অনুভবে ঈদ, কুরবানী, স্মৃতি ও সমকাল

মানুষের জীবন ত্যাগ ও প্রাপ্তির এক চলমান ইতিহাসের সংগ্রহ। একক ভাবে প্রতিটি জীবন এবং সম্মিলিত ভাবে মানব জীবন আবহমান কাল থেকে এই ইতিহাসই সৃষ্টি করে আসছে। হাঁ, তার কিছু কিছু মানুষ নিজেদের সংরক্ষণে রেখেছে আর বাকী বিশাল অংশ মানুষ হারিয়ে ফেলেছে। মানুষ হারালে কি হবে, মানুষের স্রষ্টা নিশ্চিতভাবে তা সংরক্ষণ করে রেখেছেন। প্রতিজন মানুষ নিজের জীবনকালে এই ইতিহাস লিখে রাখুক বা না রাখুক, মনে থাকে অনেকদিন; আমৃত্যু। এখানে থাকে পাওয়ার স্মৃতি, না পাওয়ার দুঃখ। থাকে পাওয়ার দুঃখ আবার ত্যাগের মহত্ব। এ পৃথিবীর মানব সদস্যদের একজন হিসেবে আমার জীবনেও রয়েছে প্রতিটি মুহূর্তের স্মৃতি; ইতিহাস। কত কি ভুলে গেছি, তার কিছু কিছু স্মৃতি এখনো যত্ন করে সংরক্ষণ করে রেখেছে মগজের মেমোরী। বছর হেঁটে হেঁটে ঈদুল আদ্বহা এই তো এখন আমাদের দুয়ার থেকে সামান্য দূরে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এসে কড়া নাড়বে মানব মনের তোরণে। তাই কত কথা মনে পড়ে যায় ধীরে ধীরে। সেসব কিছু স্মৃতি-স্মরণ থেকে খুঁজে এনে ওয়েব পাতায় তুলে দেবার প্রয়াস পেলাম এ লেখায়।
ঈদ যেন কোন বিষণ্ণ শিশুর মুখে ফুটে উঠা এক রাশ হাসি। জীবনটা বছরের নানা টানাপোড়নে দারুন বিষণ্ণ হয়ে উঠে। কি নেই আমাদের জীবনে? মনের গভীরে কোথাও বিরাজিত কোন বেদনা থেকে শুরু করে হতাশা, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, ছিনতাই, চুরি-ডাকাতি, গুম-হত্যা, যুদ্ধ-বিগ্রহ কি নেই এ জীবনে? গলায় গলা মেলানোর চেয়ে মানুষেরা গলায় হাত মেলানোটা বেশী পছ্ন্দ করে যেন। মানব চরিত্রের মন্দ দিক ও শয়তানের কুমন্ত্রণার যৌথ মিশ্রনের জীবন যখন অতিষ্ঠ, তখনি আমাদের মাঝে ফিরে ফিরে আসে দু'টি দিন- ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আদ্বহা। শিশুকাল থেকে ঈদকে এভাবেই দেখে আসছি।
যখনো খুব ছোট, তখনো জানতে পারিনি কুরবানীর ইতিহাস। এক বৃষ্টিমুখর দিনে দাদীর মুখে কোন একজন মনীষীর হত্যার ঘটনা শুনে শিশুমনে খুব ভয় লেগেছিল। ঘটনাটি কার সম্পর্কে সেটা মনে নেই, তবে সারমর্ম হলো- সেই মনীষীকে হন্তারকরা হত্যা করবে। তিনি তাদের কাছে দু'রাকা'আত নামায আদায়ের অনুমতি চেয়েছিলেন। অঝোরে বৃষ্টি ঝরছিল। নামায শেষে দো'আ করলেন, তারপর তারা তাকে হত্যা করলো। ছোট্ট মনে অনুভব করতে চেষ্টা করলাম সেই মনীষীর মনের অবস্থা।
তারপর পড়াশোনার সুবাদে যখন জানলাম ইসমাঈল 'আলাইহিস্ সালামের ঘটনা, তখন বিস্মিত হলাম তার কথা শুনে যে, তিনি বলেছিলেন- "হে পিতা! আপনাকে যে হুকুম করা হয়েছে আপনি তা পালন করুন, আমাকে ইনশাআল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের মধ্যে পাবেন।" [সূরা আস্-সাফফাত: ১০২]। কি কঠিন সাহসের কথা! ভাবতে গিয়ে শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যেত। যদিও তখনো পিতৃত্বের মমতা বুঝতে পারিনি। কিন্তু বালক ইসমাঈল 'আলাইহিস্ সালামের মন তো বুঝতে পারতাম একজন বালক হিসেবে। ভেবে পেতাম না, এত সাহসের কথা কি করে বলতে পারলো। আরো বড় হয়ে যখন নবীত্বের বিষয়টি বুঝলাম, তখন পরিস্কার হলো কি করে বালক ইসমাঈল জগৎ সেরা সাহসী বালকের পরিচয় দিলেন।
