'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

"আল্লাহর ভয়ে"

আল্লাহর ভয়ে লুকোচুরি
ছাড়ো সবাই যদি!
বুলন্দ হবে ঈমান তোমার
পাবে জান্নাতের গদি!

আল্লাহর ভয়ে ওহে মানুষ
দুধে দিওনা পানি!
কেউ দেখেনা দেখেন কিন্তু
তিনি অর্ন্তযামী!

আল্লাহর ভয়ে ওহে মানুষ
সঠিক করো ওজন!
রোজ হাশরে কেয়ামতে
তোমার থাকবেনা ভয় কম্পন!
 
আল্লাহর ভয়ে ক্ষমতার ব্যবহার
করো ও ভাই ক্ষমতাধর!
ক্ষমতার অপব্যবহার করলে
গ্রেফতার হবে কবরঘর!

ওহে মানুষ অল্পে তুষ্ট থাকো
সময় কাটাওনা বিলাসিতায় লিপ্ত হয়ে!
সদাই থাকো জিকিরে-ফিকিরে
কাটাও জীবন সাদাসিদে  এক আল্লাহর ভয়ে! 

৭ই জুন ২০১৪ মদিনা মনোয়ারা সৌদি আরব।

আমার ওয়েব সাইট থেকে পড়ুন।

বিষয়: সাহিত্য

আপনার রেটিং: None

অভিসাপ ও অনুতপ্ত!

ছোট গল্প!‍

শীতের বিদায় আর বসন্তের আগমণি বার্তা কারো কারো
মনে আনন্দ দিলেও ফাল্গুণী হাওয়া সবার মনে দোলা দেয়না। বসন্তের রঙে অনেকেই
নিজেকে রাঙিয়ে নেয় নতুন করে আর সবার মাঝে কেউ কেউ যেন শীতে ঝরে পড়া শুকনো
পাতার মতই থাকে সব সময়।

আশার জীবনেও একটু ঝড় এসেছিলো যাকে হঠাৎ ঝড় ও
বলা চলে। সেই একটু ঝড়ে সবকিছু সেদিন ঝরে না গেলেও এখন সে প্রায়ই অনুভব করে
সেই ঝড়ের রেশ। এখনো যেন সেই ঝড়ের ক্ষতিকে কাটিয়ে উঠতে পারেনি আশা নামের
মেয়েটি। আশার যেন সব কিছুতেই এখন নিরাশায় ভরপুর। রঙ নম্বর কল এসে সবকিছু
কেমন যেন পরিবর্তন করে দিলো আশার জীবনে! একটি রঙ নম্বর কলের এত শক্তি? এত
ক্ষমতা যে আশার জীবনটাকে সম্পূর্ণ উল্টে দিলো? কি করার ছিলো সেদিন? মনের
আবেগে কল ধরে গল্প করে সময়টা বেশ পাড় করছিলো আশা কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সে
জানতে পারলো জাভেদ বিবাহিত! আরো জানতে পারলো দুই কণ্যা ও একটি পূত্র
সন্তানের জনক সে! সেই জানাটিও এক ধরণের হঠাৎ করেই! আশা জাভেদকে খুব ভোরে কল
করে সেই কলটি জাভেদ ধরতে পারেনি! ধরেছে তার স্ত্রী কিন্তু আশা তা বুঝতে
পারেনি!

আপনার রেটিং: None

গরীবের মেয়ে (বিদেশীর বউ ৪র্থ পর্ব)

আগের পর্বের পর
মা জানান ইসরা তো নানার বাড়িতে। সে বলে মা আজকে কিছু বিষয় জানতে চাইবো বলবেন? মা বলে বল, সে বলে যায়; মা আপনাদের বউ কি বেপর্দা চলে? মা বলার আগেই বাবা বলেন নাঃ নাঃ সে কখনো বেপর্দা চলেনা এমন কি সে তোর ছোট ভাইয়ের সামনেও আসেনা। সে জানতে চায় আপনাদের কথাকে অমান্য করে? দুজনেই বলে নানা সে তা করেনা। আপনাদেরকে অসম্মান করে? নানা তা ও করেনা। তাকে যে মোবাইল দিয়েছি সেটা দিয়ে কি কারো সাথে কথা বলে সময় নষ্ট করে? বাবা বলেন; নাহ মোবাইলে সে সময় ব্যয় করেনা। বরং কাজের শেষে সন্ধ্যায় বা ফজরের পরে বসে বসে কোরআন তেলোয়াত করে, আমি মাঝে মাঝে গিয়ে শুনি আমার মায়ের তেলোয়াত। বাবা আরো বলেন এমন কি আমি এখনো দেখিনি আমার বউমা টিভির ঘরে এসে কখনো বসতে। আমি এটা নিয়ে আমার বন্ধু মহলে খুবই গর্ববোধ করি যে, আমার বউমা কখনো টিভির ঘরে (ড্রয়িং রুমে) এসেও বসেনা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

