'আতাউর রহমান সিকদার' -এর ব্লগ

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব নয়।

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব নয়:

(খ) আসহাবু কাহাফের ঘটনা:

এ ঘটনাটি এতই প্রসিদ্ধ এবং এর স্বপক্ষে ভুতাত্বিক ও ঐতিহাসিক প্রমাণ এতটাই শক্তিশালী ও অখন্ডনীয় যে জ্ঞানী ও আকলমান্দ কোন লোক তা অস্বীকার করতে সক্ষম হবেনা। যদি কেউ অস্বীকার করতে চায় তাহলে তা কেবলমাত্র গায়ের জোরেই সম্ভব।
এ ঘটনার বর্ণনা রয়েছে নিম্নোল্লিখিত উতসসমুহে:

www.encyclopedia.com/seven sleepers of Ephesus
www.wikipedia.org
Catholic Encyclopedia: The Seven Sleepers of Ephesus
Book: "Secrets of Sleep" by Alexander A. Borbely.

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যে, ইতিহাসটি উল্লেখিত হয়েছে আল কুরআনুল কারিমে এবং এটিই ঘটনার বিশ্বাসযোগ্যতার জন্যে যথেষ্ট।
সুরা আল কাহাফের 9 থেকে 26 আয়াত পর্যন্ত সংক্ষিপ্তাকারে ঘটনাটির বর্ণনা এসেছে।
নীচে তাফসীরগ্রন্থের উদৃতি তুলে ধরা হচ্ছে:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব আট

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব আট:

কতিপয়  যৌক্তিক জিজ্ঞাসা:
পরীক্ষার্থীর জন্যে, বিশেষ করে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের ব্যাপারে যার মন সন্দেহ সংশয়ে দোলায়িত তার জন্যে আরও এক বড়ো নিদর্শন এবং পথের দিশা রয়েছে উপরোক্ত ঘটনায়। যদি সে সম্পুর্ণ অনাবিল ও যুক্তিনিষ্ঠ অন্তর নিয়ে ঘটনাটি পর্যালোচনা ও অনুধাবনের চেষ্ঠা করে তাহলে প্রকৃত সত্য উদ্ধারের জন্য তা যথেষ্ঠ হতে পারে। নীচে দৃষ্টি আকর্ষণী সে দিকগুলো তুলে ধরা হচ্ছে:  
১- বিয়ে ছাড়া সন্তান ধারণের অপরাধে ইয়াহুদীরা মারিয়াম আলাইহাস সালামকে মৃত্যুদন্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং এটা হতোই, কিংবা অন্য কোন বিপদ মা মারিয়ামকে বরণ করতে হতো যদিনা ঐ মুহুর্তে ইসা আলাইহিস সালাম কোলে শায়িত অবস্থায় কথা বলে উঠতেন। প্রশ্ন হচ্ছে, কথা বলার ব্যাপারটিতো কোন যাদু ছিলনা। তাহলে কার নির্দেশে, কোন শক্তিতে এটি সম্ভব হল?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব সাত

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব সাত:

এমনিভাবে কেউ যদি এ পৃথিবীপৃষ্ঠের সামান্য অনু থেকে শুরু করে সৌরমন্ডলের সবচেয়ে বড় নীহারিকাটি পর্যন্ত গবেষণা করে তাহলে সর্বত্র সে একজন স্রষ্টার অস্তিত্ব খুজে পাবে এবং সে অবাক হয়ে আরও লক্ষ্য করবে যে, এ সৃষ্টিজগতের রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও প্রাণীকুলের প্রতিপালনের জন্য যে জ্ঞান, যে গুণবৈশিষ্ট ও যোগ্যতার প্রয়োজন তা সবই সে স্রষ্টার রয়েছে। সে বিস্ময়ে অভিভুত হবে এটা প্রত্যক্ষ করে যে, স্রষ্টা তার অহীতে যে এক, অদ্বিতীয় এবং চিরঞ্জীব সত্তার পরিচয় পেশ করেছেন বিস্ময়কর এ মহাবিশ্বের স্থিতি ও স্থায়ীত্ব কেবলমাত্র সেধরণের সত্তার মাধ্যমেই সম্ভব।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.8 (4টি রেটিং)

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব ছয়

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব ছয়:

৫ নং এর বাকী অংশ:

