সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে স্মার্ট কার্ড

 

 

 সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের
বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার খুবই শক্ত অবস্থান  নিয়েছে। কোনও মতেই যাতে এদেশে  জঙ্গিবাদ সৃষ্টি   হতে  না
পারে তার জন্য সরকার সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। এ ধরনের সমাজবিরোধী
কর্মকাণ্ডে যারা সম্পৃক্ত থাকে তাদের শনাক্ত করতে এই স্মার্ট কার্ড যথেষ্ট
সহযোগিতা করবে।যে কোনও ধরনের অপরাধীকে দ্রুত শানাক্ত ও গ্রেফতার করা সহজ হবে।
স্মার্ট কার্ড অধিকতর নিরাপদ। যে ডাটাগুলো নেওয়া হবে নির্বাচন কমিশন তার যথাযথ  নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে যাতে  কেউ যেন এর অপব্যবহার করতে না পারে।‘স্মার্ট কার্ডের
মাধ্যমে যে কোনও ধরনের অপরাধীকে শনাক্ত করা সহজ হবে। এছাড়া প্রতারণা ও জালিয়াতিও কমে
আসবে। কেউ অপরাধ করলে পার পাওয়া যাবে না। ‘দণ্ডপ্রাপ্ত ও প্রতিবন্ধীদের সবার পরিচয়পত্র করা হবে। তাদের পরিচয়পত্র
দেওয়া হবে। যাতে দণ্ডপ্রাপ্তরা পালিয়ে যেতে না পারে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে
মানুষ উন্নত জীবনযাপন করবে এটাই সবার কাম্য। এই স্মার্ট কার্ড জাতি হিসেবে বিশ্বে
আমাদের মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দেবে।কারও কাছে মাথা নত করে বা হাত পেতে নয়, নিজেদের সম্পদের
সদ্ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।
২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এশিয়ার মধ্যে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলার প্রত্যয়
নিয়ে কাজ করছে সরকার। ‘স্মার্ট কার্ড বিতরণের মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের বর্তমান সরকার  দিন বদলের যে অঙ্গীকার করেছিল তা বস্তবায়নে আরো
একধাপ এগিয়ে গেল । স্মার্ট কার্ড প্রমাণ করেছে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তব। এই
স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে মানুষ বহুমুখী সেবা পাবে। তাই এই স্মার্ট কার্ড ব্যবহারে
মানুষের আগ্রহ বাড়বে। সরকার ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে জাতীয় পরিচয়পত্র যাতে বহুবিদ
কাজে ব্যবহার করা যায় এজন্য কাজ শুরু করে। আরো বহুবিধ কাজে স্মার্ট কার্ড ব্যবহৃত
হবে।ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের পথে আমাদের অগ্রযাত্রা চলছে এবং অচিরেই আমরা
বিশ্বের উন্নত দেশের কাতারে নিজেদের আসন পাকাকরে নিতে পারব। এজন্য আমাদের প্রয়োজন
নাগরিক সচেনতা আর সরকারের সকল মহতী উদ্যোগে সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া।


ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None