সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

৫ হাজার কোটি টাকার নতুন এয়ারপোর্টের পক্ষ্যে সাপোর্ট দিলাম

সাজ সাজ রব উঠেছে ময়মনসিংহের ত্রিশালে,
বিদেশী প্লেইন ল্যান্ড করবে সেথায় সকাল ও বিকালে।
বিশাল অক্ষরে লেখা থাকবে বঙ্গবন্ধুর নামফলক,
রাতের বেলায় কত সুন্দর বিজলী বাত্তির ঝলক।
বিশ্বের কাছে পরিচিতি পাবে ময়মনসিংহের ত্রিশাল,
শুনেছি এয়ারপোর্টের জন্য বাজেটও নাকি বিশাল।
৫ হাজার কোটি টাকা মাত্র! এমাউন্ট বেশী নয়,
যার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নাম থাকবে আজীবন অক্ষয়।
বঙ্গবন্ধুর অবদানের কাছে এটা কি কোন টাকা?
নতুন একটা এয়ারপোর্ট ছাড়া যায় কীভাবে থাকা!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ঘরের দান ঘরে ফিরলেও বিশুদ্ধ নিয়তের বদৌলতে সওয়াব বহাল থাকে

5- وعن أبي يَزيدَ مَعْنِ بنِ يَزيدَ بنِ الأخنسِ رضي الله عنه ، وهو وأبوه وَجَدُّه صحابيُّون ، قَالَ : كَانَ أبي يَزيدُ أخْرَجَ دَنَانِيرَ يَتَصَدَّقُ بِهَا ، فَوَضعَهَا عِنْدَ رَجُلٍ في الْمَسْجِدِ ، فَجِئْتُ فأَخذْتُها فَأَتَيْتُهُ بِهَا . فقالَ : واللهِ ، مَا إيَّاكَ أرَدْتُ ، فَخَاصَمْتُهُ إِلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ، فقَالَ : (( لكَ مَا نَوَيْتَ يَا يزيدُ ، ولَكَ ما أخَذْتَ يَا مَعْنُ )) رواهُ البخاريُّ .

৫. হযরত মা’ন ইবনে ইয়াযিদ ইবনে আখ্‌নাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম বর্ণনা করেনঃ (মা’ন, তার পিতা, দাদা সবাই সাহাবী ছিলেন) আমার পিতা ইয়াজিদ সদকা করার জন্য (স্বর্ন মুদ্রা) বের করলেন এবং মসজিদে গিয়ে এক ব্যক্তিকে তা দিয়ে দিলেন। আমি লোকটির কাছ থেকে তা ফেরত নিয়ে আমার পিতার কাছে চলে এলাম। আমার পিতা বললেনঃ আল্লাহর কসম! এটা তো আমি তোমাকে দেয়ার মনস্থ করিনি। এরপর আমরা এ বিষয়টাকে রাসূলে আকরাম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পেশ করলাম। তিনি বলেনঃ হে ইয়াজিদ! তুমি তোমার নিয়্যাতে সওয়াব পেয়ে গেছো আর হে মা’ন! তুমি যে মাল নিয়েছো, তা তোমারই। -বুখারী

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ত্রিশালে কি বিমান বন্দরের এতটা দরকার ছিলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?

৫০,০০০ কোটি টাকা খরচ করে ময়মনসিংহের ত্রিশালে বঙ্গবন্ধু বিমান বন্দর
করছে আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার। এটা নাকি নির্বাচনী ইশতেহারায় ছিলো। আমাদের
আগের ইশতেহারা গুলো গেলো কই মামনি?? আর কত জ্বালাবেন আমাদের? ১০ আমাদের
দরকারী ইশতেহারা গুলো গেলো কই খালামনি?? আমাদের দেশে কি বিমানে ট্রাফিক
জ্যাম লেগে যায়? বিমান বন্দরের আগে আমাদের কি কি দরকার ছিলো?

