(দুনিয়ায়) যে ব্যক্তি যাকে ভালবাসে, কেয়ামতের দিন সে তারই সাথে থাকবে

19- وعن زِرِّ بن حُبَيْش رضي الله عنه، قَالَ : أَتَيْتُ صَفْوَانَ بْنَ عَسَّالٍ رضي الله عنه أسْألُهُ عَن الْمَسْحِ عَلَى الخُفَّيْنِ ، فَقالَ : ما جاءَ بكَ يَا زِرُّ ؟ فقُلْتُ : ابتِغَاء العِلْمِ ، فقالَ : إنَّ المَلائكَةَ تَضَعُ أجْنِحَتَهَا لطَالبِ العِلْمِ رِضىً بِمَا يطْلُبُ . فقلتُ : إنَّهُ قَدْ حَكَّ في صَدْري المَسْحُ عَلَى الخُفَّينِ بَعْدَ الغَائِطِ والبَولِ ، وكُنْتَ امْرَءاً مِنْ أَصْحَابِ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فَجئتُ أَسْأَلُكَ هَلْ سَمِعْتَهُ يَذكُرُ في ذلِكَ شَيئاً ؟ قَالَ : نَعَمْ ، كَانَ يَأْمُرُنا إِذَا كُنَّا سَفراً - أَوْ مُسَافِرينَ - أنْ لا نَنْزعَ خِفَافَنَا ثَلاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيالِيهنَّ إلاَّ مِنْ جَنَابَةٍ ، لكنْ مِنْ غَائطٍ وَبَولٍ ونَوْمٍ . فقُلْتُ : هَلْ سَمِعْتَهُ يَذْكرُ في الهَوَى شَيئاً ؟ قَالَ : نَعَمْ ، كُنّا مَعَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم في سَفَرٍ ، فبَيْنَا نَحْنُ عِندَهُ إِذْ نَادَاه أَعرابيٌّ بصَوْتٍ لَهُ جَهْوَرِيٍّ : يَا مُحَمَّدُ ، فأجابهُ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم نَحْواً مِنْ صَوْتِه : (( هَاؤُمْ )) فقُلْتُ لَهُ :
وَيْحَكَ  ! اغْضُضْ مِنْ صَوتِكَ فَإِنَّكَ عِنْدَ النَّبي  صلى الله عليه وسلم ، وَقَدْ نُهِيتَ عَنْ هذَا ! فقالَ : والله لاَ أغْضُضُ . قَالَ الأعرَابيُّ : المَرْءُ يُحبُّ القَوْمَ وَلَمَّا يلْحَقْ بِهِمْ ؟ قَالَ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم : (( المَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ يَومَ القِيَامَةِ )) . فَمَا زَالَ يُحَدِّثُنَا حَتَّى ذَكَرَ بَاباً مِنَ المَغْرِبِ مَسيرَةُ عَرْضِهِ أَوْ يَسِيرُ الرَّاكبُ في عَرْضِهِ أرْبَعينَ أَوْ سَبعينَ عاماً – قَالَ سُفْيانُ أَحدُ الرُّواةِ : قِبَلَ الشَّامِ – خَلَقَهُ الله تَعَالَى يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاواتِ والأَرْضَ مَفْتوحاً للتَّوْبَةِ لا يُغْلَقُ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْهُ. رواه الترمذي وغيره، وَقالَ: ((حديث حسن صحيح)).
[أخرجه : ابن ماجه ( 226 ) ، والترمذي ( 3535 ) ، والنسائي 1/83 و98]

