'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

মু’মিন

হেলা খেলায় যাচ্ছে চলে
এই দুনিয়ার জীবন।
কখন যেন ছিনতাইকারির বেশে
হানা দেবে মরন।

জানি না’কো কেমন জানি
মৃত্যু হবে আমার।
হাদীসে পড়ে ছিলাম
শেষ ভাল যার সব ভাল তার।

এমন করেই মৃত্যু মোর
ঈমানের সাথে হয়।
ভাবতে পারি আমি
আমার আখেরাত হবে কল্যানময়।

এর বিপরীত হয় যদি
আল্লাহ না করুন।
আমার আখেরাত হবে তখন
কতই না নিদারুন।

আমার আখের পরিণতি দেখে
হাসবে জান্নাতবাসীগণ।
তাই আমলের সাথে চলবো আমি
করছি আজি পণ।

আল্লাহ করুন মু’মিনাহ হয়ে
মরন যেন হয়।
প্রার্থনা করি সদাই
আখেরাত যেন হয় শান্তিময়।

দুনিয়াতে আমি গরীব হয়েই
যায় চলে যাক দিন।
আখেরাতে যেন পরিচিত হই
আমি একজন মু’মিন।

দুনিয়া দিও সাদাসিদা
আখেরে দিও নাজাত
এপ্রার্থনাই সকাল সাঝে
এই তো মনের একান্ত আর্তনাদ।
 
১৫ই মার্চ ২০১৪

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (৫ম পর্ব)

এভাবেই কানিজ আর আযাদের কেটে যায় কয়েক বছর! বাড়িতে অন্য সব কাজের জন্য
আলাদা আলাদা মানুষ রাখা আছে! আর আযাদের জন্য আছে কানিজ! কানিজ তবুও আযাদের
কাজ গুলো নিজ হাতে করে দেয়! আযাদকে সময়মত খাওয়ানো, গোসল করানো, আযাদকে গল্প
শুনানো, বিকেলে ছাদে দিয়ে আকাশ দেখা, পত্রিকা পড়ে শুনানো একথায় নিত্য
দিনের সকল কাজের আঞ্জাম দিয়ে যায় কানিজ! এমন কি কানিজ নিজেকে আযাদের
পছন্দমত পোষাকে সাজিয়ে রাখে! কানিজ বেচারী আযাদের জন্য মনের সকল ইচ্ছাকে
কোরবানিই দিয়ে গেলো! আযাদ মাঝে মাঝে কানিজকে নিয়ে ভাবে কানিজের কি এভাবেই
যাবে জীবনটা? কানিজের জীবনটা তো আরো সুন্দর হতে পারতো! কেন মিছিমিছি কানিজ
এখানে থেকে নিজের জীবন যৌবন শেষ করে দিচ্ছে আযাদের সেবায়! আযাদ তো কোনদিনই
তাকে কিছুই দিতে পারবেনা! এসব ভেবে ভেবে আযাদ মাঝে মাঝে মন খারাপ করে!
আযাদের এক বন্ধু মাঝে মাঝে এসে আযাদকে দেখে যায়! তার নামও আযাদ! সে এসে
কিছু সময় গল্প করে কাটায়! আযাদ মাঝে মাঝে বন্ধুর থেকে নানা রকম পরামর্শ
নেয়! একদিন কথা প্রসঙ্গে আযাদকে বলে আযাদ তুমি কখনো তোমার বউয়ের প্রতি কোন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (৪র্থ পর্ব)

আযাদ বোন ও বোন জামাইদের সাথে কানিজের ব্যপারে কথা বলে! কানিজের
মতামত জানায়! তারা ও প্রথমে রাজি হতে চায়না কারন এটা বাস্তব জীবন নিয়ে কথা!
কোন হেলাখেলা হতে পারেনা জীবনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে! কানিজও সবার সামনে
তার অটল অবিচল কথা প্রকাশ করেন এবং সে যে এই কথাতে অনড় সেটাও সবাইকে বুঝিয়ে
দেন! কানিজের কথায় অটলতা দেখে আর আযাদের প্রতি ভালোবাসা দেখে তারাও এক
পর্যায়ে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার ব্যপারে রাজি হন! তবে আযাদ আরেকটু সুস্থ হলেই
এই বিয়ে হবে বলে কানিজের বাবার সাথে এভাবেই কথা হয়! কানিজ তার বাবা মাকে
বলে আপনারা আযাদ সু্স্থ থাকলে যেভাবে বিয়ের আয়োজন করতেন সেভাবেই অনুষ্ঠানটা
পরিচালনা করবেন! আমার তাকদ্বীরের উপর আমাকে ছেড়ে দিন! আল্লাহ হয়তো আমার
উপর সহায় হবেন! আপনারা শুধু আমার জন্য এই বলে দোয়া করুন আমি যেন কোন
অবস্থাতেই আযাদের কাছ থেকে সরে না পড়ি! যতদিন সে বেঁচে থাকবে ততদিন তার
সেবায় নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারি! কানিজের মা মেয়েকে অনেক বুঝাতে চাইলেও
কানিজ তা মানেনি! কানিজের মা মনে মনে খুবই রাগ! এটা কোন ছেলে খেলা নয়! জীবন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (৩য় পর্ব)