আমার ছেলেবেলা নানাবাড়ীতেই কেটেছে। তাই তখনকার সপ্তাহান্তে মায়ের সাথে দেখা করতে নিজের বাড়ীতে যাওয়া ছাড়া বাকী স্মৃতি নানাবাড়ী কেন্দ্রিক। ঈদেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে জীবনের এতগুলো দিন খুঁজে মাত্র একবার পেলাম যে, আমি কুরবানীর পশু কিনতে পশুর হাটে গিয়েছি। বালক বয়স। দাম-দস্তুর বুঝিনা। নানা সাথে নিয়ে গিয়েছেন, তাই সাথে সাথে ছিলাম। সমবয়সী আরেকটি মামাও ছিল। সেদিন নানারা ছিলেন দুই কি তিন ভাই একত্রে। অনেক দামাদামি, গরু দেখার নানা কায়দা, বিক্রেতাদের গরুর প্রশংসা ইত্যাদি ছিল খুবই উপভোগ্য। তাছাড়া জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতাও। তবে বরাবরই আমি একটু দুর্গন্ধ, আবর্জনা ও ছোঁয়াছে বিষয়ে এলার্জি ধারন করি। তাই গরু-ছাগল, কুকুর-বিড়াল, হাঁস-মুরগী এসবের কাছেও ঘেঁষতাম না। ওরা কখনো ছুঁয়ে গেলে দ্রুত হাত ধোয়া ছাড়া জামা স্পর্শ করাও সম্ভব হতো না। তো সেদিনকার পশুর হাটে গরু-ছাগলের মলমূত্রে ভরা পশু-বাজার আমার জন্য খুব সুখকর ছিল না। সারাক্ষণ মুখ থেকে থুথু নিক্ষেপ করে চলেছিলাম, সেই সাথে নাকে হাত। শেষ পর্যন্ত গরু কিনে ফেরা হলো সেদিন বেশ রাত করে।
কুরবানীর পশু হিসেবে কখনো এসেছে গরু, কখনো ছাগল। আমার মত বালক-বালিকাদের দায়িত্ব ছিল পশুটিকে খাওয়ানোর। ঈদের আগের সে ক'দিন ঘাস-লতা-পাতা-খড় ইত্যাদি মুখে তুলে তুলে খাওয়াতাম। এভাবে রুক্ষ স্বভাবের কোন ষাঁড় হলেও কয়েকদিনে আমাদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যেত। আমাদের মমতা সে উপলব্ধি করতো এবং তার কৃতজ্ঞতাও আমরা টের পেতাম। সে সুযোগে বেশ দুষ্টোমীও করে নিতাম নানাভাবে তাকে ক্ষেপিয়ে। এভাবেই সম্পর্কটা যখন বেশ টানটান, তখনি দেখতাম একদিন সকালে তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জবাই করার জন্য। যদিও জানতাম আগে থেকেই, তবু কেন যেন মনটায় বেশ কষ্ট অনুভব করতাম। আরো লক্ষ্য করেছিলাম যে, পশুটির দু'চোখ থেকে অশ্রু বেয়ে তার মুখ পর্যন্ত একটি রেখা হয়ে গেছে ভেজা অশ্রুর। আমি বেশ ক'বার এমনটি দেখেছি। গুরুজনরা বলতো যে, তাকে আল্লাহ্ গতরাতে জানিয়ে দিয়েছেন স্বপ্নে যে, তাকে জবাই করা হবে, সে দুঃখে সে কাঁদে। যদিও এগুলোর সত্যতা জানার ব্যাপারে আমাদের কোন উপায় নেই , ঐশী তথ্য আছে কিনা আমার জানা নেই; তবু তার মাঝে নিজের মনটাকে কল্পনায় ঢুকিয়ে ভাবতে চেষ্টা করতাম- কেমন লাগছে এখন তার...।
সবাই মিলে পশুটিকে পা বেঁধে চেপে ধরে যখন গলায় ছুরি চালাতো, তখন রক্তের ধারা, পশুটির ছটফট করা, তারপর নিরব-নিথর হয়ে যাওয়া; সব মিলিয়ে মনটা বিষন্ন হয়ে যেত। কিন্তু পরে যখন মনে পড়তো যে, এটা তো আল্লাহর জন্য কুরবানী, ত্যাগ, তখন আমাদের পশুটির প্রতি মমতা এবং এই ত্যাগের বিষয়টি মিলে এক অন্যরকম অনুভূতি অনুভব করতাম; যা ভাষায় প্রকাশ করতে অক্ষম।
