ইসলামী পুনর্জাগরণে গবেষণার ভূমিকা

ইসরাইল গবেষণাকর্মে ৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে প্রতি বছরে। আর সকল আরব
রাষ্ট্রগুলোর একত্রে ব্যয় করে ৫৩৫ মিলিয়ন ডলার। আমেরিকা একাই ব্যয় করে ১৬৮
বিলিয়ন ডলার, যা সমস্ত দুনিয়ার মোট বরাদ্দের ৩২ ভাগ। এরপর জাপান ১৩০ বিলিয়ন
ডলার বরাদ্দ দেয় গবেষণা খাতে। এখন জানতে ইচ্ছে হয় কতজন আন্তর্জাতিক মানের
গবেষক আছে আরব দেশগুলোতে? উত্তরে বলতে হবে একজনও নেই। কিন্তু শুধু ইসরাইলে
আন্তর্জাতিক মানের ২৪ হাজার গবেষক আছে। এবং ইসরাইল জাতির বাজেটের ৩৪.৬ অংশ
ব্যয় করে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকর্মে।
বর্তমান এ সঙ্কটে মুসলিম জাতির মুক্তির জন্য ঈমানদার, খোদাভীরু, সৎ ও যোগ্য
পন্ডিত তৈরির জন্য কুরআন ও হাদিসের নির্দেশনা পালনের ও আমলের বিকল্প নেই।
ইসলাম যেহেতু কালজয়ী ধর্ম, বিজয়ী আদর্শ ও বাস্তবভিত্তিক ধর্ম তাই গবেষণার
ব্যাপারে বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করেছে। যেমন- আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই
মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টিতে এবং দিবা-রাত্রির আবর্তনের মধ্যে বোধসম্পন্ন
লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে
স্মরণ করে এবং মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির বিষয়ে চিন্তা-গবেষণা করে এবং বলে,
হে আমাদের প্রতিপালক এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করোনি। সব পবিত্রতা একমাত্র
তোমারই। আমাদেরকে তুমি দোজখের শাস্তি থেকে বাঁচাও।” (সূরা আলে ইমরান :
১৯০-১৯১)

মু’তাসিম বিল্লাহ
লেখক : কেন্দ্রীয় গবেষণা সম্পাদক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None