দেখেছেন আমরা কেমন ভাঙ্গা রাস্তায় চলি? দেখেছেন আমাদের কোনো গ্রাম্য পথ
আষাঢ় মাসে কেমন কর্দমাক্ত হয়? দেখেছেন দেশের ৮০ ভাগ মানুষ কিভাবে চলে ঐসব
রাস্তায়? দেখেছেন কোনো কৃষক মাথায় ২ মন ওজনের ধানের বস্তা নিয়ে কত ঘাম
ঝরিয়ে ঐসব রাস্তা পাড়ি দেয়? দেখেছেন কখনো কোনো ব্যাস্ত সড়ক নদীতে গিয়ে
কিভাবে থেমে গেছে? ছোট্ট একটা ব্রীজের অভাবে মানুষ কত অসহনীয় যন্ত্রনায়
ভোগে? আপনি কিন্তু তাদের টাকা দিয়ে বিমান বন্দর বানাচ্ছেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

নিবেদন

বাংলা ব্লগে লিখা শুরু করেছি সে বছর চারেক হবে। সেই ২০০৬ সালে একদিন শরীর খারাপ নিয়ে ঘরে বসে থেকে এক ওয়েব সাইট থেকে আরেক ওয়েবসাইটে যেতে যেতে সোজা সামহোয়ারইনে। সামহোয়ারইনে সেদিন ঘুরতে ঘুরতে একটা পোস্ট চোখে পড়ল ইসলাম আর নারী নিয়ে, যেই পোস্টের অজ্ঞতা দেখে মাথা ঘুরে গেল। কখনও ভাবি নি সিরিয়াসলি ব্লগ করব, কিন্তু আমার তৃতীয় kakপোস্টটা হয়ে গেল ইসলাম আর নারী নিয়ে, সেই ব্লগারের জবাব দিয়ে। ব্যাস, সামহোয়ারইনের সর্ব কনিষ্ঠ, সবচেয়ে নতুন ব্লগার থেকে ধা করে সেদিন স্পটলাইটে পড়ে গেলাম। সাম্প্রতিক মন্তব্যে বার বার আমার নাম। ব্যাপারটা আমাকে খুব বিব্রত করেছিল, (কিছুটা ভালোও লেগেছিল,) কারণ আমি সারাজীবনে স্পটলাইটে অভ্যস্ত ছিলাম না। সেদিন একটা ব্যাপার বুঝেছিলাম, আমাদের বাংলা ভাষায় ইন্টারনেটে ইসলাম নিয়ে লেখার মানুষ খুব কম, কিন্তু পড়ার মানুষের অভাব নেই। 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

আর কেনো বঙ্গবন্ধু।। নাম ফলক নামানো যায়-অন্তরে মোছা যায় না।

সেতু,বিশ্ববিদ্যালয়,সড়ক,ছাত্রাবাস,সংগঠন,ইত্যাদি জাতীয় পর্যায়ে।স্কুল,
কলেজ,বাজার ইত্যাদি আঞ্চলিক পর্যায়ে।বঙ্গবন্ধু,বঙ্গবন্ধু,বঙ্গবন্ধু অনেকতো
হয়েছে।বঙ্গবন্ধু আন্তরজাতীক বিমান বন্দর নির্মান এর জন্য গতকাল ময়মনসিংহের
ত্রিশালে সাম্ভাব্য দুটি স্হান পরিদর্শন করেছেন।আবার কেনো বঙ্গবন্ধু?
পৃথিবী,বাংলাদেশ,বাংলাভাষা এবং একজন বাংলাভাষী যতদিন থাকবে,ততদিন বঙ্গবন্ধু
থাকবে।এমন কি প্রধান বিরোধী দলে এবং প্রধান বিরোধী দেশে(পাকিস্হান)পর্যন্ত

হাসিনা,আপনি বঙ্গবন্ধুকে নামের বাহুল্যতা থেকে মুক্ত করে দিন।এমনকি অন্য দল
ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর নাম ফলক যখন সরাবে,তখন আমাদের সহ্য করতে কষ্ট
হবে।বঙ্গবন্ধু কে বঙ্গবন্ধু হয়েই থাকতে দিন অন্তরে।
একটি ব্যাক্তি মত।পাঠক কি একমত,না ভিন্নমত?ধন্যবাদ।

আপনার রেটিং: None

বেলজিয়ামে আজ থেকে বোরকা পরা নিষিদ্ধ

বেলজিয়ামে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ইসলামি বোরকা পরা নিষিদ্ধ করেছে।

মার্চের ৩১ তারিখে বেলজিয়ামে সারাদেশে বোরকা নিষিদ্ধ করার সংসদীয়
সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এটি যে মানবে না তাকে ১৫-২৫ ইউরো (২০-৩৪ ডলার) জরিমানা দিতে হবে অথবা তার ৭
দিনের জেল হবে অথবা তাকে বোরকা পরার জন্য পুলিশের অনুমতি নিতে হবে।

