'হেরার নূর' -এর ব্লগ

সহীহ হাদিসের আলোকে নামাযের গুরত্ব ! নামায বর্জনকারীদের প্রতি মহানবীর ৫টি সতর্কবাণী !

ইসলামী জীবন দর্শনে (বিশ্বস্রষ্টার অস্তিত্ব, তার প্রেরিত বার্তাবাহকগন, ঐশীগ্রন্থ, ফেরেস্তাকুল, পরজগত, তাকদির এবং মৃত্যুর পরবর্তি জীবন) এই সাতটি বিষয়বস্তুর উপর ইমান আনার পর সবচেয়ে গুরত্বপূর্ন বিষয় হল সালাত আদায় করা। একজন অমুসলিম যখন ইমানের স্বাক্ষ্য দিয়ে ইসলামী জীবন দর্শনের সীমান্তে প্রবেশ করে তার কিছুক্ষন পর যদি সেই নওমুসলিমের কর্ণকুহরে মুয়াজ্জিনের আযান প্রবেশ করে এমতাবস্তায় সালাতের জন্য সুরা কেরাত জানা থাক বা না থাক তার উপর সালাত কায়েম করা ফরজে আঈন হয়ে যায়। অমুসলিমদের জন্য এই সমস্ত বিষয় অনেকটাই শিথীলযোগ্য যতক্ষন পর্যন্ত না তার দ্বীন ইসলামের জ্ঞানের পূর্নতা না আসে।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

পবিত্র কুরআনে বর্ণিত প্রতিশ্রুত কেয়ামতের দৃশ্য ! পর্ব-২

সম্মানিত ব্লগার ভাইগন মাত্র তিন মিনিটে কেয়ামতের ভয়ংকর দৃশ্যগুলো দেখে নিন !

অতপর যখন কান ফাটানো (সেই ভয়ংকর) আওয়াজ (পৃথিবীর দিকে) আসতে থাকবে তখন মানুষ ভয়ে পালাতে থাকবে নিজের আপন ভাইয়ের কাছ থেকে (পালাতে থাকবে) তার মাতা, তার পিতা, তার স্ত্রী এবং ছেলে মেয়েদের কাছ থেকে। সেদিন প্রত্যেকেই নিজেকে নিয়ে এমন চিন্তিত থাকবে যে, তাকে সে চিন্তা ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে (ফলে আপনজনকে পর্যন্ত মানুষ সেদিন ভুলে যাবে) সূরা আবাসা ৩৩-৩৭।

যেদিন (মানুষ ৫০,০০০ বৎসরের) বিচারের লম্বা দিনটি দেখবে সেদিন মানুষ মনে করবে দুনিয়াতে তারা এক সকাল কিংবা এক সন্ধা অবস্থান করেছে মাত্র। সূরা আন নাযিআত ৪৬।

যখন সূর্যকে গুটিয়ে ফেলা হবে। যখন নক্ষত্রগুলো আপন কক্ষপথ থেকে বিক্ষিপ্ত হয়ে পরবে। যখন পর্বত সমুহকে তার আপন স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। যখন দশ মাসের গর্ভবতী উঠনিকে তার আপন অবস্থার উপর ছেড়ে দেওয়া হবে। যখন সকল প্রকার হিংস্র জন্তু জানোয়ারগুলোকে এক জায়গায় জড়ো করা হবে। যখন সমুদ্রগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। সুরা আত তাকওয়ীর ১-৬।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

পবিত্র কুরআনে প্রতিশ্রুত কেয়ামতের দৃশ্য ! পর্ব-১

১. না। আমি শপথ করছি (মহা বিশ্বের বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ভয়ংকর সেই) কিয়ামত দিবষের।

২. আর না। আমি শপথ করছি তিরস্কারকারী নফসের।

৩. মানুষ কি মনে করে যে, (মরনের পর) আমি তার হাড় সমুহ একত্র করতে পারবো না ?

৪. কেন পারব না ? আমি তো তার আংগুলের জোড়াগুলো পর্যন্ত পূর্ন বিন্যস্ত করতে সক্ষম।

৫. (বিষয়টি অনুধাবন করার পরও) মানুষ ভবিষ্যতে মন্দকর্ম করতে চায়।

৬. (হে নবী আপনাকে বিব্রত করার জন্য অবিশ্বাসীরা) প্রশ্ন করে কখন আসবে প্রতিশ্রুত সেই কেয়ামত দিবষ ?

