'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

"চলে গেলেন নাফেরার দেশে"

"খসে গেলো মু'মিনের আকাশ থেকে একটি নক্ষত্র" তাই গতকাল থেকে মনটা খুবই খারাপ। কেন? পড়তে থাকুন......

আপনার রেটিং: None

"অনন্তসাথীর সন্ধানে" ২য় ও শেষপর্ব

ওয়াহিদার পক্ষে শুধু ছোট চাচা আর ছোট মামা তারা তিনজনে পরামর্শ করে ছোট চাচাকে পাঠিয়ে দেয় বরের গ্রামের বাড়িতে। তিনি খোজ নিয়ে আসেন ছেলের বাবা নেই। মা বিছানায় শায়িত (খাওয়া-দাওয়া প্রাকৃতিক কাজ সব করে দিতে হয়)। একা বাড়ি ভাইয়েরা যার যার মতো আলাদা বাড়িতে থাকে। একভাই শশুরের একমাত্র জামাই হওয়ায় সে ঘরজামাই থাকে। আর সবচেয়ে বড়কথা হলো ছেলে বিবাহিত। ওয়াহিদা তো শুনেই অস্থীর। কি বলেন ছোটচাচ্চু?

আপনার রেটিং: None

""অনন্তসাথীর সন্ধানে" (১ম পর্ব)"

বয়ষ বেড়ে বুড়িয়ে যাচ্ছে বলে অনেকেই সমালোচনা করতো ওয়াহিদাকে নিয়ে। মানুষের মুখের এই কাঁটা যুক্ত কথাকে হজম করে কিশোরী বয়ষটা পাড় করছে সে। আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে পাড়া-প্রতিবেশী কেউই বাদ যায়নি এই সমালোচনা থেকে। সমালোচনা বললে ভুল হবে, বলতে হবে নরম কোমলীয় মনটাকে কড়াতের আঘাতে আঘাতে রক্তাক্ত ক্ষত-বিক্ষত করে দিতো। মাঝে মাঝে লোকের দেয়া এই কষ্ট থেকে মুক্তির পথ খুজতো সে। নিরবে-নিভৃতে আল্লাহ্ তা'য়ালাকে বলতো মানুষের কটুকথার আঘাত থেকে মুক্তি দিতে। এই এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে শয়তান উস্কে দিতো (তুই আত্মহত্যা কর) বলে বলে। কিন্তু ওয়াহিদার অন্তরে ছিলো আল্লাহ্ তা'য়ালার ঐশী জ্ঞানের আলোয় ভরপুর। যে আলোয় সে নিজের অন্তরকে আলোকিত করে নিয়েছিলো অনেক আগেই। ক্ষনে ক্ষনে সে মনের সাথে লাড়াই করতো এই বিষয়টা নিয়ে কোন সমাধানে আসতে পারতো না ঠিক। কিন্তু মনের মাঝে সে অনুভব করতো আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা প্রশান্তির। ২০০০ সনের পরে এর রেশ আরো বাড়তে থাকে। যখন আপন পিতাও তাকে পরোলোকের মতো কুঠারের আঘাতের ন্যায় আঘাত করতে থাকে তখন সে আর সহ্য করতে পারে না। এক পর্যায়ে শুধু মা ছাড়া আর বাকি সবার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। জীবনটা তার সংকীর্ণক

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

"আশুরার রোজা রাখা প্রসঙ্গে"

আশুরার রোজা রাখা প্রসঙ্গেঃ

আশুরার রোজা প্রসঙ্গেঃ আজকে জু'মারদিন। ৬ই আশুরা হিজরী ১৪৩৮ ৭ই অক্টোবর ২০১৬ ইং। সোমবার ইংরেজী ১০ তারিখ ও মঙ্গলবার ইংরেজী ১১ তারিখ (বাংলাদেশের সন হিসেবে ১১ ও ১২ ইংরেজী তারিখে) আশুরার দুটি রাখা আবশ্যক। এই দিনের একটি রোজা রাখলে পিছনের এক বছরের গুনাহ্ মাফ হয়। তবে এই দিনটির সাথে মিলিয়ে অর্থাৎ আগের দিন অথবা পরের দিন মোট দুটি রোজা রাখতে হবে। রাসূল (সাঃ) এর নির্দেশ। ইনশা আল্লাহ্ আমরা সকলেই যেনো এই আমলটি করতে পারি। মহান আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দিন। আমিন।

** আশুরার ফজিলত
ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ আল মাদানী

আয়েশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমাদ্বান মাসের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানেরা আশুরার দিন রোজা রাখত। আর এ দিন কাবা ঘরের গিলাফ পরানো হতো। যখন রমাদ্বানের রোজা ফরজ করা হলো তখন রাসূল (সঃ) এ ঘোষণা দিলেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে আশুরার দিনের রোজা রাখার সে রোজা রাখবে। আর যে রোজা পরিহার করতে চায় সে তা পরিহার করবে (বুখারি-১৫১৫, ১৭৯৪)

