আওয়ামী লীগ এমপির বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা

বাংলাদেশের জেলা শহর ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ফুলবাড়িয়ায় আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য (ময়মনসিংহ-৬) মোসলেম উদ্দিনসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ১৯৭১-এ হত্যার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জালাল উদ্দিন এ মামলাটি দায়ের করেন। বিস্তারিত

এদিকে শীর্ষ নিউজ জানায়, জামালপুরের বকশিগঞ্জে আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল কালাম আজাদের পিতা আব্দুল কাইয়ুম মুন্সীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মামলা হয়েছে। মালিরচর নয়াপাড়া গ্রামের সিদ্দিক আলী মঙ্গলবার জামালপুরের আমলি আদালতে এ মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্খা গ্রহণের জন্য বকশিগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। আব্দুল কাইয়ুম মুন্সী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত বলে জানা গেছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে আবদুল কাইয়ুম মুন্সী পাক হানাদার বাহিনীকে সহায়তার জন্য বকশিগঞ্জে আল-বদর বাহিনী গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরে পাক বাহিনীর সাথে থেকে ধানুয়া কামালপুরে অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করেন তিনি। এ ছাড়া বহু পরিবারের বাড়িঘর আগুনে পুড়িয়ে দেন। ১৯৭১ সালের ২০ নভেম্বর কাইয়ুম মুন্সী বাদির বাড়িতে গিয়ে তার চাচা ডেবরাকে গুলি করে হত্যা করে। পরে তাদের বাড়িঘরও আগুনে পুড়িয়ে দেয়। সরকার যুদ্ধাপরাধ বিচার শুরু করায় ছিদ্দিক আলী এ মামলা করেছেন বলে তিনি জানান।

এর আগে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত আলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী হচ্ছেন লাখাই কৃষ্ণপুর গ্রামের হরিদাস রায়। মামলায় ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রোববার ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে প্রধান আসামী লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে পাক বাহিনী উপজেলার কৃষ্ণপুর, গদাইনগর ও চণ্ডিপুর গ্রামে ১২৭ জনকে হত্যা করে। আরজিতে শহীদ ৪৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বছরের ৩০শে মার্চ ৩০ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমে ‘’বগুড়ায় সাবেক আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা’’ শিরোনামের খবরে বলা হয়, জাতীয় সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাশ হবার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি মামলা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আকবর আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হয়েছে। আকবর আলী কিছুদিন আগেও আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।
বগুড়ার জ্যেষ্ঠ বিচারক হাকিম আদালতে আকবর আলীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেন নন্দীগ্রাম উপজেলার ধোন্দার হিন্দুপাড়া গ্রামের চৈতন্য নাথ দাস। হাকিম মো. জিয়াউর রহমান অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নন্দীগ্রাম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ১৭ মে আসামি আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেন এবং যাবার সময় আগুন দিয়ে ঘর পুড়িয়ে দেয়। এ সময় বাদী পার্শ্ববর্তী দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে আশ্রয় নেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, নন্দীগ্রাম উপজেলার পূর্ব একডালা গ্রামের লালমন প্রামাণিকের ছেলে আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী ও শান্তি কমিটির নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকায় নারী ধর্ষণ ও লুটপাটে পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।