৭. (বলুন) অতপর মানুষের চক্ষু সমুহ (বন্ধ না হয়ে) যখন স্থির হয়ে যাবে।

৮. (সূর্যের পতনের ফলে) চন্দ্র যখন আলোহীন হয়ে যাবে।

৯. এবং চন্দ্র সূর্যকে একত্রিত করে (এক মহাবিষ্ফোরনের মাধ্যমে) ধ্বংশ করে দেওয়া হবে।

১০. (ভয়ংকর এই ধংশলীলা দেখে) সেদিন মানুষ বলতে থাকবে এখন পালাবার জায়গা কোথায় ?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

পবিত্র কুরআনের আলোকে নামাযের গুরত্ব ! নামায বর্জনকারীদের বিরূদ্ধে কুরআনের ভয়ংকর সতর্কবাণী !

বর্তমান সময়ে মুসলিম ভাইদের নামায বর্জন করা একটি স্বাভাবিক কর্মনীতি হয়ে দাড়িয়েছে অথচ এই নামায হল দ্বীন ইসলামের একটি মৌলিক স্তম্ভ। মহানবীর পূর্বে অন্যান্য নবী রাসুলদের উম্মতের উপরও স্রষ্টার পক্ষ থেকে নামায ফরজ করা হয়েছিল। এমন কোন রাসুল নেই উম্মতকে ঈমানের পাশাপাশি নামাজের প্রতি তার উম্মতকে আহবান জানায়নি। অতিত ইতিহাসের দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করলে দেখা যায় অধিকাংশ উম্মত রাসুলদের আনীত জীবন ব্যবস্থাকে মেনে নেয়নি, ঈমানের পথে রাসুলদের আহবান তাদের অন্তরে যেন তীরের মত বিদ্ধ হত ! নফসকে অনুসরন করতে গিয়ে অতিতে বহু সম্প্রদায় এভাবে স্রষ্টার আদেশ অমান্য করে জাহেলিয়াতের তীমির অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েছিল। স্রষ্টার পবিত্র পথ বর্জন করে জাহেলিয়াতের সেই অন্ধকার গলিতে এমনভাবে নির্ভয়ে বাস করছিল যার ফলে তারা কোন দিন ভাবতেই পারেনি এক আকস্মিক হামলা তাদেরকে শেষ করে দিবে। বস্তুত হয়েছেও তাই।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্মিয় জ্ঞান অর্জনের গুরত্ব এবং মাদরাসায় না গিয়ে এই জ্ঞান আয়ত্ব করার উপায় !

মুসলিম জাতীর একটি বিরাট অংশ এখনো দৃয়তার সঙ্গে বিশ্বাস করে ধর্মের পাশাপাশি ইসলাম একটি বিশ্বজনীন জীবন দর্শন। বিশ্বস্রষ্টা থেকে আগত এই পবিত্র জীবন দর্শন জাহেলিয়াতের অসংখ্য প্রাচির ভেঙ্গে সমগ্র বিশ্বের আনাচে কানাচে এখন তার বিচরন অথচ এই দর্শনের আগমন ঘটেছিল এক সংকির্ণ পাহাড়ের গুহায় ! এই পবিত্র জীবন দর্শনের কন্টরোধ করার জন্য বিগত দেরহাজার বৎসর যাবত হতভাগ্য মুসলিম ও অমুসলিম সমপ্রদায়ের পক্ষ থেকে কত ষরযন্ত্রই না হয়েছে কিন্তু এই সমস্ত ষরযন্ত্রে ইসলামী জীবন দর্শনের কিছুটা ক্ষতি হলেও সামগ্রিক বিচারে এর কোনই ক্ষতি হয়নি। দিন দিন এর প্রচার প্রসার এবং এই দর্শনের দিকে অমুসলিম সমপ্রদায়ের আগমন কোন অংশেই কম নয়। প্রাশ্চাত্যের মিডিয়াগুলোই এখন বলছে ইউরোপ আমেরিকার শিক্ষিত এবং উচ্চ শিক্ষিত তরুন তরুনীদের মধ্যে ইসলাম গ্রহনের বিষয়টি লক্ষ্য করার মত ! আজ থেকে একশত বৎসর পূর্বে আমেরিকা ও বৃটেনে মসজিদ মাদসারা ছিল ৫০ থেকে আনুমানিক ১০০ টি অথচ এখন মসজিদ মাদসারা এই দুইটি রাষ্টেই কমপক্ষে দশহাজার ! দুইটি রাষ্টে যদি এইপ্রভাব হয় তা হলে সমগ্র বিশ্বে এই পবিত্র দর্শনের প্রভাব কত গভির সেটা আল্লাহপাক ভাল জানেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

তাফসীর ও হাদিস গ্রন্থ সহ পৃথিবী বিখ্যাত ২ শতাধিক বাংলা ইসলামী বই ডাউনলোড ফ্রি !

