রাজাকারের নতুন রুপ।

একটা মজার ঘটনা জানলাম।হিন্দুরা বাংলা নববর্ষ পালন করে আমাদের চেয়ে একদিন পরে।মানে হলো ১৫ই এপ্রিল এ।এর কারন হলো ইন্ডিয়ার সাথে মিল রাখার জন্য।ইিন্ডয়ায় নাকি আমাদের একদিন পর বাংলা নববর্ষ পালিত হয়।চিন্তা করেন অবস্থা। এইদেশে থেকে পালন করে আরেক দেশের আচার কাচার।
আমার প্রশ্ন হলো যারা এদেশে থেকে অন্য দেশের সংস্কৃতি চিন্তা ধারনা লালন পালন করে তারা কি রাজাকার নয়?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (4টি রেটিং)

আপনার পোষ্টটা পছন্দ হলো না।

কোন ধরনের রেফারেন্স ছাড়া দেয়া এই  তথ্য পুরা হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অপবাদ দেয়ার শামিল এবং অত্যন্ত আপত্তিকর।

গ্রহনযোগ্য সুত্র না দিতে পারলে পোষ্টটি মুছে দিতে অনুরোধ করছি।

রেফারেন্স ছাড়া কোনো কিছু বলি না। আপনি লোকনাথ পুন্জিকা দেখেন তাহলৈই পেয়ে যাবেন সত্যতা।

-

dr

পুরোপুরি একমত নই।
আসলে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলী বাংলা তারিখ ও চন্দ্রতিথি নির্ভর। যে সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিদিষ্ট তারিখভিত্তিক, হঠাৎ করে সে তারিখগুলো পরিবর্তন করলে ধর্মীয় অনুষ্ঠানও পরিবর্তন করা ধর্মসম্মত নয়।
কয়েক বছর আগেকার বাংলা সন অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ভারতীয় বাংলাসন হিন্দু ধর্মীয় আচারের অনুষ্ঠানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য যে নববর্ষ নামে এখন যে সব অনুষ্ঠান হয় তার সবই হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান, জোর করে একে আমরা বাঙ্গালী সংস্কৃতির নামে মুসলমানদের মাঝেও চাষ করছি।

যখন সরকারিভাবে বাংলা নতুন তারিখ পবর্তিত করা হয়েছে তখন ওদের উচিত ছিল তা মেনে নেয়া। আর বাংলা নববর্ষ হিন্দুদের কোনো ধর্মীয় অনুষ্টান নয়

-

dr

Superb

-

helal

হেই  আপনিও এখানে? ভালো।

-

dr

ভাল করেছেন রাজিব ভাই এখানে এসে। সামু আস্তো হারামী।ভাল করেছেন রাজিব ভাই এখানে এসে। সামু আস্তো হারামী।

-

helal

এই পোস্টের জন্য আমাকে সামুতে জেনারেল করা হয়েছিল। কিন্তু এই পোস্টটায় সমস্যা কি বলেন দেখি? তারা যা করছে আমি শুধু তাই বললাম এই ত নাকি?

-

dr

সামুকে নিয়ে আমার আশা শেষ। ব্লগটা ভালই লেগেছিল। কিন্তু মনে হচ্ছে মডারেশনে কোন অদল বদল হয়েছে।

সেটা আমারও ধারনা।

-

dr

ওদেরকে রাজাকার ডাকা হবে না কারন ওরা হিন্দু। রাজাকার শব্দটা  শুধু মুসলমানদের জন্য বরাদ্দ।

হুমম

-

dr

Sad

এ যুক্তিতে রাজাকার বলা উচিত হবে না। যদি উচিত হয়, তবে আমাদের দেশের একটা মুসলিম গোষ্ঠী সময় ও দূরত্বের হিসাবের তোয়াক্কা না করে সউদী আরবের সাথে তারিখ মিলিয়ে ঈদ করে ও রোযা রাখে। তাহলে তাদেরকেও রাজাকার বলতে হবে। মূলত: এ হিসাবটা নিতান্তই গৌণ। বরং দেশের সংস্কৃতির উপর আক্রমণ করেছে আরেকটি দেশ আর এ আক্রমণে দেশীয় যেসব গোষ্ঠী সহযোগিতা করছে তাদেরকে অনায়াসে রাজাকার আখ্যা দেয়া যেতে পারে।

ঠিক তেমনি শিল্পে আক্রমণ, সামরিক শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য নানারূপ আক্রমণ, নদীগুলোর উপর ক্রমাগত আক্রমণ, সর্বোপরি দেশের উচ্চপদসমূহের(যথা প্রধানমন্ত্রীকে মূখ্য মন্ত্রী আখ্যা ইত্যাদি) প্রতি আক্রমণকারীদের যারা সহযোগিতা করে আসছে তাদেরকে বলতে পারেন "রাজাকার"। এবং বর্তমানের বিচারের তোড়জোড়ে তাদেরকে ফেলা উচিত সর্বাগ্রে। কেউ পোষ্ট দিতে পারেন এসব বিষয়গুলোকে একত্র করে।

-

আমার প্রিয় একটি ওয়েবসাইট: www.islam.net.bd

কিছু বিভ্রান্ত মুসলমানরা একাজ করে। যা মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়।

-

dr

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (4টি রেটিং)