'আতাউর রহমান সিকদার' -এর ব্লগ

যে বিস্ময়ের শেষ নেই - ২

কেন আল্লাহ নিজেই তা হেফাজত করছেন (বাকী অংশ)

৪- আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অশেষ করুণাময় ও মেহেরবান এবং ইনসাফের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর অসীম জ্ঞান এবং অনুগ্রহ ও ন্যায় বিচারের কাছ থেকে এটা আশা করা যেতে পারে না যে, মানুষ তার ধর্মীয় কথা জানতে পারবে না অথচ তার বিপরীত পথে চলার অপরাধে তিনি তাকে পাকড়াও করবেন। এটা কখনোই হতে পারেনা যে, মানুষ সরল- সোজা পথের কথা জানবে না অথচ সে পথে না চলার দরুন তাকে ধরে তিনি শাস্তি দেবেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজে তা উল্লেখও করেছেন যে, পথ দেখানোর ব্যবস্থা না করে তিনি কাউকে শাস্তি দেবেননা। যেমন এসেছে সুরা আল ইসরা এর 15 নং আয়াতে: “এবং রাসুল না পাঠিয়ে আমি কাউকে শাস্তি দেইনা”। আরও এসেছে সুরা আর রা’দ এর 7 নং আয়াতে:
“এবং প্রতিটি কাওমের জন্য রয়েছে পথপ্রদর্শক”।
সুতরাং যুক্তির অনিবায এবং একান্ত দাবী হচ্ছে হেদায়াতের উৎস এ কুরআন কিয়ামাত অবধি অবিকৃত থাকা জরুরী। আর আল্লাহ তা আপন কুদরাতে করেও যাচ্ছেন।
 
আল কুরআনুল কারিম যেভাবে যেরুপ নাযিল হয়েছে অদ্যাবধি সেরুপই তা আছে:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

যে বিস্ময়ের শেষ নেই

এমনি ধরনের বহু বৈজ্ঞানিক তথ্য রয়েছে কুরআনে যা প্রমাণ করে যে কোন মানবীয় ব্রেইন এ ধরনের গ্রন্থ রচনা করতে অক্ষম।

কুরআনের হেফাজতকারী স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা:
অতীতের আসমানী কিতাবগুলোর মত এ গ্রন্থও যাতে বিকৃতির শিকার না হয়ে পড়ে তার জন্য আল্লাহ তায়ালার গৃহীত ব্যবস্থাবলী তাক লাগিয়ে দেয়ার মত। কুরআন নাযিলের পর থেকে অদ্যাপি পযন্ত ইসলাম ও ইসলামী উম্মাহর বিরুদ্ধে দিন রাত চতুর্মুখী প্রচারণা, কুরআনকে পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে দেয়ার বিশ্বব্যাপী অপতৎপরতা ও অপচেষ্ঠা সত্বেও এ কুরআন রয়েছে অবিকৃত। এ এমন এক মোজেযা যার তুলনা মেলা ভার, বর্ননার অতীত। আপনি যতই এ নিয়ে অধ্যয়ন করবেন সেজদায় অবনত হবে আপনার শির।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

