ধর্মের নামে চলবে না আর সন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড

বর্তমান বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দেশ থেকে জঙ্গি দূর করা। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পুরোদমে কাজ করছে সরকার। বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। ধর্মের নামে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বরদাশ্‌ত করবো না সরকার। এদেশের প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষ এক হয়ে যুদ্ধ করে এদেশকে স্বাধীন করেছে। সকলের রক্ত একাকার হয়ে মিশে গেছে এ দেশের মাটিতে। মুসলিম, হিন্দু, খ্রীস্টান, বৌদ্ধ সকলে এদেশের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছে। তাই সকল ধর্মের মানুষ তাদের এই দেশটাতে ঐকবদ্ধভাবে বসবাস করবেন- এটাই সকলের প্রত্যাশা। ইসলাম শান্তির ধর্ম, সৌহার্দ্যের ধর্ম, ভ্রাতৃত্বের ধর্ম। এখানে কিন্তু জঙ্গিবাদের আসলে কোনো জায়গা নাই। কিন্তু যারা এই সন্ত্রাস সৃষ্টি করে তারা ধর্মবিরোধী কাজই করে। ধর্মের অবমাননা করে। এখানে সকলে যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে এবং করে। সেই পরিবেশটাই আমরা তৈরি করতে চাই- ধর্ম যার যার উৎসব সকলের। আমরা বাংলাদেশীরা সেটাই মানি এবং সকলে মিলে যে কোনো উৎসব উদযাপন করি। কাজেই সকলের তরে সকলে আমরা, আমরা মানবের তরে। তাই সকলে মিলে আসুন আমরা এই দেশকে গড়ে তুলি। এই দেশ যত উন্নত ও সমৃদ্ধশালী হচ্ছে বিশ্ব সভায় ততই আমরা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হচ্ছি। বাংলাদেশ সংঘাত চায় না
সমৃদ্ধি চায়, উন্নতি চায়। যে উন্নতির ছোঁয়া একদম গ্রামের তৃণমূল পর্যন্ত পাবে। আমাদের ইসলাম ধর্মে স্পষ্ট বলা আছে-‘লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়াদিন’ অর্থাৎ যার যার ধর্ম তাঁর তাঁর কাছে। সবাই নিজস্ব মত ও পথ অনুযায়ী শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মকর্ম পালন করবে। সকল ধর্মেই কিন্তু শান্তির কথা বলা হয়েছে, মানবতার কথা, মানব কল্যাণ, মানব উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। কাজেই এটা আমাদেরও মেনে চলতে হবে। এই বাংলাদেশটা সকল ধর্মের জন্য, সবাই এখানে শান্তিপূর্ণভাবে বাস করবে। যার যার ধর্ম সম্মানের সাথে পালন করবে, একজন অপরজনের ধর্মের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে। সুন্দরভাবে মানুষ বাঁচবে, উন্নত জীবন পাবে- সেটাই সকলে আসা করে।বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে সবাই আমরা দল,মত, ধর্ম , বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আমরা এক হয়ে কাজ করবো। তাহলেই
সবার স্বপ্ন পুরন হবে।


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None