'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (৮ম পর্ব)

কানিজ বাসায় নেই আর আযাদের এই সময়টা কাটছে শুধুই ভাবনার জালে নিজেকে
জড়িয়ে! পৃথিবীটা বড়ই বৈচিত্রময়! আরো বৈচিত্রময় এখানের মানুষগুলো! চর্মের
এবং হাড়ের অন্তরালে অন্তরের রুপ চেনা বড়ই কঠিন! সম্পদ এমনই এক জিনিস যার
জন্য আপন ভাই ও হয়ে যায় শত্রু! আর এই সম্পদ ছাড়া পৃথিবীতে সুন্দর ভাবে চলা ও
কঠিন! আযাদ ভাবতে ভাবতে মনের ভেতর থেকে উত্তর পায় আযাদ তুমি কানিজের জন্য
যা করেছ তা তোমার সঠিক সিদ্ধান্ত! তুমি কাউকেই ঠকাও নি আর কানিজও ঠকেনি!
তারপরও আযাদ ভাবতে থাকে কানিজের পরিশেষে কি হবে? তার ভাই যদি সম্পদের জন্য
কানিজের কোন ক্ষতি করে তবে সে নিজেকে কি দিয়ে শান্তনা দেবে? আযাদের মনে কোন
ভাবেই শান্তি আসেনা! বরং কানিজ না থাকাতে সে যেন নানারকম ভাবনায় জড়িয়ে
নিজে আরো অসুস্থ হয়ে যায়! তবুও কানিজকে আসতে বলেনা! কারন আযাদ চায় কানিজ
তার মনটাকে সম্পূর্ণ ফ্রেশ করে আসুক এবাসায় তাহলে সে আগের মত করে হাসবে,
চলবে, পরিবেশটা অনেকটা স্বাভাবিক হবে! নয়তো কানিজের মনে কোন মেঘ থাকলে সে
মেঘের আঁধার আযাদকেও অন্ধকারে ঠেলে দেবে! কানিজের চোখের অশ্রু আযাদকে আরো

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (৭ম পর্ব)

কানিজ তার বাবার ওখানে গেছে প্রায় চারদিন হলো! সপ্তাহ এখনো হয়নি!
আযাদের সময়গুলো কাটছে বিষন্ন মন নিয়ে! আযাদ যেন এ'কদিন প্রাকৃতিক কাজ গুলো
সারার পরে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছে ভাবনার জগতে! কানিজের সাথে টি এন্ড টি ফোনে
খোজ খবর আদান-প্রদান হয় তখন শুধু ভালো আছি কথাটাই বলে! কারন আযাদ চায়
কানিজের মনটা ফুরফুরে হয়ে আসুক ওখান থেকে! যতটা হতাশা জমেছে তা ঝেরে আসুক
নয়তো সেই হতাশায় চারিদিকটা অন্ধকারই হবে! আর কানিজ হতাশাতে থাকলে আযাদ কি
করে ভালো থাকবে? আযাদের ভালো থাকাটা আজ কাল আসলেই কানিজের ভালো থাকার উপর
নির্ভর করে! আযাদ কানিজকে নিয়ে নানা রকম ভাবনাতে ডুবে যায়! এরই মাঝে আযাদের
ভাই মনির এসে ভাবনা থেকে ছেদ করে আযাদকে! জানতে চায় ভাই আপনার কি খোজ খবর?
ভাবী নাকি বাপের বাড়িতে গেছে? আযাদ স্বল্প কথায় জবাব দেয় ভালো আছি! হাঁ
গেছে! আযাদ লক্ষ করে মনির কিছু বলতে চায়! আযাদ তাই প্রশ্ন করে মনির তুই কি
কিছু বলবি? মনির আমতা আমতা করতে করতে বলে হাঁ ভাই বলবো! আযাদ বলে তাহলে বলে
ফেল! মনির তখন বলে ভাই আপনি কানিজকে সব সম্পত্তি লিখে দিয়ে ভুল করেছেন! সে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (৬ষ্ঠ পর্ব)

