'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১৪ম পর্ব)

কানিজ কয়েকজনকে কল করে যখনই আযাদের কাছে আসে দেখে আযাদ চুপচাপ হয়ে
গেছে এত সময় যে কষ্ট হচ্ছিলো সেটাও এখন আর হচ্ছেনা। কানিজ প্রথমে ভাবে আযাদ
হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছে কিন্তু যখনই আযাদকে ডাকতে থাকে আর আযাদ কোন জবাব ও দেয়
না আর কানিজের দিকে তাকায়ও না তখনই তার মনে ও মস্তিস্কে প্রচন্ড চাপ অনুভব
করে আযাদ কি তাহলে নিরবে চলে গেলো? এমন তো কথা ছিলো না কেন তবে এভাবে চলে
গেলে? কানিজ এসব ভাবতে গিয়ে হঠাৎই পড়ে যায়। যখন ফজর হয়ে চারিদিকে আলো ফুটে
উঠে, পাখিরা গেয়ে ওঠে ঘুম ভাঙানির গান, সূর্যটাও কথামত আকাশে এসে হাজির হয়,
কর্মব্যস্ত মানুষ গুলো কর্মের পেছনে ছুটতে থাকে তখন একজন লোকের ঘুম আসে
চিরদিনের ঘুম। আরেক জন তার মায়ায় স্বজ্ঞান হারিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে ঘরের
মেঝেতে। ভোর রাতে কল পেয়ে যখনই লোকজনের সমাগম ঘটে কানিজের বাবা ও আযাদের
বোনাইরা আসে কানিজ ও যেন আযাদের সাথী হতে চায় তাই সে ও আযাদের মত নিশ্চুপ
শুয়ে আছে। তখনও কানিজের জ্ঞান নেই। তারা কয়েকবার দরজায় কড়া নাড়ে কিন্তু
ভেতর থেকে দরজা কেউই খুলে দেয়না। তাই বাহির থেকে দরজা ভেঙে ভেতরে যায় ওরা

আপনার রেটিং: None

ঝড়, ছবর অতঃপর জান্নাতের সুখ!

"ঝড়"

নতুন সংসার এরমাঝেও নানা রকম কথা
কাটাকাটি। সংসারে টুকিটাকি হয়ই এসব বলে অনেকে শান্তনা দিলেও যার সাথে সংসার
সে যদি মনের অব্যক্ত কথা বুঝতে না পারে তবে আর কার কাছে সে কথা বলে
শান্তনার বাণী খুজবে? অনেক পছন্দ করে এনেও পরবর্তীতে শাশুড়ীর বউকে না
ভালোলাগা নতুন সংসারে যেন এক কঠিন ঝড়ের উদয় করেছে। এভাবে চলতে চলতে কোল
জুড়ে আসলো পৃথিবীতে যেন সদ্য ফোটা একটি জান্নাতের ফুল। যার হাসি আনন্দে
নারীর পৃথিবীটা অন্য রকম সাজে সজ্জিত হয়। কিন্তু সেটাও স্থায়ী হয়না। ঝড়ের
কাজই হলো সবকিছু তছনছ করে দেয়া। কোনকিছু তছনছ না করে সে যাবেনা। এবেলাতে
যদি কঠিনভাবে ছবর করা যায় হয়তো কয়েকজনে টিকে থাকে নয়তো ভাঙার ঝড়ে ভেঙে পড়ে
চুপচাপ। স্বামী নামক লোকটি বলে কোনভাবেই যখন বণছে না তোমার আর মায়ের, তো
সন্তানটাকে রেখে চলে যাও তোমার মোহরানা দুইলাখ আমি তোমাকে চারলাখ টাকা দিবো
তুমি কোলের বেবীকে রেখে চলে যাও তাতেও যদি সংসারে একজনকে হাসাতে পারি। আর
তোমার জন্য আমি আমার জান্নাত নষ্ট করতে পারবো না। ( উভয়ের অধিকার সম্পর্কে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১৩ম পর্ব)