পরীক্ষার্থীর জন্যে আরও নিদর্শন রয়েছে তারই আংগুলের টিপে (Finger Print)।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব পাচ

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব পাচ

৫- পরীক্ষক তথা স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রমাণ মিলতে পারে এমনসব উৎস, প্রমাণাদি ও উপায় উপাদান পরীক্ষার্থীর চারপাশ তথা পৃথিবী এর মধ্যস্থিত সৃষ্টিকুল ও প্রকৃতিতে বিরাজমান রয়েছে।
সৃষ্টিজগতের পরতে পরতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসব নিদর্শন হচ্ছে  স্রষ্টার অস্তিত্ব ও তার অপার সৃষ্টি মহিমার স্বাক্ষর। নীচে উল্লেখিত অহীসমুহের উদৃতি এবং তৎসংশ্লিষ্ট যুক্তিনির্ভর ব্যাখ্যা প্রমাণ করবে যে, এ বিশ্বের স্রষ্টা তারও ব্যবস্থা করেছেন:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব চার

বার্ডেন অফ প্রুফ । পর্ব চার

৪- পরীক্ষার্থী যাতে ভাল ও মন্দ, সত্য এবং মিথ্যার পার্থক্য অনুধাবন করতে পারে সে জ্ঞান  তাকে প্রদান করা হয়েছে। জ্ঞান প্রদানের জন্য স্রষ্টা  দু'টু  বিজ্ঞতাপুর্ণ পন্থা অবলম্বন করেছেন:

(ক) প্রতিটি মানব সন্তানের সহজাত প্রকৃতিতে তা সন্নিবেশ করা হয়েছে যা বালেগ হওয়া মাত্রই  সে লাভ করে থাকে এবং মৃত্যুর পুর্বমুহুর্ত কিংবা চেতনাহীন হবার আগ পর্যন্ত সে জ্ঞান তার বলবত থাকে। এরই ভিত্তিতে মানব সমাজে ভাল খারাপের ধারণা যুগ যুগ ধরে প্রচলিত। স্রষ্টার এ বিধান ও ব্যবস্থাপনার কারনেই নাবালেগ, পাগল, বা হুশ জ্ঞানহীন লোকদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়না। মনোবিজ্ঞানেও এসব কথা চুড়ান্তভাবে স্বীকৃত । সুরা আশ শামস এর ৮ নং আয়াতে মানব শিশুকে জ্ঞান প্রদানের এ ব্যাপারটি উল্লেখ করা হয়েছে এভাবে: "তারপর তার পাপ ও তার তাকওয়া তার প্রতি ইলহাম করেছেন।" তাফসীর সমুহে এ আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসংগে বলা হয়েছে: "

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব তিন

বার্ডেন অফ প্রুফ । পর্ব তিন

১- কোন Un-seen বস্তুকে না দেখা বা দেখার জন্য এ বিশ্বের স্রষ্টা সকল মানুষকে (তারা স্রষ্টার বাধ্য হোক কিংবা অবাধ্য) একই কর্মক্ষমতা বিশিষ্ট বায়োলজিক্যাল চক্ষু প্রদান করেছেন। (প্রসংগত বলা আবশ্যক, আমরা এখানে অন্তরের চক্ষু নিয়ে আলোচনা করছিনা)। তিনি একজন মু'মিনের ঔরশে জন্মগ্রহণকারী শিশুকে যে হাত, পা, চোখ, কান, নাক, মুখ, শরীর, স্বাস্থ্য ও মেধা দান করেন, কাফিরের ঔরশে জন্মগ্রহনকারী শিশুকেও অনুরুপ দান করেন। তিলমাত্রও পার্থক্য করেননা। মু'মিন ব্যক্তির ঘরে যেমন সুন্দর চেহারার মানব মানবী জন্মলাভ করে তদ্রুপ কাফিরের ঘরেও। সৃষ্টিজগতকে ভোগ ব্যবহারের জন্য তিনি একজন মু'মিন ব্যক্তির সন্তানকে যেরুপ শক্তি সামর্থ্য ও যোগ্যতা, দক্ষতা দান করেন কাফিরের সন্তানকেও ঠিক তদ্রুপ দান করেন। ইমানগ্রহণকারী লোকদের ভুমিতে তিনি যেধরণের মাটি, পানি, বৃষ্টি, বাতাস, গাছপালা ও খনিজ সম্পদ দান করেন কুফর অবলম্বনকারী মানুষগুলোকেও ঠিক তদ্রুপ দেন, কোনরুপ পক্ষপাতিত্ব করেননা।    

