'আলোকিত আধারে' -এর ব্লগ

হিন্দু ধর্মগ্রন্থ বেদের বৈজ্ঞানিক ভুল; (ওপেন চ্যালেঞ্জ - পর্ব ১)

Image and video hosting by TinyPic
.
বেদ হিন্দুদের প্রাচীনতম ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম। এর চারটি মূল অংশ রয়েছে - ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সাম বেদ এবং অথর্ব বেদ। বেদ (সংস্কৃত véda वेद " জ্ঞান ") প্রাচীন ভারতে লেখা হয়েছে। এটি প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ হিন্দুদের। অথর্ববেদ ৬/৪৪/১ এ বলা হয়েছে, "পৃথিবী স্থির ও নিশ্চল দাঁড়িয়ে আছে।" (নীচে স্ক্রীনশট)
.
Atharva Veda 6.44.1 Firm stood the heaven,firm stood the earth, firm stood this universal world.Firm stood the treesthat sleep erect: let this thy malady be still.
.
Image and video hosting by TinyPic
.
এখানেও বলা হয়েছে পৃথিবী স্থির।
Atharva Veda 6.77.1 Firm stands the heaven,firm standsthe earth, firm stands this universal world…
.

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

মুসলমানদের অধপতন যারা করেছে, যেভাবে করেছে - (পর্ব -১)

জহির উদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ১৫২৬ সালের ২১শে এপ্রিল পানি পথের প্রথম যুদ্ধে ইবরাহিম লোদীকে পরাজিত করে দিল্লী দখল করেন। দিল্লী দখলের এক বছরের মাথায় রাজপুত নামালব ও মধ্য ভারতের ১২০ জন রাজা মহারাজা সংঘবদ্ধ ভাবে মুসলিম শক্তি উৎখাতের জন্য যুদ্ধ ঘোষণা করেন। হিন্দু রাজাদের ৯০ হাজার অশ্বারোহী এবং অসংখ্য পদাতিক বাহিনীর মোকাবেলায় বাবরের মাত্র ১০ হাজার সৈন্য মরণপণ লড়াই করে আগ্রার অদূরে খানুয়ার যুদ্ধে (১৫২৭) সংঘবদ্ধ হিন্দু শক্তিকে পরাজিত করে॥ পরাজিত হওয়ার পর শক্তি দিয়ে মুসলমানদের মোকাবেলার আকাঙক্ষা ব্রাহ্মণ্যবাদীদের মন থেকে উধাও হয়ে যায়। অতঃপর তারা ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে শুরু করে। তাদের পরীক্ষিত কৌশল তিন প্রজন্ম প্রকল্প বাস্তবায়নে অধিক মনোযোগী হয়। এ প্রকল্প আর কিছু নয় তিন প্রজন্মের মধ্যে মুসলমানদেরকে বিপথগামী করে রাস্তায় বসানো। তিন প্রজন্ম প্রকল্প সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে তুলে ধরা হল। তিন প্রজন্ম প্রকল্প - [প্রথম প্রজন্মে একজন ১০০% মুসলমান পুরুষের সাথে একজন ১০০% হিন্দু নারীর বিয়ে দিতে হবে। তাদের মিলনে যে শংকর সন্তান জন্মাবে সে হবে সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবনে ৫০% মুসলমান এবং ৫০% হিন্দ

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে আলেম সমাজের ভূমিকা

ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমাদের এই দেশ পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয়। এদেশের আলেম সমাজ সহ অনেকেই এদেশের মুক্তিকামী মানুষের পাশে দাড়িয়ে দেশের মানুষকে পাকিস্তানী জালিম শাসকদের কবল থেকে মুক্ত করেছিলেন। অসংখ্য উলামায়ে কেরামগণ তাদের জান মাল ,শক্তি সামর্থ্য দিয়ে এ দেশের মাজলুম জনগণের স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছেন। "১৯৭১ সালে 'মোনাফিকদের ক্ষমা নেই' শীর্ষক একটি সরকারি প্রচার পত্রের শেষে লিখা ছিল,আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, 'সত্যের জয় ও মিথ্যার বিনাশ অবশ্যম্ভাবী, বাঙালি এতে সম্পূর্ণ বিশ্বাসী। [১] "

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

মানুষ আল্লাহকে তখনি বিশ্বাস করে, যখন সে নিজে থেকে 'উপলব্ধি' করতে পারে যে, তিনি সত্যিই আছেন

