বৈদেশিক সহায়তা প্রতিশ্রুতি, অর্থ ছাড় দুটোই বেড়েছে

সদ্যসমাপ্ত
অর্থবছরে (২০১৫-২০১৬) বৈদেশিক সহায়তা
প্রতিশ্রুতি ও অর্থছাড় দুটোই বেড়েছে। এ সময়ে বৈদেশিক সহায়তা প্রতিশ্রুতি আগের
অর্থবছরের (২০১৪-’১৫) তুলনায় বেড়েছে ১৭৪ কোটি মার্কিন ডলার। একই সময়ে অর্থছাড়ের পরিমাণ বেড়েছে
৪০ কোটি মার্কিন ডলার, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে
সর্বোচ্চ। সমাপ্ত অর্থবছরে মোট বৈদেশিক অর্থছাড়ের পরিমাণ ৩৪৪ কোটি মার্কিন ডলার,
যা দেশের একক অর্থবছরের ইতিহাসেই সর্বোচ্চ। এটি একটি ভাল লক্ষণ। গত
অর্থবছরে মোট বৈদেশিক প্রতিশ্রুতি এসেছে ৬৯৯ কোটি ৭৯ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগের
অর্থবছর (২০১৪-’১৫) মোট প্রতিশ্রুতি এসেছিল ৫২৫ কোটি ৮৪ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ সমাপ্ত
অর্থবছরে বৈদেশিক প্রতিশ্রুতির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৩ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন
ডলার। গত অর্থবছরের প্রতিশ্রুত অর্থের মধ্যে ঋণের পরিমাণ ছিল ৬৫০ কোটি ৩১ লাখ এবং
অনুদান ৪৯ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৪-’১৫ অর্থবছরে
প্রতিশ্রুত অর্থের মধ্যে ঋণ ছিল ৪৭৬ কোটি ৪৮ লাখ এবং অনুদান ৪৯ কোটি ৩৬ লাখ
মার্কিন ডলার। অন্যদিকে গত অর্থবছরে মোট বৈদেশিক অর্থছাড় হয়েছে ৩৪৪ কোটি ৯৯ লাখ
মার্কিন ডলার। এর আগের অর্থবছরে (২০১৪-’১৫) ছাড় হয়েছিল ৩০৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার।
অর্থাৎ একবছরে অর্থছাড়ের পরিমাণ বেড়েছে ৪০ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরে
প্রতিশ্রুত সহায়তার মধ্যে ঋণ ছিল ২৯০ কোটি ৩৬ লাখ এবং অনুদান ৫ কোটি ৬২ লাখ
মার্কিন ডলার। এর আগের বছরে ঋণ ছিল ২৪৭ কোটি ২২ লাখ এবং অনুদান ৫৭ কোটি ৮ লাখ
মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে (২০১৬-২০১৭)
বৈদেশিক সহায়তা আনার লক্ষ্যমাত্রা ৫৭০ কোটি মার্কিন ডলার। বিদেশীদের
নিরাপত্তায় যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে চলতি অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ
বৈদেশিক অর্থছাড়ের আশা করা যায়। পাইপলাইনে প্রচুর বিদেশী অর্থ পড়ে আছে, তবে
এর মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ অর্থছাড়ের ঘটনা নিঃসন্দেহে ভাল লক্ষণ।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None