গত বছরের ১৯শে আগস্ট এক রিপোর্টে বলা হয়, ''সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা ''। বিস্তারিত খবরে বলা হয়, এবার যুদ্ধাপরাধ মামলা চেপেছে জেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ স্থানীয় নেতা সহ তার দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশে এরই মধ্যে মামলাটি রেকর্ড হয়েছে শ্যামনগর থানায়। তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ। মামলাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তোলপাড়।
শ্যামনগরের কাশিমারি গ্রামের কানাই গাজীর পুত্র আব্দুল হামিদ গাজী নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে উল্লেখ করে সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট হুমায়ূন কবিরের আদালতে অভিযোগে বলেন, ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর তার মুক্তিযোদ্ধা ভাই মোক্তার আলী, চাচাত ভাই একব্বার ও আবু তালেবকে কয়েক রাজাকার বাড়ি থেকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে তাদেরকে শ্যামনগরের চুনানদীর তীরে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেয়। যারা এই নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটায় তারা হচ্ছে, উপজেলার কাশিমারি গ্রামের ইউসুফ আলী কারিকরের দুই পুত্র আনোয়ার হোসে কারিকর ও আদর আলী কারিকর, গোলাম তরফদারের পুত্র ছইলউদ্দীন তরফদার, নাটু তরফদারের পুত্র আব্দুল হক তালুকদার, জহুরুল হক মোল্লার পুত্র আব্দুস সবুর মোল্লা, আব্বাস আলীর পুত্র রহিম পাড় সহ অজ্ঞাত পরিচয়ের ১০/১২ জন। তিনজনকে গুলি করে হত্যা ছাড়াও বাদি তাদের বিরুদ্ধে মহিলাদের সম্ভ্রম হানি ও লুটতরাজের অভিযোগ এনেছে। বাদি তার আরজিতে উল্লেখ করেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর হত্যাকারি রাজাকাররা আওয়ামী লীগে যোগ দেয়। মামলার প্রধান আসামী আনোয়ার হোসেন কারিকর বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং মামলায় পাঁচ নম্বর আসামী আব্দুস সবুর মোল্লা শ্যামনগর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী। অপর তিন আসামী আওয়ামী লীগের কর্মী বলে জানা গেছে। বাদি গত ৫ আগস্ট মামলাটি সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

এই হলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগের অবস্থা! তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়, কিন্তু নিজেরা যুদ্ধাপরাধীদের লালন করে। হাসিনার বর্তমান ও আগের মন্ত্রীসভাতেও যুদ্ধাপরাধী ছিল। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতেও যুদ্ধাপরাধী আছে। সুতরাং সুষ্ঠু বিচার হলে দেশের যে কোন দলের চেয়ে আওয়ামী লীগে বেশী সংখ্যক যুদ্ধাপরাধী পাওয়া যাবে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র। সুতরাং আওয়ামী যুদ্ধাপরাধীদের এ সরকার কিছুই করবে না।

এ সরকার ক্ষমতায় যেভাবে এসেছে ঠিক সেভাবেই প্রতিটি বিষয় নিয়ে এগুচ্ছে। সুতরাং গলাবাজী থাকবে বাইরে আর আড়ালে আবডালে থাকবে নির্বাচনে দূর্নীতির মত যত্তসব দুষ্টবুদ্ধি, ষড়যন্ত্র ও হিংস্র নীল নকশা তৈরীর প্রচেষ্টা।

তাদের বিরুদ্ধে আমাদের জন্য আল্লাহই সর্বোত্তম কৌশলী।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

চকরিয়ায় যুদ্ধাপরাধের মামলা: নিরীহ লোককে জড়ানোর অভিযোগ 

কক্সবাজার, ৭ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): চকরিয়ায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় রাজনৈতিক ফায়াদা হাসিলে নিরীহ এক ব্যক্তিকে আসামি করায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের উদ্দেশ্যমূলক মামলা করায় বিভিন্ন মহলে ক্ষোভেরও সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতার দায়ের করা এ মামলায় ক্ষোভ এবং নিন্দা প্রকাশ করেছে চকরিয়ার আওয়ামী লীগ নেতারা। মঙ্গলবার চকরিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা 
 আনোয়ার হোসেন বাঙালি চকরিয়ায়-পেকুয়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জামায়াত নেতা এনামুল হক মঞ্জুসহ চকরিয়া-পেকুয়ার যে ২০ ব্যক্তির  বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ মামলা দায়ের করেছেন তার মধ্যে চকরিয়ার আজিজুর রহমান মাস্টারকে আসামি করায় এই সমালোচনা এবং নিন্দার ঝড় উঠেছে।

