'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

"নিউ লাইফ"

আপনার রেটিং: None

"নিশিরাতে"

রাত্রি অনেক গভীর হলো
আসছেনা যে ঘুমটা!
মৃত্যু ভয়ে কম্পিত মগজ
ছটফট করছে মনটা!

ফ্যান এসি সবই চলছে
ঘুম তবু নেই চোখে!
ভাবছে এ-মন গভীরভাবে
কিভাবে থাকবো কবরেতে?

অনেক ভেবে বিছানা ছেড়ে
এলাম অজু করে!
মোনাজাতে মনোযোগ দিলাম
দু'রাকাত নামাজ পড়ে!

আল্লাহকে জানালাম সবই
মোনাজাতের মাঝে!
আমাকে ব্যস্ত রাখো সদাই
তোমার খুশির কাজে!

সদাই রাখো আমায় তুমি
প্রিয় নবী (সঃ)এর পথে!
খুশি থাকো আল্লাহ তুমি
দিবা-রাতি আমাতে!

ভুল করলে করে ক্ষমা
কাছে নিও টেনে!
প্রতিদান দিও তুমি
অন্তরের নিয়্যত জেনে!

দূর্বল আমি অক্ষম আমি
আমল নাই তো তেমন!
কি করে যে করবো আমি
তোমার সন্তুষ্টি অর্জন?

নিশিরাতে তোমার ভয়ে
কাঁদছে আমার মন!
সকল ত্রুটি ক্ষমা করে
করে নিও আপন!

অল্প অল্প আমল গুলো
কবুল করে নাও!
আমার প্রতি দয়া করে
তোমার মতে চালাও!

আপনার রেটিং: None

"স্বার্থাণ্বেষী"

পৃথিবীতে স্বার্থাণ্বেশী মানুষের সংখ্যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। পিছন ফিরে দেখে না অতীতের পরিণতি। আর সামনে চলার পূর্বেও ভাবেনা শেষ পরিণতি। তাদের চলা-বলায় যেন ফুটে ওঠে এইখানেই সবকিছু পরোকাল বলে কিছু নেই। তারা প্রবৃত্তির অনুসরন এতই করে যে, এই গুণের মানুষ দেখে ভয় হয়। আল্লাহ রাহমানুর রাহীম হেফাজত করুন এই মহামারি প্রবৃত্তির অনুসরন থেকে।

ভাবলে অবাক লাগে! কতেক মানুষকে আলেম জেনে সম্মান করি, সাধ্যমতো আপ্যায়ন করতে চেষ্টা করি, মদিনার মেহমান হিসেবে আনসারি সাহাবীগণের অনুসরনে আনসারির ভূমিকা পালনে সচেষ্ট হই, তাদের জন্য মেহমাদারির রসদ নিয়ে মসজিদে নব্বীর চত্বরে বসে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করি কিন্তু তারা সেই আবেগ ও আপ্যায়নের দিকে ফিরেও তাকায় না। এমন কি তাদের সহধর্মীনিরাও দেখা করতে পারেনা। তারা আলেমের বড় বড় ডিগ্রী অর্জন করেছে। তাদের সময় কোথায় সাধারন সেই আবেগ আর আপ্যায়নে সময় দেবার? তাদের কাছে সাধারনের অপেক্ষার মূল্য নাই। তারা তো "স্কলার" হয়েছে ঠিকই কিন্তু সাধারন মুসলমানের মন বুঝার জ্ঞান অর্জন করতে পারেনি। আমার মতো নালায়েক তাই মনে করছে। হতে পারে জ্ঞানের স্বল্পতার কারনে।

আপনার রেটিং: None

চিন্তার বিষয়

"কথায় বলে বউ নষ্ট হয় ঘাটে
ঝি নষ্ট হয় চাটে"
আর ছেলে নষ্ট হয় অন্য বাড়ি খাটে"
আপনারাই বিশ্লেষন করুন কথাগুলো কতটা যৌক্তিক?

