বেলজিয়ামে আজ থেকে বোরকা পরা নিষিদ্ধ

বেলজিয়ামে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ইসলামি বোরকা পরা নিষিদ্ধ করেছে।

মার্চের ৩১ তারিখে বেলজিয়ামে সারাদেশে বোরকা নিষিদ্ধ করার সংসদীয়
সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এটি যে মানবে না তাকে ১৫-২৫ ইউরো (২০-৩৪ ডলার) জরিমানা দিতে হবে অথবা তার ৭
দিনের জেল হবে অথবা তাকে বোরকা পরার জন্য পুলিশের অনুমতি নিতে হবে।

সরকার ও বিরোধীদল উভয়ের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে ফ্রান্স সরকারও মুসলিম মেয়েদের বোরকা পরা নিষিদ্ধ করবে।

নিকোলাস সারকোজির একজন মুখপাত্র বলেন, এই বিলটি মে মাসে উত্থাপন করা হবে।
এই আইন অনুযায়ী কোনো লোকালয়ে নিকাব বা বোরকা পরা যাবে না।

সমকালঃ http://www.shamokal.com/

আপনার রেটিং: None

এর নাম ধর্মনিরেপেক্ষতা

-

dr

উল্টা সিনারিও একটু চিন্তা করি।

ধরা যাক, ইসলামি রাষ্ট্রে একজন শর্ট স্কার্ট পড়তে‌ চায়। আপনার কি মনে হয়, মানবাধিকারের কথা বলে তাকে ইচ্ছামত পোষাক পড়ার অনুমতি দেওয়া হবে?

 

এ ক্ষেত্রে মানবতাবাদীরা চুপ থাকে কেন? এখানে কি একজন মানুষের পোষাক গ্রহণের অধিকারহরণ করা হচ্ছে না? এটা কি মানবতাবোধের মধ্যে পড়ে না? আফগানিস্তানে জোর করে বোরখা পরানো হয়েছিল বলে সেখানে মানবতাবাদীদের চিৎকার চেঁচামেচি আমরা শুনেছি। কিন্তু দেশে দেশে মুসলমানের হিজাবের উপর নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে কেন তারা অন্ধ হয়ে পড়ে?

-

"প্রচার কর আমার পক্ষ হতে, যদি একটি কথাও (জানা) থাকে।" -আল হাদীস

আমার জানামতে এটা এখনও আইন হয় নি। আইন করার কথা চিন্তা হচ্ছে। কিন্তু হয়ে যাবে মনে হয়। হলেও যারা বোরকা (এখানে বোরকা বলতে নিকাব বুঝানো হয়েছে, আমাদের দেশের লম্বা গাউন নয়) পড়তে চান, তারা পুলিশের কাছে থেকে অনুমতি নিয়ে পড়তে পারবেন। তবে যে উদ্দেশ্যে বোরকা পড়া নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছে তা সফল হবে বলে মনে হয় না। এখানে খুব ভালো একটা পয়েন্ট মেইক করেছে:
"And rather than help women who are coerced into wearing the veil, a ban
would limit, if not eliminate, their ability to seek advice and support,
it said, adding that the primary impact of legislation of this kind
would be to confine these women to their homes, rather than to liberate
them."

Rate This

আপনার রেটিং: None