প্রায় আট মাস হতে চলেছে মনিরের মেয়ের বয়ষ। দেখতে খুবই সুন্দর মেয়েটি
এবং খুব মায়া ও আছে চেহারাতে যে কেউ একবার দেখলে কোলে নিতে চাইবে। কিন্তু
সে কোন দিকে শব্দ হলে বুঝতে পারেনা। এমন কি মা বাবা কেউ ডাকলেও সেদিকে
তাকায় না। সোনামনি বা বাবামনি যা বলেই ডাকুক না কেন সে তাকায় না। এক সময়
মনিরের বউয়ের সন্দেহ হয় সব বাচ্চারা কোন শব্দ হলেই তাকায় হোক সেটা খেলনার
শব্দ বা হোক অন্য কোন শব্দ কিন্তু তার মেয়ে কেন তাকায় না? অনেক চিকিৎসা আর
অনেক কাঠখঢ় পুড়ানোর পর জানা যায় মনিরের মেয়ে জন্মগত বধির। সে কোনদিনই শুনতে
পাবেনা। তারপরও ডাক্তারেরা আশ্বাস দিয়েছে বড় হলে হয়তো কোন সমাধানে আসা
যেতে পারে কিন্তু এখন কিছুই বলা যাচ্ছেনা। আপনারা পুরো ব্যপারটিকে আল্লাহর
উপর ছেড়ে দিন। আগামিতে হয়তো কোন আধুনিক চিকিৎসায় সকল বঁধিরেরা শুনতে পাবে।
কিন্তু মনিরের বউয়ের মনে ভয় হয় যে, মনিরের কর্ম কান্ডের কারনেই হয়তো তাদের
সন্তানের এই পরিণতি হয়েছে। সে মনিরকে বোঝাতে থাকে সে যেন বড় ভাই ও ভাবীর
কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয় তাহলে হয়তো আল্লাহ তাদের মেয়ের প্রতি সদয় হবেন। কিন্তু

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)

"আত্মার খোরাক হাদীস (১)"

আজকে হাদীস পাঠ করতে গিয়ে কয়েকটি হাদীস পেয়েছি আমার খুবই ভালো
লেগেছে। পড়ে দেখেন আপনাদেরও ভালো লাগবে হয়তো। আর হাদীস নিজের জীবনে
বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে হয়তো কেউ কেউ উৎসাহ পাবেন আশা করি। এজন্য আমার হাদীস
পাঠ থেকে দুটি এখানে সবার সাথে শেয়ার করছি।

হযরত আবু হুরায়রা
(রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ দান-খয়রাতে সম্পদ কমেনা এবং
ক্ষমা দ্বারা মহান আল্লাহ বান্দাহর ইজ্জত-সম্মানই বাড়িয়ে দেন। আর যে
আল্লাহর উদ্দেশে বিনয়ী হয়,আল্লাহ তাকে উন্নত করেন।

(মুসলিম)

হাদীসের ব্যাখ্যাঃ- বর্ণিত হাদীসে আল্লাহর নবী(সঃ) বিশেষ ধরনের তিনটি গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। দান, ক্ষমা ও বিনয়। কোন বস্তুবাদি

স্বল্প
বুদ্ধির লোক হয়তো মনে করতে পারে যে, দান দ্বারা সম্পদ কমে যায়, ক্ষমা
দ্বারা সম্মানের লাঘব হয় এবং বিনয় দ্বারা মর্যাদার হানি ঘটে। নবী করিম (সঃ)
বলেছেন এরুপ নয় বরং এর বিপরীত। দান সম্পদ বৃদ্ধি করে, ক্ষমা সম্মান দান
করে, আর বিনয় মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

হযরত আবু হুরায়রা

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"বিজয়ের মাসে সেঞ্চুরী পোস্ট ও কিছু কথা"