কানিজ অনেক সময় চুপ করে
থেকে এবার বলা শুরু করে! আপনি কি বলছেন? কানিজের বিয়ের সবকিছু তো হয়েই
গেছে! তারিখ হয়েছে, বিয়ের কার্ড বিলি হয়েছে, লোক জানাজানি হয়েছে, কেনাকাটা
হয়েছে, এখন শুধু কবুল বলা বাকি আর আগামি কালকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কানিজের
সত্যিকারের কবুল বলে বিয়ে হবে! আযাদ এবার কানিজের মুখ পানে তাকায়! দেখে
কানিজ হয়তো খুব কান্নাকাটি করেছে! দু'চোখ তার ফুঁলে ফুঁলে লাল বর্ণ হয়ে
আছে! আযাদ জানতে চায় তুমি কি বলছো কানিজ? কানিজ চুপ করে থেকে বলে কালকেই
কানিজের বিয়ে হবে এবং আপনার সাথেই! আমি বিয়ে ভেঙে দিতে আসিনি সবাই রাজি না
থাকলেও আমি রাজি এবং বিয়ের অুনষ্ঠানও কালকেই হবে! আমি এসেছি কালকেই যেন
বিয়ে হয় সে কথাটা আপনাকে বলতে! আপনি বিয়ে ভেঙে দেবেন না! কারন কানিজের মনের
সাথে আপনার বিয়ে হয়ে গেছে আরো অনেক আগেই! বাকি আছে শুধু আনুষ্ঠানিকতা! আর
কালকে তা হয়ে গেলে কেউ আর আপনার থেকে আমাকে দুরে নিতে পারবেনা! আযাদ অবাক
চোখে তাকিয়ে আছে কানিজের দিকে এসব কি বলছে কানিজ? ওর মাথা কি ঠিক আছে? আমি
অপেক্ষাতে আছি সে এসে বিয়ে ভেঙে দেবে বলে! আর সে বলছে কালকের তারিখেই বিয়ে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (পর্ব ২য়)

আযাদকে কে বা কারা হাসপাতালে নিয়ে গেছে সে জানেনা! আযাদের পকেট চেক
করে একটি টি এন্ড টি নম্বর পেয়ে ডাক্তারেরা সেটাতে কল করে জানিয়ে দেয় একজন
লোক গুরুতর আহত ঢাকা মেডিকেলে আছে আপনাদের কি হয় জানিনা আপনারা দ্রুত আসেন!
উনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে! আযাদের বাবা, মেজু ভাই ও বোন জামাইরা
দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে যায় তখনও আযাদের জ্ঞান ফেরেনি! ডাক্তার কয়েকজনে মিলে
আযাদের চিকিৎসা করে! তারা জানায় রোগী গুরুতর আহত! রোগীর পায়ের উপর দিয়ে
ট্রাকের চাকা গেছে! তার মেরুদন্ডের হাড় ও পা অচল হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা বেশী!
রক্তক্ষরনও খুব বেশীই হয়েছে! এমন কি হাটুর হাড় পুরোই চূর্ণ হয়ে গেছে! এখন
অপারেশন করে উভয় পা ফেলে দিতে হবে! আপনারা কি ভাবছেন তার ব্যপারে? আযাদের
বাবা তো কান্নায় অস্থীর! কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না! আযাদের ভাই ও বোন
জামাইরা ডাক্তারকে বলেন আপনারা যা ভালো মনে করেন করুন! যত টাকা লাগে আপনারা
আমাদের ভাইকে সুস্থ করতে চেষ্টা করুন! ডাক্তার বলেন সব সময় টাকা দিয়েও
সবকিছু করা যায়না! ডাক্তার একটি কাগজ দেয় সই করার জন্য আযাদের বাবা সেটাতে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (১ম পর্ব)

