সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে একত্বতা বাংলাদেশ ও ভারতের

সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ঢাকা-দিল্লী আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। দুই দেশ দ্বিপক্ষীয়ভাবে সন্ত্রাস প্রতিরোধে জোর দেওয়া হচ্ছে। 
সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াইয়ের প্রতি জোরালো সমর্থন জানাতে এসেছি আমি। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে এটি আমাদের জন্য উদ্বেগের। এ ব্যাপারে ঢাকার সঙ্গে সব সময়ই যোগাযোগ রেখে চলেছে নয়াদিল্লী। সন্ত্রাস দমনে এক সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নয়াদিল্লী সব সময় ঢাকার পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করা হয়।  জ্বালানি,
বিদ্যুৎ,
যোগাযোগসহ অনেক বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়েও  আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারত দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ দমন করবে। এ জন্য এখন দুই দেশের মধ্যে যে কাঠামো রয়েছে তা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করা হবে। তিস্তা চুক্তির বিষয়ে কোন আলোচনা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেন, আমরা এ বিষয়ে আশাবাদী। দুই দেশের মধ্যে জলবায়ু, পানি,
খরাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি চান দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাত দেশের জোট বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল এ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের সদস্য দেশগুলো ব্রিকসের সম্মেলনে অংশ নিবে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার জোট ব্রিকসের অষ্টম শীর্ষ সম্মেলন ভারতের গোয়ায় হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন, ত্রিপুরা থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত সরবরাহ, বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট ব্যান্ড উইথ সরবরাহ, চট্টগ্রাম থেকে কৃষ্ণাপত্তনমে নৌ পথে জাহাজ চলাচল, দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্রেডিট লাইন চুক্তির বিষয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে সদা প্রস্তুত রয়েছে ভারত। এছাড়া বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠানের জন্য আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ দমনে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দিল্লীর নিরাপত্তা সহযোগিতার ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None