'এম এস লায়লা' -এর ব্লগ

"দাড়ী রাখা বিষয়ে পাঠক মহলের অনুরোধে"

প্রশ্নঃ দাড়ি রাখা কি ওয়াজিব? দাড়ি শেভ করা বা কামানো কি পাপ?

উত্তরঃ দাড়ি রাখা সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দূর করুনঃ-
শুধু আমাদের দেশেই না বেশীরভাগ দেশেই দাড়ি রাখা সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা আছে, সেটা হল ''দাড়ি রাখা সুন্নত; অতএব দাড়ি রাখলে ভাল আর না রাখলে তেমন কোন সমস্যা নেই, একটা সুন্নত পালন করা হল না এই আর কি।'' জেনে রাখুন, এটা সম্পূর্ণ একটা ভুল ধারণা।
দাড়ী আল্লাহর একটি মহান ও বড় নে’য়ামত। দাড়ী দ্বারা তিনি পুরুষকে অনুগৃহীত করেছেন এবং নারী জাতি থেকে তাকে বৈশিষ্ট মন্ডিত করেছেন।
 দাড়ী শুধুমাত্র মুখমন্ডলের উপর কয়েকটি কেশগুচ্ছই নয়; বরং ইহা ইসলামের বাহ্যিক বড় একটি নিদর্শন। দাড়ী ছেড়ে রেখে এবং তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। আল্লাহ্ বলেন,
ذَلِكَ وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ
“এই কারণে যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শন সমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে, এটা তো তার হৃদয়ের তাকওয়ারই পরিচয়।” [ সূরা হাজ্জ- ৩২]
 

আপনার রেটিং: None

মানত কি?

আমরা অনেকেই অনেক কাজের জন্য মানত করি। কোন স্বপ্ন পূর্ণ হওয়ার জন্য মন্ত করি। বাস্তবতায় আমরা জানিনা মানত কি? মানত করলে কি লাভ হয় আর কি ক্ষতি হয়। কোন গুনাহ হয় কিনা তা অনেকেরই জানান নেই। তাই আসুন না জেনে নেই কোরআন হাদীসের আলোকে মানত কি? লেখাটি সংগৃহীত সুত্র ও মূলঃ ইসলাম হাউজ.কম
(শায়খ আব্দুল আজীজ বিন বাজ রাহিমাহুল্লাহ এর নির্দেশনায় সংগঠিত)
রিয়াদ, সৌদি আরব থেকে। লেখাটি পড়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে তাই আমার ব্লগে পোস্টাকারে পোস্ট করলাম কারো উপকারে আসলে আমিও নিজেকে নেকী অর্জনের আকাংখা রাখি।
মানত কি?
--------
‘মানত’ বা ‘মান্নত’ আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত একটি শব্দ। যেমন আমরা কখনো কখনো বলি, যদি আমি পরীক্ষায় পাশ করি তাহলে মাদরাসায় একটি ছাগল দান করব। এটি একটি মানত। অতএব, কোনো বিষয় অর্জিত হওয়ার শর্তে কোনো কিছু করার ওয়াদাকে সাধারণত: আমরা মানত বলে থাকি। কেউ বলে মানত, আবার কেউ বলে মান্নত। তবে এটি শর্তযুক্ত মানত। আবার শর্তহীন মানতও আছে। যেমন, আনন্দের খবর শুনে কেউ বলল, আমি এটা লাভ করেছি? তাই আমি মসজিদে একটি ফ্যান দান করব। এটাও মানত। তবে শর্তহীন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

"নিসফ শা’বান বা শবে বরাত .."করনীয় ও বর্জনীয়। ড.আব্দুল্লাহ্ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (রাহিঃ)