আপনার রেটিং: None

"সাক্ষাত"

একজন মু'মিনের সবচেয়ে আনন্দের বিষয় আল্লাহ্ তা'আলার সাক্ষাত:

একজন সত্যিকার মু'মিনের সবচেয়ে বড় চাওয়া পাওয়া হচ্ছে আল্লাহ্‌র সাক্ষাত ও পরকালে আল্লাহর দিদার লাভ।
রাসুল (সঃ) বলেছেন
من أحب لقاء الله أحب الله لقائه      ومن كره لقاء الله كره الله لقائه         ( مسلم)
 যে আল্লাহর সাক্ষাত ভালোবাসে আল্লাহ্ তার সাক্ষাত কে ভালো বাসেন। আর যে আল্লাহর সাক্ষাত কে অপছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাত কে অপছন্দ করেন। ( মুসলিম)

এজন্য একজন মু'মিন  সারাক্ষন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিয়মিত ফরজ ও নফল নামাজ, তিলাওয়াত, যিকির, দোয়া, ইসলামী  দাওয়াত, ইত্যাদি ইবাদত  নিয়ে ব্যস্ত থাকে সাথে সাথে সকল কবিরা গুনাহ ও শিরক বিদআত থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে।

সে প্রতি মুহুর্তে মৃত্যুর জন্যে আল্লাহ্ তা'আলার সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত থাকে।

আপনার রেটিং: None

♣বিষয়: আরাফার দিন রোযা রাখা। #কেন, #কিভাবে, #কোনদিন এই রোযা রাখবেন?

জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ হল আরাফার দিন, (চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল)। এই দিনে হাজীগণ আরাফার ময়দানে উপস্থিত হন বলে এই নামকরণ হয়েছে। এই দিনের রোযা রাখার ফজিলত প্রসঙ্গে মহানবী (সা:) জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বলেছিলেন-

♦‘‘আরাফার দিনের রোযা বিগত এক বছরের এবং আগামী এক বছরের কৃত পাপরাশিকে মোচন করে দেয়।’’ [মুসলিম, তিরমিজী]

♦সাহল বিন সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা:) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি আরাফার দিন রোযা রাখে তার উপর্যুপরি দুই বৎসরের পাপরাশি মাফ হয়ে যায়।’’ [সহিহ তারগীব]

 ♦রাসূল (সা:) আরো বলেছেন- "আরাফার দিনের রোযার সাওয়াব এক হাজার দিন রোযা রাখার সমান।" [তারগীব]

**কোনদিন আরাফার রোযা রাখবেন?

♣উপরের আলোচনা থেকে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন, এই দিনের রোযার কত ফজিলত। তাই আপনি হয়তো মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন এইদিন রোযা রাখবেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোনদিন "ইয়াওমুল আরাফা"?

আপনার রেটিং: None

"হে বোনেরা গার্ল ফ্রেন্ড নয় নেককার স্ত্রী হোন তবে জান্নাত সহজ হবে"

মুসলিম সকল বোনই আমার প্রিয়তমা বোন। আর বোন হয়ে বোনের চির কল্যাণ চাওয়াই বোনের চাওয়া। আমার প্রিয়তম বোনেরা আপনারা অনেকেই অনেক অনেক নেকের কাজ করেন। পরোপকারে আপনাদের হৃদয় পূর্ণ। মানুষকে নিজে না খেয়ে খাবার দেন। আপনারা অনেক অনেক নেকের কাজে নিয়োজিত। নেক কাজে আপনাদের প্রতিযোগীতা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমার প্রিয়তমা বোনেরা আপনারা অনেকেই মানুষের কাছে অনেক অনেক প্রিয় আপনাদের সুন্দর ব্যবহারের কারনে। কিন্তু আমার অনেক বোন এমনও আছেন যারা পরো-লোকের কাছে প্রিয় কিন্তু স্বামীর কাছে প্রিয় হতে পারেন না। স্বামী দায়িত্বের খাতিরে আপনার ভরন-পোষন করছেন ঠিকই কিন্তু মনের মাঝে হাজারো দুঃখ নিয়ে। এটা কিন্তু সত্যিই দুঃখের বিষয়। যার কাছে আপনার গ্রহণ যোগ্যতা বিশাল। কিন্তু আপনি তাকে মূল্যায়নই করেন না। তো আপনি যদি তাকে মূল্যায়ন না করেন তবে নিজে কিভাবে মূল্যায়ন পাবেন? আগে তো মল্যায়ন করতে হবে তখন সময়ের ব্যবধানে আপনিও মূল্যবান হীরার চেয়েও মূল্যবান হয়ে উঠবেন তার কাছে।

আপনার রেটিং: None

"যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনে করণীয় আমল"

জিল-হজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনের গুরুত্ব ও করণীয়: প্রথমত: গুরুত্ব ও ফজিলত:

