সি সি সি ইলেকশান, সরকারের মেনে নেওয়া এবং ইসি র নিরপেক্ষতা.....................।

মুটা মুটি সুস্ঠ ভাবেই হয়ে গেল সিসিসি নির্বাচন। ফলাফল ও খুব স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিতই হয়েছে। কেন ও কিভাবে স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত ফলাফল, তার ব্যাখ্যা রাজনীতি সচেতন ব্লগারদের দেবার আছে বলে মনে করি না। বিগত এক দেড় বছর যাদের চোখ কান ( একেবারে নিরপেক্ষ না হলেও চলবে, এটলিস্ট দালালীতে অন্ধ না হলেই হল) খোলা ছিল তারা সবাই এমনই আশা করছিলেন।

যাই হোক, এবার অন্য দুটি প্রসংগ।

এবারই বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অতীব নতুন কথা শোনা গেল। সেটা হল, আমরা জনগনের রায় মেনে নিলাম। আর কথাটা আবার এসেছে আওয়ামীলিগের মত বাকশালী-ফ্যাসিবাদী একটি দলের মুখ থেকে। কাজেই কথাটায় নতুনত্য আছে, চমক আছে আর আছে বিরাট এক শংসয় .....আশংকা। জানি না বাংলাদেশের রাজনীতিক বোদ্ধারা বিষয়টা আচ করতে পেরেছেন কিনা।
একটা গল্প মনে পড়ে গেল ..........

এক স্কুলের হেডুবাবু ( এবং ম্যানেজমেন্ট ও ), যিনি কিনা একজন বিশেষ ছাত্রের প্রতি ভীষন দুর্বল ছিলেন, যেনতেন প্রকারেই তাকে ফার্ষ্ট করতেই হবে এই ছিল তার পন এবং চেস্টা। কিন্তু অন্য মাস্টারবাবুরা এবং বেশ কিছু ছাত্র-গার্জিয়ান ব্যপারটা টের পেয়ে যায়। কথা উঠে যে হেডুবাবু নিরপেক্ষ নন। যে দুইচারজন চামচা বাবু ছিল, তারা ছাড়া সবাই তার পদত্যাগ, অপসারন দাবি করে বসলেন। ব্যকাদায় পড়লেন হেডুবাবু। চিন্তায় হেডুবাবুর ঘুম হারাম হয়ে যায় আর কি। এত সাধের আর আরামের চাকুরি গেলে চলবেন কি করে? এরি মদ্ধ্যে হেডুবাবু গেলেন যশোরের সীমান্তবর্তী এক এলাকায় কোন আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে। বিকেলে মুখ ভাড় করে বসে আছেন........ ওপাড় থেকে এক খুড়োমত বৃদ্ধ পন্ডিত বাবু ব্যাপার টা খেয়াল করলেন। একটু দ্বীধা নিয়ে গলা খেকড়ি দিয়ে জিগ্গেস করে বসলেন, মশায় মনে হয় খুব চিন্তার মদ্ধ্যে আছেন?

হেডুবাবু একটু ইতস্তত করে ব্যপার টা খুলেই বললেন। শুনে ত বৃদ্ধ পন্ডিতের হাসতে হাসতে দম যায় আর কি। একটু ধাতস্ত হয়ে বললেন, মশায় যদি কিছু মনে না করেন তবে একটি পরামর্শ কি দিতে পারি? হেডু বাবু যেন হালে পানি পেলেন ........(মনে মনে ভাবে আবার জিগায়)
বৃদ্ধ পন্ডিত বাবু বললেন আপনি ত অকে ( ঐ ছাত্রকে) সকল শ্রেনীতেই ফার্ষ্ট দেখতে চান, তাই ত ?
হেডু বললেন আগ্গ্যে জ্বী।

পন্ডিত বললেন, এক কাজ করুন না মশায়, দিন না ওকে একটা পরীক্ষায় ইচ্ছে করেই ফেল করিয়ে.....ঠিক আপনার সাবজেক্ট সহ। ব্যাস ......খেল খতম হয়ে যাবে। কেউই বলতে পারবে না যে আপনি নিরপক্ষ নন। হাতের কাছে প্রমান মজুদ, আপনার সাবজেক্টও সে ফেল........। মশায়, দেখবেন, এর পর আপনি যদি ওকে ০০১ কে ১০০ বানিয়ে দেন আপনার বিরোধীরা বেশি সুবিধা করতে পারবে না। আপনার হাতে ত ঐ একখানা রেজাল্ট মজুদ আছেই .................।

তো এবার নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়া দেখে গল্পটা মনে পড়ে গেল। তবে এত কিছুর পরও আশার আলো হলো, বাংলার জনগন কিন্তু সবাই আওয়ামীলিগের মত ভো*ই নহে.........আর গল্পটা অনেকেই জানেন.......

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (4টি রেটিং)

লেখাটা ভালো লাগল। আপনার সাথে একমত। তবে বাকশাল আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভূ রাষ্ট্র ইনডিয়া এ ফলাফল কিভাবে নেয় তা এখন দেখার বিষয়। কেননা চট্টগ্রাম বন্দরের প্রতি তাদের লোভ অনেকদিনের। বি.এন.পি সমর্থিত মেয়র থাকলে তাদের স্বার্থ হাসিল বাধাগ্রস্ত হবে অনেকাংশে।

-

বৃদ্ধ বিবেক

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী এবিএম
মহিউদ্দিন চৌধুরী তার বিজয় 'ছিনিয়ে' নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। তবে
তিনি কারো নাম উল্লেখ করেননি।
নগরীর চশমা হিলের নিজ
বাসভবনে নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে মহিউদ্দিন কয়েকজন সাংবাদিককে বলেন "আমার
বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমাকে ষড়যন্ত্র করে হারানো হয়েছে।"

সরকার দলীয় প্রার্থী মহিউদ্দিন  এ কথা বলে আসলে কার দিকে ইঙ্গিত করলেন?

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (4টি রেটিং)