পারিবারিক নানা কারনে কানিজ ও আযাদের মনটা খুবই খারাপ যাচ্ছে
ইদানিং! কানিজ মাঝে মাঝে খুবই কাঁদে কারন যাকে ভালোবেসে জীবনটা পাড় করে
দিতে চেয়েছে তার পিছনে কত শত্রু! মনটা আজকে কানিজের বাঁধনহারা তার ইচ্ছে
করছে মুক্ত পাখির মত সারা আকাশটা চড়ে বেড়াতে! ইচ্ছে করছে পৃথিবীর বাঁকে
বাঁকে গিয়ে দেখতে সব মানুষই কি এমন সম্পদ লোভী? নাকি কিছু ভালো মানুষও আছে
এই দলের ভেতর? কানিজ আজকাল আগের মত করে হাসেনা! কেমন যেন মনমরা হয়ে থাকে
সবসময়! কানিজ ভাবতে থাকে সামান্য সম্পদের মোহে মানুষ মানুষকে কেন হত্যা
করে? কেন টাকার কাছে বিক্রিত পৃথিবীর সকল ভালোবাসা? কেন অর্থের কাছে রক্তের
সম্পর্কও হয়ে যায় বিলিন? তবে কি টাকাই সবকিছু? সম্পদই সবকিছু? নয়তো ভাইয়ের
ভালোবাসা কেন ভাইয়ের কাছে তুচ্ছ হয়ে যায়? নাকি সবকিছুর পরেও ভালোবাসা বলেও
পৃথিবীতে কিছু একটা আছে? যদি ভালোবাসা থেকেই থাকে তো ভালোবাসা কেন পৃথিবীর
সম্পদের কাছে নতি স্বীকার করবে? কানিজ আর ভাবতে পারেনা! কোন কিছুতেও যেন
মনকে স্থীর করতে পারছেনা! কি করবে? কি করা উচিৎ এখন কোন সিদ্ধান্তও নিতে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

মু’মিন

হেলা খেলায় যাচ্ছে চলে
এই দুনিয়ার জীবন।
কখন যেন ছিনতাইকারির বেশে
হানা দেবে মরন।

জানি না’কো কেমন জানি
মৃত্যু হবে আমার।
হাদীসে পড়ে ছিলাম
শেষ ভাল যার সব ভাল তার।

এমন করেই মৃত্যু মোর
ঈমানের সাথে হয়।
ভাবতে পারি আমি
আমার আখেরাত হবে কল্যানময়।

এর বিপরীত হয় যদি
আল্লাহ না করুন।
আমার আখেরাত হবে তখন
কতই না নিদারুন।

আমার আখের পরিণতি দেখে
হাসবে জান্নাতবাসীগণ।
তাই আমলের সাথে চলবো আমি
করছি আজি পণ।

আল্লাহ করুন মু’মিনাহ হয়ে
মরন যেন হয়।
প্রার্থনা করি সদাই
আখেরাত যেন হয় শান্তিময়।

দুনিয়াতে আমি গরীব হয়েই
যায় চলে যাক দিন।
আখেরাতে যেন পরিচিত হই
আমি একজন মু’মিন।

দুনিয়া দিও সাদাসিদা
আখেরে দিও নাজাত
এপ্রার্থনাই সকাল সাঝে
এই তো মনের একান্ত আর্তনাদ।
 
১৫ই মার্চ ২০১৪

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে! (৫ম পর্ব)

এভাবেই কানিজ আর আযাদের কেটে যায় কয়েক বছর! বাড়িতে অন্য সব কাজের জন্য
আলাদা আলাদা মানুষ রাখা আছে! আর আযাদের জন্য আছে কানিজ! কানিজ তবুও আযাদের
কাজ গুলো নিজ হাতে করে দেয়! আযাদকে সময়মত খাওয়ানো, গোসল করানো, আযাদকে গল্প
শুনানো, বিকেলে ছাদে দিয়ে আকাশ দেখা, পত্রিকা পড়ে শুনানো একথায় নিত্য
দিনের সকল কাজের আঞ্জাম দিয়ে যায় কানিজ! এমন কি কানিজ নিজেকে আযাদের
পছন্দমত পোষাকে সাজিয়ে রাখে! কানিজ বেচারী আযাদের জন্য মনের সকল ইচ্ছাকে
কোরবানিই দিয়ে গেলো! আযাদ মাঝে মাঝে কানিজকে নিয়ে ভাবে কানিজের কি এভাবেই
যাবে জীবনটা? কানিজের জীবনটা তো আরো সুন্দর হতে পারতো! কেন মিছিমিছি কানিজ
এখানে থেকে নিজের জীবন যৌবন শেষ করে দিচ্ছে আযাদের সেবায়! আযাদ তো কোনদিনই
তাকে কিছুই দিতে পারবেনা! এসব ভেবে ভেবে আযাদ মাঝে মাঝে মন খারাপ করে!
আযাদের এক বন্ধু মাঝে মাঝে এসে আযাদকে দেখে যায়! তার নামও আযাদ! সে এসে
কিছু সময় গল্প করে কাটায়! আযাদ মাঝে মাঝে বন্ধুর থেকে নানা রকম পরামর্শ
নেয়! একদিন কথা প্রসঙ্গে আযাদকে বলে আযাদ তুমি কখনো তোমার বউয়ের প্রতি কোন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (৪র্থ পর্ব)