ব্লগার ভাই বোন আপনাদের সকলকে "আস-সালামু আলাইকুম"

এই ব্লগে আমি আছি
এক বছর এগারো মাস পনেরোদিন। আজকের এই লেখা সহ আমার লেখা একশতম লেখা হবে।
(মানে সেঞ্চুরী পোস্ট) যাদের ত্যাগের কারনে স্বাধীনতার বার্তা এসেছিল তাদের
সকলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা তিনি যেন তাদেরকে সম্মানের
উচ্চসনে আসীন করেন। আর বাঙালি সকল ভাই বোনসহ সবাইকে বিজয়ের আনন্দেই রাখুন
সবসময়। এই বিজয় বাংলার জমিনে আসুক বারংবার। আজ বিজয় দিবস পালিত হয়েছে
বাংলাদেশে লেখাটা আগে পোস্ট করার ইচ্ছা থাকলেও পারিনি আমার পরিবারের সবাই
আমাকে নিয়ে হাসপাতালে সারাদিন আর আমার ডান হাতে চলছিলো সেলাইন। তাই পারিনি
লেখাটা দিনে পোস্ট করতে। এখন যদিও ষোলোই ডিসেম্বর শেষ হয়ে সতেরো চলছে
তারপরও লেখেটা পোস্ট করেই ঘুমাবো ভাবছি।

হাঁটি হাঁটি পা পা করে
চলতে শেখা। অ, আ, দা, না বলে বলতে শেখা। হাঁটি হাঁটি পা পা করে চলতে শিখেছি
মায়ের কাছে। আবোল তাবোল বলে বলে বলতে শিখেছি মায়ের কাছে। মায়ের কাছে শেখা
শিক্ষা নিয়ে টুডে ব্লগের চলার সাথে সাথে চলছি আমি ও আমরা সকল ব্লগার ভাই ও

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১২ম পর্ব)

আযাদ ইদানিং আরো মনমরা হয়ে থাকে জালাল চলে যাবার পর থেকে। আগের মত
যেন হাসতে ভুলে গেছে। ভুলে গেছে গল্প করতে। আর মাঝে মাঝে বাচ্চা শিশুদের মত
করে হাউমাউ করে কাঁদে আযাদ। কানিজ অনেক শান্তনা দিতে চেষ্টা করে। অনেক
বুঝায় আযাদকে কিন্তু আযাদ যেন আজকাল আরো ছোট খোকা হয়ে গেছে সে কোন কিছুতেই
বুঝ মানতে চায়না। কানিজ সংসারের কাজ ছাড়াও আযাদকে আরো বেশী সময় দিতে ট্রাই
করে। নানা রকম কৌতুক বলে হাসাতে ট্রাই করে আযাদকে। আযাদের মুখে হাসি ফোটাতে
কানিজ কোন কিছুই বাদ দেয়না। কিন্তু আযাদ আর আগের মত হতে পারেনা। হাসতে
পারেনা। পারেনা আগেরমত করে সুন্দর ভাবে কথা বলতে। তারপরও কানিজের কোন কমতি
নেই আযাদকে হাসাতে সে অবিরাম চেষ্টা করেই যাচ্ছে আযাদ যেন আগের মত হয় সেই
জন্য। আস্তে আস্তে আযাদ কিছুটা আগের মত হয় কিন্তু হঠাৎ হঠাৎ আযাদ যেন
অন্যমনষ্ক্য হয়ে যায় তখন আর কিছুতেই তাকে হাসানো বা গল্প শুনানো যায়না।
হঠাৎ করেই আযাদের হাস্যোজ্জল মুখে যেন মেঘ জমে যায়। সে মেঘ আকাশের মেঘের
চেয়েও কালো। সে মেঘ শুধু আযাদের মুখেই জমেনা বরং কানিজের মন থেকেও ঝরে পড়ে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১১ম পর্ব)