শাবান মাস একটি মুবারক মাস। বিভিন্ন সহীহ হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এ মাসে বেশি বেশি নফল রোযা পালন করতেন। শাবান মাসের সিয়ামই ছিল তার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। এমাসের প্রথম থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত এবং কখনো কখনো প্র্য়া পুরো শাবান মাসই তিনি নফল সিয়াম পালন করতেন। এ বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,
وَهُوَ شَهْرٌ تُرْفَعُ فِيهِ الأَعْمَالُ إِلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ فَأُحِبُّ أَنْ يُرْفَعَ عَمَلِي وَأَنَا صَائِمٌ
“এ মাসে রাব্বুল আলামীনের কাছে মানুষের কর্ম উঠানো হয়। আর আমি ভালবাসি যে, আমার রোযা রাখা অবস্থায় আমার আমল উঠানো হোক।” (নাসাঈ, আস-সুনান ৪/২০১; আলবানী, সহীহুত তারগীব ১/২৪৭ হাদীসটি হাসান।)
 

আপনার রেটিং: None

"বন্ধুত্ব"

"বন্ধু
দিবসের পথ চলা যেভাবে শুরু" ইতিহাস মতে বন্ধু দিবসের শুরু হয় ১৯৩৫ সাল
থেকে। ১৯৩৫ সালে আমেরিকান সরকারের কারণে একজন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন। আর
এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ঠিক তার পরদিন সেই ব্যক্তির বন্ধুটি
আত্মহত্যা করেন। ১৯৩৫ সালের সেই দিনটি ছিল আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার। প্রিয়
বন্ধুর জন্য আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়ার এই ঘটনাটি সেই সময় পুরোবিশ্বে তুমুল
আলোড়নের সৃষ্টি করে। এরপর আমেরিকান কংগ্রেস বন্ধুত্বের এই নজিরবিহীন
আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে আগস্টের প্রথম রবিবারকে ‘বন্ধু দিবস’ হিসেবে
পালনের সিদ্ধান্ত নেন। তাৎক্ষণিক ভাবেই বেশকটি দেশ এই ‘বন্ধু দিবস’কে
স্বীকৃতি দিয়ে দেন। এভাবেই শুরু হয় বন্ধু দিবসের প্রচলন।

বন্ধু ছাড়া জীবন: অসম্ভবঃ

মানুষ
সামাজিক জীব তাই মানুষ বন্ধু ছাড়া থাকতে পারে না। বন্ধু ও বন্ধুত্ব সমাজ
জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। মানুষ সামাজিক জীব সুতরাং একজন সামাজিক জীবের

আপনার রেটিং: None

"হে ভাইয়া (বিবাহিত/ অবিবাহিত) আপনাকেই বলছি"

মনে বড্ড কষ্ট আর আফছূছ নিয়ে লিখছি। সামাজিক অবক্ষয়ে আমি  আপনি আমরা সবাইও কি ভেসে বেড়াবো? নন-প্রাকটেসিং পরিবারে আমার দ্বীন প্রাকটেসিং ভাইবোনগুলো সবথেকে যে সমস্যাটির মুখোমুখি হন তা হল বিয়ে নিয়ে। "দুনিয়াটাই সবুজ আকর্শণীয় সম্পদে ভরপুর, আর দুনিয়ার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হচ্ছে নেককার স্ত্রী।" বুখারী-মুসলিম।

প্রিয় ভাইয়ারা এ অমূল্য সম্পদ রক্ষা ও হেফাজত করতে অনেক বোনেরা খুব বেশী ভুগছেন তবে ভাইয়ারাও কম নয়। আসুন না আজকে না হয় ভাইয়াদের সমস্যাগুলো নিয়েই আলোচনা করি। এই লেখা দিয়ে ভাইয়াদেরকে একটু পরামর্শ দেয়া যায় কিনা! ভাইয়ারা যখন বিয়ের জন্য দ্বীনি পাত্রী খোঁজে তখনই সমস্যা গুলোর সূচনা। মায়ের পছন্দ সুন্দরী মেয়ে, ভাইয়ের পছন্দ স্মার্ট মেয়ে, বাবার পছন্দ শিক্ষিত মেয়ে, দুলাভাইয়ের পছন্দ চালাক-চতুর মেয়ে, বোনের পছন্দ শান্ত নমণীয় ব্যবহারের মেয়ে, আর আপনার নিজের পছন্দ দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত মেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি। যে মেয়ে প্রত্যেকের হক্ব বুঝবে পর্দায় থাকবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

