দাঁড়ি দুপি কিংবা নামাজির গল্প / মানুষ নাস্তিক কেন হয় ?

মানুষ যখন দেখে ধর্মকে সমাজের লোকরা স্বার্থে ব্যবহার কছে তখন তারা ধর্মকে ঘৃণা করে ধর্ম থেকে দুরে চলে যায় । এটা তাদের জ্ঞানের অভাবও বটে । তারা দেখে ধর্ম দ্বিধা দন্দ্ব মারামারিতে ভরা ।  তারা ধর্ম সম্পর্কে বেশী কিছু  না জেনেই ধর্ম থেকে দুরে চলে যায় । কারন তারা দেখে যে যারা ধর্মীয় জ্ঞানের অধিকারি তারা  অনেকেই ভালো নয় বা বদ্ধ প্রকৃতির লোক । তারা ধার্মিক থেকে দুরে থাকতে চায় ।

আগেই বলে রাখি ধর্ম পবিত্র । তা যখন নিস্বার্থভাবে পালন হয় তা সম্মানিত ।তা যখন লেবাসের ভেতর সীমাবদ্ধ না হয় তখন তা হয় আরো সম্মানিত । নবী ও সাহাবীরা ছিল মানুষের কল্যানকামী । তারা অল্প শিক্ষিত হলেও তারা ছিল দূরদর্শি ও সুন্দর মননের অধিকারি ।

সমাজে যারা নামাজি বা লেবাস ধারি তাদের মধ্যে খুব কম লোকই পেয়েছি যারা সমাজ সংস্কার , মানবতা বা সার্বিক সমাজের কল্যানের কথা ভাবে ।তাদের মত লোকেরই সমাজের কথা বেশী ভাবা উচিৎ ছিল । আজ যারা খারাপ লোক তারা সমাজের হাল ধরছে । আবার ভালো লোকও আছে যারা সমাজেরে হাল ধরছে । কিন্তু ধার্মিক লোকের অন্তর এত ছোট যে এরা না করে দেশ ভ্রমণ, না পড়ে বই ,আর না একটু মানুষের কথা ভাবে ।শুধু বউ ঢাকার পর্দা খুজলে ধর্ম হয়না ।

জীবনে কোন নামাজী লোককে স্বামী বিবেক আনন্দ, রবীন্দ্রনাথের মত করে বিশ্বভ্রমণ করতে দেখিনি । আব্দুল হায় ,মুজতবা আলীর মত ভ্রমণ কাহিনী লিখতে দেখিনি । তবে সাহাবীরা বিশ্ব ভ্রনণ করে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছে ।নবী ও সাহাবিরা সুন্দর মননের অধিকারি ছিল ।আর এখনকার নামাজিদের এই অবস্থা । তারা ফতোয়াবাজি নিয়ে ব্যস্ত । আর মাদরাসার স্যার ও মসজিদের ইমামরা পান খেয়ে , পেট পুরে খেয়ে পরজীবী এক সমাজের বোঝা । আর মাদরাসার ছাত্ররা আধা মধ্যযুগীয় এক আধা মানুষ । কওমীরা নিম্ম শ্রেনীর মানুষ । এদের কোন বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা নেই । এরা ধান্দা মসজিদের ইমাম  হয়ে পেট চালানো।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

no comment

সব মাদরাসার ছাত্ররা আধা মধ্যযুগীয় হলে শুধু কি স্কুল শিক্ষীতরাই দ্বীনের কাজ করবে?

-

সুফি

সালাম 

নামাজী  লোকেরা  হয়তো  ভ্রমণ  কাহিনী  লিখছেন  না  কিন্ত্ত  তারা  তো  ধর্মীয়  বই লিখছেন ,  মানুষকে  পরকালের  অনন্ত  মুক্তির   দিকে   দাওয়াত  দিচ্ছেন  ।  এর  গূরুত্ব   কিন্ত্ত কম নয়  ।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)