আযাদকে নিয়ে সবাই যখন ব্যস্ত হাসপাতালে। তখন মনিরও ব্যস্ত তার বউকে
নিয়ে। মনিরের একটি কন্যা সন্তান হয়েছে। মনির সেই ছলে আযাদকে দেখতে যাওয়া
থেকে বিরত থাকার কথা বলেছে ছোট বোনদের। সবাই এতে নিশ্চুপ কারন সে ও তো
বিপদেই ছিলো। মনিরের দুষ্টোমির গোপন চেহারাটা সবার কাছে গোপনই থাকলো আপাতত।
আযাদের মাকে আযাদের বড় বোনের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে কারন একই ঘরে দুইজন
রোগীকে দেখা শুনা করা কঠিন আর আযাদের বোনও সংসার ছেড়ে প্রতিদিন এসে মায়ের
সেবা করতে পারবেনা তাই মাকে নিয়ে গেছে নিজের কাছে। আযাদের মা ও এবাসায় যেতে
চাইছিলো না। তাই তারাও জোর করে নেয়নি। মায়ের কথামত মেয়ের বাড়িতেই নিয়ে
যাওয়া হয়েছে। আযাদের মা মেয়েকে অস্পষ্ট ভাষায় বলে মারে আমাকে ওখানে নিয়ে
গেলে মনির আমাকে মেরে আমার বাপের বাড়ির সম্পদ লিখে নিবে। তুই আমাকে তোর
কাছেই রাখ। কারন মনির কয়েকবার আমাকে দেখতে এসে বারংবার বলেছে দলিলে দস্তখাত
করে দিতে আমি রাজী হইনি। কারন এসম্পদ আমার বাপের দেয়া সম্পদ। এখানে তোদের
সব ভাইবোনের অধিকার রয়েছে। মনির বলে তুমি বাবার কাছ থেকেও সম্পদ পেয়েছ আর

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (১০ম পর্ব)

কানিজ নিজেকে নিজে দোষারোপ করতে থাকে তার জন্যই আযাদের আজকে আবারও
করুন পরিণতি। আমি কেন যে এতদিন ধরে এবাড়িতে এসে থাকতে গেলাম? কেন আরো আগে
চলে গেলাম না? তাহলে হয়তো আযাদের এই অবস্থা হতোনা। কানিজ ভাবছে তাহলে কি
মনিরই এই কাজ করেছে সম্পদের লোভে? মনিরের যেই কথা সে সরাসরি শুনেছে তাতে
করে কানিজের ধারণার সিংহভাগই মনিরের দিকে আসে। কানিজ আরো ভাবতে থাকে মানুষ
অন্যকে ধোঁকা দিতে চায়! আর যে ধোঁকা দেয় সেই একসময় বুঝতে পারে সে কাউকেই
ধোঁকা দেয়নি। ধোঁকা দিয়েছে শুধু নিজেকে.......সর্ব শেষে বুঝেও কোন কাজ
হয়না। আবার এও ভাবে যে, না জেনে, না দেখে কারো উপর দোষারোপও করা ঠিক নয়।
তাই কানিজ নিজেকেই বেশী দোষারোপ করতে থাকে। কানিজ আরো ভাবে আচ্ছা বাসায়
গেলেই জানা যাবে জালাল তখন কোথায় ছিলো? কিভাবে কি হলো? কিভাবে আযাদ এতটা
ব্যথা আবারও পেলো? কানিজ মহান আল্লাহ কাছে প্রার্থনা করতে থাকে হে আল্লাহ
তুমি আযাদকে বাঁচাও সুস্থ করে দাও, আমি যেন আযাদের কাছাকাছিই সবসময় থাকতে
পারি। কানিজ তার বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে যান আযাদের কাছে আযাদকে দেখতে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (৯ম পর্ব)