অসম্ভবঃ অসম্ভবঃ

একজন মানুষের সবার প্রতি দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। আপনি সমাজ সংসার আত্মীয় সবার দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট। আপনি সবাইকে কম বেশী কথায় শান্তনা দিতে চেষ্টা করেন, উপহার দিয়ে আনন্দিত করতে চান। অসুখে সেবা করতে না পারলেও অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করেন। ঈদে খুব দামী না হলেও সাধ্যানুযায়ী দামে পোষাক দিয়ে সন্তুষ্ট করতে চান, করেন। আপনি প্রবাসে কষ্ট করেও চান পরিবারের প্রতিটা লোকের মুখে হাসি ফোটাতে কিন্তু সবাই কি আনন্দিত আপনার আচরণে? নাহঃ কখনোই সবাই আনন্দিত নয়। আপনি কখনোই সবাইকে সুখী ও আনন্দিত করতে পারবেন না। আপনার সর্বস্ব বিলিয়েও আপনি সবার মুখে হাসি ফোটাতে পারবেন না। আপনি ফুটপাতের পাশে চলা মানুষকে একটি রুটি দিলেও তারা খুশি হবে। আল্লাহর কাছে আপনার জন্য দু'হাত তুলে দোয়া করবে। কিন্তু আপনার আপনজনদেরকে আপনি শূন্য হয়েও যদি উজার করে দিতে থাকেন তাদেরকে খুশি করা সম্ভব না। কারন মানুষ এমন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন প্রাণী তাদের অনেককে অনেক দিয়েও কখনোই খুশি, সুখী করা সম্ভব হয়না। আপনি তা কখনোই পারবেন না। এভাবে প্রতেকের জন্যই অসম্ভব ব্যপার সবাইকে সুখী করা।

আপনার রেটিং: None

"একটু নড়া' চড়ায়"

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি পাহাড়সম পাপে নিমজ্জিত থাকা মানুষকে এখনো বাঁচিয়ে রেখেছেন। যিনি অধিক পাপ করার পরেও চান তার বান্দা তওবাহ করুক। আল্লাহর প্রতি রুজ্জু হোক। আল্লাহর বিধানকে বাদ দিয়ে গত কয়েকদিনে পুজার যে আয়োজন চলছে মহান আল্লাহ বান্দাহকে জমিন সহকারে একটু নাড়া দিয়ে দেখলেন। মানুষ সঠিক পথে আসে কিনা। আমাদের এই দেশে ৯০/৯৫% ভাগ মুসলমানের দেশে যদি হয় মূর্তি পুজা তবে আর কি বলার আছে। মহান আল্লাহ তো অধিক ছবরশীল নয়তো মূতুর্ত্বেই সব খতম হয়ে কেয়ামত হয়ে যেত। একসময় বুঝতাম না আল্লাহর ছবর নামের মর্মার্থ। এখন বুঝি আসলেই মহান আল্লাহ যদি ছবরশীল না হতেন তবে পৃথিবী অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত।

আপনার রেটিং: None

"হে বোন তুমি জান্নাত হও (১ম পর্ব)"


হে বোনঃ তোমাকেই বলছি তুমি তোমার স্বামীর জন্য জান্নাতের বাগান হও। সে বাহিরে থেকে ঘরে এলো হাসি মুখে কথা বলো। তোমার হাসিমাখা মুখ তার সারাদিনের পরিশ্রমের কষ্টকে ভুলিয়ে দেয়। হে বোনঃ তুমিই দুনিয়ার জীবনের তোমার স্বামীর জন্য জান্নাত। আর তুমিই জাহান্নাম। তুমি যদি আল্লাহর কাছে উত্তম প্রতিদান পেতে চাও, চিরস্থায়ী জান্নাত পেতে চাও তবে অবশ্যই অবশ্যই তোমার স্বামীর সাথে উত্তম আচরণ করো। তুমি তোমার স্বামীর কষ্টে শান্তনার বাণী শোনাও। তার পেরেশানিতে ধৈর্যের কথা শুনাও। তোমার স্বামীর আনুগত্যই তোমাকে পৌছে দেবে জান্নাতের অতি নিকটে। জেনে নাও হাদীসে আমাদের নারীদেরকে কত সম্মান আর কত মর্যাদা দেয়া হয়েছে। আর জেনে জেনে আমল করো।