গরীবের মেয়ে (বিদেশীর বউ ৩য় পর্ব)

আগের পর্বের পর
এটাও কি সম্ভব? মাসটা শেষ হলে ঘরের খরচ পাঠাই ত্রিশ হাজার টাকা আর ছোট ভাই দেয় কখনো বিশ পঁচিশ করে। গড়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ দেয়ার পরও সেখানে আমার বউ কণ্যার খাবারের কষ্ট হয়! না এভাবে আর চলতে দেয়া যায়না! বিয়ের প্রায় দুই বছর হতে চলেছে লাবন্য তো কোনদিন বলেনি এসব কথা! আর কোন কিছুর আবদারও সে করেনি! কিন্তু আজকে সে বলেছে আমার ঘরে তার খাবারের কষ্ট হয়! লাবন্যর স্বামী আবারও কল করে লাবন্যকে চায় শালির কাছে! লাবন্য কথা বলতে চায়না! এভাবে কয়েকদিন পর আবার কল করে লাবন্যকে চায় শেষে স্বামী বারংবার চাওয়াতে কথা বলে লাবন্য! সে জানতে চায় লাবন্য তুমি তো কখনো বলনি তোমার কষ্টের কথা! কেন বলনি?

লাবন্য বলে কিভাবে বলবো আমার কাছে কি মোবাইল আছে?

আপনার রেটিং: None

গরীবের মেয়ে (বিদেশীর বউ ২য় পর্ব)

প্রথম পর্বের পর
শশুর আর শাশুড়ী তো খবর না নিয়েও পারেন! কিন্তু লাবন্যোর বাবা মা তো আর মেয়েকে ফেলে দিতে পারেন না! উনারা ঋন করে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে মেয়েকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনেন ডাক্তার বলে দেন রোগী খুবই দূর্বল! উনার খুবই যত্নের প্রয়োজন! আপনারা খুবই যত্ন নেবেন উনার প্রতি নয়তো দূর্বলতার কারনে যদি রোগী দাড়ানো থেকে পড়ে যায় তবে সেলাইতে সমস্যা দেখা দিতে পারে! অন্তত ছ'মাস ভারী কোন কাজ করতে দিবেন না কারন এতে সেলাইয়ে সমস্যা হতে পারে। লাবন্যও বুঝতে পারে কণ্যা সন্তান জন্ম দেয়ায় তার কণ্যার এখন থেকেই অবহেলা শুরু হয়েছে! বাকি জীবন কি হবে কে জানে? এখন থেকেই সমস্যার শেষ নেই! কণ্যা সন্তান হওয়াতে স্বামী ছাড়া শশুরালয়ের প্রায় সবাই মন ক্ষুন্ন!
 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

গরীবের মেয়ে (বিদেশীর বউ)!!

লাবন্য একজন দিন আনে দিন খায় পরিবারের মেয়ে! গায়ের রঙ কালো না হলেও গরীবই
তার আসল দোষ! বিয়ে হয়েছে প্রায় সাত আট বছর! স্বামী প্রবাসী! বিয়ের কয়েকমাস
পরেই চলে যায় প্রবাসে! বউকে রেখে যায় স্বামীর পিতা মাতার কাছে! আর লাবন্যের
বিয়ের সময় ওর শশুর পরিবার বা স্বামী কেউই কোন সামানা-পত্র চায়নি! শুধু
কিছু গহনা আর নগদ সালামি দিয়ে বিয়ে হয়ে যায়! লাবন্যের স্বামী খুব ভালো
মনমানষিকতার হলেও তার পরিবার ততটা ভালো মনের না! সবাই তো আর এক রকম হয়না!

