জঙ্গি নির্মুলে ‘হিট স্ট্রং টোয়েন্টি সেভেন’ এর সাফল্য

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জঙ্গীবাদ দমনে বিশেষ ভূমিকা
নিয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ দমন সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী দক্ষতা ও সাহসিকতার সঙ্গে জঙ্গীবাদ মোকাবেলা করছে। জঙ্গীবাদ দমনে
যেভাবে কাজ করছে তাতে অচিরেই জঙ্গীবাদ নির্মূল হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। তবে তার
আগে জঙ্গীবাদকে ঘৃণা করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। সন্ত্রাস বা জঙ্গীবাদের কোন
বর্ডার বা সীমানা নেই। উন্নত বা উন্নয়নশীল কোন দেশই এর ভয়ানক ক্ষতিকর প্রভাব থেকে
মুক্ত নয়। একথা সত্য যে,
জঙ্গীবাদের জঘন্য ধারা বাংলাদেশে উস্কে দিচ্ছে একাত্তরের পরাজিত
শক্তি ও তাদের দোসররা। হীন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে তাদের ব্যবহার করা
হচ্ছে। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি ও শোলাকিয়ায় হামলা ছাড়াও গত দু’বছর একের পর এক চোরাগোপ্তা খুনের ‘নাটের গুরু’
হিসেবে বারবার উঠে আসে তামিমের নাম। নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় জঙ্গী
আস্তানায় পুলিশের অভিযানে তিন জঙ্গী নিহত হয়েছে। তাদের একজন তামিম চৌধুরী। সে
আন্তর্জাতিক আইএস জঙ্গীদের কাছে বাংলাদেশ শাখার প্রধান শায়খ আবু ইব্রাহিম আল-হানিফ
নামে পরিচিত। কয়েকজন বিদেশী নাগরিক, পুরোহিত ও ধর্মগুরু
খুনের পরে গুলশান ও শোলাকিয়ায় বড় ধরনের হামলার চক্রান্ত করে তামিম। গুলশানে বিদেশী
হত্যার টার্গেট সফল হলেও শোলাকিয়ার হামলা রুখে দেয় পুলিশ। কল্যাণপুরে জঙ্গী
আস্তানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপারেশন স্টর্ম-২৬-এর পর থেকে গা ঢাকা দেয় তামিম।
শনিবার অপারেশন ‘হিট স্ট্রং টোয়েন্টি সেভেন’ পরিচালনার মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে তামিম অধ্যায়ের।

 

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None