাই!

নবী (সঃ) আর্দশেতে

এই শিক্ষাই পাই!

যুগে যুগে নবী (সঃ) এর আদর্শ

মেনে চলেছেন যারা!

দো-জাহানে বিজয়ী আর

চিরকামিয়াবী তারা!

২১ শে মে ২০১১

বিষয়: সাহিত্য

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

দামী করো

এই জীবনের কোনই মূল্য নেই

পরিপূর্ণ ঈমান বিনে!

যত সুখ যত শান্তি আছে

সবই আল্লাহর হুকুম পালনে!

 

ঈমান পূর্ণ হলেই মু'মিন

না হলে বেঈমান!

ঈমান পেতে দিয়েছো বান্দাকে

তোমার বাণী আল-কোরআন!

 

এই জীবনকে দামী করো

তোমার এলম দান করো!

তোমার রাজির পথে চলতে আমায়

কামেল হেদায়াত নসীব করো!

 

তোমার পথে অটল ভাবে

চলতে চাই আমি!

তোমার পথেই চালিয়ে আমার

এই জীবন করো দামী!

 

১৫ মে ২০০৪

বিষয়: সাহিত্য

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (3টি রেটিং)

"অনুভূতি ও বিশ্বাসের প্রথম পাঠ"

মহান আল্লাহর প্রশংসা কেন করবো?

মহান আল্লাহ আমাকে কোন আরজু আবেদন ছাড়াই সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ রুপে বানিয়েছেন। তিনি আমাকে বিষাক্ত কীট পতঙ্গ বা পশু-পাখি বা আরো নিকৃষ্ট প্রাণী বানাতেন পারতেন তিনি তা না করে আমাকে মানুষ বানিয়েছেন এবং সকল জীবের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন সেজন্যই মহান আল্লাহর প্রশংসা বর্ণনা করছি শুকরিয়ার সাথে আলহামদুলিল্লাহ।

মহান আল্লাহর কাছে কোন আবেদন ছাড়াই আমাকে তিনি মুসলমান করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। যদি বেধর্মী বানাতেন তবে কবে কিভাবে আমার হেদায়াত হতো বা আদৌ কি হেদায়াত হতো কিনা সন্দেহ। তাই জন্মসূত্রে মুসলমান হওয়াতে মহান আল্লাহর প্রশংসা জ্ঞাপন করছি আলহামদুলিল্লাহ।

পৃথিবীতে মহান আল্লাহর আমাকে শয়তানের অনুসারীও বানাতে পারতেন কিন্তু তিনি তা করেন নি। বরং আমার কল্যাণের জন্য আমাকে প্রিয় হাবীব (সঃ) এর উম্মত করে পাঠিয়েছেন। এই জন্য মহান আল্লাহর প্রশংসা করছি আলহামদুলিল্লাহ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

ভাল বন্ধু হয়ে!! (৬)

পরশ ভাবির সাথে যেতে না চাইলেও রোকেয়ার কান্না পরশকে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে গেলো রোকেয়া ভাবির ঘরে। রোকেয়া ভাবির ঘরে পরশ গেলো ঠিকই কিন্তু সেই আগের পরশ হয়ে নয় ভিন্ন পরশ হয়ে। এ ক'দিনে পরশ যেন অন্য পরশে রুপ নিয়েছে। রোকেয়া ভাবি পরশকে খাবার দিলো নিজের জন্যেও নিলো কিন্তু পরশ নিশ্চুপ। কোন কথা নেই পরশের মুখে। ভাবির ছোট ছেলে যে পরশকে মা বলে ডাকতো সে নানান প্রশ্ন করতে থাকলো কিন্তু আগে যত প্রশ্নই সে করতো পরশ জবাব দিতো কিন্তু আজকে পরশ কোন কথারই জবাব দেয়না। চুপচাপ খাচ্ছে আর অল্প খাবার খেয়েই হাত ধুইয়ে ফেলে।

রোকেয়া ভাবি খেয়াল করে পরশের মুখে অজানা কষ্টের ছাপ। রোকেয়া ভাবি খেয়াল করে পরশের চেহারায় আগে যেই উচ্ছলতা ছিলো সেটা এখন নেই, নেই পরশের মুখে সবসময় লেগে থাকা হাসিটাও।  আর পরশের এই ভাবটাই রোকেয়া ভাবিকে আরও ভাবিয়ে তোলে। রোকেয়া ভাবির সন্দেহ আর প্রবল হয়ে ভাবি জানতে চায় পরশ তুই আমার কাছে কিছু লুকাচ্ছিস নাতো? পরশ এখনো চুপ। ভাবির আবারো প্রশ্ন তুই কিছু লাকাচ্ছিস নাতো আমার কাছে? কেউ কি কিছু বলেছে তোকে আমার ঘরে আসিস এজন্য? সত্য করে বল নয়তো পরে জানলে আমার মনে খুবই কষ্ট লাগবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"সেই প্রথম অনুভূতি"

বাবার দেয়া প্রথম উপহার ও আমার অনুভূতি

পৃথিবীর সন্তানের জন্মের শুরুলগ্ন থেকেই বাবা মা থেকে উপহার পেতে থাকেন। বাবা-মায়ের দায়িত্ব পালন শুরু হয় সন্তান ভূমিষ্ঠের পূর্ব থেকেই। আর প্রত্যেক বাবা-মা-ই সন্তানের মুখে হাসি দেখতে ভালোবাসে নিজে সিমাহীন কষ্ট সহ্য করেও। নিজেরা কষ্ট করে হলেও সন্তানের আবদার পূরনে তাদের পূর্ণ খেয়াল রাখেন। তারা নিজেরা না খেয়ে, না পরে হলেও সন্তানকে পরিপূর্ণতা দিতে চান, দেন। বাবা-মায়ের ভালোবাসাই এমনই হয়। কোন বাবা-মাকেই তাদের সন্তানের ভালোবাসা থেকে আলাদা করা যায়না কোন বিনিময় ছাড়াই তারা সন্তানের সকল আবদার পূরন করেন। কোন বিনিময় ছাড়াই সন্তানকে ভালোবেসে যান আজীবন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content