পরিবর্তনের ছোঁয়া

 

 

বর্তমানে সারা দেশে বিদ্যমান
দুই হাজার আটশ কিলোমিটারের রেল নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল
ও পশ্চিমাঞ্চল জোন এবং চারটি বিভাগের অধীনে। তবে রেলওয়ে পরিসেবার মানোন্নয়নে
সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করে বিদ্যমান দুটি অঞ্চলকে চারটি জোন বা অঞ্চলে
বিভক্ত করার সময়োপযোগী উদ্যোগ নিতে চলেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এর সঙ্গে পুনর্বিন্যাস
করা হবে পরিচালন বিভাগও। ১. পূর্বাঞ্চলের হেডকোয়ার্টার-সিআরবি চট্টগ্রাম এর অধীনে
পরিচালন বিভাগ হবে দুটি - চট্টগ্রাম ও সিলেট। ২. পশ্চিমাঞ্চলের হেডকোয়ার্টার
রাজশাহী এর অধীনে পরিচালন বিভাগ হবে পাকশী ও লালমনিরহাট। ৩. উত্তরাঞ্চলের
হেডকোয়ার্টার ময়মনসিংহ এবং পরিচালন বিভাগ হবে ময়মনসিংহ ও ঢাকা। ৪. দক্ষিণাঞ্চলের
হেডকোয়ার্টার থাকবে ফরিদপুর, এর পরিচালন বিভাগ হবে রাজবাড়ী ও
খুলনা। প্রস্তাবিত অঞ্চল ও বিভাগের কার্যক্রম শুরু করতে ভৌগলিক সীমা (স্কেচ
ম্যাপসহ), জনবল, আর্থিক সংশ্লেষ ও
প্রয়োজনীয় তথ্যাদিসহ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে
রেলপথ মন্ত্রণালয়। বর্তমান সরকারের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের ভবিষ্যৎ
কর্মপরিকল্পনার আওতায় দেশের প্রতিটি জেলায় রেলপথের বিস্তার ঘটবে। বর্তমানে এ জন্য  রেলখাতেও অনেক উন্নয়ন প্রকল্প চলমান। প্রকল্পগুলির প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থেই রেলওয়ের পরিচালন ক্ষেত্রকে
বিভক্ত করার সময়োপযোগী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনা অংশ
হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক আগে সেই ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবর রেলপথ
মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালেই বিদ্যমান দুটি অঞ্চলকে চারটি অঞ্চলে বিভক্ত করার অনুমোদন
দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রেলপথ মন্ত্রণালয় চারটি অঞ্চল ও আটটি পরিচালন বিভাগ
বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। দূরদর্শী চিন্তা আর
তা বাস্তবায়নে গৃহিত সময়োপযোগী উদ্যোগের যুগলবন্দীতে এভাবেই ক্রমশ গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ
বাংলাদেশের সুদৃঢ় ভিত্তি – এটাই সকলের প্রত্যাশা।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None