পোশাক খাতের নিরাপত্তায় গঠিত হলো সংস্কার সমন্বয় সেল

 

 

 

 

বাংলাদেশে পোশাকশিল্প খাতের নিরাপত্তা জোরদার করতে সংস্কার সমন্বয়
সেল গঠন করা হয়েছে। আরসিসি প্রাথমিকভাবে
১ হাজার ২৯৩টি কারখানা নিয়ে কাজ করবে। এ সেলের উদ্দেশ্য
হলো কারখানার নিরাপত্তা পরিদর্শন ও লাইসেন্সের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি নির্ধারণ ও
বাস্তবায়ন।  ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভের অধীনে পোশাক কারখানাগুলোর সংস্কার কাজ তদারকি
করা হবে। পোশাক খাত নিয়ে
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং ক্রেতারা অনেক কথা বলে, কিন্তু সঠিক মূল্য দেয়
না? ক্রেতারা আবার দামও কমিয়ে দিচ্ছে। এগুলো দ্বিমুখী নীতি।  সংস্কারকাজ চলছে, এ কারণে ছোট কারখানাগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।  পোশাক
খাত নিয়ে আমাদের চেয়ে তো দাতাদের চিন্তা বেশি, এটা ভালো।  তবে এ জন্য সহজ শর্তে আর্থিক সহায়তাও দিতে হবে।  এখন
থেকে অ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্স কাজ করতে
চাইলে আরসিসির অধীনে এসে করতে হবে। শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে
৫০ কোটি টাকা জমা পড়েছে। কোনো পোশাকশ্রমিক
কর্মক্ষেত্রে মারা গেলে তার পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা পাবেন। শ্রম আইন আরও যুগোপযোগী করা হচ্ছে। শ্রমিক-মালিক কোনো সমস্যা হলে
তারা নিজেরাই সমাধান করব। এ জন্য বিদেশিদের
হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হবে না। সরকার ও পোশাকশিল্প
মালিকদের দুই সংগঠন বিকেএমই ও বিজেএমইএর সহযোগিতায় এবং ট্রেড ইউনিয়ন ও ক্রেতাদের আলোচনায়
প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আরসিসি। এতে প্রযুক্তি সহায়তা
দিয়েছে আইএলও এবং অর্থায়ন করেছে কানাডা, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য।  এদের পোশাক খাতকে যে কোন মূল্যে সচল
রাখতে হবে।


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None