অপশক্তি রুখতেই হবে

দেশে এখন মৌলবাদী শক্তি এমন চরম আকার ধারণ করেছে, মনে
হচ্ছে প্রতিটি একটি পাকিস্তানী ছিটমহল। এসব পাকিস্তানী ছিটমহলকে বাংলাদেশের মধ্যে
আনতে হবে। ধর্মের নামে সহিংসতা বন্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। একাত্তরের
১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকার গঠন করা হলেও মূলত ১ মার্চই বাংলাদেশ সরকার গঠন করা
হয়েছিল। ওইদিন বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এক রেজুলেশনের মাধ্যমে
বঙ্গবন্ধুকে সকল ক্ষমতা অর্পণ করেছিল। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তৈরি করা হয়েছিল
ডকুমেন্টের ভিত্তিতে ঘটনার ভিত্তিতে। পুরো ঘোষণাপত্রটিতেই মূলত বিভিন্ন সময়ের
ঘটনাগুলো উল্লেখ ছিল। এর সঙ্গে আমাদের মূল্যবোধ ও সংস্কৃতিও তুলে ধরা হয়েছে। এই
ঘোষণাপত্রেই বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতা ঘোষক উল্লেখ করা আছে। আমরা যেমন গণআন্দোলনের
মাধ্যমে এদেশের স্বাধীনতা এনেছি, তেমনি গণআন্দোলনের মাধ্যমেই এদেশে
স্বাধীনতাবিরোধীদের বিচার করতে পেরেছি। তবে ১৯৫ জন পাকিস্তানী সৈন্যর বিচার করতে
না পারায় মনে কষ্ট রয়ে গেছে। স্বাধীনতাবিরোধীরা এখনও সক্রিয়, এদেশে
স্বাধীনতাবিরোধীদের ষড়যন্ত্রের ফলেই বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে।
তাদের ষড়যন্ত্র থেকে বঙ্গবন্ধুর কন্যা এমনকি নাতি পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ধর্মের
নামে সহিংসতা বন্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None