আমাদের পথ চলা

সংকট ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে
সাড়ে চার দশকে বাংলাদেশ আপন গতিতে এগিয়ে চলছে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে। ৭২
সালের যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ আর ২০১৬ সালের বাংলাদেশ এক নয়। দেশ
এগিয়ে যাচ্ছে অবিরাম গতিতে। দেশ
এগিয়ে যাচ্ছে বাংলার প্রতিটি মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে। বাংলার কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে,
রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে মাঠে ফসল ফলিয়ে ১৬ কোটি মানুষের অন্নের জোগান দিচ্ছে।
অথচ তারা ফসলের, শাক-সবজির ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। তার পরও তারা দেশের কৃষি
অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। এ দেশের শ্রমিকশ্রেণি দেশের অভ্যন্তরে যেমন বিভিন্ন
গার্মেন্টে ও শিল্প-কারখানায় কাজ করে দেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। একইভাবে
এদের উল্লেখযোগ্য অংশ প্রবাসে কর্মরত থাকায় রেমিট্যান্স প্রবাহ অনেক বেড়েছে।
বেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভও। তাহলে সহজেই বোঝা যাচ্ছে এ দেশের কৃষক
ও শ্রমিক হচ্ছে উন্নয়নের প্রাণশক্তি। অথচ এরা নানাভাবে অবহেলিত, শোষিত ও বঞ্চিত
হয়; যা উন্নয়নের ইতিবাচক ধারাকে ব্যাহত করে। সামষ্টিক
উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ বা প্রয়াস। প্রয়োজন জাতীয় ঐকমত্য। আমাদের
দুর্ভাগ্য যে ওই সংস্কৃতি আমরা গড়ে তুলতে পারিনি। এটা আমাদের জাতীয় ব্যর্থতা। এ
অনৈক্যের মধ্যেও আমাদের দামাল ছেলেরা ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে, আমাদের
তরুণ-তরুণীরা এভারেস্ট জয় করেছে, বর্তমান সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় পোলিওমুক্ত
হয়েছে বাংলা, শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে,
বিপুল চাহিদার মধ্যে বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেক কমেছে, রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের
ফলে। শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে। আমরা প্রথমে মিয়ানমার এবং পরে ভারতের কাছ থেকে
সমুদ্র জয় করেছি। আমাদের সামরিক
বাহিনী ও
পুলিশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে গিয়ে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়ে। দেশের প্রায় তিন কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার
করে। আধুনিক ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট হাউসগুলো পুরোপুরিই তথ্যপ্রযুক্তির ওপর
নির্ভরশীল। বোনম্যারো প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সাফল্য দেখিয়েছে। পাট ও
মহিষের জন্মরহস্য আবিষ্কৃত হয়েছে। এভাবে ধীরে ধীরে বাংলাদেশ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে শুরু করেছে।
আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছানো এখন শুধু
সময়ের ব্যাপার মাত্র।

 

  

 


 

Normal
0

false
false
false

EN-US
X-NONE
X-NONE

/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:"Table Normal";
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:"";
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin-top:0in;
mso-para-margin-right:0in;
mso-para-margin-bottom:10.0pt;
mso-para-margin-left:0in;
line-height:115%;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:"Calibri","sans-serif";
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;
mso-bidi-font-family:"Times New Roman";
mso-bidi-theme-font:minor-bidi;}

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)