১৯. হযরত যির ইবনে হুবাইশ (রা) বর্ণনা করেনঃ একদা আমি মোজার উপর মাসেহ করার বিষয়ে প্রশ্ন করার উদ্দেশ্যে সাফওয়ান ইবনে আসলাম (রা) এর কাছে উপস্থিত হলাম। তিনি আমার আসার উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করলে আমি বললাম, জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে এসেছি। তিনি বললেনঃ ফেরেশতারা জ্ঞান অন্বেষনকারীর জ্ঞান অন্বেষনে সন্তুষ্ট হয়ে তাদের ডানা তার জন্য বিছিয়ে দেয়। আমি বললাম, মলমূত্র ত্যাগের পর মোজার উপর মাসেহ্ করার ব্যাপারে আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে। আপনি রাসূলে আকরাম সাল্লালাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী। এ কারণেই আমি আপনার কাছে জানতে এসেছি যে, আপনি এ ব্যাপারে তাঁর কাছ থেকে কিছু শুনেছেন কিনা? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমরা যখন সফরে থাকতাম তখন রাসূলে আকরাম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তিন দিন তিন রাত অবধি জানাবাত (গোসল ফরজ হওয়ার মত নাপাক অবস্থা) ছাড়া পা থেকে মোজা খুলতে বারণ করেছেন। অর্থাৎ মলমূত্র ত্যাগ ও নিদ্রার পর অযু করতে গিয়ে মোজা খুলতে হবে না। (অর্থাৎ  পা ধোয়ার প্রয়োজন হবে না, শুধু মাসেহ্ করলেই চলবে।)
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ভালবাসা সম্পর্কে আপনি রাসূলে আকরাম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কিছু বলতে শুনেছেন কিনা? তিনি জবাবে বললেন, জ্বি হ্যাঁ, আমরা এক সফরে রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে ছিলাম। আমরা তাঁর খুব কাছাকাছি থাকাকালে একদিন হঠাৎ এক গ্রাম্য লোক (বেদুঈন) এসে খুব চড়া গলায় ‘হে মুহাম্মদ’ বলে তাঁকে ডাক দিল। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও একই রূপ জোরালো কন্ঠে সাড়া দিয়ে বললেন, ‘এসো, বসো’। আমি লোকটিকে বললাম, তোমার জন্য আমার দুঃখ হয়। তুমি রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মজলিশে এসে চড়া গলায় আওয়াজ করছ; অথচ তোমাকে এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে। তুমি গলার স্বর নিচু কর। লোকটি বলল: ‘আল্লাহর কসম! আমি গলার স্বর নিচু করবো না’। এরপর সে রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে প্রশ্ন করলোঃ এক ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়কে ভালবাসে, অথচ সে এখনো তাদের সাথে সাক্ষাতের অবকাশ পায়নি। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: (দুনিয়ায়) যে ব্যক্তি যাকে ভালবাসে, কেয়ামতের দিন সে তারই সাথে থাকবে। এরপর তিনি কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে পশ্চিম দিকের একটি দরজার কথা বললেন, যার প্রস্থ পায়ে হেঁটে গেলে কিংবা যানবাহনে গেলে চল্লিশ থেকে সত্তর বছর। সুফিয়ান সাওরী নামক একজন হাদীস বর্ণনাকারী বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা যেদিন আসমান যমীন সৃষ্টি করেছেন, সেই দিন থেকে তিনি এই দরজাটি তওবার জন্য খোলা রেখেছেন। আর পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ করা হবে না।
[ইবনে মাজাহ্: ২২৬, তিরমিযী: ৩৫৩৫, নাসায়ী: ১/৮৩ ও ৯৮। ইমাম তিরমিযী এবং অন্যরা এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। খোদ ইমাম তিরমিযী একে সহীহ ও হাসান হাদীস রূপে উল্লেখ করেছেন।]

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

সালাম

ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান হাদীস পোষ্টের জন্য

আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে দুনিয়াতে উত্তম ব্যক্তির সাথে উঠা বসা করান, এবং আখেরাতে ও উত্তম ব্যক্তির সাথে উঠান।

আমিন! আমিন।আমিন!

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

আমীন! আমীন! আমীন!

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

-

"প্রচার কর আমার পক্ষ হতে, যদি একটি কথাও (জানা) থাকে।" -আল হাদীস

সালাম

 

আল্লাহ তা'আলা যেদিন আসমান যমীন সৃষ্টি করেছেন, সেই দিন থেকে তিনি এই দরজাটি তওবার জন্য খোলা রেখেছেন। আর পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ করা হবে না।

- আলহামদুলিল্লাহ ।

*****

 

 

-

জি, আলহামদুলিল্লাহ্!
আমাদের জন্য বিশাল সৌভাগ্যের দরজা এটি।

-

"প্রচার কর আমার পক্ষ হতে, যদি একটি কথাও (জানা) থাকে।" -আল হাদীস

আমি দুনিয়াতে যাদের ভালবাসি, আখেরাতে তাদের সাথে থাকতে চাই। ইসলাম আমাকে এ সুযোগ দিয়েছে, তাই যিনি ইসলাম পাঠিয়েছেন আমার জন্য তাঁর জন্য সমস্ত প্রশংসা নির্ধারণ করলাম।
আর প্রার্থনা এই যে, আমি যাদের ভালবাসি, তারা যেন জান্নাতের সৌভাগ্য অর্জন করে এবং তাদের সাথে সাথে আমিও...।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

আমীন!

-

"প্রচার কর আমার পক্ষ হতে, যদি একটি কথাও (জানা) থাকে।" -আল হাদীস

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)