ফজরের আযান হলো! চারিদিক এখনো অন্ধকারে আচ্ছন্ন! জালাল উঠে আযাদের রুমে আসে!
তাকে ডাক দেয়! ভাইজান ফজর নামাজের সময় হয়েছে! নামাজ পড়বেন! আযাদকে কয়েকবার
ডাকলে ঘুম থেকে জেগে যায়! জালাল তাকে অযু করিয়ে নিজেও অযু করে আযাদের
পেছনে নামাজে দাড়িয়ে যায়! আযাদ ইমামের ভূমিকায় নামাজ শেষ করে! জালাল আযাদের
কাছ থেকে বিদায় নিয়ে পাশের এলাকাতে যায়! তখনো সূর্যদ্বয় হয়নি! আযাদ হুইল
চেয়ারে বসে এ ঘর থেকে ও ঘরে যাচ্ছে! সবশেষে বারান্দায় এসে দাড়িয়ে সূর্যদ্বয়
দেখছে! অনেকদিন এভাবে সূর্যদ্বয় দেখা হয়নি! আযাদ ভোরের সূর্যদ্বয় দেখছে আর
ভাবছে সূর্যদ্বয় কত সুন্দর তবুও তার সময়সিমা নির্ধারিত ভোর থেকে নিয়ে
সন্ধ্যা পর্যন্ত সে আলো বিলাতে পারবে এরপর রীতিনুযায়ী অস্তমিত হয়ে যাবে
পশ্চিমাকাশে! আযাদ ভাবতে থাকে এমন করেই তো প্রত্যেকের জীবনের সময় সিমা
নির্ধারিত করা আছে আযাদ ভাবে এমন ও একদিন আসবে যেদিন আর আযাদের জীবনে নতুন
সূর্যদ্বয় হবেনা সেদিন কোন দিন আযাদ তা জানেনা। আযাদ আরো ভাবতে থাকে মানুষ
কত যে অসহায় তা আযাদ বুঝতে পারছে প্রতি ক্ষনে ক্ষনে! জীবনের কঠিনতাকে সম্বল

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

"ওপারের ডাক"

যখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে চারিদিক অন্ধকারে ঢেকে যায়! সকল পশু পাখি ও মানুষেরা
সহ সবাই ফিরে তাদের সুখের নীড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে! কর্মব্যস্ত মানুষ গুলো
ভোরের সূর্যদ্বয়ের অপেক্ষায় থাকে কখন রাতের আঁধার কেটে ভোরের আলো ফুটবে?
কখন তারা পৃথিবীর আয়োজিত কাজে ব্যস্ত হবে? জীবনকে সাজাতে গুছাতে যত
ব্যস্ততা, যত আয়োজন! পৃথিবীর সকল চাহিদা পূরনের জন্য ব্যস্ত আমরা পিছনে বা
অগ্রে তাকানোর কোন সময়ই পাইনা বা আমাদের হাতে সেই সময় নেই। আর সেই প্রয়োজন
পূর্ণ করতে করতেই চলে আসে যাওয়ার ট্রেন। কেউ হয়তো পারে সেখানে যেতে যথাযথ
প্রস্তুতি নিয়ে আর কেউ পারেনা। চলে যাওয়ার সময় হতেই চলে যায়। তারপরের কি
অবস্থা বা কি উপায় তা ভাববার সময়ই পাওয়া যায়না। মৃত্যু এমনই একটি বাস্তবতা
যে, তাকে কেউই অস্বীকার করতে পারেনা।

জীবনের সকল ব্যস্ততায় সময়
কাটতে কাটতে জীবনের সন্ধ্যা যে কখন নেমে এলো সিরাজ উদ্দীন খানের কোন খবরই
ছিলোনা। যৌবনের শুরু থেকে এই সময় পর্যন্ত পিছনে তাকানোর সময়ই পাননি তিনি।
শুধু বিলাসিতার পিছনে ছুটেছেন অহরহ! বুঝতেই পারেননি কখন যে জীবনের শেষ

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content