আপনার রেটিং: None

"চলে গেলেন নাফেরার দেশে"

"খসে গেলো মু'মিনের আকাশ থেকে একটি নক্ষত্র" তাই গতকাল থেকে মনটা খুবই খারাপ। কেন? পড়তে থাকুন......

আপনার রেটিং: None

"অনন্তসাথীর সন্ধানে" ২য় ও শেষপর্ব

ওয়াহিদার পক্ষে শুধু ছোট চাচা আর ছোট মামা তারা তিনজনে পরামর্শ করে ছোট চাচাকে পাঠিয়ে দেয় বরের গ্রামের বাড়িতে। তিনি খোজ নিয়ে আসেন ছেলের বাবা নেই। মা বিছানায় শায়িত (খাওয়া-দাওয়া প্রাকৃতিক কাজ সব করে দিতে হয়)। একা বাড়ি ভাইয়েরা যার যার মতো আলাদা বাড়িতে থাকে। একভাই শশুরের একমাত্র জামাই হওয়ায় সে ঘরজামাই থাকে। আর সবচেয়ে বড়কথা হলো ছেলে বিবাহিত। ওয়াহিদা তো শুনেই অস্থীর। কি বলেন ছোটচাচ্চু?

আপনার রেটিং: None

""অনন্তসাথীর সন্ধানে" (১ম পর্ব)"

বয়ষ বেড়ে বুড়িয়ে যাচ্ছে বলে অনেকেই সমালোচনা করতো ওয়াহিদাকে নিয়ে। মানুষের মুখের এই কাঁটা যুক্ত কথাকে হজম করে কিশোরী বয়ষটা পাড় করছে সে। আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে পাড়া-প্রতিবেশী কেউই বাদ যায়নি এই সমালোচনা থেকে। সমালোচনা বললে ভুল হবে, বলতে হবে নরম কোমলীয় মনটাকে কড়াতের আঘাতে আঘাতে রক্তাক্ত ক্ষত-বিক্ষত করে দিতো। মাঝে মাঝে লোকের দেয়া এই কষ্ট থেকে মুক্তির পথ খুজতো সে। নিরবে-নিভৃতে আল্লাহ্ তা'য়ালাকে বলতো মানুষের কটুকথার আঘাত থেকে মুক্তি দিতে। এই এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে শয়তান উস্কে দিতো (তুই আত্মহত্যা কর) বলে বলে। কিন্তু ওয়াহিদার অন্তরে ছিলো আল্লাহ্ তা'য়ালার ঐশী জ্ঞানের আলোয় ভরপুর। যে আলোয় সে নিজের অন্তরকে আলোকিত করে নিয়েছিলো অনেক আগেই। ক্ষনে ক্ষনে সে মনের সাথে লাড়াই করতো এই বিষয়টা নিয়ে কোন সমাধানে আসতে পারতো না ঠিক। কিন্তু মনের মাঝে সে অনুভব করতো আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা প্রশান্তির। ২০০০ সনের পরে এর রেশ আরো বাড়তে থাকে। যখন আপন পিতাও তাকে পরোলোকের মতো কুঠারের আঘাতের ন্যায় আঘাত করতে থাকে তখন সে আর সহ্য করতে পারে না। এক পর্যায়ে শুধু মা ছাড়া আর বাকি সবার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। জীবনটা তার সংকীর্ণক

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

"আশুরার রোজা রাখা প্রসঙ্গে"

আশুরার রোজা রাখা প্রসঙ্গেঃ

আশুরার রোজা প্রসঙ্গেঃ আজকে জু'মারদিন। ৬ই আশুরা হিজরী ১৪৩৮ ৭ই অক্টোবর ২০১৬ ইং। সোমবার ইংরেজী ১০ তারিখ ও মঙ্গলবার ইংরেজী ১১ তারিখ (বাংলাদেশের সন হিসেবে ১১ ও ১২ ইংরেজী তারিখে) আশুরার দুটি রাখা আবশ্যক। এই দিনের একটি রোজা রাখলে পিছনের এক বছরের গুনাহ্ মাফ হয়। তবে এই দিনটির সাথে মিলিয়ে অর্থাৎ আগের দিন অথবা পরের দিন মোট দুটি রোজা রাখতে হবে। রাসূল (সাঃ) এর নির্দেশ। ইনশা আল্লাহ্ আমরা সকলেই যেনো এই আমলটি করতে পারি। মহান আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দিন। আমিন।