কুরআন নিয়ে গবেষণা - ৪

কুরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য – ৪
স্তন্যদানকারী প্রাণীকুলের দুধের বাটে দুধ কি পদ্ধতিতে আসে তা বর্ণিত হয়েছে কুরআনে। (দ্রষ্টব্য: সুরা আন নাহল ৬৬) অথচ বিষয়টি আবিস্কার হয়েছে মাত্র 70/80 বছর আগে আধুনিক রসায়ন শাস্ত্র ও শরীর বিজ্ঞানের সবাধুনিক গবেষণার পর।
কুরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য – ৫
আমরা সবাই জানি যে টাইগ্রীস, ইউফ্রেটিস, মিসিসিপি, ইয়াংসি প্রভৃতি নদীসমুহ এবং বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা মোহনায় এবং পৃথিবীর আরও বহু স্থানে দু’টি সমুদ্র এক সাথে মিশেছে কিন্তু এক দেহে লীন হয়না। একই সাথে প্রবাহিত হচ্ছে দু’ধরনের পানি, একটি মিষ্টি অন্যটি লোনা, একটি ঘন অন্যটি হালকা। এটি এমন এক ব্যাপার যে, পরীক্ষা নিরীক্ষা ব্যতিরেকে পানির ঘনত্ব, স্বাদ, তাপ, রং ইত্য্যদি সম্পর্কে রায় দেয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়। অথচ এ তথ্য কুরআনে এসেছে এমন এক সময় যখন পানি বিজ্ঞানের কোন অস্তিত্ব পৃথিবীর কোথাও ছিলনা এবং উচ্চারিত হয়েছে এমন এক ব্যক্তির মুখ দিয়ে যিনি না উক্ত নদীসমুহ কখনো দর্শন করেছেন আর না সমুদ্র অঞ্চলে তার বাড়ী ছিল। (দ্রষ্টব্য: সুরা অাল ফুরকান 53, সুরা ফাতির 12)
কুরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য – ৬

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

কুরআন নিয়ে গবেষণা - ৩

এ কুরআনে রয়েছে এমনসব বৈজ্ঞানিক তথ্য ও জ্ঞান যার অস্তিত্ব মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে পৃথিবীর কোথাও ছিলনা। নীচে ক্রমান্বয়ে তারই কিছু বর্ণনা প্রদত্ত হল:
কুরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য – ১
মাতৃজঠরে ভ্রুণের বৃদ্ধির বিশেষ পযায় সম্পর্কে কুরআনের যে বর্ণনা তার সাথে ভ্রুণের ক্রমবিবর্তন সংক্রান্ত আজকের বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্য পুরোপুরি মিলে যায়। শুধু তাই নয়, এ বিষয়ে কুরআনের এমন একটি বক্তব্যও খুজে পাওয়া যায়না আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার আলোকে যার বিরোধিতা বা সমালোচনা করা যেতে পারে।
কুরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য – ২
এ বিশ্ব একসময় ধুম্রকুন্ডলী আকারে বিরাজমান ছিল – কুরআন এ তথ্যটি স্পষ্ট ভাষায় বিবৃত করেছে। অথচ বিষয়টি আবিস্কার হয়েছে পদার্থ ও ভুবিদ্যার উপর নিরন্তর গবেষণা ও এর চরম উৎকর্ষতা সাধনের পর, মাত্র কয়েক দশক আগে। (দ্রষ্টব্য: সুরা হা মীম সাজদা 11)
কুরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য – ৩

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

কুরআন নিয়ে গবেষণা - ২

কুরআনে উনিশ সংখ্যার বিস্ময়কর মিল:

কুরআনে উনিশ সংখ্যাটির (হারফ ও বাক্যসমুহের) বিস্ময়কর মিল আমাদেরকে দেখাচ্ছে যে, এভাবে গাণিতিক হিসাবে মিল রেখে যদি কেউ কুরআনের মত এমন কোন গ্রন্থ রচনা করতে যায় তাহলে তাকে প্রায় 60,000,000,000,000,000,000,000,000.000 বার প্রচেষ্টা চালাতে হবে। অর্থাৎ কুরআনকে প্রথম থেকে শেষ পযন্ত এতবার তাকে পড়তে হবে শুধুমাত্র “উনিশ” এর গাণিতিক বন্ধন ঠিক রাখার জন্য এবং এ প্রচেষ্ঠার পর শুধুমাত্র একবারই সে সফলকাম হবে। সুতরাং এ কাজ সম্পন্ন করতে একটি মানুষকে কতবছর আয়ু পাওয়া দরকার তা সহজেই অনুমেয়।

নীচে উনিশ এর গাণিতিক বন্ধনের কতক দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হল:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (4টি রেটিং)