ধরুন,মখলেছ মিয়া একজন বিরাট বড় মাপের ব্লগার॥ শুধু তাই নয় ফেসবুকেও তিনি খুব হিট। তার প্রচুর ফলোয়ার আর প্রতি পোস্টে তিনি হাজারের উপর লাইক পান। তো মখলেছ মিয়া লেখালেখি করেন নানা বিষয় নিয়ে। তিনি তার লেখা দিয়ে প্রমান করতে চান এই পৃথিবীতে আল্লাহ, গড, ভগবান বলে কিছুই নেই, মোট কথা সৃষ্টিকর্তা বলেই কিছুই নেই। এবং তিনি তার লেখা দিয়ে প্রমান করতে চান ধর্মগ্রন্থ গুলো সব মিথ্যা - সবই বিজ্ঞানের খেলা।
এখন মখলেছ মিয়াকে যদি বলা হয় কুরআন বিশ্বাস করেন কি না? এর উত্তরে মখলেছ মিয়া অবশ্যই 'না' বলবে এবং নানান রকমের যুক্তি তর্ক দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্ঠা করবে, কুরআন আল্লাহর কোনো বাণী না।
এখন যদি আকাশ থেকে আলোর তৈরি কোনো ফেরেস্তা বা অন্য কিছু এসে মখলেছ মিয়াকে বলে, 'হ্যা, কুরআন সত্যিই আল্লাহর বাণী, কোনো সন্দেহ নেই। তোমাকে এর পুরোটাই মানতে হবে।'
.
এই কথা শোনার পরে কি মখলেছ মিয়া একদম পুরোপুরি ঈমানদার বা মুসলমান হয়ে যাব??
.
আসলে হবেনা। মখলেছ মিয়া তখন নানান রকম যুক্তি দিয়ে বোঝাতে চাইবে, ঐ আসলে ফেরেস্তা টেরেস্তা কিছুই না - ঐ টা আসলে হ্যালুসিলেশন ছিল কিংবা দেখার ভুল ছিল॥
.

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ইসলাম এবং আল্লাহ সম্পর্কে 'গাফফার চৌধুরীর' ধৃষ্টতাপূর্ণ অবমাননাকর বক্তব্যের জবাব

"সম্প্রতি কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী নিউইয়র্কে বসে ইসলাম সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে। তার ধৃষ্টতাপূর্ণ ছাগলামি মন্তব্যের জবাব নিম্নে দেয়া হলো---
:
গাফফার চৌধুরী বলেছে, "আল্লাহর ৯৯ গুণবাচক নাম কাফেরদের দেবতাদের নাম ছিলো। এগুলো আমার বাংলা ভাষায় (গ্রহণ) করেছি।" ( সুত্র - বিভিন্ন পত্রিকা)।
:
অথচ আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, "আল্লাহ বলে আহবান কর কিংবা রহমান বলে, যে নামেই আহবান কর না কেন, সব সুন্দর নাম তাঁরই। --- সূরা বনী-ইসরাঈল আয়াত ১১০।" অনেক গুলো হাদিস দ্বারাই প্রমাণিত যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহ'র অনেক গুলো নাম-এর উল্লেখ করেছেন।
"আল্লাহ্‌ তা’আলার রয়েছে নিরানব্বইটি নাম, একশো থেকে একটি কম॥ [বুখারি ৩.৫০:৮৯৪, মুসলিম ৩৫:৬৪৭৬, তিরমিযি ৫১.৮৭:৫১৩৮]"
আরো বলা হয়েছে, "আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরেই তাঁকে ডাক। আর তাদেরকে বর্জন কর,যারা তাঁর নামের ব্যাপারে বাঁকা পথে চলে। তারা নিজেদের কৃতকর্মের ফল শীঘ্রই পাবে। [তাফসীরে মা’আরেফুল এর চতুর্থ খন্ডের পৃষ্ঠা ১৪১-১৪৬]॥"

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

যুক্তিবাদি উর্কিস বালেকদার

"উর্কিস বালেকদার" একজন বিরাট বড় মাপের বিজ্ঞান মনস্ক ; যুক্তিবাদী মুক্তমনা লেখক এবং ব্লগার॥ তিনি যুক্তি ছাড়া কিছুই লিখেননা। তিনি তার লেখা দ্বারা বহু আগেই প্রমাণ করে দিয়েছেন এই পৃথিবীতে স্রষ্টা বলে কিছুই নাই - ফটাশ করে শব্দ হয়ে এই পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে॥ এই বিষয় নিয়ে 'উর্কিস বালেকদার' একটা বিখ্যাত বইও লিখেছেন, 'বিজ্ঞান এবং ফটাশ - সংঘাত নাকি সমন্বয়'! বইটা খুব মার্কেট ও পেয়েছে॥ যুক্তি ছাড়া উর্কিস বালেকদার আজ পর্যন্ত কিছুই লিখেননি কিছুই বলেননি। কিন্তু দুঃখের বিষয় এতো যুক্তিবাদী লেখা লেখার পরেও উর্কিস সাহেব নোবেল পুরস্কার পাননি। কেনো পাননি - এটাই নোবেল কমিটির ব্যর্থতা।
অপরদিকে 'ভচ্চত মালিক' হলো উর্কিস বালেকদারের একজন বিরাট ভক্ত॥ 'উর্কিস বালেকদার' যাই লিখেন বা যাই বলেননা কেনো এক বাক্যে 'ভচ্চত মালিক' সব বিশ্বাস করে। 'ভচ্চত মালিক' ও লেখালেখি করেন তবে উর্কিস সাহেবের মতো এতো যুক্তিবাদি জ্ঞানী নন তিনি। একদিন সকাল বেলায় 'ভচ্চত মালিক' গিয়েছেন যুক্তিবাদি উর্কিস বালেকদারের বাড়ি॥ তো গিয়ে দেখেন উর্কিস সাহেব বারান্দায় চেয়ারে বসে থেকে 'ধর্মহীন সমাজ' নামে একটা বই পড়ছেন॥

আপনার রেটিং: None

কিভাবে হবেন মুক্তমনা???? কেন হবেন???