সরকার ও বিরোধীদল উভয়ের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে ফ্রান্স সরকারও মুসলিম মেয়েদের বোরকা পরা নিষিদ্ধ করবে।

নিকোলাস সারকোজির একজন মুখপাত্র বলেন, এই বিলটি মে মাসে উত্থাপন করা হবে।
এই আইন অনুযায়ী কোনো লোকালয়ে নিকাব বা বোরকা পরা যাবে না।

সমকালঃ http://www.shamokal.com/

আপনার রেটিং: None

ঢেঁকি দিয়ে ধানবানা যায়; সামিয়ানার খুঁটি বানানো যায় না

ছেলেটা একটু ছেলেমানুষে, কারো কারো কাছে বেয়াড়াও বটে, তবে দারুন রসিক। শুধু রসিক না, রীতিমত কাব্যরসিক। তাও আবার গলাতেই সীমাবদ্ধ নয়, নিয়মিত বাস্তবায়নেও তৎপর। রাতবিরাতে খোলা আকাশের নিচে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ফেরা, ঢের কবিতা পড়া আর ঐ যে ছেলেমানুষী, তার থেকে হঠাৎ হঠাৎ ভাবের জগতে পৌঁছে যাওয়া। এসব নানা কারণে ভাল লাগার তালিকায় যুক্ত হয়ে পড়ে সে। তবে বিশেষ যে গুণটি তার প্রতি ভাল লাগায় যোগ করে ভিন্ন মাত্রা, সেটি হল কোন বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

জামায়াতের শীর্ষ নেতারা যদি আওয়ামী লীগে যোগ দিতেন !

‘দেশে যুদ্ধাপরাধী নেই’ বলে জামায়াত নেতা মুজাহিদের একটি বক্তব্য মিডিয়াতে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল। ১৯৭২ সালে দালাল আইনে অভিযুক্ত ৭৫২ জনের মধ্যে জামায়াতের কোনো নেতা ছিলেন না দাবি করে মুজাহিদ বলেছিলেন, "'৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আওতায় ওইসব অভিযুক্ত মুক্তি পায়। হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনয় জামায়াতের কোনো লোকই জড়িত ছিলেন না।" তিনি বলেন, "একাত্তরের যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ১৯৫ জনকে তৎকালীন আওয়ামী সরকার তদন্তের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছিলো। তারা সবাই ছিলো পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। তখন তদন্তে আর কাউকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। "স্বাধীনতার স্থপতি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ৯ এপ্রিল তাদের (পাকিস্তানি সৈন্য) ক্ষমা করে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।"

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (8টি রেটিং)

অপরাধ '৭১: প্রশ্ন খণ্ডন করলেন একদল আইনজীবী

'৭১-এর মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ বিচারে দেশে-বিদেশে ওঠা
বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছে আইনজীবীদের একটি দল।

'৭১-এর
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগীদের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ,
গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ বিচারে গঠিত তদন্ত সংস্থা, আইনজীবী প্যানেল এবং
ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে স�প্রতি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর তোলা বিভিন্ন
'প্রশ্ন' ও সম্ভাব্য প্রশ্ন মিলিয়ে ৪৮টি প্রশ্নের 'উত্তর' দেয় দলটি।

বৃহস্পতিবার
সুপ্রিম কোর্ট বার মিলনায়তনে '৭১-এর গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও
যুদ্ধাপরাধের বিচার : দেশে-বিদেশে প্রশ্ন' শীর্ষক এক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে
এমত দেন দলটির আইনজীবীরা।

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে যুদ্ধাপরাধ বিচার
বিষয়ক নাগরিক কমিশন এবং ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

কিছু সমস্যা থাকলেও বিসর্গকে ভাল লেগেছে।

কিছু সমস্যা পরিলক্ষী্ত হলেও বিসর্গকে ভাল লেগেছে বলতে হয়।নতুন হিসাবে মুটামুটি অনেক সমৃদ্ধ মনে হয়ছে। বিসর্গের আগামি দিনের পথচলা শুভ হোক এই কামনা করছি বিসর্গে দেয়া ১ম পোস্টে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (6টি রেটিং)
Syndicate content