আইসিসি তুমি কার! ভারতের না ক্রিকেটের

আইসিসির সবচেয়ে বড় ইভেন্ট ক্রিকেট
বিশ্বকাপ।  আইসিসি ক্রিকেটের বিশ্বায়নের কথা চিন্তা না করে কীভাবে ভারতের জনগণকে
ক্রিকেট ‘খাইয়ে’ অর্থ উপার্জন করবে,
সেই চিন্তাই করে। আর অর্থ উপার্জনের জন্য আইসিসির সবচেয়ে বড়
ইভেন্টও ক্রিকেট বিশ্বকাপ।  আইসিসির আয়ের প্রায় ৭০
শতাংশ আসে ভারত থেকে। তাই আইসিসিতে ভারতের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। ভারতের আছে ১২৫
কোটি জনগণ। ক্রিকেট বিশ্বের অন্যান্য সব দেশ মিলিয়েও এত জনগণ হবে না। আর তাদের দেশেই চলছে
টি-২০ বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট।
বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বে অসাধারণ পারফর্মেন্স উপহার দেন তরুণ প্রতিভাবান তাসকিন
আহমেদ ও আরেক তরুণ প্রতিভাবান টাইগার স্পিনার আরাফাত সানি। কিন্তু
হঠাৎ করেই যেন সব ওলট-পালট হয়ে যায় তাদের। এই দুই ক্রিকেটারের বোলিং এ্যাকশন নিয়ে
সন্দেহ প্রকাশ করে ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি! ২০১৫ সালে ভারত বাংলাদেশে ৩
ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেললো। তখন এই খেলোয়াড়দের ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন এই
কর্মকর্তারা। সেই সিরিজে ছিলেন টাকার ও পাইক্রফট। কিন্তু তখনও তাসকিন-সানির বোলিং
এ্যাকশনে কোন ধরনের সমস্যা দেখেননি তারা। অথচ বিশ্বকাপের গুরুত্বপুর্ণ মুহূর্তে
প্রশ্ন তুলল তাসকিন-সানির বোলিং এ্যাকশন নিয়ে। এই সময়ে আইসিসির এমন আচরণে শুধু বাংলাদেশ
নয় আরও অনেক দেশই আঙুল তুলতে শুরু করেছে। বল ডেলিভারির সময় বুমরার হাতের কনুই
তাসকিনের চেয়ে অনেক বেশি বেঁকে যায়। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি
বাঁকানো যায় না। আইসিসির এমন আচরণ এর আগেও দেখেছে বাংলাদেশ। সোহাগ গাজী ও আল
আমীনের বোলিং এ্যাকশনেও সন্দেহ প্রকাশ করেছিল তারা। তবে সে পরীক্ষায় সহজেই জয়
পেয়েছে সোহাগ-আল আমীন। ক্রিকেট বিশ্লেষক এবং বাংলাদেশের ভক্ত-অনুরাগীদের বিশ্বাস
এবার তাসকিন সানিও আইসিসির বাধা পেরিয়ে আবারও নিজেদের মেলে ধরবেন।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None