হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে

পাট একসময়কার বাংলাদেশের প্রধান অর্থকারী ফসল ছিল। কালের
বিবর্তনে তা হারিয়ে গিয়েছিল। পাটের সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার
বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যার ফলশ্রুতিতে ৫টি বন্ধ পাটকল চালু করা হয়েছে। পিপলস
জুট মিলস লি. (বর্তমানে খালিশপুর জুট মিলস লি. নামে), কওমী জুট মিলস লি.
(বর্তমানে জাতীয় জুট মিলস লি. নামে), দৌলতপুর জুট মিলস লি., কর্ণফুলী জুট মিলস লি. ও
ফোরাত-কর্ণফুলী কার্পেট ফ্যাক্টরি। এছাড়াও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক
ব্যবহার আইন-২০১০’ প্রণয়নের মাধ্যমে দেশে
ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সার, চিনি, মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ডাল, ধনিয়া, আলু, আটা, ময়দা, তুস-খুদ-কুড়া এই ১৭টি
পণ্যের মোড়কীকরণে পলিথিন ব্যাগের পরিবর্তে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার কার্যকর করা
হয়েছে। চীনের সরকারি সহায়তায় ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০-৬০ বছরের পুরনো ২৬টি
পাটকল পর্যায়ক্রমে ‘বিএমআরই’ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হয়েছে। বিশ্বের প্রধান পাটপণ্যের বাজারগুলোতে, আন্তর্জাতিক মেলায়, বিভিন্ন সেমিনারে
অংশগ্রহণ পূর্বক রপ্তানি বৃদ্ধির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও বিদেশি
সরকারি ক্রেতা সংস্থাগুলোর ব্যবসায়িক টেন্ডারে প্রতিনিধি প্রেরণপূর্বক ব্যবসা
সংগ্রহ করার প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে। এভাবে পাট পণ্য আমদানি রপ্তানি ও ব্যবহার
বাড়াতে সরকার নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ পরিচালনা করছেন।
দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের প্রচেষ্টাকে বেগবান করতে সবাইকে সমানভাবে উদ্যোগী
হতে হবে তাহলেই পাঁটের হারানো গৌরব ফিরে পাওয়া সম্ভব।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None