IELTS - কি এবং কিভাবে করবেন?

IELTS কি?

ইংরেজি ভাষায় পারদর্শিতা অর্জন এবং দক্ষতা পরিমাপের জন্য IELTS সর্বাধিক জনপ্রিয় । এক কথায় এটি ইংরেজিতে জ্ঞান নির্ণয়ের পরীক্ষা । IELTS কে অনেকেই অলস এবং প্রয়োজনহীন একটি পরীক্ষা বলে থাকেন । কারণ এটি TOEFL এর মতোই একটি পরীক্ষা কিন্তু বিষয়বস্তু ইংরেজি । আগে আমেরিকা কিংবা কানাডায় যেতে হলে TOEFL টেস্টের প্রয়োজন হত । আর IELTS প্রয়োজন হয় ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে । কিন্তু পরিস্থিতি এখন অনেক বদলে গেছে এবং বিশেষ করে আমেরিকা এবং কানাডায় IELTS এর অনেক চাহিদা ।

আমি বলছি না TOEFL এর গুরুত্ব কম । তবে আপনি যদি বাইরের দেশে পড়াশোনা বা ক্যারিয়ার গড়তে যেতে চান তবে আমি বলব সেইক্ষেত্রে IELTS সবচেয়ে বেশি দরকারী । IELTS একটি সার্টিফিকেট স্কোর যার অর্থ আপনি ইংরেজি ভাষাভাষি দেশে পড়তে যেয়ে লেকচার শুনে বুঝতে পারছেন কিনা, নোট দেখে পড়তে পারছেন কিনা এবং তা গুছিয়ে লিখতে পারা, এসব বিষয় ওইসব দেশে যাওয়ার আগেই যাচাই করে দেখা । আমাদের সবারই উচিৎ IELTS পরীক্ষাটি দক্ষতার সাথে দেয়া আর সেটা আমাদের নিজের ভালোর জন্যই । আপনার যদি একটি ভালো স্কোর সহ IELTS সার্টিফিকেট থাকে তাহলে যে কোন জায়গায় আপনার গ্রহনযোগ্যতা অনেকাংশে বেড়ে যাবে ।

IELTS কিভাবে করতে হয়?

Listening, Reading, Writing, Speaking - এই চারটি বিভাগের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা হয় ।

Listening – ৩০ মিনিট

Reading – ৬০ মিনিট

Writing – ৬০ মিনিট

Speaking – ১৫ মিনিট

এই প্রতিটি বিভাগকে এক একটি মডিউল বলা হয় এবং Academic & General, এই ২ ভাবে IELTS টেস্ট সম্পন্ন করা যায় । যারা পড়াশোনা করতে বাইরের দেশে যেতে আগ্রহী তাদের জন্য কেননা Academic Purpose এ ছাত্রছাত্রীরা IELTS করলে তাদের জন্য ওসব দেশের Student Visa পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায় । একটি বিষয় মাথায় রাখবেন, IELTS এর ভালো স্কোর আপনার Visa পাইয়ে দিতে কেবল সাহায্য করবে এবং এর ফলে যে ওসব দেশের University Fee কম দিতে হবে তা কিন্তু নয় । ওইসব দেশে ভর্তির জন্য IELTS কেবল একটি University Requirement. তবে সকল দেশের জন্য একই রকম IELTS স্কোর প্রযোজ্য নয় । কোন কোন দেশে IELTS স্কোর কম হলেই চলে । যেমনঃ অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডে স্কোর ৫ হলে সহজেই আপনি Student Visa পেয়ে যাবেন । আর ইউরোপের যে কোন দেশ যেমন ব্রিটেন, জার্মানির জন্য IELTS স্কোর কমপক্ষে ৬-৭ থাকা প্রয়োজন ।

IELTS স্কোরিং করা হয় ১ থেকে ৯ এর মধ্যে এবং প্রতিটি মান ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা প্রতাশ করে । যেমন,

১ পেলে Non User

২ পেলে Intermittent User

৩ পেলে Extremely Limited User

৪ পেলে Limited User

৫ পেলে Modest User

৬ পেলে Competent User

৭ পেলে Good User

৮ পেলে Very Good User

৯ পেলে Expert User

০ পেলে আপনি পরীক্ষাই দেননি

সাধারণত পরীক্ষা দেয়ার ১০-১৫ দিনের মধ্যেই রিপোর্ট দিয়ে দেয়া হয় । আর বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে এখন দেশেই টেস্টের খাতা দেখা হয় । পরীক্ষা ফি, রেজিস্ট্রেশন এবং অন্যান্য বিষয়ে পরে আরেকদিন আলোচনা করব ।

 

ধন্যবাদ । 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

ভালো পোষ্ট।
বাংলাদেশিরা এই ব্যাপারে আসলেই অনেক পিছিয়ে আছে।
আপনার এই পোষ্ট আশা করি বিদেশে পড়তে গমনেচ্ছুদের সহয়তা করবে।

ধন্যবাদ

দারুন পোষ্ট

-

সুফি

Nice post.

I hope it'll be helpful to us..

Thanks appi for your important post.

-

Md Amanullah Moral

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)