** আশুরার ফজিলত
ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ আল মাদানী

আয়েশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমাদ্বান মাসের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানেরা আশুরার দিন রোজা রাখত। আর এ দিন কাবা ঘরের গিলাফ পরানো হতো। যখন রমাদ্বানের রোজা ফরজ করা হলো তখন রাসূল (সঃ) এ ঘোষণা দিলেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে আশুরার দিনের রোজা রাখার সে রোজা রাখবে। আর যে রোজা পরিহার করতে চায় সে তা পরিহার করবে (বুখারি-১৫১৫, ১৭৯৪)

আপনার রেটিং: None

"সাক্ষাত"

একজন মু'মিনের সবচেয়ে আনন্দের বিষয় আল্লাহ্ তা'আলার সাক্ষাত:

একজন সত্যিকার মু'মিনের সবচেয়ে বড় চাওয়া পাওয়া হচ্ছে আল্লাহ্‌র সাক্ষাত ও পরকালে আল্লাহর দিদার লাভ।
রাসুল (সঃ) বলেছেন
من أحب لقاء الله أحب الله لقائه      ومن كره لقاء الله كره الله لقائه         ( مسلم)
 যে আল্লাহর সাক্ষাত ভালোবাসে আল্লাহ্ তার সাক্ষাত কে ভালো বাসেন। আর যে আল্লাহর সাক্ষাত কে অপছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাত কে অপছন্দ করেন। ( মুসলিম)

এজন্য একজন মু'মিন  সারাক্ষন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিয়মিত ফরজ ও নফল নামাজ, তিলাওয়াত, যিকির, দোয়া, ইসলামী  দাওয়াত, ইত্যাদি ইবাদত  নিয়ে ব্যস্ত থাকে সাথে সাথে সকল কবিরা গুনাহ ও শিরক বিদআত থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে।

সে প্রতি মুহুর্তে মৃত্যুর জন্যে আল্লাহ্ তা'আলার সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত থাকে।

আপনার রেটিং: None

♣বিষয়: আরাফার দিন রোযা রাখা। #কেন, #কিভাবে, #কোনদিন এই রোযা রাখবেন?

জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ হল আরাফার দিন, (চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল)। এই দিনে হাজীগণ আরাফার ময়দানে উপস্থিত হন বলে এই নামকরণ হয়েছে। এই দিনের রোযা রাখার ফজিলত প্রসঙ্গে মহানবী (সা:) জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বলেছিলেন-

♦‘‘আরাফার দিনের রোযা বিগত এক বছরের এবং আগামী এক বছরের কৃত পাপরাশিকে মোচন করে দেয়।’’ [মুসলিম, তিরমিজী]

♦সাহল বিন সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা:) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি আরাফার দিন রোযা রাখে তার উপর্যুপরি দুই বৎসরের পাপরাশি মাফ হয়ে যায়।’’ [সহিহ তারগীব]

 ♦রাসূল (সা:) আরো বলেছেন- "আরাফার দিনের রোযার সাওয়াব এক হাজার দিন রোযা রাখার সমান।" [তারগীব]

**কোনদিন আরাফার রোযা রাখবেন?

♣উপরের আলোচনা থেকে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন, এই দিনের রোযার কত ফজিলত। তাই আপনি হয়তো মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন এইদিন রোযা রাখবেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোনদিন "ইয়াওমুল আরাফা"?

আপনার রেটিং: None
Syndicate content