কুরআন নিয়ে গবেষণা ১

কুরআন নিয়ে গবেষণা – ১

কুরআন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিজের রচনা নয়, হতে পারেনা কারন:
1.    তিনি লেখাপড়া জানতেননা।
2.    কুরআনে রয়েছে এমন সব বৈজ্ঞানিক তথ্য ও জ্ঞান যা ঐসময়ে ছিল কল্পনাতীত, এসব জ্ঞান ও গবেষণার অস্তিত্ব তখন পৃথিবীর কোথাও ছিলনা।
3.    যে সব বৈজ্ঞানিক তথ্য ও জ্ঞান কুরআনে এসেছে তা সন্নিবেশ করা কেবলমাত্র একজন বৈজ্ঞানিকের পক্ষেই সম্ভব, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিজ্ঞানী ছিলেননা।
4.    এতবড় গ্রন্থ রচনা করার জন্য কম করে হলেও ৮/10 বছর নিরবচ্ছিন্ন গবেষণা ও নিরিবিলি সময়ের প্রয়োজন, অথচ আমরা দেখি অহী নাযিলের পর থেকে মুহাম্মাদ সা: কে প্রচন্ড প্রতিবন্ধকতার মধ্যে কাল কাটাতে হয়েছে, মাক্কী জীবনের প্রতিটি দিন ও রাত ছিল তার জন্য সংঘাতমুখর। লিখার জন্য যে বস্তুগত উপায়, উপাদান ও সরঞ্জামের প্রয়োজন তাও তার কাছে ছিলনা।  
                                 - চলবে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

আল কুরআন সম্পর্কে ড: মরিস বুকাইলী - ১

..... ইসলামের শুরু থেকেই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিরুদ্বে এ অভিযোগ উত্থাপন করে আসা হচ্ছে যে, তিনি বাইবেলের বর্ণনা হুবহু নকল করে কুরআন রচনা করেছিলেন। কিন্তু কুরআনের বাণী ও বাইবেলের বক্তব্যের মধ্যে ইতিপুর্বে বর্ণিত ব্যবধানই প্রমাণ করে যে এ অভিযোগ সম্পুর্ন অমুলক। বিশেষত বিশ্ব সৃস্টির ব্যাপারে বাইবেল ও কুরআনের বাণীর এ আলোচনার দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, মুহাম্মাদ সা: এর বিরুদ্বে এ অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন আর যদি এ অভিযোগ সত্য বলে ধরে নেয়াও হয় তাহলে যে প্রশ্নটির উত্তর না দিয়ে এক পা ও অগ্রসর হবার জো নেই তাহলো চৌদ্দশত বছর আগে আবির্ভুত হয়ে কি করে একজন মানুষের পক্ষে বাইবেলের বাণীর ভুল ক্রটি এমন যথাযথভাবে সংশোধন করা সম্ভব? কিভাবে তার পক্ষে সম্পুর্ণ নিজের জ্ঞানবুদ্ধি মোতাবেক বাইবেল থেকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে ত্রুটিপুর্ণ বাণীসমুহ বাদ দিয়ে এমনসব বাণী ও বক্তব্য রচনা করে কুরআনে সন্নিবেশিত করা সম্ভব, যা এতদিন এতকাল পরে কেবলমাত্র আধুনিক বিজ্ঞানের পরীক্ষা নিরীক্ষা ও গবেষণার দ্বারা সত্য বলে প্রমাণ হতে পারছে। ......

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (2টি রেটিং)

তাওবা

আল্লাহ তাআলার নিকট তার বান্দার তাওবা বিরাট এক খুশীর বিষয়। মানুষ অপরাধ করার পর আল্লাহ তাআলার নিকট তাওবা করা ও গুনাহের জন্য প্রার্থনা করাকে তিনি অত্যধিক পছন্দ করেন। তিনি তাওবা কবুল করেন এবং তাওবার মাধ্যমে তার বান্দাকে পুত পবিত্র করেন।

রাসুল সাল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, অাল্লাহ বলেন: “হে অামার বান্দারা তোমরাতো রাত্রি দিন ভুল করে যাচ্ছ, সুতরাং অামার নিকট ক্ষমা চাও, অামি তোমাদের ক্ষমা করে দেব।“ (হাদিসু কুদসী)