আযাদ বোন ও বোন জামাইদের সাথে কানিজের ব্যপারে কথা বলে! কানিজের
মতামত জানায়! তারা ও প্রথমে রাজি হতে চায়না কারন এটা বাস্তব জীবন নিয়ে কথা!
কোন হেলাখেলা হতে পারেনা জীবনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে! কানিজও সবার সামনে
তার অটল অবিচল কথা প্রকাশ করেন এবং সে যে এই কথাতে অনড় সেটাও সবাইকে বুঝিয়ে
দেন! কানিজের কথায় অটলতা দেখে আর আযাদের প্রতি ভালোবাসা দেখে তারাও এক
পর্যায়ে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার ব্যপারে রাজি হন! তবে আযাদ আরেকটু সুস্থ হলেই
এই বিয়ে হবে বলে কানিজের বাবার সাথে এভাবেই কথা হয়! কানিজ তার বাবা মাকে
বলে আপনারা আযাদ সু্স্থ থাকলে যেভাবে বিয়ের আয়োজন করতেন সেভাবেই অনুষ্ঠানটা
পরিচালনা করবেন! আমার তাকদ্বীরের উপর আমাকে ছেড়ে দিন! আল্লাহ হয়তো আমার
উপর সহায় হবেন! আপনারা শুধু আমার জন্য এই বলে দোয়া করুন আমি যেন কোন
অবস্থাতেই আযাদের কাছ থেকে সরে না পড়ি! যতদিন সে বেঁচে থাকবে ততদিন তার
সেবায় নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারি! কানিজের মা মেয়েকে অনেক বুঝাতে চাইলেও
কানিজ তা মানেনি! কানিজের মা মনে মনে খুবই রাগ! এটা কোন ছেলে খেলা নয়! জীবন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (৩য় পর্ব)

কানিজ অনেক সময় চুপ করে
থেকে এবার বলা শুরু করে! আপনি কি বলছেন? কানিজের বিয়ের সবকিছু তো হয়েই
গেছে! তারিখ হয়েছে, বিয়ের কার্ড বিলি হয়েছে, লোক জানাজানি হয়েছে, কেনাকাটা
হয়েছে, এখন শুধু কবুল বলা বাকি আর আগামি কালকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কানিজের
সত্যিকারের কবুল বলে বিয়ে হবে! আযাদ এবার কানিজের মুখ পানে তাকায়! দেখে
কানিজ হয়তো খুব কান্নাকাটি করেছে! দু'চোখ তার ফুঁলে ফুঁলে লাল বর্ণ হয়ে
আছে! আযাদ জানতে চায় তুমি কি বলছো কানিজ? কানিজ চুপ করে থেকে বলে কালকেই
কানিজের বিয়ে হবে এবং আপনার সাথেই! আমি বিয়ে ভেঙে দিতে আসিনি সবাই রাজি না
থাকলেও আমি রাজি এবং বিয়ের অুনষ্ঠানও কালকেই হবে! আমি এসেছি কালকেই যেন
বিয়ে হয় সে কথাটা আপনাকে বলতে! আপনি বিয়ে ভেঙে দেবেন না! কারন কানিজের মনের
সাথে আপনার বিয়ে হয়ে গেছে আরো অনেক আগেই! বাকি আছে শুধু আনুষ্ঠানিকতা! আর
কালকে তা হয়ে গেলে কেউ আর আপনার থেকে আমাকে দুরে নিতে পারবেনা! আযাদ অবাক
চোখে তাকিয়ে আছে কানিজের দিকে এসব কি বলছে কানিজ? ওর মাথা কি ঠিক আছে? আমি
অপেক্ষাতে আছি সে এসে বিয়ে ভেঙে দেবে বলে! আর সে বলছে কালকের তারিখেই বিয়ে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (পর্ব ২য়)

