এসএসসি ২০১০ : কয়েকজন অদম্য মেধাবীর গল্প

সারা দেশে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ৬২ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের অনেকেই নিতান্ত গরিব ঘরের সন্তান। অনেকের দুই বেলা খাবারই জোটে না। তাই বাধ্য হয়ে কেউ কেউ বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝাড়ুদারের কাজ করেছে, কেউ দিয়েছে ইটভাটায় শ্রম।  কেরোসিনের অভাবে অনেকের হারিকেন নিভে গেছে; কিন্তু  মনোবল কখনোই নেভেনি।'   নিজের মেধা, মনন আর পরিশ্রমের বলে ওরা ছিনিয়ে এনেছে সাফল্যকে। এ যেন দুঃখের ঘরে একটু সুখের আলো। দারিদ্র্যের কাছে হার না মানা এমনি কয়েকজন অদম্য মেধাবীর জীবনের গল্প শুনুতে নিচের লিংকগুলোতে ক্লিক করুন

শত বাধা পেরিয়ে
দুঃখের
ঘরে সুখের বাতি

দারিদ্র্যের কাছে ওরা হার মানেনি

আসুন, দরিদ্র অথচ মেধাবী এসব কিশোরের স্বপ্ন পুরণে সহযোগিতার হাত বাড়াই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)

দেশে হঠাৎ করে এত এ-প্লাস বেড়ে গেল কেন !  আগে কি মেধাবী ছাত্র ছিল না?

ধন্যবাদ। প্রেরণা যোগাবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

শুধু এ প্লাস বাড়ে নাই, পাশের হারও বেড়েছে। সরকারের সদিচ্ছার ফলেই এমনটি হয়েছে। এটা শেখ হাসিনা সরকারের একটা সাফল্য বলতে পারেন।

সাফল্য তো বটেই! কিন্তু সাফল্যের পেছনে রহস্য কি ছিল তাও দেখেন যুগান্তরে।

রেকর্ড পাসের নেপথ্যে : ফেল করা পরীক্ষার্থীদের ৫ থেকে ৮ নম্বর বেশি দেয়া হয়েছে

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রতিটি বিষয়ে ৫ থেকে ৮ নম্বর করে অতিরিক্ত দেয়ার কারণেই এবার পাসের হারে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট উত্তীর্ণ হয়েছে ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৬০ জন। এর মধ্যে কেবল গণিত ও ইংরেজিতে ন্যূনতম ৩৩ নম্বরসহ ‘ডি’ গ্রেডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় সোয়া ২ লাখ। উত্তীর্ণদের ৩০ ভাগেরও বেশি নিশ্চিত ফেল করা শিক্ষার্থীকে বাড়তি নম্বর দিয়ে পাসের হার বাড়ানো হয়েছে। যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা গেছে, বোর্ড থেকে পরীক্ষকদের লিখিত নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই পরীক্ষার্থীদের এভাবে নম্বর দেয়া হয়।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.7 (3টি রেটিং)