আমার এলার্জিগুলোর মধ্যে এটাও একটা ছিল যে, এসব গোশত কাটা, মাছ কাটা, নাড়ি-ভুঁড়ি পরিস্কার করা আমার কাছে ভয়াবহ ব্যাপার ছিল। এক ঈদে দেখেছি নানাবাড়ীর ছোটবড় অনেকগুলো নানা মিলে গোশত কাটছে। আমি আশপাশে ঘুর ঘুর করছিলাম আর দেখছিলাম। তারপর আমার কাছে গরুর কলিজা পাঠিয়ে দিয়েছে রান্না করার জন্য। বাড়ী গিয়ে দেখি চালের গুঁড়ির রুটি প্রস্তুত। কলিজা নিতেই ঝটপট রান্না করে ফেললো। তারপর মাখামাখা ঝোলে রান্না কলিজা ও রুটি পাঠিয়ে দিল নানার দলকে খাওয়ানোর জন্য। সামনে কাঁচা গোশত, এই গরুরই কলিজা রান্না করে ওনারা হাত ধুয়ে খেয়ে নিলেন। আমি পেরে উঠিনি। তবে ব্যাপারটি বেশ উপভোগ করেছিলাম। তারপর আরেক ঈদের নানার সাথে কোমর বেঁধে কুরবানীর পশুর চামড়া ছোলা ও গোশত কাটায় লেগে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরে খেতে গিয়ে পড়েছি বিপাকে। কেবলি গোশতের সেই কাঁচা গন্ধ নাকের আশপাশে মৌ মৌ করে যেন মহানন্দে ঘুরছে আর আমি খেতে পারছি  না বলে মজা দেখছে।
নানীকে দেখেছিলাম মামা-খালাদের জন্য কুরবানীর গোশতকে শুটকি করে বয়ামের ভরে রাখতেন। কি অসাধারণ স্বাদ সেগুলোতে, কখনো ভোলার মত নয়। মশলাপাতি দিয়ে তেলের মধ্যে কিভাবে যেন ভেজে রাখতেন। ছ'মাস-ন'মাসেও ভালো থাকতো ফ্রীজে রাখা ছাড়াই। আজকাল তো ফ্রীজে রেখেও নষ্ট করে ফেলি আমরা । অথচ গ্রামের মহিলারা সুন্দর সংরক্ষণ করে রাখতেন অনেকদিন। আর কুরবানীর গোশতে কেমন যেন একটা আলাদা খুশবু পেতাম; হয়ত সবাই পেয়ে থাকেন, যা সাধারণতঃ অন্য সময় কেনা বাজারের গোশতে পাওয়া যায় না। আর বিশেষ করে রান্নার পর তিন/চার দিনের মাথায় যখন গোশত বাঁধন খুলে দিতো বার বার গরম করার কারণে, তখন সেগুলো দিয়ে চালের রুটি খাওয়া অসামান্য স্বাদের হয়।
এই তো, তারপর প্রবাসে চলে এলাম। প্রবাসে নিজেদের আলাদা করে কুরবানী দেয়া হয়ে উঠে না। দেশে পরিবারের পক্ষ থেকে যে কুরবানী দেয়ার ব্যবস্থা করি; তাই হয় শুধু। প্রবাসের প্রথম কুরবানীর ঈদে গিয়েছিলাম আমার প্রথম যে স্থানীয় স্পন্সর(কফীল), তার বাসায়। আরবদের মেহমানদারীর কথা বইয়ে পড়েছিলাম, মুখে মুখে শুনেছিলাম। সেদিন দেখেছিলাম। তার অধীনে আমি কর্মচারী। তার বাসায় এক বন্ধুকে নিয়ে যাওয়ার পর সে আরবী কফি ও খেজুর নিয়ে এলো আমাদের আপ্যায়ন করানোর জন্য। আমি নিজের অবস্থান বিবেচনা করে নিজেই এগিয়ে গেলাম কফি ঢেলে বন্ধুকে দেব ও নিজে পান করবো। কিন্তু সে কিছুতেই আমাকে ধরতে দিল না। বলল যে, এখন তোমরা আমার মেহমান, সুতরাং কোন অবস্থাতেই তোমরা নিজেরা হাত লাগাতে পারবে না, আমিই তোমাদের খেদমত করবো। বাড়ীর চাকরের মত নিজে ঢেলে আমাদের হাতে দিয়ে নিজেও এক কাপ নিয়ে তার আসনে গিয়ে বসে বেশ খোশগল্প করলো। তারপর ভেতরে গেল এবং ফিরে এসে একটি প্যাকেট হাতে ধরিয়ে দিল। প্রবাসে সেটাই ছিল প্রথম কুরবানীর গোশত খাওয়া।
