ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো তৎপর

 

বাংলাদেশ
এগিয়ে যাচ্ছে। যে যতই ষড়যন্ত্র করুক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ রোধ করতে পারবে
না।ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো তৎপর রয়েছে।তারা বসে আছে গণতন্ত্রকে ধরাশায়ী
করতে।তাদের ইচ্ছা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে।গণতন্ত্রকে ধরাশায়ী করে যদি অগতান্ত্রিক
কিছু আনা যায়,
তবে তাদের কপাল খুলবে। এজন্যই তারা ষড়যন্ত্র করে। কিন্তু বাংলাদেশে
আর তা হবে না। প্রথম আলো সম্পাদক ও ডেইলি স্টার সম্পাদক এর কঠোর সমালোচনা করে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা এখনো বসে আছে গণতন্ত্রকে ধরাশায়ী করতে।
কোনো রকমে গণতন্ত্রকে ধরাশায়ী করে অসাংবিধানিক সরকার এলে তাদের কপাল খুলবে,
সেই ষড়যন্ত্রেই তারা লিপ্ত। তাদের ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়নি।এই
ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আরেকজন জড়িত। তিনি হলেন নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ,নতুন রাজনৈতিক দল
গঠনের জন্য মাঠে নেমেছেন। ব্যাংকের এমডি পদ আইন লঙ্ঘন করে ১০ বছর
পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন। আইন লঙ্ঘন করলেন, মামলায় হারলেন, আর সব দোষ হল সরকারের। এমডি পদ হারানোর ক্ষোভ পড়ল গিয়ে পদ্মা সেতুর ওপর।
আমেরিকার বন্ধুকে দিয়ে অর্থ বন্ধ করালেন। একটি এমডি পদ হারানোর ক্ষোভের আগুনে
জ্বললো আমাদের বাংলাদেশ। নোবেল পুরস্কার পেয়েও একটি এমডির পদ ছাড়তে পারেন না।
ওখানে কী মধু আছে? এত বড় আন্তর্জাতিক পুরস্কারের তবে
মর্যাদাটা কোথায় থাকল? অনেকে ভেবেছিল, বিশ্বব্যাংক
থেকে টাকা না নিয়ে বাংলাদেশ চলতে পারবে না। এতে কোন লাভ হল না ,পাদ্মা সেতু এখন
দ্রুত কাজ হচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে
যাবে। কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের এই অগ্রগতি রুখতে পারবে না। এই প্রতয়ে সরকার জনগণকে
পাশে রেখে কাজ করছে এবং করবে। 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None