আর নয় চুনাপাথর আমদানি, দেশেই আবিষ্কৃত হল চুনা পাথরের খনি

 

 

নওগাঁর বদলগাছি
উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে ভূ-পৃষ্ঠের দুই হাজার দুই শ’
চৌদ্দ ফুট মাটির গভীরে পুরু একটি চুনাপাথরের স্তর আবিষ্কৃত হয়েছে। ওই স্তর থেকে
আরও গভীরে বিস্তৃত রয়েছে খনিটি। পঞ্চাশ বর্গ কিলোমিটার
এলাকাজুড়ে সন্ধান মিলেছে দেশের সবচেয়ে বড় চুনাপথরের খনির। বাণিজ্যিক উত্তোলন
লাভজনক প্রমাণিত হলে এই খনি থেকেই দেশের সকল সিমেন্ট কারখানার চাহিদা মেটানো যাবে। ধারণা করা হচ্ছে, সিমেন্টের
এই কাঁচামাল আগামী দেড় শ’ বছরেও ফুরাবে না। ফলে বিদেশ থেকে
আর চুনাপাথর আমদানি করতে হবে না। এতে বছরে প্রায় এক হাজার
কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে। এই চুনাপাথর
বিদেশেও রফতানি করা যাবে। বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক
জরিপ বিভাগের বিজ্ঞানীরা এই খনি আবিষ্কার করেছেন। কয়লা অনুসন্ধানের
জন্য খনন কাজ শুরুর পর চুনাপাথরের সন্ধান মেলে। চুনাপাথরের
নিচের স্তরে থাকে কয়লা। যার জন্য খনন কাজ চালু রাখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে
ধারণা করা হচ্ছে এলাকাজুড়ে দুই হাজার মিলিয়ন মেট্রিক টনেরও বেশি চুনাপাথরের মজুদ রয়েছে। দেশে বিদ্যমান
ত্রিশটিরও বেশি সিমেন্ট কারখানায় বছরে উৎপাদন হয় প্রায় দু’কোটি
টন সিমেন্ট। চুনাপাথর আবিষ্কার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি
ও প্রবৃদ্ধির হার বাড়াতে সহায়ক হবে। দেশ উন্নয়নের পথে আরও
কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None