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.3 (3টি রেটিং)

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব দুই

বার্ডেন অফ প্রুফ । পর্ব দু্ই
 
যে শিক্ষা বা দিক নির্দেশনাগুলো আমরা উপরের কাহিনী এবং এতদসংশ্লিষ্ট পর্যালোচনা থেকে পাই তা হচ্ছে:

১- যিনি পরীক্ষা নেবেন তাকে অবশ্যই লুকায়িত থাকতে হবে অথবা অন্য কোন উপায়ে নিরপেক্ষ পরীক্ষানীতির শর্তাবলী পুরণ করতে হবে।
২- পরীক্ষকের অবাধ্যতা বা বিরোধীতা করার সাথে সাথে যদি পরীক্ষক তাকে পাকড়াও করেন বা মেরে ফেলেন তাহলে তা হবে নীতিবিরোধী কাজ যা পরীক্ষানীতির সাথে সামঞ্জস্যশীল নয়। এধরণের কাজকে কোন যুক্তিতেই পরীক্ষা বলা যাবেনা।
৩- কোন কাজকে পরীক্ষা বলা যাবে তখন, যখন পরীক্ষার্থীকে নিম্নোক্ত স্বাধীনতাগুলো প্রদান করা হবে:
(ক) পরীক্ষা দেবার জন্য যতটুকু সময় পরীক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দ সেই সময়টুকুতে তাকে স্বাধীনভাবে পরীক্ষা দেবার সুযোগ দিতে হবে, অর্থাত সে যদি ঐ সময়ে সারাক্ষণ বসে থাকে তাহলে পরীক্ষক তাকে পরীক্ষা হল থেকে বহিস্কার করতে পারবেননা, সে যদি ঐ পুরো সময়ব্যাপী পরীক্ষকে গালাগাল করতে থাকে বা পরীক্ষার খাতায় হিজিবিজি আকতে থাকে তাহলেও পরীক্ষক তার এ কর্ম থেকে তাকে বিরত রাখতে কোন ব্যবস্থা নিতে পারবেননা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.8 (4টি রেটিং)

বার্ডেন অফ প্রুফ। পর্ব এক

এক: কেন তিনি লুকায়িত:

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এ মুনষ্যজগতের সমুদয় ব্যবস্থাপনা, জন্ম ও মৃত্যু এবং তাদের প্রতিপালনসহ ইত্যাদি যা কিছুই করেন একান্ত অলক্ষে, অগোচরে এবং লুকায়িত থেকেই তা করেন, নিজে মাটিতে নেমে এসে দেখা দিয়ে করেননা। রিসালাতের সংবাদ তথা রাসুল প্রেরণের কথাও তিনি তার রাসূলদের মুখ দিয়েই বলিয়েছেন, নিজে আকাশ থেকে ডাক দিয়ে বলেননি যে, অমুক ব্যক্তি আমার রাসুল। বাণীসমুহ তথা কিতাব প্রেরণ করেও তা রাসুলদের মুখ দিয়েই উচ্চারণ করিয়েছেন, আকাশ থেকে গুরু গম্ভীর স্বরে তা তিলাওয়াত করা হয়নি। তিনি তার নিজের পরিচয়ও রাসুলদের মাধ্যমেই মানবজাতীকে অবহিত করেছেন অতি প্রাকৃতিক কোন পথ পদ্ধতি তাতে অবলম্বিত হয়নি। তার যে রয়েছে অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতা ও একচ্ছত্র কর্তৃত্ব ও আধিপত্য একথাও তিনি তার রাসুলদের মুখ দিয়েই বলান নিজে আকাশ থেকে আওয়াজ দিয়ে বলেননা।
বোধকরি এই বিষয়গুলোই সংশয়বাদীদেরকে সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে ভ্রান্তিতে নিক্ষেপ করেছে, ঠেলে দিয়েছে কুফরের পথে।  যে জন্যে তারা বলতো:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

দায়ী ইলাল্লাহর গুনাবলী। পর্ব ১০

দায়ী ইলাল্লাহর গুনাবলী। পর্ব ১০

৪- তাকওয়ার পথ আকড়ে থাকা:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)
Syndicate content