কিন্তু আজকাল চারপাশে যা দেখি, তাতে মনটা বিষিয়ে উঠে মাঝে মাঝে। কুরবানীর প্রসঙ্গ তুললে বলে যে, কুরবানী করেছে আল্লাহর জন্য। কিন্তু গোশতের প্রতি যে পরিমাণ লোভ লক্ষ্য করা যায় তাতে বিশ্বাস করা মুশকিল হয়ে উঠে। গরীব-মিসকিনকে দেয়ার কথা তো ভুলেই যায়, বাধ্য হয়ে যেন মাঝে মাঝে আত্মীয়-স্বজনকে কিছু পাঠায় একান্ত অনিচ্ছায়। কাউকে বলতে শুনি যে, আগে বড় বড় গরু কুরবানী দিতাম, এখন অবস্থা বেশী ভালো নয়, তাই ছাগল কুবানী দেই কি করে। কেউ আবার খোঁজ নেয় তার প্রতিবেশী কত দামের গরু কিনেছে, কারণ সে তারচেয়েও কিছু বেশী দামের কিনবে, যাতে মহল্লায় তার নাম সবার উপরে থাকে। মাঝে মাঝে পত্রিকায়ও গরুর কেনার অহংকার প্রকাশিত হয়। অনেকে আবার সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন, কুরবানীর গোশত দিয়ে মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান সারবেন, ছেলের আকীকার এক নাম যোগ করবেন গরুর ভাগাভাগিতে, খাৎনার অনুষ্ঠান জুড়ে দেবেন; এসব আশায়। হায় মুসলমান! কোথায় পিতা ইব্রাহীমের (আ) কুরবানী আর কোথায় তোমাদের অবস্থান! -এসব ভেবে ঈদের আনন্দেও মনটা কেবলি কাঁদে আজকাল।
কুরবানী তো শুধুমাত্র, কেবলমাত্র, একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আয়েশা রাদ্বিআল্লাহু 'আনহা হতে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, "কুরবানীর জন্য নির্ধারিত দিনগুলোতে আল্লাহর নিকট কুরবানীর রক্তপাতের চেয়ে অধিক প্রিয় আর কোন কাজ নেই"। মূলতঃ কুরবানীর রক্তও আল্লাহর নিকট পৌঁছে না, গোশতও না, চামড়াও না; বরং আল্লাহ্ তো আমাদের অন্তর দেখেন যে, আমরা কি উদ্দেশ্য পোষণ করছি এবং দেখেন আমাদের তাকওয়া। পিতা ইব্রাহীম 'আলাইহিস্ সালামের অন্তরের দৃঢ় সংকল্প এবং প্রিয় পুত্রকে যবেহ্ করার প্রচেষ্টাতেই আল্লাহ্ সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে পুরস্কৃত করেছেন ইসমাঈল 'আলাইহিস্ সালামকে বাঁচিয়ে রেখে তদস্থলে দুম্বা পাঠিয়ে। আরো পুরস্কৃত করেছেন কেয়ামত পর্যন্ত কুরবানীর এ প্রথা চালু রাখার আদেশ করে। সেদিন ইব্রাহীম 'আলাইহিস্ সালাম কাপড়ে বাঁধা নিজের চোখ খোলার পূর্ব পর্যন্ত জানতেন না যে, তিনি তার প্রিয় সন্তানকে যবেহ্ করেননি; বরং তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাই করেছিলেন যে ব্যাপারে তিনি আদিষ্ট হয়েছিলেন। অথচ আজকের বহু মুসলমান পূর্ব থেকেই পরিকল্পনা করে নেয় যে, কুরবানীর নামে আসলে সে কি হাসিল করতে চায়। আফসোস্ তাদের কুরবানী ও অপচয়ের জন্য।
হাঁ, বহু মুসলমান নিঃসন্দেহে খালেছ নিয়তে কুরবানী করেন শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই। আমি দো'আ করছি আল্লাহ্ তাদের কুরবানী কবূল করুন। আমাদেরকেও কুরবানী কবূল হওয়া সেসব মানুষের মাঝে শামিল করুন এবং পুরস্কৃত করুন দুনিয়া ও আখেরাতে। সর্বোপরি আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হন আমাদের প্রতিপালক; এর চেয়ে বড় চাওয়ার মত আর কি হতে পারে?
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)

অনেক সুন্দর অনুভুতি!! আপনাকে শুভেচ্ছা!! আপনার জন্য শুভ কামনা!!

''সাদামেঘ''

"কোথায় পিতা ইব্রাহীমের (আ) কুরবানী আর কোথায় তোমাদের অবস্থান! -এসব ভেবে ঈদের আনন্দেও মনটা কেবলি কাঁদে আজকাল।"

সত্যিই মন কাঁদার মত অবস্থা বিরাজ করছে।

-

সূর আসে না তবু বাজে চিরন্তন এ বাঁশী!

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.7 (3টি রেটিং)