হযরত উম্মে সালামা (রাযিঃ) এর বর্ণনা মতে, রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ কোন স্ত্রী লোক যদি এমন অবস্থায় মারা যায় যে, তার স্বামী তার উপর সন্তুষ্ট, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিরমিযী)

১. স্বামীর আনুগত্য :

আপনার রেটিং: None

"মাকে মনে পড়ে"


প্রবাস জীবনের স্মৃতি
স্বরণে মায়ের মুখের প্রতিচ্ছবি ভেসে আসছে বারংবার। আজকে মদিনারাকাশে মেঘ।
তবে বৃষ্টির চাইতে ধূলির ঝড়ে চারিদিকে ধূলায়িত। কোন কিছুই দেখা যাচ্ছে না
আশ-পাশের। উথাল-পাথাল এলো হাওয়ায় ধোঁয়া ধোঁয়ায় ধূলি মলিন চারিদিকে
দিন-দুপুরও যেন রাতের মতো রুপ নিয়েছে। একটু একটু ঝরে পড়েছে বৃষ্টির রুপে।
বৃষ্টি তেমন হয়নি তবে হালকা বৃষ্টি হওয়াতে ধূলো কিছুটা কমলেও মদিনা পুরো
শহরটা আজকে যেন স্তব্ধ হয়ে আছে। চারিদিকে দমকা বাতাস বইছে। মাঝে মাঝে
আকাশের গর্জনী ধ্বনী কানে ভেসে আসছে। এমন ও ক্ষনে পড়ছে মনে মাকে। হৃদয়ের
তন্ত্রীতে মায়ের ছবি ভেসে ওঠে। কতদিন দেখিনা মায়ের মুখ। প্রবাস মানেই কষ্ট
বয়ে বেড়ানো। প্রবাস মানেই মায়ের মমতার আঁচল ছেড়ে দুরে বসবাস করা। আজকে মাকে
খুবই মনে পড়ছে। মনে পড়ছে মায়ের আদর গুলো।

বড়পরিবার হলে মায়েরা
যেভাবে আদর যত্ন করেন ঠিক আমার মা আমাদেরকে সেভাবে যত্ন করতেন। বড়পরিবার
হওয়ার কারনে সবাইকে একসাথে যত্ন করা কঠিন হয়ে পড়তো। খাবার-দাবার ঠিক মতই

আপনার রেটিং: None

"দাওয়াত"

রাত পেরিয়ে গভীর হলো
ভোর যে কিছু বাকি!
ঘুম ভাঙানির গান শুনাবে
ছোট্ট সকল পাখি!

ঝাকে ঝাকে কলতানে
ডাকবে নামাজ পড়ো!
মুয়াজ্জিন ও ডেকে বলে
আল্লাহ সবচেয়ে বড়!

বিসমিল্লাতে জেগে উঠে
শুরু করো দিন!
প্রত্যেক কাজে যাচাই করো
ঈমান একীন!

মগজকে ব্যস্ত রাখো
কোরআন হাদীস পড়ে!
নবী (সঃ) এর আদর্শেতে
নাও গো জীবন গড়ে!

নিজে আমল করো
দ্বারে দ্বারে দাও দাওয়াত!
নবী (সঃ) এর কাজ করলে
পাবে তার শাফায়াত!

আযাব থেকে বাঁচতে যদি
করো দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজ!
মুক্তি পাবে জাহান্নাম থেকে
পাবে জান্নাতের তাঁজ!

দুনিয়ার কাজ প্রয়োজনে করো
দাওয়াতী কাজ করো বেশী!
তবেই ক্ষমা পাবে সবে
হবে জান্নাতবাসী!

মদিনা মনোয়ারা সৌদি আরব
৩০ শে আগষ্ট ২০১৫

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)
Syndicate content