রাসুল সাল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়া সাল্লাম অারও বলেছেন, অাল্লাহ বলেন: “অামি অামার বান্দার নিকট ঠিক ঐরকম যেরকম সে অামার সম্পর্কে ধারণা করে। যদি সে অামাকে মনে মনে স্মরণ করে অামিও তাকে মনে মনে স্মরণ করি। যদি সে কোনও সমাবেশে অামাকে স্মরণ করে অামি তার চাইতে উত্তম সমাবেশে তাকে স্মরণ করি। যদি সে অামার প্রতি এক বিঘত অাসে অামি তার প্রতি এক হাত অাসি। যদি সে অামার দিকে দিকে হেটে অাসে অামি তার দিকে দৌড়ে অাসি।“ (হাদিসু কুদসী)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

মুসলিমের দায়ীত্ব কর্তব্যের কিছু --

হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রা: থেকে বর্ণিত। রাসুল সা: বলেছেন: অামি অাল্লাহর নামে শপথ করে বলছি যার নিয়ন্ত্রনে অামার জীবন। অবশ্যই তোমরা সৎ কাজের নির্দেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা করবে। যদি তা না কর তাহলে তোমাদের মধ্যেকার অসৎ, অযোগ্য, অাল্লাহদ্রোহী ও নীচ প্রকৃতির লোকদেরকে তোমাদের শাসক বানিয়ে দেয়া হবে। অত:পর তোমরা সে শাসকের যুলুম থেকে মুক্তিলাভের জন্য অাল্লাহর নিকট দোয়া করবে কিন্তু তোমাদের দোয়া কবুল হবেনা। (মুসলিম, মুসনাদু অাহমাদ)

অাবু সাইদ অাল খুদরী রা: থেকে বর্ণিত। রাসুল সা: বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি কোন যুলম , অন্যায় কিংবা পাপ কাজ হতে দেখে তাহলে সে যেন তা তার হাত দিয়ে বাধা দেয়। যদি তা না পারে তাহলে যেন মুখ দিয়ে বাধা দেয়। যদি সে শক্তিও তার না থাকে তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে। তবে এটা দুর্বল ইমানের লক্ষণ। (মুসলিম, মুসনাদু অাহমাদ, অাবু দাউদ)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

সংগঠনভুক্ত জীবন

মোয়ায ইবনু জাবাল (রা) থেকে বর্নিত। রাসুল (সা:) বলেছেন: মেষ পালের নিকট বাঘ যেমন তদ্রুপ মানুষের বাঘ হচ্ছে শাইতান। মেষ পালের মধ্য হতে বাঘ সেই মেষটিকেই ধরে নিয়ে যায়, যে একাকী বিচরণ করে কিংবা পাল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অালাদা হয়ে যায়। অতএব সাবধান, তোমরা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থেকোনা। অবশ্যই সংগঠনভুক্ত হয়ে সাধারণের সাথে থাকবে। (মুসনাদু অাহমাদ)

অাবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা:) থেকে বর্ণিত। রাসুল (সা:) বলেছেন: তিন ব্যক্তি যদি কোন জংগলেও বসবাস করে তাহলেও তাদের মধ্যে একজনকে নেতা নির্বাচন না করে বিচ্ছন্নভাবে অবস্থান করা জায়েয নয়। (মুসলিম, তিরমিযি, মুসনাদ অাহমাদ)

অাবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা:) থেকে বর্ণিত: রাসুল (সা:) বলেছেন: অাল্লাহ তায়ালা অামার উম্মাতকে কখনও ভুল সিদ্ধান্তের উপর সংঘবদ্ধ করবেননা। অতএব তোমরা সংগঠনভুক্ত থেকো। অার সংগঠনভুক্ত জীবনের উপরই অাল্লাহর রাহমাত। (তিরমিযি)

হারিস অাল অাশঅারী (রা:) থেকে বর্ণিত। রাসুল সা: বলেছেন: অামি তোমাদেরকে ৫ টি বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছি:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)
Syndicate content