আযাদ চৌধুরী! বংশ চৌধুরী হওয়ায় চৌধুরী উপাধি পেয়েছেন! বেশ কয়েক বছর
বিদেশ থেকে অনেক টাকা ইনকাম করে দেশে ফিরেছেন! আর বাবার সহায় সম্পদও আছে
অনেক! তিন ভাই ও দুই বোনেরা মধ্যে আযাদ চৌধুরী সবার বড়! বোনদের বিয়ে হয়ে
গেছে অনেক আগেই! দেশে আসলে আযাদের মা বলল; বাবারে অনেক তো বিদেশ করলি এবার
বিয়ে কর! আর বিদেশ একেবারে বাদ দে! কারন আমার বা তোর বাবার কখন কি হয়! আমরা
তোর বউকে দেখে যেতে চাই! আযাদ মাথা নিচু করে বলেন আম্মাজান দেখেন আপনারা
যা ভালো বুঝেন তাই হবে! আযাদের মা বাবা মেয়ে খোজার জন্য ঘটন লাগালেন! ঘটক
কয়েকটি মেয়ের ছবি দিলো দেখতে! তাদের থেকে একজনকে আযাদের ভালো লাগে ও দেখতে
যাওয়ার ইচ্ছা পোষন করে! ঘটক সব ব্যবস্থা করে দেয়! দিনক্ষন ঠিক করে একদিন
আযাদ ও তার দুইবোন যান কনে দেখতে!

কনের নাম কানিজ ফাতেমা! সবাই আদর
করে ফাতেমা বলেই ডাকে! কনে দেখে আযাদের খুব পছন্দ হয়! সে কনে কে তিনহাজার
টাকার একটি খাম দিয়ে আসে! আর জানতে চায় তাকে কনের ভালো লেগেছে কিনা! কনে
শুধু একটু মুচকি হাসি দেয়! আর কিছুই বলেনা! বাসায় এসে মা বাবাকে তার অভিমত

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

হিসাব নিওনা

সবাই বলে তোমার তরে হে প্রভু আঁধার কবরে
হিসাব সহজ করিও
আমি বলি তোমার তরে হে প্রভু অনুগ্রহ করে
আমার আমলের হিসাব নাকরিও

হে আমার স্রষ্টা মালিক একটি হিসাব ও যদি
তুমি নাও গো আমার থেকে
কিভাবে বাঁচাবো নিজেকে তোমার কঠিন আযাব হতে?
হিসাব নিওনা তুমি কোন আদম সন্তান থেকে

সকাল সাঝের প্রার্থনা যতটুকুই করি আরাধনা
দয়া করে আমার থেকে হিসাব নিওনা।
একটি হিসাব নিলেও তুমি
তোমার আযাব থেকে আমরা বাঁচতে পারোবনা।

হে আমার মালিক প্রভু তোমাতেই ঈমান রাখি শুধু
চেষ্টা করি প্রিয় নবী (সঃ) এর পথে চলতে
সাথে আন্তরিক কামনা করি সকল আদমের তরে
অনুমতি দেবে তুমি- বিনা হিসাবে যেতে জান্নাতে...............।

১৫ই মার্চ ২০১৪
মদিনা মনোয়ারা

বিষয়ঃ- সাহিত্য

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

হাদীসের আলোয় কবে?

মানুষ সর্ব শ্রেষ্ঠ জাতি হয়েও কখনো কখনো শয়তানের
প্ররোচনায় নিকৃষ্ট কাজ করে ফেলে! আবার ক্ষমামূখীও হয়! অনেকের জীবন
বৃত্তান্ত থেকে জানা যায় জীবনের তিন সময়ের দুই সময়ই পাড় করেছে দুনিয়া মুখী
হয়ে! অবশেষে তিন সময়ের শেষ সময়ে এসে বুঝতে পারেন তার কি করা দরকার ছিলো সে
কি করেছে? তখন এক আল্লাহর সমীপে নিজেকে পেশ করে আল্লাহর থেকে ক্ষমা নিয়ে
নিজেকে আবারও সুন্দর করতে সচেষ্ট হয়! জীবনের ভুলগুলো সবাই এক সময়ে বুঝতে
পারেনা! কেউ বুঝতে পারে আগে আর কেউ আর পরে! আবার কেউ কেউ সময় একেবারে শেষ
করে! আর সব রকম গোমরাহী থেকে হেদায়াত পাওয়াটা খুবই সৌভাগ্যের ব্যপার! সবাই
এই সৌভাগ্যের অধিকারি হয়না! কেউ কেউ আপন চেষ্টায় সেই সৌভাগ্য অর্জন করে আর
কেউ কেউ জীবন পথে হোচট খেয়ে পরে সেই অর্জনটুকু সাধন করে! উভয়েরই সৌভাগ্য
বলতে হবে!