লাবন্যের
স্বামী প্রবাসে চলে যাবার কিছুদিন আগে জানতে পারে লাবন্যের কোলে মেহমান
আসার আছে! এই নিয়েও এক রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে লাবন্য ও তার স্বামী।
লাবন্যের শাশুড়ী চায়না তারা এত তাড়াতাড়ি বাচ্চা নিক। কিন্তু লবন্যের
স্বামীর বিশেষ অনুরোধে লাবন্য বাচ্চা নেয়। তার স্বামী বলে আমি চলে গেলে
তোমার সময়গুলো কাটবে কি করে? একটি বাচ্চা হলে তো তুমি তাকে নিয়ে ভালো সময়
কাটাতে পারবে। নয়তো তোমার একাকৃত্তের কষ্টে ভুগতে হবে। লাবন্যের স্বামী
সুখবর শুনেও কিন্তু পৃথিবীর ধরা বাঁধা নিয়ম মেনে চলে গেছে প্রবাসে! আর

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

"জীবনে পাওয়ার আবেদন"

জীবনের চাওয়া গুলোর পূর্ণতা হয় পাওয়া দিয়ে। আর মানুষের জীবনের পাওয়ার সংখ্যাগুলো খুবই কম। আলহামদুলিল্লাহ জীবনে যাকিছুই মনে মনে বা স্ব-শব্দে কামনা করেছি মহান আল্লাহ তা দিয়ে পূর্ণ করেছেন। সাধনা বা অপেক্ষা আর প্রার্থনা নামের শব্দ গুলো ছিলো জীবনের চাওয়ার সাথে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িতো। যখনই জীবনের চাওয়া গুলো একটি একটি করে পূর্ণ হতে থাকলো ঠিক তখন থেকেই মনের মাঝে এই ভয় জাগ্রত হলো যে, জীবনের সকল চাওয়াই তো পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে তাহলে কি জীবনের সমাপ্তি লগ্ন অতি নিকটে?

কতটা বছর তো আকাংখা আর অপেক্ষা করতে করতে কাটিয়ে দিলাম তখন ছিলো আকাংখা পূরণের জন্য অপেক্ষা আর সাথে কায়মনো বাক্যে প্রার্থনা। আর যখনই আকাংখিত চাওয়া গুলোর সিংহভাগই পূর্ণতার রুপ পেতে থাকলো তখন মনের মাঝে উদয় হলো আরে সকল চাওয়াই তো পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে তাহলে কি জীবন সূর্য অস্তমিত হবার সময় হয়ে এসেছে? জীবনের অপূর্ণ চাওয়া গুলো জান্নাতে দিয়ে পূর্ণতা দান করো। জীবনে মৃত্যুটাই চির সত্য কথা যে, জীবনের সূর্যদ্বয় যখন থেকে শুরু হয়েছে তারপর থেকে যেকোন সময় অস্তমিত হওয়াটাও কঠিন সত্য।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

"ওহুদ প্রান্তরের অনুভুতি"

আসরের পর পড়ন্ত বিকেল! ডুবন্ত সূর্য! যেন পৃথিবীকে আঁধারের কাছে সপে দিয়ে চলে যাচ্ছে ভোরের শর্ত পূরন করতে! আর এভাবেই সূর্য তার নিয়মে চলছে প্রতিদিন! কখনো মেঘ এসে বাঁধ সাধে পৃথিবীকে আলোকিত করতে! কখনো বা মেঘের আঁধার ভেদ করে বেড়িয়ে আসে পৃথিবী ও এখানে বসবাসকারি প্রাণীকূলের কষ্ট লাঘব করতে! সূর্য তার ওয়াদা পূর্ণ করতেই অস্তমিত হয়ে যাচ্ছে! আর কিছু ক্ষনের মধ্যেই সূর্য হারিয়ে যাবে রাতের আঁধারে! ভাগ্যক্রমে কেউ কেউ দেখতে পাবে আগামিকালের ভোরের সূর্যদ্বয়! আর কারো জীবনে হয়তো আর কখনোই সূর্যদ্বয় হবেনা! অস্তমিত সূর্য দেখাই জীবনের শেষ দেখা হয়ে থাকবে! আর কারো জীবন পৃথিবীতে আগমন করবে নতুন সূর্যদ্বয়ের হাতছানি নিয়ে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"অলংকার মূল্যবান"

অলংকার মূল্যবান
এলম শেখাও তাই!
শিক্ষা ছাড়া কোন জাতির
চির মুক্তি নাই!

শিখতে হলে এসো সবে
মাদ্রাসারই ঘরে!
এলেম শিখে আমল করলে
নুর পাবে কবরে!

১৫ই আগষ্ট ২০০৫

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

"আল্লাহর ভালোবাসায়"

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content