১. আল্লাহ তা'য়ালা এ দশ দিনের রাতসমূহেরو কুরবানির দিনের ও আরাফাতের দিনের কসম করেছেন। ( সূরা আল-ফাজর) এর দ্বারা এ দিনগুলোর গুরুত্ব প্রমাণিত হয়।

২. রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেন: :
ما من أيام العمل الصالح فيها أحب إلى الله من هذه الأيام قيل: ولا الجهاد في سبيل الله ؟ ولا الجهاد في سبيل الله ، إلا خرج رجل بنفسه وماله فلم يرجع. (ابو داود، رقم- ٢٤٣٨)
 এ দশ দিনের নেক আমলসমূহ আল্লাহর নিকট অতি প্রিয় (অন্য বর্ণনায় এসেছে: গুরুত্বপূর্ণ) (বুখারী)
দ্বিতীয়ত: এ দশ দিনের যে সকল নেক আমল করা সম্ভব: (তা ১০ প্রকার)

১. জিল-হজ্ব মাসের চাঁদ উঠা থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত সাধারণভাবে বেশি বেশি তকবীর পড়া। আর বিশেষভাবে আরাফাতের দিনের ফজর সালাত হতে ১৩ তারিখের আসর সালাত পর্যন্ত প্রত্যেক সালাতের পর তাকবীর পড়া।
তাকবীর হচ্ছে:
আল্লাাহু আকবার, আল্লাাহু আকবার,আল্লাাহু আকবার, লাা ইলাাহা ইল্লাাহ, ওয়াল্লাাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাাহিল হামদ্।

আপনার রেটিং: None

শির্কের পরিণতি:

শির্ক হল সবচেয়ে বড় অপরাধ, ঈমান বিনষ্ট কারী, জান্নাত হারামকারী ও জাহান্নাম অপরিহার্যকারী। একজন ঈমানদারের জন্য এর চেয়ে আর কোন বড় পরিণতি হতে পারে না। বিষয়টিকে আরো পরিস্কার করার জন্য কুরআন ও হাদীসের আলোকে সংপ্তিভাবে নিম্নে আলোকপাত করা হলঃ

১। কোন ব্যক্তি শির্কে আকবারে লিপ্ত হলে চূড়ান্ত ভাবে পথ ভ্রষ্ট এবং ঈমান ও ইসলাম হতে বের হয়ে যায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
وَمَن يُشْرِكْ بِاللّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلاَلاً بَعِيدًا
“আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশী স্থাপন করে সে চূড়ান্তভাবে পথভ্রষ্ট গুমরাহ হয়ে যায়। সূরা নিসাঃ ১১৬।

২। শির্কে আকবারের অপরাধ তাওবা ছাড়া কখনও ক্ষমা হয়না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
إِنَّ اللّهَ لاَ يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে অংশী স্থাপনের অপরাধ ক্ষমা করেন না, অবশ্য শির্কের অপরাধ ছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। সূরা নিসা: ৪৮।

৩। শির্কে আকবারে লিপ্ত হলে যাবতীয় সৎকর্ম বাতিল হয়ে যায়: আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

আপনার রেটিং: None

শির্ক

আমরা আমাদের অজান্তে অনেক গুনাহ করে ফেলি। আমরা জানি না বা বুঝতেও পারিনা শির্ক কত বড় গুনাহ যার কারনে আমাদের উপর জাহান্নাম অবধারিত হয়ে যেতে পারে। আল্লাহর কাছে পানাহ চাই। আমরা না জেনে না বুঝে অগ্যতাবশত অনেক রকমের গুনাহ করতে পারি। তাই জেনে নেই কি কি কথা বা কাজে আমাদের শির্ক হওয়ার সম্ভবনা আছে। মহান আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলকে শির্ক ও কুফুরী মুক্ত হায়াতে তয়্যীবাহ্ দান করুন ও ঈমানের সাথে বাঁচিয়ে রাখুন ও ঈমানের সাথে মৃত্যু নসীব করুন।  
বহুল প্রচলিত কয়েকটি শির্ক, আর শির্ক করে তওবাহ না করে
 মারা গেলে নিশ্চিত জাহান্নামঃ-

* শরীরে যেকোন প্রকার তাবিজ ঝুলানো শির্ক [ আহমদ: ১৭৪৫৮, সহিহ হাদিস:৪৯২]

* আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো নামে কসম করা শির্ক [আবু দাউদ:৩২৩৬(ইফা)]

* কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষন বা কুলক্ষণ মনে করা শির্ক [বুখারি :৫৩৪৬, আবু দাউদ:৩৯১০]

* আল্লাহর গুণবাচক নামে অন্য কাউকে ডাকা শির্ক (যেমন: কুদ্দুস, রাহমান, রহীম, জাব্বার, সালাম, মুমিন ইত্যাদি) [সুরা ইসরা:১১০, হাশর]

আপনার রেটিং: None
Syndicate content