কোটালীপাড়ায় যুদ্ধাপরাধের তালিকায় আ’লীগ নেতা

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রকাশিত যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় কয়েকজন আ’লীগ নেতা ও আত্মীয়স্বজনের নাম চলে আসায় মুক্তিযোদ্ধা মজিবুল হককে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ওই মুক্তিযোদ্ধা গত ৮ এপ্রিল কোটালীপাড়া থানায়  একাটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন গত ১ এপ্রিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কোটালীপাড়ায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার, আলবদর ও আলশামসদের সামাজিকভাবে বর্জনের দাবীতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে। ্ওই সমাবেশ থেকে  কোটালীপাড়ার ১৯৪ যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত তালিকায় কোটালীপাড়া আওয়ামী লীগের কয়েকজন শীর্যনেতার নাম থাকায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা এ নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন। প্রকাশিত ওই তালিকায়  কয়েকজন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকের নাম এসেছে বলে মুক্তিযোদ্ধাদের অপর একটি গ্র“প অভিযোগ করেছে। তালিকা প্রকাশকারী কোটালীপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার সাবেক ডেপুটি  কমান্ডার মজিবুল হক বলেন, ২০০৮ সালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতায় প্রকাশিত  তালিকাটি তৈরী করা হয়েছিল। অপরদিকে প্রকাশিত তালিকার প্রতিবাদ জানিয়ে কোটালীপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আলহাজ মোঃ লুৎফর রহমান শেখ বলেন, মুজিবুল হক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার স্বাক্ষর জাল করে আমাদের না জানিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে তা সঠিক নয়। এ তালিকায় কয়েকজন  মুক্তিযোদ্ধার পক্ষের লোকের নাম রয়েছে। এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ফেরদাউছ হোসেন বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা প্রকাশ করায় মু্িক্তযোদ্ধা মজিবুল হককে হুমকি দিচ্ছে বলে তিনি থানায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি আমরা খতিয়ে  দেখছি। http://www.daily-dinkal.com/details.php?nid=38982&pubdate=2010-04-09

যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় কোটালীপাড়া আ’লীগের শীর্ষ নেতা ও স্বজনরা

গোপালগঞ্জ ও কোটালীপাড়া, প্রতিনিধি

কোটালীপাড়ায় ২০৩ রাজাকার, আলবদর, আলশামসসহ যুদ্ধাপরাধীর তালিকা
প্রকাশ করা হয়েছে। কোটালীপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি
কমান্ডার মুজিবুল হক স্বাক্ষরিত এ তালিকায় শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতা ও তাদের
আত্মীয়স্বজনের নাম রয়েছে।
এরা হলেন পৌর মেয়র এইচএম অহেদুল ইসলামের বাবা বাহাদুর হাজরা, তার ভগ্নিপতি
রেজাউল হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া
দাড়িয়ার বাবা মুন্সি রজ্জব আলী দাড়িয়া, মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী রাফেজা
বেগমের বাবা আবদুল বারেক হাওলাদার, তার ভাই আজিজুল হক হাওলাদার, উপজেলা
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান হাওলাদার, আওয়ামী লীগ
নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম দাড়িয়ার বাবা
মালেক দাড়িয়া, গোপালগঞ্জের এপিপি অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন সরদার ও তার
বাবা হাসেম সরদার, উপজেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি আমির হোসেনের বাবা মহন মিয়া।
১ এপ্রিল একই ব্যক্তি স্বাক্ষরিত কোটালীপাড়ার ১৯৪ যুদ্ধাপরাধীর তালিকা
প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে দ্বিতীয় দফা এ তালিকা প্রকাশ করা হলো। যুদ্ধাপরাধীর এ
তালিকা নিয়ে কোটালীপাড়ায় খোদ আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন মহলে তোলপাড় সৃষ্টি
হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধারা দু’শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।
কোটালীপাড়া পৌরসভা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের
বিতর্কিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মুজিবুল
হক বলেন, দ্বিতীয় তালিকায় আমি স্বাক্ষর করিনি। আমার স্বাক্ষর টেম্পারিং করে
প্রতিপক্ষের লোকজন এ তালিকা প্রকাশ করেছে।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)