প্রশস্ত ও মসৃণ হচ্ছে স্বপ্নমাখা স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ অর্জনের পথ

স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশের পেছনে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা ছিল অর্থনৈতিক
ও সামাজিক শোষণ থেকে মুক্তি, গণতান্ত্রিক অধিকার ও
আত্মনির্ভরশীলতার অঙ্গিকার। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে
যাচ্ছে বর্তমান সরকার। আওয়ামী লীগ সরকারে এলেই দেশের উন্নয়ন হয়। তাদের দলের নেত্রী এখনও বিদেশীদের কাছে ধর্ণা দিয়ে ক্ষমতায় যাবার
ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। ক্ষমতায় যেতে হলে অতীতের ভুল স্বীকার করে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। সরকারের সকল উন্নইয়ন কর্মকান্ড সহযোগিতা করতে হবে। তবেই জনগণ বুঝবে তারা শুধরিয়েছে, তিন বছর পর ২০১৯ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হবে। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে ব্যালটের মাধ্যমে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল জনগণের রায় মেনে নেবে। এর আগে কোন ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে বলে আমার মনে হয় না। বঙ্গবন্ধু
কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য,
কৃষি, বিদ্যুৎ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে বিশ্ব
এখন উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশকে অনুসরণ করে। ক্ষমতাসীন সরকার উন্নয়ন এবং জনগণের ভালবাসা দিয়েই আগামী যে কোন
নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আশাবাদী। স্বাধীন বাংলাদেশের পথচলা শুরু হয় আলো-আধারের মধ্যদিয়ে। আলোর দিকটি ছিল বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক
ও সাংস্কৃতিক পরাধীনতা থেকে মুক্তির অদম্য আকাংক্ষা। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের মাধ্যমে সেটি পূরণ হয়। আর আঁধারের দিকটি ছিল বাংলাদেশকে একটি দারিদ্রপীড়িত ও ভঙ্গুর
অর্থনীতির হাল ধরতে হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর দৃঢ়চেতা নেতৃত্বে শত প্রতিকূলতার মধ্যদিয়ে জাতি এগিয়ে যায় তার
কাঙ্খিত লক্ষ্যের দিকে। উন্নয়নের মহাসড়ক দিয়ে এগিয়ে চলেছে অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ। সকল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পুরো
জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আর তাহলেই প্রশস্ত ও মসৃণ হবে লাখো শহীদের স্বপ্নমাখা স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ অর্জনের পথ।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None