আযাদকে কে বা কারা হাসপাতালে নিয়ে গেছে সে জানেনা! আযাদের পকেট চেক
করে একটি টি এন্ড টি নম্বর পেয়ে ডাক্তারেরা সেটাতে কল করে জানিয়ে দেয় একজন
লোক গুরুতর আহত ঢাকা মেডিকেলে আছে আপনাদের কি হয় জানিনা আপনারা দ্রুত আসেন!
উনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে! আযাদের বাবা, মেজু ভাই ও বোন জামাইরা
দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে যায় তখনও আযাদের জ্ঞান ফেরেনি! ডাক্তার কয়েকজনে মিলে
আযাদের চিকিৎসা করে! তারা জানায় রোগী গুরুতর আহত! রোগীর পায়ের উপর দিয়ে
ট্রাকের চাকা গেছে! তার মেরুদন্ডের হাড় ও পা অচল হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা বেশী!
রক্তক্ষরনও খুব বেশীই হয়েছে! এমন কি হাটুর হাড় পুরোই চূর্ণ হয়ে গেছে! এখন
অপারেশন করে উভয় পা ফেলে দিতে হবে! আপনারা কি ভাবছেন তার ব্যপারে? আযাদের
বাবা তো কান্নায় অস্থীর! কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না! আযাদের ভাই ও বোন
জামাইরা ডাক্তারকে বলেন আপনারা যা ভালো মনে করেন করুন! যত টাকা লাগে আপনারা
আমাদের ভাইকে সুস্থ করতে চেষ্টা করুন! ডাক্তার বলেন সব সময় টাকা দিয়েও
সবকিছু করা যায়না! ডাক্তার একটি কাগজ দেয় সই করার জন্য আযাদের বাবা সেটাতে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

জীবনটা ক্ষনিকের তবুও মনে স্বপ্ন উঁকি মারে (১ম পর্ব)

আযাদ চৌধুরী! বংশ চৌধুরী হওয়ায় চৌধুরী উপাধি পেয়েছেন! বেশ কয়েক বছর
বিদেশ থেকে অনেক টাকা ইনকাম করে দেশে ফিরেছেন! আর বাবার সহায় সম্পদও আছে
অনেক! তিন ভাই ও দুই বোনেরা মধ্যে আযাদ চৌধুরী সবার বড়! বোনদের বিয়ে হয়ে
গেছে অনেক আগেই! দেশে আসলে আযাদের মা বলল; বাবারে অনেক তো বিদেশ করলি এবার
বিয়ে কর! আর বিদেশ একেবারে বাদ দে! কারন আমার বা তোর বাবার কখন কি হয়! আমরা
তোর বউকে দেখে যেতে চাই! আযাদ মাথা নিচু করে বলেন আম্মাজান দেখেন আপনারা
যা ভালো বুঝেন তাই হবে! আযাদের মা বাবা মেয়ে খোজার জন্য ঘটন লাগালেন! ঘটক
কয়েকটি মেয়ের ছবি দিলো দেখতে! তাদের থেকে একজনকে আযাদের ভালো লাগে ও দেখতে
যাওয়ার ইচ্ছা পোষন করে! ঘটক সব ব্যবস্থা করে দেয়! দিনক্ষন ঠিক করে একদিন
আযাদ ও তার দুইবোন যান কনে দেখতে!

কনের নাম কানিজ ফাতেমা! সবাই আদর
করে ফাতেমা বলেই ডাকে! কনে দেখে আযাদের খুব পছন্দ হয়! সে কনে কে তিনহাজার
টাকার একটি খাম দিয়ে আসে! আর জানতে চায় তাকে কনের ভালো লেগেছে কিনা! কনে
শুধু একটু মুচকি হাসি দেয়! আর কিছুই বলেনা! বাসায় এসে মা বাবাকে তার অভিমত

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

হিসাব নিওনা

সবাই বলে তোমার তরে হে প্রভু আঁধার কবরে
হিসাব সহজ করিও
আমি বলি তোমার তরে হে প্রভু অনুগ্রহ করে
আমার আমলের হিসাব নাকরিও

হে আমার স্রষ্টা মালিক একটি হিসাব ও যদি
তুমি নাও গো আমার থেকে
কিভাবে বাঁচাবো নিজেকে তোমার কঠিন আযাব হতে?
হিসাব নিওনা তুমি কোন আদম সন্তান থেকে

সকাল সাঝের প্রার্থনা যতটুকুই করি আরাধনা
দয়া করে আমার থেকে হিসাব নিওনা।
একটি হিসাব নিলেও তুমি
তোমার আযাব থেকে আমরা বাঁচতে পারোবনা।

হে আমার মালিক প্রভু তোমাতেই ঈমান রাখি শুধু
চেষ্টা করি প্রিয় নবী (সঃ) এর পথে চলতে
সাথে আন্তরিক কামনা করি সকল আদমের তরে
অনুমতি দেবে তুমি- বিনা হিসাবে যেতে জান্নাতে...............।

১৫ই মার্চ ২০১৪
মদিনা মনোয়ারা

বিষয়ঃ- সাহিত্য

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content