মানব ইতিহাসের চিরস্থায়ী মহানজন

ডক্টর মাইকেল হার্ট, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গাণিতবিদ, তিনি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসায় কাজ করতেন। ঐতিহাসিক গবেষণা এ বিজ্ঞানীর মজার
শখ ছিল। তিনি লক্ষ্য করলেন যে
, কোটি কোটি মানুষের
মাঝে বিশ্বকোষ মাত্র বিশ হাজার মানুষ ছাড়া অন্য কাউকে উল্লেখ করেনি
, তখন তিনি তাদের মধ্য হতে মহামানবদেরকে বাছাই করার জন্য কিছু
মূলনীতি ঠিক করলেন। এর গুরুত্বপূর্ন মূলনীতিগুলো হলোঃ ব্যক্তির বাস্তবিকতা থাকা অর্থাৎ
,
কাল্পনিক বা অপরিচিত না হওয়া এবং খুব প্রভাব বিস্তারকারী হওয়া, চাই সেটা ভাল কাজে হোক বা খারাপ কাজে হোক। এ প্রভাব বিশ্বব্যাপী
হতে হবে
,
এবং মানব ইতিহাসের সাথে বিস্তৃত হতে হবে।

এ লেখকের মতে কে সবচেয়ে বেশি মহান ব্যক্তিত্বের
অধিকারী
? !

এ লেখক ইসলামের নবী মুহাম্মদ সাঃ কে একশত মহান
ব্যক্তির মধ্যে প্রথমে রেখেছেন। তার এ নির্বাচনের অনেকগুলো কারণ ছিল
, লেখক বলেনঃ

আমি মুহাম্মদ সাঃ কে এ তালিকার
সবার উপরে রেখেছি
, এতে হয়ত অনেকেই আশ্চর্যবোধ
করবে
, তারা আশ্চর্য হতেই পারেন, তবে মুহাম্মদ
সাঃ ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তি যিনি দ্বীন ও দুনিয়া উভয় ক্ষেত্রে পূর্ণ সফলতা অর্জন করেছেন।
তিনি অন্যান্য মহান ধর্মের প্রবর্তকের মত ইসলামের দিকে লোকদেরকে ডেকেছেন
, তিনি রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় একচ্ছত্র নেতা ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর তেরশত বছর পরও তাঁর প্রভাব এখনো শক্তিশালী ও নবজীবনপ্রাপ্ত।"

এরপর তিনি বলেছেনঃ " ......এটা অদ্ভুত মনে হতে পারে যেমুহাম্মদ এ তালিকায় সবার উপরে, অথচ খৃষ্টানদের সংখ্যা মুসলমানদের চেয়ে দ্বিগুণ, এটা হয়ত অদ্ভুত মনে হতে পারে যে তিনি তালিকায় সবার উপরে অথচ
ঈসা আঃ তালিকায় তিন নম্বরে
, আর মুসা আঃ ষোল নম্বরে।

তবে এর অনেকগুলো কারণ রয়েছেঃ এর অন্যতম হলোঃ ইসলামের প্রচার
কাজ
,
ইহা প্রতিষ্ঠা ও এর শরিয়তের বিধিবিধানগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত করতে
রাসুল মুহাম্মদ সাঃ এর ভূমিকা ঈসা আঃ এর তুলনায় অনেক বেশী ভয়ানক
, কষ্টকর, ও মহান ছিল। তাছাড়া
ঈসা আঃ খৃস্টানদের জন্য শুধু চারিত্রিক কিছু মূলনীতি নিয়ে এসেছেন
, আর সেন্ট পল ঈসাই ধর্মের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি (সেন্ট
পল) নিউ টেস্টামেন্টে যা কিছু আছে তা লিখার দায়িত্বশীল ছিলেন।

অন্যদিকে মুহাম্মদ সাঃ নিজেই ইসলামের নীতিমালা, শরিয়তের মূলনীতিসমূহ, সামাজিক ও চারিত্রিক মূলনীতি, মানুষের দ্বীন ও
দুনিয়ার চলার জন্য সব ধরণের লেনদেনের মূলনীতি ইত্যাদি সব কিছুর ব্যাপারে একমাত্র দায়িত্বশীল
ছিলেন।কোরআন একমাত্র তাঁর উপরই নাযিল হয়েছে
, কোরআনে মুসলমানেরা দ্বীন-দুনিয়ার প্রয়োজনীয় সব কিছুই পেয়ে থাকে।"

তাঁর কথাগুলো সন্তোষজনক ও নিরপেক্ষ ভিত্তির উপর
প্রতিষ্ঠিত।

মহামানবদের সর্বশ্রেষ্ঠজন আরও বিস্তারিত পড়ুনঃ https://goo.gl/gy2cMF

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None