শবে বরাত।

বেশির ভাগ শুক্রবার গুলোতে একেক সপ্তাহে একেক মসজিদে জুমার সালাত আদায় করা হয়। আগে বাড়ি থাকলে আশে পাশের দুটা মসজিদে আদায় করতাম। কিন্তু প্রতি সপ্তাহে প্রায় একই রকম খুতবা প্রদান করায় এখন চেষ্টা করি দূরে দূরে মসজিদে জুমার সালাত আদায় করার।
অতিরিক্ত গরম থাকার কারণে আজ আর দূরে যাইনি। বাড়ির কাছে সালাত আদায়ের সিদ্ধান্ত ! একদম পাশে মসজিদ হওয়ায় খুতবা ঘর থেকে শোনা যাচ্ছিল। আজকের বিষয় ছিল শবে বরাত। সম্মানিত ইমাম সাহেব তার খুতবায় বলল শবে বরাত অর্থাত্‍ ভাগ্য রজনীতে পৃথিবীর সকল মানুষের হায়াত্‍, মাউত, রিজিক, ভাল-মন্দের বাজেট নির্ধারন হয়। যেমন প্রতি অর্থবছরে সরকার দেশের জন্য বাজেট ঘোষনা করেন তেমনি আল্লাহ শবে বরাতে পৃথিবীর মানুষের বাজেট নির্ধারন করেন।
ইমাম সাহেবের খুতবা শোনার পর চেষ্টা করেছি শবে বরাত সম্পর্কিত হাদিস গুলো পড়ার। যয়ীফ এবং তুলনা মুলক সহীহ প্রায় সব হাদীস গুলো পড়লাম। কিন্তু কোথাও এই ইঙ্গিত পেলাম না অর্থাত্‍ হাদিসের কোথাও বলা নেই মানুষের ভাগ্য এই রজনীতে লেখা হয়।
ইমাম সাহেব ভুল বলেছেন কি না তা আমার স্বল্প জ্ঞানে বলতে পারবো না। তবে আমাদের উপমহাদেশে শবে বরাতকে কেন্দ্র করে গোশ, রুটি, হালুয়া আর জিলাপীর যে উত্‍সব পালন করা হয় তা তত্‍কালীন আরব সংস্কৃতি অর্থাত্‍ রাসূল সাঃ এবং সাহাবীদের সংস্কৃতিতে পাওয়া যায় না। তবে আমরা কেন, কোন তথ্যের ভিত্তিতে এসব পালন করছি তা ভেবে দেখা উচিত...

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)