অর্থনীতির স্থায়ী স্থিতিশীলতার জন্য চলতি ধারা অব্যাহত রাখা জরুরী

অনেক
দুর্গম ও বন্ধুর পথ অতিক্রম করে ২০১৬ সালে এসে ঘরে-বাইরে
বাংলাদেশ আজ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত এবং অপার সম্ভাবনার দেশ হিসেবে আবির্ভূত। অগ্রগতির ধারা শুধু অর্থনৈতিক
ও সামাজিক ক্ষেত্রে নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্থিতিশীল
এবং ভূ-রাজনীতির সমীকরণে সব বৃহৎ ও সেমি বৃহৎ রাষ্ট্রের কাছে
বাংলাদেশ এখন মূল্যবান হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের এই অর্জনের পেছনে
সব শ্রেণিপেশার মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম ও উদ্যমের সঙ্গে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে
বর্তমান সরকারের গতিশীল, সাহসী ও প্রজ্ঞাময় নেতৃত্ব। ২০১৫ সালের মাঝামাঝিতে
আইআরআই
(ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট) যৌথভাবে  বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর
একটি জরিপ চালায়।
জরিপের
আওতাধীন মোট ৯টি সূচক ছিল, যার সবগুলো আওয়ামী লীগের স্কোর
অন্য দলের থেকে অনেক বেশি।
তার
মধ্যে শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, তারুণ্যের উপস্থিতি
এবং নারীবান্ধব—এই তিন সূচকে আওয়ামী লীগের স্কোর অন্যান্য দল
থেকে দ্বিগুণেরও বেশি।
বাঙালি
ও বাংলাদেশের মানুষের প্রেরণা এবং শক্তির অফুরন্ত আধার বাঙালি সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে শেখ হাসিনা শুধু নিজে ধারণ করেননি, সেগুলোকে জাগ্রত করে সর্বত্র তার বিস্তার ঘটিয়েছেন। এটাই বাংলাদেশের সাফল্য
ও অগ্রগতির মূলমন্ত্র ও ম্যাজিক।
বিশ্বের
৩৩টি দেশের ওপর ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘দি পিউ
রিসার্চ সেন্টার’ কর্তৃক ২০১৪ সালের শেষ প্রান্তে পরিচালিত জনমত
জরিপে প্রশ্ন ছিল—আগামী পাঁচ বছরে আপনার জীবনমান কি আরো উন্নত
হবে? যাদের উত্তর হ্যাঁ ছিল তাদের মধ্যে শীর্ষে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ৮১ শতাংশ মানুষ
হ্যাঁ উত্তর দেয়। পাঁচ-সাত বছর ধরে একটানা ঊর্ধ্বমুখী প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনীতি ও বাজার পরিস্থিতির
স্থিতিশীলতা ওই জরিপে মানুষকে হ্যাঁ-সূচক উত্তরে উদ্বুদ্ধ করেছে
বলে মনে করেন অর্থনীতির বিশ্লেষকরা। বিশ্বের
নেতৃবৃন্দ বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকের অগ্রগতিকে বিস্ময়কর ও অনুকরণীয়
দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
সব
দিকের সব কিছুর যোগ-বিয়োগের পর সামগ্রিক অবস্থান থেকে
নির্মোহ মূল্যায়ন করলে যে কোন শত্রুকেও এ কথা স্বীকার করতে হবে। গত সাড়ে সাত বছরে কোনো
ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ পিছিয়ে যায়নি; বরং সব ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য
অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
তাই
গণতান্ত্রিকব্যবস্থায় অনেক কিছুতে দ্বিমত পোষণ ও কঠোর সমালোচনা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। সবশেষে এ কথা সবাইকে স্বীকার
করতে হবে,
বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতির স্থায়ী স্থিতিশীলতার জন্য চলতি ধারা
অব্যাহত রাখা শুধু জরুরীই নয় আবশ্যক হয়ে দাড়িয়েছে।

 

 

 

 

 

 

Normal
0

false
false
false

EN-US
X-NONE
X-NONE

/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:"Table Normal";
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:"";
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin-top:0in;
mso-para-margin-right:0in;
mso-para-margin-bottom:10.0pt;
mso-para-margin-left:0in;
line-height:115%;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:"Calibri","sans-serif";
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;
mso-bidi-font-family:"Times New Roman";
mso-bidi-theme-font:minor-bidi;}

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None