বাস্তব গল্পঃ-

ছোট বয়ষটাতে কত কি করেছি ভুল করলেও
কেউ ধমক দেয়নি! রাগ করেনি! বরং বৃঝিয়ে বলেছে! কিন্তু যখনই বয়ষ আরেকটু
বাড়তে শুরু করল তখন থেকেই কেবল শাষন আর শাষন! ধমক আর ধমক! আর বিধি নিশেধে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ছবরই সুখ (ঈদুল আযহা নিয়ে)

ঈদ মোবারক সবাইকে সাথে সুন্নতী সালাম!! আর সকলকে (সৌদি) মদিনা প্রবাসীর পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক! ও লাল গোলাপ শুভেচ্ছা!

ঈদ
মানে খুশি! ঈদ মানে আনন্দ! ঈদ মানে একে অপরের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেয়া!
ঈদ সবার ঘরে বয়ে আনে অনাবিল আনন্দের ঢেউ! সত্যিই কি সবার ঘরে ঈদের পূর্ণ
আনন্দ এসে পৌছায়? নাকি কোন কোন ঘর এই আনন্দ থেকে (মাহরুম) বঞ্চিত থাকে!
আমরা সবাই মুখে ঈদের আনন্দ বিলিয়ে দেয়ার কথা বললেও সবাই কি বিলাই সবার মাঝে
সেই আনন্দ? না! সবাই এত উদার হয়ে বিলিয়ে দেইনা সেই আনন্দ! কেউ কেউ কৃপনতাও
করি সেই আনন্দ বিলাতে!

ছোট গল্পঃ- ছবরেই সুখ!!

একটি ছেলে
আর বউ নিয়ে লিটনের প্রবাসের সংসার! এসংসারে তেমন টাকা নেই কিন্তু সুখের
অভাব নেই বললেই চলে! কারন তারা উভয়েই বর্তমান পেক্ষাপট সামনে রেখে কাজ
করে! আর সে হিসেবে যেটা না করলেই নয় সেটাই তারা করে! আর যেটা না করে থাকা
যাবে সেক্ষেত্রে সেই বিষয় থেকে বিরত থাকে! গত ঈদেও তাদের কোন কেনা কাটা
হয়নি! কোন জাঁকজমক বাজার হয়নি শুধু ঘরে যা ছিল তা দিয়েই ঈদের মত মহাৎসব

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

প্রবাসীর বউ (তিন পর্ব গল্পের শেষ পর্ব)

নতুন জীবনে লোপা সুখেই আছে! গত কষ্টের জীবনের তুলনায় এ যেন জান্নাতের সুখ! তার নতুন স্বামী কখনোই কথার ছলে বা দুষ্টোমির ছলে লোপাকে আগের কোন কথা তুলে কষ্ট দেয়না! বরং লোপার মন খারাপ দেখলে নানা রকম ভাবে শান্তনার কথা বলে! আরো বলে তাকদ্বীরে এভাবে ছিল তাই এমনটি হয়েছে তুমি মন খারাপ করনা বরং আমাকে তুমি তোমার জীবন সাথির পাশাপাশি বন্ধু মনে করো তাহলে আর কোন সমস্যাই থাকবেনা! আর লোপার মেয়ে জুঁইকে আপন পিতার স্নেহে লালন করেন! আর জুঁই ও যেন এই প্রথম তার বাবাকেই খুজে পেয়েছেন! কয়েকদিন থাকার পর জুঁই ওর নানীর কাছে যেতে বায়না ধরেছে কারন শহরে ঘর বন্দি হয়ে থাকতে জুঁইয়ের ভালো লাগেনা! লোপা অনেক বুঝিয়েছে ছয় সাত বছরের ছোট মেয়েটাকে কিন্তু সে এখানে থাকবেনা নানু আপার কাছে থাকবে বলে কান্না শুরু করেছিল এক পর্যায়ে জুঁইকে লোপার বড় ভাই এসে নিয়ে যায় গ্রামেই স্কুলে ভর্তি করে দেয়! মামাই জুঁইকে দেখাশুনা করে! লোপার নতুন সংসারে আবারো নতুন মেহমান এলো এভাবে চলতে থাকল লোপার জীবন গাড়ি! চলতে চলতে লোপা আরো দুই কন্যা ও তিন পূত্রের জননী হলেন! লোপার আগের কথা ভাববার সময় এখন আর নেই! তবুও অতীত যে জীবনেরই একটি অংশ!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)
Syndicate content