বই ডাউনলোড করার পূর্বে উপলদ্ধি করা প্রয়োজন কেন আমরা ইসলামী জ্ঞান অর্জন
করব। হয়ত সকলেই অবহিত যে, ইসলামী জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক মুসলিম নর নারীর উপর
ফরজ করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ইসলামী জ্ঞান অর্জন মুসলিম জাতীর জন্য
কতটুকো ফরজ ? অধিকাংশ লোকের ধারণা সুরা কেরাত এবং নামাজ আদায় করার জন্য
কিছু মাসয়ালা মাসায়েল শিক্ষা লাভ করাই যথেষ্ট ! বস্তুত এই ধারণা কুরআন
হাদিসের সঙ্গে সম্পূর্নই সাংঘর্ষিক। হয়ত বিষয়টি অনেকের নিকট সন্দেহের
পর্যায়ভুক্ত মনে হতে পারে তাই এর স্বপক্ষে কিছু প্রমান পেশ না করলেই নয়।
পবিত্র কুরআনে বিশ্বস্রষ্টা আল্লাহপাক এরশাদ করেন ''যারা জানে না আর যারা
জানে তাদের উভয়ের মর্যাদা কি কখনো সমান হতে পারে'' সমস্ত মুফাসসিরগন একমত
এখানে পূনর্াঙ্গভাবে এলেম শিক্ষা অর্জনের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। অনত্র
এরশাদ হয়েছে ''যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে এলেম দান করা হয়েছে তাদেরকেই
আল্লাহ উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্টিত করবেন'' উক্ত আয়াতে শুধুমাত্র এলমে দ্বীন
শিক্ষা অর্জন কারীদের মযর্াদাই স্রষ্টার নিকট সংরক্ষিত, ইহারা ব্যতিত অন্য

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (4টি রেটিং)

পবিত্র কুরআনের অত্যান্ত গুরত্বপূর্ন ৩৪৬ টি আয়াত !

বিশ্ব সভ্যতায় ইসলাম এবং আল কুরআনের অবদান কতটুকো চিন্তাশীল ব্যক্তি মাত্রই
বিষয়টি উপলদ্ধি করে থাকবেন। ধরনীতে এমন কোন জনপদ নেই যেখানে এই মহান
গ্রন্থের কোন না কোন কল্যানময় প্রভাব নেই। যুগে যুগে অমুসলিম দার্শনিকগন
পর্যন্ত একে এক মহাবিষ্ময়কর গ্রন্থরূপে অভিহিত করেছেন ! সুতরাং এর দ্ধারাই
প্রমানিত হয় এই গ্রন্থে এক অদৃশ্য মহাশক্তি লুকায়িত। হাদিস শরিফে মহানবী
এরশাদ করেন যে মুসলিম পবিত্র কুরআনের মাত্র একটি অক্ষর পড়ে তার আমলনামায়
দশটি নেকি লিখা হয়ে যায় ! অনত্র এরশাদ করেন যে ব্যক্তি রাতে কিছুক্ষন
(কুরআন অনুসরন করে) এলমে দ্বীন শিক্ষা করে তার আমলনামায় সাড়া রাত নফল এবাদত
করার সওয়াব লিখা হয় ! এই হাদিস দ্ধারা প্রমানিত হয় যে ব্যক্তি শুধু কুরআন
পড়ে তারচেয়ে যে ব্যক্তি কুরআনের জ্ঞান অর্জন করে তার মুল্যে মহান রবের নিকট
অনেক বেশি! অতপর যে ব্যক্তি কুরআন গবেষনার পর সেই মোতাবেক জীবন পরিচালনা
করে তার মযর্াদা যে ব্যক্তি শুধু গবেষনা করে তার চেয়ে অনেক বেশি ! অতপর যে
ব্যক্তি কুরআন গবেষনার পর নিজে আমল করে এবং পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content