সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যার্থ পুলিশ

প্রযুক্তিজ্ঞানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো আগের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ হলেও সাইবার সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় গলদঘর্ম হতে হচ্ছে।  জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের নিত্যনতুন কৌশলের কাছে হিমশিম খাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তাই সাইবার সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে পুলিশের সকল পর্যায়ের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। দেশে সাইবার সন্ত্রাসীদের তৎপরতা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রেই সাইবার সন্ত্রাসীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও নিত্যনতুন কৌশল মোকাবেলা করতে পারছে না পুলিশ। সাইবার অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অনেকটা অসহায় বলে জানান পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। দেশে এ পর্যন্ত যে ক’জন ব্লগার খুন হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের হত্যাকাণ্ডের আগে জঙ্গিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ তথ্য প্রযুক্তির আশ্রয় নিয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের পরও তারা একই কায়দায় দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়।

 

গত ১৫ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অপরাধ টিম রাজধানীর ডেমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ছয় সদস্য রায়হান চৌধুরী ওরফে ড্যান ব্রাউন, রাহুল মিয়া, রায়হান মিয়া, আরেফিন রাব্বি, অভি আব্দুল্লাহ ও গোলাম মোস্তফাকে আটক করে। গোয়েন্দারা জানান, তারা প্রত্যেকেই মডেল কলেজ ডেমরার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য। গ্রেফতারকৃতরা গোয়েন্দাদের জানান, বিগত এইচএসসি পরীক্ষার সময় পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে গণিত ও রসায়ন বিষয়ের প্রশ্ন ভল্ট থেকে বের করে তারা প্রশ্নপত্রের সমাধান করতেন। তখন আবদুল মজিদ প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রায়হান চৌধুরীকে সরবরাহ করতেন। রায়হান তাৎক্ষণিকভাবে সেটি ফেসবুকের ইনবক্সে দিতেন। আগ্রহীরা তখন তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিয়ে প্রশ্ন সংগ্রহ করতেন। পরে ওইসব টাকা সবার মধ্যে বণ্টন করা হতো।

সংগ্রহীতঃ

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None