প্রথমেই আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনি কি ধরনের মুক্তমনা হবেন। মুক্তমনা আসলে তিন ভাগে বিভক্ত॥
(১) সাধারণ মুক্তমনা
(২) কট্টর মুক্তমনা
(৩) উগ্রবাদী মুক্তমনা
এখন আমি আপনাদের ধারাবাহিক ভাবে শেখাবো, মুক্তমনা হতে হলে কি কি করতে হবে।
সাধারণ মুক্তমনা - সাধারণ মুক্তমনা হয়ে আসলে কোনো লাভ নেই - খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না। শুধু বিশ্বাস করবেন এই পৃথিবীতে স্রষ্টা বলে কিছুই নাই॥ খুব খিয়াল কইরা, লেখালেখি করবেন যাতে মানুষ বুঝতে না পারে আপনি ইসলাম বিদ্বেষী।
<><><>

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

ফেল করেছি তাতে কি অংকে আমার লেটার আছে

মানুষের একটা স্বভাবজাত অভ্যাস, নিজের দোষ সহজে স্বীকার করতে চায় না। ধরেন, কেউ খুব চেচামেচি করে উচ্চস্বরে কথা বলে, এখন আপনি যদি তাকে প্রশ্ন করেন, চেচামেচি করেন কেনো? এর উত্তরে সে বলবে, আমি আসলে এভাবেই কথা বলি। প্রবাদ আছে একজন ঘরের টিনের চাল থেকে পড়ে যাওয়ার পর অন্যরা দেখে ফেললে সে বলে আমি এভাবেই নেমে থাকি। সন্তান চরম অন্যায় করার পর বিচারের সম্মুখীন হলে বাবা-মা বলে আমার ছেলেটা একটু পাগল টাইপের। একসাথে তিন চারটি প্রেম করার পর মেয়েরা ধরা খেলে বলে - আরে ঐ গুলোতো আসলে আমার খালাতো ভাই,প্রেম তো আমি একটাই করি, শুধু তোমার সাথে॥ এগুলো সব মানুষের মধ্যে স্বভাবতই কম বেশী আছে॥ কিন্তু এইসব গুন থাকলেই আপনি মুক্তমনা বা মুক্তমনের অধিকারি হতে পারবে না।
আজকে আমি আপনাদের শেখাবো কিভাবে মুক্তমনা হতে হয়॥
(১) আপনাকে অবশ্যই এন্টি ইসলামিক হতে হবে, আল্লাহ বলে কিছুই নাই বার বার এই কথাই বুঝাতে হবে সবাইকে।
যারা না বুঝবে প্রয়োজনে তাদের চৌদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার করতে হবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

ভোগবাদী সমাজের নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন। অতঃপর ১৯৭৫ সালে, ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। বাংলাদেশে অনেক দিন থেকেই এই দিবসটি পালিত হচ্ছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)

বাংলা ভাষা এবং ইসলাম - সংঘাত নাকি সমন্বয়

ভাষা নিয়ে ভাষাবিদরা ভাষার অনেক সংজ্ঞা দিয়েছেন॥ অ্যাডওয়ার্ড স্যাপির Language নামক বইতে ভাষার সংজ্ঞা দিয়েছেন, "ভাষা হচ্ছে স্বেচ্ছায় উৎপাদিত প্রতীকের সাহায্যে ভাব, আবেগ ও কামনা সংজ্ঞাপনের সম্পূর্ণ মানবিক ও অপ্রবৃত্তিগত পদ্ধতি॥"
তবে বাংলা ভাষার উৎপত্তি সংস্কৃত ভাষা থেকে কি না এ নিয়ে মত ভিন্নতা রয়েছে। ড মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে," সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়নি। তার মতে ভাষা প্রবাহের মধ্যে বাঙলার পূর্বে অপভ্রংশ এবং প্রাকৃত যুগের প্রমাণ মিলে। [সুত্র : বাঙালা ভাষার ইতিবৃত্ত, ১৯৯৯, পৃ- ২৬ -২৭।]"
ড এনামুল হকের মতে, "মাগধী প্রাকৃত থেকেই বাঙলা ভাষার উৎপত্তি। [সুত্র : মুহাম্মদ এনামুল হক, বাঙলা ভাষার ক্রমবিকাশ, ১৯৯৪, পৃ-১১৩ -১১৪।]"

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)
Syndicate content