IELTS পরীক্ষা এবং TOEFL এর সাথে পার্থক্য

IELTS হলো ইংরেজি ভাষা শিক্ষার সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম ।
আমাদের অনেকেরই মাঝে ইংরেজি নিয়ে কিছু না কিছু দুর্বলতা কাজ করে । কিন্তু একটু
চেষ্টা এবং আগ্রহ ইংরেজি ভাষার প্রতি আমাদের এই অনীহা সহজেই দূর করতে পারে । যেহেতু
IELTS একটি সার্টিফিকেট পরীক্ষা, তাই অনেকের মনেই সন্দেহ
থাকতে পারে যে কিভাবে এই টেস্ট আমাদের ইংরেজির কাঠামো শক্ত করে তুলবে । সত্যি বলতে
এই পরীক্ষা হলো একটি মানদণ্ড আর পরীক্ষায় ভালো স্কোর পাওয়ার জন্য ইংরেজির প্রতি
জোর দিতেই হবে । এটাই মুলত ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনে IELTS এর প্রধান ভূমিকা ।

ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে IELTS পরীক্ষার মূল আয়োজন করে থাকে । মাসে মোট ৩ বার করে বছরে ৩৬ বার
ব্রিটিশ কাউন্সিলের  তত্ত্বাবধানে IELTS পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় । কিছুদিন পূর্বেও কোন শিক্ষার্থী আশানুরূপ স্কোর
করতে না পারলে তাকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে কমপক্ষে তিন মাস অপেক্ষা করতে হতো ।
কিন্তু এখন এই পদ্ধতি আর নেই । এখন যেকোন নিয়মিত বা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত
স্কোর না পাওয়া পর্যন্ত যতবার খুশি পরীক্ষা দিতে পারেন ।

IELTS পরীক্ষার ফলাফল দেয়া হয় পরীক্ষা হওয়ার ঠিক ১৩ দিন
পর । ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে সাধারণত এই ফলাফল সগ্রহ করতে হয় । এছাড়া আপনি চাইলে
ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার্থীর নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, জন্মতারিখ, পরীক্ষা প্রদানের তারিখ এন্ট্রি করে সহজেই
জেনে নিতে পারবেন IELTS পরীক্ষার ফলাফল । আপনি যদি কাঙ্ক্ষিত
স্কোর করতে না পারেন আর ফলাফল নিয়ে সন্দেহ থাকে, তবে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ‘এনকুয়ারি অন রেজাল্ট’-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন । তবে এজন্য আপনাকে
নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি জমা দিতে হবে । ৬-৮ সপ্তাহের মধ্য ব্রিটিশ কাউন্সিল
আপনার পুনঃনম্বরকৃত ফলাফল নিয়ে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে ।

IELTS নাকি TOEFL??

এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের সবার মাঝে বলতে গেলে সবসময়ই
দ্বিধা দ্বন্দ্ব থাকে । তবে IELTS এবং TOEFL সম্পূর্ণ ভিন্ন ২টি টেস্ট । IELTS –এর
মাধ্যমে ইংরেজি এর মানদণ্ড যাচাই করা হয় আর অন্যদিকে TOEFL এর মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার স্বক্ষমতা পরিমাপ করা হয় । তবে
আমার মতে IELTS, TOEFL এর চেয়ে
একটু মানসম্পন্ন । কেননা IELTS এর ইংরেজি রাইটিং অংশটি
ম্যানুয়ালি পরীক্ষা করা হয় আর TOEFL সম্পূর্ণ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত । তাই IELTS- এ ইংরেজি লেখার দক্ষতা অনেক ভালভাবে যাচাই হয় । সবচেয়ে মজার এবং আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো, এখন IELTS যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায়ও গ্রহণ করা হচ্ছে,
আগে সেখানে শুধু TOEFL স্কোর গ্রহণ করা হতো ।

IELTS পরীক্ষায় পাস ফেল বলতে কিছু নেই । মূলত ১-৯ এর
মধ্যে স্কোরিং করা হয় আর প্রতিটি পৃথক স্কোর দ্বারা সমগ্র পরীক্ষার মান যাচাই করা
হয় । আপনি যদি ৭ পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনি মোটামোটি ভালো ইংরেজিতে । যদি ৮ পেয়ে
থাকেন তার মানে ইংরেজিতে আপনার বেসিক ভালোই শক্ত এবং সহজে ভুল করেন না । আর আপনি
যদি বাইরের দেশে ভালো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চান, তাহলে IELTS পরীক্ষায় আপনার অন্তত ৭ স্কোর থাকতে হবে ।

আপনি চাইলে IELTS পরীক্ষার
প্রস্তুতি অনলাইনেও করতে পারেন । আপনি উপযুক্ত টিউটোরিয়াল, নোট, প্র্যাকটিসের জন্য
প্রশ্ন সব ই পাবেন বলতে গেলে ।

আইইএলটিএস
প্রস্তুতিতে সহায়ক এমন কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা ।

www.britishcouncil.org/professionals-exams-ielts-intro.htm

www.ielts-exam.net

www.ielts.studyau.com

www.candidates.cambridgeesol.org/cs

www.cross-link.com/ielts-tutor.html

www.uefap.co.uk

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)