বিএনপির লোক দেখানো ভারত প্রীতি

 

বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল দেখে স্বয়ং বিধাতাও লজ্জায় মুখ
লুকাবেন। গিরগিটির রঙ পরিবর্তনের
মত পরক্ষনেই পরিবর্তন করে তাদের কথা, তাদের নীতি। দলের চেয়ারপারসন থেকে
শুরু করে নেতা কর্মী পর্যন্ত সবসময়ই প্রতিবেশী দেশ ভারতের কুৎসা রটনা করে
বেরিয়েছে। দেশের ভাবমুর্তিকে হেয় করার চেষ্টায় সক্রিয় দলটি। বিএনপি একসময় বলত আওয়ামীলীগ ভারতের এজেন্ট। এখন তারাই ভারতের এজন্টে হওয়ার জন্য ভারত বন্দনা শুরু করেছে।  অথচ এখন যখন নির্বাচনের বাতাস বইছে তখন
তারা চেষ্টা করছে ভারতের একটু আর্শীবাদ বা ছায়া পেতে। তাই একটু ভারত প্রীতির আলামত বাইরে বাইরে আভাস দিচ্ছে। পাল তোলা নৌকা যেমন বাতাসের অনুকূলেই চলে বিএনপিও এখন সেই পালে হাল ধরতে
ঝুঁকছে। বিএনপির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে তারা সময় বুঝে ভারত ভীতি, সময়বুঝে ভারত প্রীতি। বিএনপি হয়তো ভুলেই গেছে একটি গণতান্ত্রিক দেশে জনগণই শক্তির উৎস।  ক্ষমতায় বসাবে বাংলাদেশের জনগণ। কোন বিদেশী শক্তি ক্ষমতায় বসাবে না। বিএনপির বিদেশি চাটুকারিতা
দেখে মনে হয় তারা চাতক পাখির মত অপেক্ষায় বসে আছে বিদেশি শক্তির আশীর্বাদে ক্ষমতায়
যাওয়ার আশায়। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি ক্ষমতায় আসায় খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতারা বেশি
উৎফুল্ল হয়েছিল। এখন তারা দেখতে পাচ্ছে কংগ্রেস এর চেয়ে বিজেপির সঙ্গে বর্তমান সরকারের আরও বেশি
মধুর সম্পর্ক। কোনো নির্দিষ্ট দল বা সরকারের অগ্রগন্যতা নেই, সব দল বা
সরকারই সমান বর্তমান সরকারের কাছে। তাই এখন তাদের লোক দেখানো
ভারত প্রীতি কোনো কাজে আসবে না। বর্তমান সরকার জনবান্ধব ও উন্নয়নের সরকার, তাই জনগণ আর কোন ভুল করবে না।
দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই বাংলার জনগণ আবারও বর্তমান সরকারকেই ক্ষমতায় বসাবে। দেশের
প্রতিটি চাই দেশের প্রকৃত বন্ধুরাই ক্ষমতায় থাকুক।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None